প্রিন্ট এর তারিখ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৭ নভেম্বর ২০২৬
বৈধ ইজারা ও সীমানা নির্ধারণের পরও মিলছে না উত্তোলনের সুযোগ,বেকার শ্রমিকরা
||
করেসপন্ডেন্ট,দোয়ারাবাজার,সুনামগঞ্জ।সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলায় চেলা নদীর বৈধ ইজারাকৃত এলাকা থেকে বালু উত্তোলনে বিজিবির বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে বালু উত্তোলন ও পরিবহনের সঙ্গে জড়িত শ্রমিকরা কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। দীর্ঘদিন কাজ বন্ধ থাকায় জীবিকা নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন স্থানীয় অনেক পরিবার।ইজারাদার প্রতিষ্ঠান মেসার্স জিনান এন্টারপ্রাইজ কর্তৃপক্ষের দাবি ২০২৪ সাল থেকেই ইজারাকৃত এলাকার সীমানা নির্ধারণ করা রয়েছে।এরপরও বিজিবি নো ম্যানস ল্যান্ডের বাইরের নির্ধারিত এলাকা থেকেও বালু উত্তোলন করতে দিচ্ছে না। ফলে বৈধ ইজারা থাকা সত্ত্বেও বালু উত্তোলন কার্যক্রম চালানো সম্ভব হচ্ছে না। এতে বারকি শ্রমিকসহ সংশ্লিষ্ট শ্রমজীবী মানুষ বেকার হয়ে পড়েছেন।সরেজমিনে জানা যায় উপজেলার নরসিংপুর ইউনিয়নের সোনালী চেলা নদীতে বালু উত্তোলন বন্ধ থাকায় নদীকেন্দ্রিক শ্রমজীবী ও ব্যবসায়ীরা আর্থিক সংকটে পড়েছেন।স্থানীয় শ্রমিক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা প্রশাসন ও বিজিবির সমন্বয়ে বিষয়টি দ্রুত সমাধানের দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের প্রত্যাশা, নির্ধারিত সীমানা অনুযায়ী বৈধ ইজারাকৃত এলাকা থেকে সনাতন পদ্ধতিতে বালু উত্তোলনের সুযোগ নিশ্চিত করা হবে।এ সময় সাবেক ইউপি সদস্য জয়নাল আবেদীন,সোনালীচেলা সমবায় সমিতির সভাপতি জয়নাল মিয়া,আবু ছিদ্দিক, মোঃ খুকন মিয়া, মছন্দর আলী,হামিদুল হক অপি,নিজাম উদ্দিনসহ স্থানীয় শ্রমিক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।এ বিষয়ে সোনালীচেলা বিওপির বিজিবি ক্যাম্প কমান্ডার শরিফ বলেন, সীমানা নির্ধারণ করে বৈধভাবে ইজারাদাররা বালু উত্তোলন করলে তাঁদের কোনো বাধা নেই।এ ক্ষেত্রে তিনি সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলামের সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি আরও বলেন সীমান্ত পিলার থেকে নির্ধারিত দূরত্ব বজায় রেখে বালু উত্তোলন করতে হবে।অন্যদিকে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম বলেন, নদীর সীমানা আগেই নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। এরপরও ইজারাদার পক্ষ বালু উত্তোলন করতে না পারার বিষয়টি তাদের নিজস্ব ব্যর্থতা। বিজিবি কেন বাধা দিচ্ছে, তা তাঁর জানা নেই। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, 'সীমান্তে বিজিবি মোড়ল সেজে বসে আছে। তাদের কথা বলে লাভ নেই।'
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক প্রথম সকাল । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত