রাড্ডা ক্লিনিক দখল নিয়ে কঠোর বার্তাঃ ডা. শফিকুর রহমান
বিশেষ প্রতিবেদক,দৈনিক প্রথম সকাল।জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, রাতের অন্ধকারে রাড্ডা ক্লিনিক দখলের ঘটনায় অবশেষে সরকার ও সরকারি দল বাধ্য হয়ে সাংগঠনিক পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে। কিন্তু এত বড় অপকর্মের জন্য শুধু সাংগঠনিক পদক্ষেপ মোটেই যথেষ্ট নয়।অদ্য বৃহস্পতিবার ১ লা অক্টোবর দুপুর ২.৩০ মিনিটের দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।জামায়াত আমির বলেন কালপ্রিটদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিয়ে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। দেশবাসী দৃশ্যমান ও বিশ্বাসযোগ্য আইনি পদক্ষেপ দেখতে চায়।তিনি বলেন একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত ও লুণ্ঠিত স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি টেকসইভাবে পুনর্নির্মাণের দায়িত্বও সরকারকে পালন করতে হবে।৫০ বছরের বেশি পুরানো রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্র ভাংচুর,দখল ও লুটপাটের হানিফ মিয়াসহ স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের কয়েকজন নেতার নামও ঘটনায় আসে যারা এলাকায় সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত।সমমনা দোকানদার সমবায় সমিতি লিমিটেডের সঙ্গেও স্থানীয় বিএনপির কয়েকজনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায়।বিষয়টে নিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক সমালোচনা তৈরি হলে আজ ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টিকে পদত্যাগের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।দুপুরে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সঙ্গে দেখা করে তিনি পদত্যাগ পত্র জমা দেন।