ঢাকা শহরের যানজট নিরসন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক,আসছে অটোরিকশা চলাচলে নীতিমালা
নিজস্ব প্রতিবেদক,দৈনিক প্রথম সকাল। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ঢাকা শহরের যানজট নিরসন,ট্রাফিক ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং পরিবহণ খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।অদ্য শনিবার ২৯ শে আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।বৈঠকে ঢাকা মহানগরীর চলমান যানজট পরিস্থিতি,গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও ফ্লাইওভারে যানবাহনের চাপ,গণপরিবহণ ব্যবস্থাপনা,বাস টার্মিনাল পুনর্বিন্যাস,পার্কিং ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।বৈঠকে এক্সপ্রেসওয়ে ও ফ্লাইওভারের টোল প্লাজাগুলোতে ইটিসি (ইলেক্ট্রনিক টোল কালেকশন) সিস্টেম চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।এর মাধ্যমে টোল আদায় ব্যবস্থাকে আরও ধুনিক,দ্রুত ও প্রযুক্তিনির্ভর করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এ লক্ষ্যে একটি অ্যাপ ডেভেলপমেন্টের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আগামী চার মাসের মধ্যে এ কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। যাত্রাবাড়ী-গুলিস্তান ফ্লাইওভারের যানজট নিরসনযাত্রাবাড়ী-গুলিস্তান ফ্লাইওভারের আশপাশে দীর্ঘদিনের যানজট নিরসনের বিষয়েও বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) দেওয়া আগের প্রস্তুত করা প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে যানজট নিরসনে করণীয় নির্ধারণের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।এ বিষয়ে বুয়েটকে বিদ্যমান প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সুপারিশসহ একটি প্রতিবেদন আগামী ১৫ দিনের মধ্যে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। সিটি করপোরেশন ও ট্রাফিক পুলিশের সমন্বয়ে এ কার্যক্রম বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত হয়।ফুলবাড়িয়া বাস টার্মিনাল কেরানীগঞ্জে স্থানান্তরঢাকার গণপরিবহন ব্যবস্থাকে আরও সুশৃঙ্খল করতে ফুলবাড়িয়া বাস টার্মিনাল সরিয়ে কেরানীগঞ্জে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণ করে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। এই বাস টার্মিনালটি স্থানান্তর করা হলে রাজধানীর কেন্দ্রীয় অংশে বাস ও আন্তঃজেলা যানবাহনের চাপ কমানোর পাশাপাশি যানজট নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে বৈঠকে আলোচনা হয়।স্থায়ী বাস টার্মিনাল নির্মাণ যেহেতু দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্প তাই আগামীচার মাসের মধ্যে ঝিলমিল প্রকল্পের ১৫ একর জমিতে একটি অস্থায়ী বাস টার্মিনাল নির্মাণের সিদ্ধান্ত হয় বৈঠকে। গাবতলী বাস টার্মিনাল সম্প্রসারণসক্ষমতা বৃদ্ধি এবং যানবাহন ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করার লক্ষ্যে গাবতলী বাস টার্মিনালের পেছনের অংশ সম্প্রসারণের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয় বৈঠকে।এ কাজ দ্রুত বাস্তবায়নে সড়ক বিভাগ, ট্রাফিক পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।কারওয়ান বাজারের কিচেন মার্কেট গাবতলীতে স্থানান্তররাজধানীর যানজট কমাতে কারওয়ান বাজারের কিচেন মার্কেট সরিয়ে গাবতলীতে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।বৈঠকে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়।সচিবালয়ের আশপাশে পার্কিং ব্যবস্থাসচিবালয়ের চারপাশে যানজট নিরসনে পার্কিং ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়।এ লক্ষ্যে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত হয়। একই সঙ্গে প্রয়োজন অনুযায়ী বিকল্প পার্কিংয়ের স্থানও অনুসন্ধান করতে বলা হয়। সচিবালয়কেন্দ্রিক যানবাহনের চাপ নিয়ন্ত্রণ এবং আশপাশের সড়কে চলাচল স্বাভাবিক রাখতে এ উদ্যোগ নেওয়া হবে। অটোরিকশা চলাচলে নীতিমালাঢাকা শহরে অটোরিকশা চলাচলকে আরও সুশৃঙ্খল ও নিয়ন্ত্রিত করতে একটি পৃথক নীতিমালা প্রণয়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।অনুমোদনহীন ডাবল ডেকার স্লিপার বাসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাএ ছাড়া অনুমোদনহীন ডাবল ডেকার স্লিপার বাসের চলাচলের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী রাজধানীর যানজট নিরসনে বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কাজগুলো সম্পন্ন করতে সবার আন্তরিক প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।এ সময় বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ,সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম,স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম,পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস,ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম,মন্ত্রিপরিষদ সচিব,প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা,৩ রাতে ৩০০ লক্ষ্যবস্তু বিধ্বস্ত
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট,দৈনিক প্রথম সকাল। পানি সম্পদমন্ত্রী মোঃ শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন ফারাক্কা পানি বণ্টন চুক্তি নবায়নে পানির অধিকার,কৃষি,খাদ্য নিরাপত্তা,পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।ক্রমবর্ধমান বাস্তবতায় দেশের স্বার্থ রক্ষা করে পানি নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দিয়ে ফারাক্কা চুক্তি নবায়ন করা হবে।অদ্য মঙ্গলবার ১৮ ই আগস্ট বিকালে রাজধানীর ধান বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ল অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স (বিআইএলআইএ) আয়োজিত "গঙ্গা পানি চুক্তি,পুনর্নবায়ন" শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।এ সময় পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ উপস্থিত ছিলেন।পানি সম্পদমন্ত্রী আরও বলেন ১৯৭৭ইং সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়ে করা ফারাক্কা চুক্তি ছিল সবচেয়ে কার্যকর।১৯৭৭ ইং সালের চুক্তিতে পানি পাওয়ার গ্যারান্টি ক্লজ ছিল।কিন্তু ১৯৯৬ ইং সালের চুক্তিতে সেই গ্যারান্টি ক্লজ বাদ দেওয়া হয়েছে।চুক্তি নবায়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে আমরা কাজ করছি।বাংলাদেশের স্বার্থকে সম্মান জানানো,মানুষের মনোভাবকে গুরুত্ব দেওয়া এবং পানির ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় প্রতিবেশী দেশের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি। প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের ৫৪টি আন্তঃসীমান্ত নদী রয়েছে।এসব নদীর বেশিরভাগেরই নাব্যতা নেই।নদীতে নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী,খাল ও জলাশয় খননের পরিকল্পনা নিয়েছেন।তিনি উপযুক্ত ব্যক্তিদের মাধ্যমে যৌথ নদী কমিশনকে শক্তিশালী করার উদ্যোগের কথাও জানান।সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিআইএলআইএর চেয়ারম্যান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. বোরহান উদ্দিন খান। আলোচনায় অংশ নেন স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক এম ফিরোজ আহমেদসহ অন্যরা।
তেল বাণিজ্যে খুলছে ইরানের দুয়ার
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট,দৈনিক প্রথম সকাল। পানি সম্পদমন্ত্রী মোঃ শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন ফারাক্কা পানি বণ্টন চুক্তি নবায়নে পানির অধিকার,কৃষি,খাদ্য নিরাপত্তা,পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।ক্রমবর্ধমান বাস্তবতায় দেশের স্বার্থ রক্ষা করে পানি নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দিয়ে ফারাক্কা চুক্তি নবায়ন করা হবে।অদ্য মঙ্গলবার ১৮ ই আগস্ট বিকালে রাজধানীর ধান বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ল অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স (বিআইএলআইএ) আয়োজিত "গঙ্গা পানি চুক্তি,পুনর্নবায়ন" শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।এ সময় পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ উপস্থিত ছিলেন।পানি সম্পদমন্ত্রী আরও বলেন ১৯৭৭ইং সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়ে করা ফারাক্কা চুক্তি ছিল সবচেয়ে কার্যকর।১৯৭৭ ইং সালের চুক্তিতে পানি পাওয়ার গ্যারান্টি ক্লজ ছিল।কিন্তু ১৯৯৬ ইং সালের চুক্তিতে সেই গ্যারান্টি ক্লজ বাদ দেওয়া হয়েছে।চুক্তি নবায়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে আমরা কাজ করছি।বাংলাদেশের স্বার্থকে সম্মান জানানো,মানুষের মনোভাবকে গুরুত্ব দেওয়া এবং পানির ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় প্রতিবেশী দেশের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি। প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের ৫৪টি আন্তঃসীমান্ত নদী রয়েছে।এসব নদীর বেশিরভাগেরই নাব্যতা নেই।নদীতে নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী,খাল ও জলাশয় খননের পরিকল্পনা নিয়েছেন।তিনি উপযুক্ত ব্যক্তিদের মাধ্যমে যৌথ নদী কমিশনকে শক্তিশালী করার উদ্যোগের কথাও জানান।সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিআইএলআইএর চেয়ারম্যান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. বোরহান উদ্দিন খান। আলোচনায় অংশ নেন স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক এম ফিরোজ আহমেদসহ অন্যরা।
দক্ষ জনশক্তি গড়তে কারিগরি শিক্ষার বিকল্প নেই : হুইপ
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট,দৈনিক প্রথম সকাল। পানি সম্পদমন্ত্রী মোঃ শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন ফারাক্কা পানি বণ্টন চুক্তি নবায়নে পানির অধিকার,কৃষি,খাদ্য নিরাপত্তা,পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।ক্রমবর্ধমান বাস্তবতায় দেশের স্বার্থ রক্ষা করে পানি নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দিয়ে ফারাক্কা চুক্তি নবায়ন করা হবে।অদ্য মঙ্গলবার ১৮ ই আগস্ট বিকালে রাজধানীর ধান বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ল অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স (বিআইএলআইএ) আয়োজিত "গঙ্গা পানি চুক্তি,পুনর্নবায়ন" শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।এ সময় পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ উপস্থিত ছিলেন।পানি সম্পদমন্ত্রী আরও বলেন ১৯৭৭ইং সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়ে করা ফারাক্কা চুক্তি ছিল সবচেয়ে কার্যকর।১৯৭৭ ইং সালের চুক্তিতে পানি পাওয়ার গ্যারান্টি ক্লজ ছিল।কিন্তু ১৯৯৬ ইং সালের চুক্তিতে সেই গ্যারান্টি ক্লজ বাদ দেওয়া হয়েছে।চুক্তি নবায়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে আমরা কাজ করছি।বাংলাদেশের স্বার্থকে সম্মান জানানো,মানুষের মনোভাবকে গুরুত্ব দেওয়া এবং পানির ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় প্রতিবেশী দেশের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি। প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের ৫৪টি আন্তঃসীমান্ত নদী রয়েছে।এসব নদীর বেশিরভাগেরই নাব্যতা নেই।নদীতে নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী,খাল ও জলাশয় খননের পরিকল্পনা নিয়েছেন।তিনি উপযুক্ত ব্যক্তিদের মাধ্যমে যৌথ নদী কমিশনকে শক্তিশালী করার উদ্যোগের কথাও জানান।সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিআইএলআইএর চেয়ারম্যান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. বোরহান উদ্দিন খান। আলোচনায় অংশ নেন স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক এম ফিরোজ আহমেদসহ অন্যরা।
প্রতিদিনের বাংলাদেশ পত্রিকায় ‘ক্রাইম রিপোর্টার’ নিয়োগ
প্রতিদিনের বাংলাদেশ
হাজীরহাটে সিআর ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী গ্রেফতার
ফরিদগঞ্জের ঘনিয়া সাঈদিয়া কামিল (এমএ) মাদরাসা শিক্ষার মান উন্নয়নে আলোচনা সভা
চামড়া সংরক্ষণে বিনামূল্যে ৩০ হাজার টন লবণ দেবে সরকার
নকল ব্যান্ডরোল সিন্ডিকেটে অভিযান,আরও ২ জনকে খুঁজছে পুলিশ
পুরোনো রাউটারকে বানিয়ে ফেলুন ওয়াই-ফাই এক্সটেন্ডার
এম এ হান্নান এমপি- মৎস্য ও প্রানী সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটির সদস্য হওয়া সংবর্ধনা
অন্য কেউ আপনার জিমেইল ব্যবহার করছে? এখনই ব্যবস্থা না নিলে হ্যাকিংয়ের ঝুঁকি!
মিঠামইনে শহীদ আব্দুল গনি ভূইয়ার শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
বাজেটে কৃষি খাতে ৪০ শতাংশ উন্নয়ন বরাদ্দের দাবি
রাশিয়ার শ্রম বাজারে ১ লাখ কর্মী পাঠাতে চায় বাংলাদেশ
নিখোঁজের একদিন পর বিষখালি নদী থেকে বৃদ্ধির মরাদেহ উদ্ধার
চকলেটের প্রলোভনে ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ,বৃদ্ধ আটক
চাঁপাইনবাবগঞ্জে চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার,চোর চক্রের ৬ সদস্য গ্রেফতার
হাজারীবাগ থানার অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত মোট ১৫ জন গ্রেফতার
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় হাজীরহাট পুলিশের তৎপরতা,ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেফতার
শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক ও আইনগত উদ্যোগ অব্যাহতঃ স্থায়ী কমিটি
ধামরাইয়ে সিএনজি ও ট্রাকের সংঘর্ষে ৩ জন নিহত
ঘুস খাওয়ার প্রতিযোগিতা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন হাসনাত আবদুল্লাহ
কুড়িগ্রামে এগিয়ে চলছে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি,বাড়ছে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও মনোযোগ
তারাগঞ্জে অজ্ঞাত যানের ধাক্কায় নারীর নির্মম মৃত্যু
শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক ও আইনগত উদ্যোগ অব্যাহতঃ স্থায়ী কমিটি
নিজস্ব প্রতিবেদক,দৈনিক প্রথম সকাল। জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে দেশের পররাষ্ট্রনীতি পরিচালনা,অবৈধ অভিবাসন ও মানব পাচার নিয়ন্ত্রণ,ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনা এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি।অদ্য বৃহস্পতিবার ১৭ ই সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদ ভবনে কমিটির দ্বিতীয় বৈঠকে শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সরকারের অবস্থান তুলে ধরা হয়।বৈঠকে জানানো হয় তাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশ সরকার প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক ও আইনগত উদ্যোগ অব্যাহত রেখেছে।কমিটির সভাপতি জহরত আদিব চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ভারসাম্যপূর্ণ রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। এতে বলা হয়,প্রতিটি দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের অংশীদারিত্ব থাকবে। তবে দেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়েই পররাষ্ট্রনীতি ও কূটনৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রীও "বাংলাদেশ ফার্স্ট"নীতিতে গুরুত্বারোপ করেছেন বলে বৈঠকে উল্লেখ করা হয়।বৈঠকে অবৈধ অভিবাসন ও মানব পাচার নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়।আলোচনায় বলা হয় অতীতে বিদেশে কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়ায় গুরুতর পদ্ধতিগত দুর্বলতা ছিল।যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়াই কর্মী পাঠানোর কারণে দীর্ঘদিন ধরে তৈরি হওয়া বিভিন্ন সমস্যা এখন মোকাবিলা করতে হচ্ছে।এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে প্রবাসী কর্মীদের তথ্য ও নথিপত্রের যথাযথ সত্যায়ন বা ‘অথেন্টিকেশন’ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। একই সঙ্গে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে একটি স্বচ্ছ ও কার্যকর প্রক্রিয়া গড়ে তোলার সুপারিশ করা হয়।উপযুক্ত ও যাচাই করা রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে প্রবাসী কর্মীদের বিদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা জোরদারের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়। নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত এবং প্রবাসী কর্মীদের স্বার্থ সুরক্ষায় প্রথমবারের মতো পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ‘মাইগ্রেশন উইং’ চালু করা হয়েছে বলেও বৈঠকে জানানো হয়।সম্ভাব্য অভিবাসীদের দালাল ও অননুমোদিত মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রতারণা থেকে সুরক্ষায় তৃণমূল পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।এ লক্ষ্যে সামাজিক সচেতনতামূলক প্রচারাভিযান পরিচালনা এবং বৈধ অভিবাসন প্রক্রিয়া সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে অবহিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।এদিকে বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকটের সর্বশেষ পরিস্থিতি ও সমাধানে অগ্রগতিও পর্যালোচনা করা হয়। সংকটের বাস্তব পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখতে আগামী অক্টোবর মাসে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনের আশা প্রকাশ করেছে কমিটি।বৈঠকে কমিটির সদস্য ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম,মোঃ আমানউল্লাহ আমান,এস কে আজিজুল বারী,এ বি এম মোশাররফ হোসেন ও সানজিদা ইসলাম অংশ নেন।কমিটির বিশেষ আমন্ত্রণে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরও বৈঠকে অংশ নেন।এ ছাড়া বৈঠকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।