প্রিন্ট এর তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২৬
বিদেশে যাবে মানসম্মত দক্ষ শ্রমিকঃ শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী
||
বিশেষ প্রতিনিধি,দৈনিক প্রথম সকাল।শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন দক্ষ কর্মী পাঠানো সম্ভব না হলে শুধু বিদেশগামী কর্মীর সংখ্যা বাড়িয়ে দেশের অর্থনীতিতে কাঙ্খিত সুফল পাওয়া যাবে না।আমরা বিদেশে কোয়ালিটি সম্পন্ন দক্ষ শ্রমিক পাঠাতে চাই।তিনি বলেন আমরা চাচ্ছি বিদেশ থেকে যে ধরণের চাহিদা আসে সেইভাবে ওই দেশের চাহিদা অনুযায়ি আমরা দক্ষ করে শ্রমিক পাঠাব। ইনশাআল্লাহ আমরা দক্ষ শ্রমিক তৈরী করব। ওইসব দেশের চাহিদা অনুযায়ি শ্রমিক পাঠানো হবে। অদ্য বৃহস্পতিবার ১ লা অক্টোবর চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজ সম্মেলন কক্ষে "চট্টগ্রামের সার্বিক শ্রম পরিস্থিতি পর্যালোচনা,কর্মক্ষেত্রে পেশাগত স্বাস্থ্য ও শোভন কর্মপরিবেশ নিশ্চিতকরণ" বিষয়ক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন।শ্রমমন্ত্রী বলেন দুর্ঘটনা ঘটলে যাতে শ্রমিকরা ন্যায্য বিচার পায় সেজন্য সরকার যথাযথ ব্যবস্থা নেবে।তিনি বলেন শ্রমিক দুর্ঘটনা ঘটলে একজন বিচারপতি,একজন আইনজীবী,জেলা প্রশাসনের এবং পুলিশের প্রতিনিধি নিয়ে একটা টিম করে দেয়া হবে। যাতে তাৎক্ষণিকভাবে কালক্ষেপণ না করে অন দ্যা স্পটে গিয়ে একটা সিদ্ধান্তে যেতে পারে সেই ব্যবস্থা নেয়া হবে। এতে শ্রমিকরা ন্যায্য বিচার পাবে। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী বলেন, দুর্ঘটনারোধে কিভাবে জাহাজভাঙ্গা শিল্পসহ বিভিন্ন কারখানায় শ্রমিকদের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি করা যায় সেজন্য আমরা প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করব। এটা থেকে বেরিয়ে আসতে হলে আমাদের সচেতনতার বিকল্প নেই। প্রয়োজনে শ্রমিক বেল্টে গিয়ে মাসখানেক ধরে সচেতনতা প্রোগ্রাম চালাতে হবে।কোন শ্রমিক দুর্ঘটনা হলে তাদের কিছু টাকা দিয়ে পাঠিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেন মালিকরা" সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী বলেন আজকে শ্রমিক প্রতিনিধিদের সাথেও এসব বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।মালিকরাও তাদের বক্তব্য রেখেছেন।প্রশাসনের পক্ষ থেকেও বক্তব্য আসছে। এ সমস্যাগুলো একদিনের নয়, দীর্ঘ সময়ের পুঞ্জিভুত সমস্যা। চট্টগ্রামে শ্রমিক-মালিকের আজকে পর্যন্ত যে সমস্যাগুলো আছে,সেখান থেকে কিভাবে বের হয়ে আসতে পারি আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে কতটুকু এই সমস্যগুলো সমাধানে যেতে পারি সেজন্য ওয়ার্কিং প্ল্যান করব।অনেকগুলো কারখানা বন্ধ হয়ে আছে সেগুলো চালুর কোন উদ্যোগ আছে কিনা সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় যারা দেশ থেকে সমস্ত টাকা পয়সা নিয়ে দেশের বাইরে চলে গেছে এদের কিছু কলকারখানা বন্ধ রয়েছে। ইন্ডাস্ট্রির নামে হাজার হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়ে বাইরে পাচার করে দিয়েছে তারা।এখন ব্যাংকের টাকার জন্য বিভিন্ন মিল কারখানা লে অফ করতেছে। আমরা চেষ্টা করতেছি শ্রমিকদেরকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য। তাদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের জন্য।
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক প্রথম সকাল । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত