ঢাকা   শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬
দৈনিক প্রথম সকাল

নতুন দায়িত্বে ফয়সল আমীন ও এলিজা জামান,নিলেন শপথ

বিশেষ প্রতিনিধি,দৈনিক প্রথম সকাল।  ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নবনির্বাচিত দুই সংসদ-সদস্য শপথ গ্রহণ করেছেন।শপথ নেওয়া দুই সংসদ সদস্য হলেন মির্জা ফয়সল আমীন ও এলিজা জামান।মঙ্গলবার ৩ রা নভেম্বর দুপুর ১২টায় জাতীয় সংসদ ভবনে স্পিকারের কার্যালয়ে তাদের শপথ পড়ান জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মোঃ গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়ার সঞ্চালনায় শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।এতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ উপস্থিত ছিলেন।সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদের তৃতীয় তফসিল এবং জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির ৫ অনুযায়ী স্পিকার নবনির্বাচিত সংসদ-সদস্যদের শপথ পড়ান।শপথ গ্রহণ শেষে দুই সংসদ সদস্য রীতি অনুযায়ী সংসদ সচিবের কক্ষে শপথ বইয়ে স্বাক্ষর করেন।অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার, চিফ হুইপ, অন্যান্য হুইপ, সংসদ-সদস্য এবং সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা,৩ রাতে ৩০০ লক্ষ্যবস্তু বিধ্বস্ত

নিজস্ব প্রতিনিধি,দৈনিক প্রথম সকাল। বিএনপির সংসদীয় দলের সভায় বিদায়ী বক্তব্য দেওয়ার সময় আবেগ ধরে রাখতে পারেননি দলের সদ্য সাবেক মহাসচিব ও রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।বক্তব্যের একপর্যায়ে কয়েকবার কেঁদে ফেলেন তিনি।আবেগঘন কণ্ঠে নেতাকর্মীদের কাছে দোয়া কামনার পাশাপাশি আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তাকে ভোট দেওয়ার অনুরোধ জানান।তার বক্তব্য ঘিরে সভাকক্ষে এক আবেগময় পরিবেশের সৃষ্টি হয়।এ সময় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকেও আবেগাপ্লুত হতে দেখা যায়।অদ্য বুধবার ১৯ শে আগস্ট জাতীয় সংসদ ভবনের সরকারি দলের সভাকক্ষে বিএনপির সংসদীয় দলের বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে দুপুর ২টায় শুরু হওয়া সভা চলে প্রায় দেড় ঘণ্টা।জানা যায় সভায় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি স্বাগত বক্তব্য দেন।তিনি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পর্কে সংসদ সদস্যদের বিস্তারিত ধারণা দেন এবং মির্জা ফখরুল ইসলামের পক্ষে ভোট চান।তিনি সংসদ সদস্যদের জানান আগামীকাল বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং মির্জা ফখরুল ইসলাম নিজেও ভোট দেবেন।রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করলে তার ঠাকুরগাঁও-৩ আসনটি শূন্য হবে।কান্নাজড়িত কণ্ঠে দোয়া চাইলেন ফখরুলএরপর বক্তব্য দিতে দাঁড়ান বিএনপির সদ্যবিদায়ী মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।সভায় উপস্থিত একাধিক সংসদ সদস্যের ভাষ্য, বক্তব্যের শুরুতেই তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এবং কান্নায় ভেঙে পড়েন।বক্তব্যে তিনি বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করেন এবং তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। একই সঙ্গে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে।কৃতজ্ঞতা জানান দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতিও।বিএনপিতে যোগ দেওয়ার পর জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও মহাসচিব হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালনের কথা তুলে ধরেন মির্জা ফখরুল। দায়িত্ব পালনের সময়ে কোনো ভুলভ্রান্তি হয়ে থাকলে কিংবা অজান্তে কারো মনে আঘাত দিয়ে থাকলে তিনি ক্ষমাপ্রার্থী বলেও জানান।তিনি বলেন দল তাকে যে সম্মান ও দায়িত্ব দিয়েছে, জীবন দিয়ে হলেও তিনি সেই সম্মান রক্ষা করবেন। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো আপস করবেন না।বঙ্গভবনে যাওয়ার পর সহকর্মীদের মিস করবেন উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল সবার কাছে দোয়া চান।একই সঙ্গে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তার পক্ষে ভোট দেওয়ার জন্য দলীয় সংসদ সদস্যদের প্রতি আহবান জানান তিনি।সভায় অংশ নেওয়া একাধিক সংসদ সদস্য জানান কয়েক মিনিটের বক্তব্যে চার-পাঁচবার কেঁদেছিলেন মির্জা ফখরুল।এতে সভাকক্ষে আবেগঘন পরিবেশ তৈরি হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

তেল বাণিজ্যে খুলছে ইরানের দুয়ার

নিজস্ব প্রতিনিধি,দৈনিক প্রথম সকাল। বিএনপির সংসদীয় দলের সভায় বিদায়ী বক্তব্য দেওয়ার সময় আবেগ ধরে রাখতে পারেননি দলের সদ্য সাবেক মহাসচিব ও রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।বক্তব্যের একপর্যায়ে কয়েকবার কেঁদে ফেলেন তিনি।আবেগঘন কণ্ঠে নেতাকর্মীদের কাছে দোয়া কামনার পাশাপাশি আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তাকে ভোট দেওয়ার অনুরোধ জানান।তার বক্তব্য ঘিরে সভাকক্ষে এক আবেগময় পরিবেশের সৃষ্টি হয়।এ সময় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকেও আবেগাপ্লুত হতে দেখা যায়।অদ্য বুধবার ১৯ শে আগস্ট জাতীয় সংসদ ভবনের সরকারি দলের সভাকক্ষে বিএনপির সংসদীয় দলের বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে দুপুর ২টায় শুরু হওয়া সভা চলে প্রায় দেড় ঘণ্টা।জানা যায় সভায় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি স্বাগত বক্তব্য দেন।তিনি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পর্কে সংসদ সদস্যদের বিস্তারিত ধারণা দেন এবং মির্জা ফখরুল ইসলামের পক্ষে ভোট চান।তিনি সংসদ সদস্যদের জানান আগামীকাল বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং মির্জা ফখরুল ইসলাম নিজেও ভোট দেবেন।রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করলে তার ঠাকুরগাঁও-৩ আসনটি শূন্য হবে।কান্নাজড়িত কণ্ঠে দোয়া চাইলেন ফখরুলএরপর বক্তব্য দিতে দাঁড়ান বিএনপির সদ্যবিদায়ী মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।সভায় উপস্থিত একাধিক সংসদ সদস্যের ভাষ্য, বক্তব্যের শুরুতেই তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এবং কান্নায় ভেঙে পড়েন।বক্তব্যে তিনি বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করেন এবং তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। একই সঙ্গে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে।কৃতজ্ঞতা জানান দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতিও।বিএনপিতে যোগ দেওয়ার পর জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও মহাসচিব হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালনের কথা তুলে ধরেন মির্জা ফখরুল। দায়িত্ব পালনের সময়ে কোনো ভুলভ্রান্তি হয়ে থাকলে কিংবা অজান্তে কারো মনে আঘাত দিয়ে থাকলে তিনি ক্ষমাপ্রার্থী বলেও জানান।তিনি বলেন দল তাকে যে সম্মান ও দায়িত্ব দিয়েছে, জীবন দিয়ে হলেও তিনি সেই সম্মান রক্ষা করবেন। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো আপস করবেন না।বঙ্গভবনে যাওয়ার পর সহকর্মীদের মিস করবেন উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল সবার কাছে দোয়া চান।একই সঙ্গে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তার পক্ষে ভোট দেওয়ার জন্য দলীয় সংসদ সদস্যদের প্রতি আহবান জানান তিনি।সভায় অংশ নেওয়া একাধিক সংসদ সদস্য জানান কয়েক মিনিটের বক্তব্যে চার-পাঁচবার কেঁদেছিলেন মির্জা ফখরুল।এতে সভাকক্ষে আবেগঘন পরিবেশ তৈরি হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

দক্ষ জনশক্তি গড়তে কারিগরি শিক্ষার বিকল্প নেই : হুইপ

নিজস্ব প্রতিনিধি,দৈনিক প্রথম সকাল। বিএনপির সংসদীয় দলের সভায় বিদায়ী বক্তব্য দেওয়ার সময় আবেগ ধরে রাখতে পারেননি দলের সদ্য সাবেক মহাসচিব ও রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।বক্তব্যের একপর্যায়ে কয়েকবার কেঁদে ফেলেন তিনি।আবেগঘন কণ্ঠে নেতাকর্মীদের কাছে দোয়া কামনার পাশাপাশি আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তাকে ভোট দেওয়ার অনুরোধ জানান।তার বক্তব্য ঘিরে সভাকক্ষে এক আবেগময় পরিবেশের সৃষ্টি হয়।এ সময় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকেও আবেগাপ্লুত হতে দেখা যায়।অদ্য বুধবার ১৯ শে আগস্ট জাতীয় সংসদ ভবনের সরকারি দলের সভাকক্ষে বিএনপির সংসদীয় দলের বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে দুপুর ২টায় শুরু হওয়া সভা চলে প্রায় দেড় ঘণ্টা।জানা যায় সভায় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি স্বাগত বক্তব্য দেন।তিনি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পর্কে সংসদ সদস্যদের বিস্তারিত ধারণা দেন এবং মির্জা ফখরুল ইসলামের পক্ষে ভোট চান।তিনি সংসদ সদস্যদের জানান আগামীকাল বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং মির্জা ফখরুল ইসলাম নিজেও ভোট দেবেন।রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করলে তার ঠাকুরগাঁও-৩ আসনটি শূন্য হবে।কান্নাজড়িত কণ্ঠে দোয়া চাইলেন ফখরুলএরপর বক্তব্য দিতে দাঁড়ান বিএনপির সদ্যবিদায়ী মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।সভায় উপস্থিত একাধিক সংসদ সদস্যের ভাষ্য, বক্তব্যের শুরুতেই তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এবং কান্নায় ভেঙে পড়েন।বক্তব্যে তিনি বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করেন এবং তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। একই সঙ্গে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে।কৃতজ্ঞতা জানান দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতিও।বিএনপিতে যোগ দেওয়ার পর জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও মহাসচিব হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালনের কথা তুলে ধরেন মির্জা ফখরুল। দায়িত্ব পালনের সময়ে কোনো ভুলভ্রান্তি হয়ে থাকলে কিংবা অজান্তে কারো মনে আঘাত দিয়ে থাকলে তিনি ক্ষমাপ্রার্থী বলেও জানান।তিনি বলেন দল তাকে যে সম্মান ও দায়িত্ব দিয়েছে, জীবন দিয়ে হলেও তিনি সেই সম্মান রক্ষা করবেন। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো আপস করবেন না।বঙ্গভবনে যাওয়ার পর সহকর্মীদের মিস করবেন উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল সবার কাছে দোয়া চান।একই সঙ্গে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তার পক্ষে ভোট দেওয়ার জন্য দলীয় সংসদ সদস্যদের প্রতি আহবান জানান তিনি।সভায় অংশ নেওয়া একাধিক সংসদ সদস্য জানান কয়েক মিনিটের বক্তব্যে চার-পাঁচবার কেঁদেছিলেন মির্জা ফখরুল।এতে সভাকক্ষে আবেগঘন পরিবেশ তৈরি হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

প্রতিদিনের বাংলাদেশ পত্রিকায় ‘ক্রাইম রিপোর্টার’ নিয়োগ

প্রতিদিনের বাংলাদেশ

চাপরতলা ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী উপজেলা যুবদলের সভাপতি মোঃ জামাল আহমেদ

চাপরতলা ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী উপজেলা যুবদলের সভাপতি মোঃ জামাল আহমেদ

তৃণমূলের মাঠ থেকে বিসিবির বোর্ডে,লালমনিরহাটের ক্রিকেট তারকা ফরিদ হোসেন

তৃণমূলের মাঠ থেকে বিসিবির বোর্ডে,লালমনিরহাটের ক্রিকেট তারকা ফরিদ হোসেন

সৈয়দ আবেদ উল্লাহ নিউটন চেয়ারম্যান প্রার্থী ও তার রাজনৈতিক পরিচয় এবং পারিবারিক ব্যাকগ্রাউন্ড

সৈয়দ আবেদ উল্লাহ নিউটন চেয়ারম্যান প্রার্থী ও তার রাজনৈতিক পরিচয় এবং পারিবারিক ব্যাকগ্রাউন্ড

হাজীরহাটে সিআর ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী গ্রেফতার

হাজীরহাটে সিআর ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী গ্রেফতার

ফরিদগঞ্জের ঘনিয়া সাঈদিয়া কামিল (এমএ) মাদরাসা শিক্ষার মান উন্নয়নে আলোচনা সভা

ফরিদগঞ্জের ঘনিয়া সাঈদিয়া কামিল (এমএ) মাদরাসা শিক্ষার মান উন্নয়নে আলোচনা সভা

চামড়া সংরক্ষণে  বিনামূল্যে ৩০ হাজার টন লবণ দেবে সরকার

চামড়া সংরক্ষণে বিনামূল্যে ৩০ হাজার টন লবণ দেবে সরকার

নকল ব্যান্ডরোল সিন্ডিকেটে অভিযান,আরও ২ জনকে খুঁজছে পুলিশ

নকল ব্যান্ডরোল সিন্ডিকেটে অভিযান,আরও ২ জনকে খুঁজছে পুলিশ

এম এ হান্নান এমপি- মৎস্য ও প্রানী সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটির সদস্য হওয়া সংবর্ধনা

এম এ হান্নান এমপি- মৎস্য ও প্রানী সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটির সদস্য হওয়া সংবর্ধনা

সিআইডি পুলিশের স্ত্রীর মামলায় ৩ সাংবাদিকের জামিন করালো বিএমএসএফের আইনজীবীরা

সিআইডি পুলিশের স্ত্রীর মামলায় ৩ সাংবাদিকের জামিন করালো বিএমএসএফের আইনজীবীরা

পুরোনো রাউটারকে বানিয়ে ফেলুন ওয়াই-ফাই এক্সটেন্ডার

পুরোনো রাউটারকে বানিয়ে ফেলুন ওয়াই-ফাই এক্সটেন্ডার

প্রতিবন্ধীদের মুখে হাসি ফোটাতে পাশে দাঁড়ালেন এমপি হাসান রাজীব প্রধান

প্রতিবন্ধীদের মুখে হাসি ফোটাতে পাশে দাঁড়ালেন এমপি হাসান রাজীব প্রধান

কুড়িগ্রামে মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় ছুরিকাঘাত,স্বামী নিহত স্ত্রী গুরুতর আহত

কুড়িগ্রামে মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় ছুরিকাঘাত,স্বামী নিহত স্ত্রী গুরুতর আহত

প্রত্যাশিত সিরাজগঞ্জ এর প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে সংবর্ধনা পেল দরিদ্র কৃতি শিক্ষার্থীরা

প্রত্যাশিত সিরাজগঞ্জ এর প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে সংবর্ধনা পেল দরিদ্র কৃতি শিক্ষার্থীরা

রাজশাহীতে ৭ ই নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত

রাজশাহীতে ৭ ই নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত

ভবানীগঞ্জ সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত

ভবানীগঞ্জ সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত

কলাকোপায় চক্ষু পরীক্ষা ও ছানি রোগী বাছাই কর্মসূচি

কলাকোপায় চক্ষু পরীক্ষা ও ছানি রোগী বাছাই কর্মসূচি

লক্ষ্মীপুরের মেয়ে হোমায়রা হিমু,তিন বছরেও কাটেনি মৃত্যু রহস্য

লক্ষ্মীপুরের মেয়ে হোমায়রা হিমু,তিন বছরেও কাটেনি মৃত্যু রহস্য

সাত বড় গাছ কেঁটে প্রাইমারি স্কুলের জমিতে রাতারাতি মাদ্রাসা স্থাপনে মান্দারতলাবাসীর উদ্বেগ

সাত বড় গাছ কেঁটে প্রাইমারি স্কুলের জমিতে রাতারাতি মাদ্রাসা স্থাপনে মান্দারতলাবাসীর উদ্বেগ

স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকারঃ আল-আমিন হালদার

স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকারঃ আল-আমিন হালদার

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে জিয়ার সমাধিতে বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেনের শ্রদ্ধা নিবেদন

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে জিয়ার সমাধিতে বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেনের শ্রদ্ধা নিবেদন

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে জিয়ার সমাধিতে বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেনের শ্রদ্ধা নিবেদন

নেজাম উদ্দীন,করেসপন্ডেন্ট,রাঙ্গুনিয়া,চট্রগ্রাম। ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন পোমরা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন।অদ্য শনিবার ৭ ই নভেম্বর রাঙ্গুনিয়ার জিয়ানগরস্থ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে তিনি এ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।এ সময় পুষ্পস্তবক অর্পণের পর কিছুক্ষণ নীরবতা পালন করেন তিনি। পরে জিয়ারত ও বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান,সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং শহীদ সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।এ ছাড়া দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে নিহত নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক সহিংসতার শিকার সকল শহীদের আত্মার শান্তি কামনায় দোয়া করা হয়।এ সময় মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন বলেন "১৯৭৫ ইং সালের ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ দিন। ঐতিহাসিক এই ঘটনার মধ্য দিয়ে দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছিল। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা, জাতীয় ঐক্য ও বহুদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁর রাজনৈতিক দর্শন ও দেশপ্রেম আগামী প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে"।তিনি আরও বলেন জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের মূল চেতনা ধারণ করে দেশ,জনগণ ও গণতন্ত্রের স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও মানুষের অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার কোনো বিকল্প নেই।তিনি বলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও দেশপ্রেমকে ধারণ করে তৃণমূল পর্যায়ে বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।শ্রদ্ধা নিবেদন জিয়ারত ও দোয়া অনুষ্ঠানে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনের মধ্যে তিন শ্রমিক নেতা আটক,মুক্তির দাবি বিভিন্ন সংগঠনের

জীবন দেওয়ান উজ্জ্বল,নিজস্ব প্রতিবেদক। তৈরি পোশাকশিল্পের শ্রমিকদের ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণসহ বিভিন্ন দাবিতে চলমান আন্দোলনের মধ্যে উসকানি দেওয়ার অভিযোগ ও অন্যান্য ঘটনায় তিন শ্রমিক নেতাকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। এদিকে শ্রমিক নেতাদের আটকের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে তাঁদের নিঃশর্ত মুক্তি এবং হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতারা।প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী আটক শ্রমিক নেতারা হলেন-জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের আশুলিয়া থানা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ হালিম, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ট্রেড ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মোঃ শামীম এবং বাংলাদেশ টেক্সটাইল গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মনসুর আলী।জানা গেছে মোঃ হালিমকে আশুলিয়ার বসুন্ধরা সোনিয়া মার্কেট এলাকা থেকে ঢাকা জেলা (উত্তর) গোয়েন্দা পুলিশ আটক করে।অন্যদিকে মোঃ শামীম ও মোঃ মনসুর আলীকে জিরাবো এলাকা থেকে আটক করা হয়।এদিকে পোশাকশ্রমিকদের নতুন ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণের লক্ষ্যে সরকার গঠিত ছয় সদস্যের মজুরি বোর্ডে শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বাবুল আখতার।তিনি বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক। পাশাপাশি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনও মজুরি বোর্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন।অন্য দিকে শ্রমিক অসন্তোষ নিরসন,শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং মালিক-শ্রমিকের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের বিভিন্ন উদ্যোগে যুক্ত রয়েছেন শ্রমিক নেত্রী নাজমা আক্তার,আবুল হোসাইন ও লাভলী ইয়াসমিন।শ্রমিক সংগঠনগুলোর নেতাদের দাবি, শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি, চাকরির নিরাপত্তা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে কোনো শ্রমিক নেতা যেন হয়রানির শিকার না হন,তা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে আটক নেতাদের মুক্তি এবং তাঁদের বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।পোশাকশিল্প দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। তাই শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি, মালিকপক্ষের স্বার্থ এবং শিল্পের স্থিতিশীলতা বিবেচনায় নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে চলমান সংকটের সমাধান জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।আটক শ্রমিক নেতাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে তাঁদের বক্তব্য এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিস্তারিত ব্যাখ্যা পাওয়া গেলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।

সব বিভাগের খবর

সিরাজগঞ্জে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে আ.লীগ ও ছাত্রলীগের ৬ নেতা গ্রেফতার,কারাগারে প্রেরণ

 মোঃ আব্দুর রব মনসুর,সিরাজগঞ্জ। সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় রাতভর অভিযান চালিয়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠন ছাত্রলীগের ৬ জন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে সিরাজগঞ্জ সদর থানা পুলিশ।গতকাল বুধবার ৪ ঠা নভেম্বর দিবাগত রাতে জেলার বিভিন্ন স্থানে পৃথক অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেফতার করা হয়।অদ্য বৃহস্পতিবার ৫ ই নভেম্বর দুপুরে সন্ত্রাস বিরোধী আইনের মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে তাঁদের আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।সিরাজগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ রাকিবুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে বুধবার রাতে সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকার মাহমুদপুর এবং সদর উপজেলার ছোনগাছা, শিয়ালকোল ও সয়দাবাদ ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে অভিযান চালানো হয়।অভিযানে গ্রেপ্তারকৃতরা হলেনঃ —# মোঃ শামসুল আলম (৪৭): শিয়ালকোল ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি (শিলন্দা গ্রামের আবু তালেবের ছেলে)।# মোঃ আবুল কালাম আজাদ (৪৮): সয়দাবাদ ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি (খিদির ব্রিজ এলাকার মৃত জালাল উদ্দিন শেখের ছেলে)।# মোঃ জয়ানাল আবেদীন (৪১): সয়দাবাদ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক (জারিলা গ্রামের মৃত ইসমাইল হোসেনের ছেলে)।# মোঃ রাশেদুল ইসলাম (৩৪): ছোনগাছা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সিনিয়র সহসভাপতি (ছোনগাছা গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের ছেলে)।# মোঃ শাহাদাত হোসেন (২২): ছোনগাছা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সদস্য (পোটল ছোনগাছা গ্রামের আব্দুর রহিম ওরফে শওকতের ছেলে)।# মোঃ নাদিম সেখ (২৩): সিরাজগঞ্জ পৌর ছাত্রলীগের গ্রন্থনা বিষয়ক সম্পাদক (মাহমুদপুর মহল্লার আব্দুল বাছেদের ছেলে)।সিরাজগঞ্জ সদর থানার কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ রাকিবুল হাসান জানান,সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে রাতে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়েরকৃত মামলায় বৃহস্পতিবার দুপুরে তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

নতুন নেতৃত্বের প্রত্যয়ে সুনামগঞ্জে এনসিপির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত

রফিকুল ইসলাম রফিক,সুনামগঞ্জ। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-তে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও সচেতন নাগরিকদের যোগদান উপলক্ষে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান এবং নবগঠিত সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।গতকাল বুধবার ৪ ঠা নভেম্বর সন্ধ্যা আট ঘটিকায় সুনামগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী শহীদ জগৎজ্যোতি পাঠাগারে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিলেট বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল আরিফ।অনুষ্ঠানে নবাগত নেতাকর্মী ও সচেতন নাগরিকদের স্বাগত জানানো হয়। পাশাপাশি নবগঠিত সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা কমিটির নেতৃবৃন্দের পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়।এ সময় দেওয়ান সাজাউর রাজা চৌধুরী সুমন বলেন নতুন সহযোদ্ধাদের অংশগ্রহণ দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করবে বলে তিনি আশাবাদী।পারস্পরিক শ্রদ্ধা,ঐক্য, দায়িত্বশীলতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও মানবিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।তিনি আরও বলেন মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সমুন্নত রাখা এবং একটি বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে এনসিপির নেতাকর্মীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।অনুষ্ঠানে নবগঠিত সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা কমিটির নেতৃবৃন্দকে অভিনন্দন জানানো হয়। একই সঙ্গে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দেওয়ান সাজাউর রাজা চৌধুরী সুমন। তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

নতুন দায়িত্বে ফয়সল আমীন ও এলিজা জামান,নিলেন শপথ

বিশেষ প্রতিনিধি,দৈনিক প্রথম সকাল।  ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নবনির্বাচিত দুই সংসদ-সদস্য শপথ গ্রহণ করেছেন।শপথ নেওয়া দুই সংসদ সদস্য হলেন মির্জা ফয়সল আমীন ও এলিজা জামান।মঙ্গলবার ৩ রা নভেম্বর দুপুর ১২টায় জাতীয় সংসদ ভবনে স্পিকারের কার্যালয়ে তাদের শপথ পড়ান জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মোঃ গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়ার সঞ্চালনায় শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।এতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ উপস্থিত ছিলেন।সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদের তৃতীয় তফসিল এবং জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির ৫ অনুযায়ী স্পিকার নবনির্বাচিত সংসদ-সদস্যদের শপথ পড়ান।শপথ গ্রহণ শেষে দুই সংসদ সদস্য রীতি অনুযায়ী সংসদ সচিবের কক্ষে শপথ বইয়ে স্বাক্ষর করেন।অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার, চিফ হুইপ, অন্যান্য হুইপ, সংসদ-সদস্য এবং সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

রাড্ডা ক্লিনিক দখল নিয়ে কঠোর বার্তাঃ ডা. শফিকুর রহমান

বিশেষ প্রতিবেদক,দৈনিক প্রথম সকাল।জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, রাতের অন্ধকারে রাড্ডা ক্লিনিক দখলের ঘটনায় অবশেষে সরকার ও সরকারি দল বাধ্য হয়ে সাংগঠনিক পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে। কিন্তু এত বড় অপকর্মের জন্য শুধু সাংগঠনিক পদক্ষেপ মোটেই যথেষ্ট নয়।অদ্য বৃহস্পতিবার ১ লা অক্টোবর দুপুর ২.৩০ মিনিটের দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।জামায়াত আমির বলেন কালপ্রিটদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিয়ে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। দেশবাসী দৃশ্যমান ও বিশ্বাসযোগ্য আইনি পদক্ষেপ দেখতে চায়।তিনি  বলেন একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত ও লুণ্ঠিত স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি টেকসইভাবে পুনর্নির্মাণের দায়িত্বও সরকারকে পালন করতে হবে।৫০ বছরের বেশি পুরানো রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্র ভাংচুর,দখল ও লুটপাটের হানিফ মিয়াসহ স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের কয়েকজন নেতার নামও ঘটনায় আসে যারা এলাকায় সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত।সমমনা দোকানদার সমবায় সমিতি লিমিটেডের সঙ্গেও স্থানীয় বিএনপির কয়েকজনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায়।বিষয়টে নিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক সমালোচনা তৈরি হলে আজ ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টিকে পদত্যাগের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।দুপুরে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সঙ্গে দেখা করে তিনি পদত্যাগ পত্র জমা দেন।

সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির পদত্যাগ

বিশেষ প্রতিবেদক,দৈনিক প্রথম সকাল।  জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি পদত্যাগ করেছেন।অদ্য বৃহস্পতিবার ১ লা অক্টোবর প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে স্পিকারের দপ্তরে পদত্যাগপত্র জমা দেন তিনি।এর আগে রাজধানীর মিরপুরের রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার (মা ও শিশুস্বাস্থ্য কেন্দ্র) গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে মিষ্টির পদত্যাগের বিষয়টি আলোচনায় আসে।ঐ ঘটনার রাতে রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা,ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠে।এ ঘটনায় সরকারি দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ততার অভিযোগও সামনে আসে।এছাড়া মিষ্টির অতীত রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়েও বিভিন্ন সময়ে অভিযোগ ও বিতর্ক রয়েছে।ওয়ার্ড কাউন্সিলর থাকাকালে তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি,সন্ত্রাস ও জমি দখলসহ বিভিন্ন অভিযোগ উঠে। এসব অভিযোগ ঘিরে তার রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়েও বিভিন্ন সময়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছিল।

ঘুস খাওয়ার প্রতিযোগিতা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন হাসনাত আবদুল্লাহ

নিজস্ব প্রতিনিধি,দৈনিক প্রথম সকাল। নতুন সরকার আসার পরেও ঘুস খাওয়ার প্রতিযোগিতা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন এনসিপির সংসদ সদস্য (এমপি) হাসনাত আবদুল্লাহ।সরকারের প্রতি আহবান জানিয়ে তিনি বলেন ফালতু সফটওয়্যারের হয়রানিমূলক নিবন্ধন সিস্টেম আমূল সংস্কার করুন। বিএমইটি কার্ডের হয়রানি থেকে প্রবাসীদের মুক্ত করুন।বৃহস্পতিবার ১৭ ই সেপ্টেম্বর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।পোস্টে তিনি লেখেন আমরা একটা অভিযোগ পাচ্ছি যে বিগত এক সপ্তাহ ধরে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো-বিএমইটি কার্ড বরাদ্দ বন্ধ।ক্লিয়ারেন্স কার্ড পাচ্ছে না লোকজন,তাই আন্দোলনের ঘোষণাও এসেছে। কিন্তু ব্যাক-চ্যানেলে ঠিকই কার্ড দিচ্ছে বেশি টাকায়।নতুন সরকার আসার পরেও ঘুস খাওয়ার প্রতিযোগিতা চলছে।বিএমইটি কেন দরকার-এমন প্রশ্ন রেখে তিনি লেখেন প্রবাসী শ্রমিকদের ক্ষেত্রে একটি কাজ অপরিহার্য তা হচ্ছে,শ্রমিকদের নিবন্ধনভিত্তিক ডেটাবেজ তৈরি।আপনার দরকার ডেটাবেজ,প্লাস্টিক কার্ডের ব্যবসা জরুরি নয়।ডেটাবেজ হবে এনআইডি ও পাসপোর্ট উভয়ের ডেটার সমন্বয়ে।কোন নাগরিক কোন দেশে, কোন নিয়োগকর্তার অধীনে আছেন,এই তথ্য থাকলে প্রবাসী শ্রমিকের অসুস্থতা,কর্মহীনতা,সিরিয়াস দুর্ঘটনা এবং মৃত্যুতে তাকে বা তার পরিবারকে সাপোর্ট দেওয়া যায়। পাশাপাশি লাশ ফেরানো,যুদ্ধ বা আঞ্চলিক সংঘাতে সরিয়ে আনা,মজুরি না পেলে দূতাবাসের হস্তক্ষেপ ইত্যাদির জন্য নিখুঁত রেজিস্ট্রেশন দরকার।কিন্তু প্রবাসী কল্যাণ ও বিএমইটি কি সব কাজ ঠিকঠাক করছে? যদি না করে, তাহলে রেজিস্ট্রেশনের নামে তাদের হয়রানির অধিকার কে দিয়েছে? দাবি জানিয়ে হাসনাত লেখেন প্রবাসীদের ক্রমাগত হয়রানি থামাতে, বিএমইটিকে গেটকিপার থেকে রেজিস্ট্রারে রূপান্তর করতে হবে। অর্থাৎ,শ্রমিকদের নিবন্ধন প্লাস্টিক কার্ড থেকে সরিয়ে ডেটাবেজভিত্তিক করতে হবে। সঠিক ডেটাবেজের জন্য দরকারঃ- ১। পাসপোর্ট, এনআইডির তথ্য সঠিকতা। এসব তথ্য ম্যানুয়াল ফিল হবে না, সার্ভার থেকে অটোমেটিক আসবে সিকিউর এপিআই করে।২। শিক্ষাগত যোগ্যতা ও দক্ষতা (শিক্ষা বোর্ডের ও টিটিসির সঙ্গে সরাসরি এপিআই করা ভেরিফিকেশন)। এখানে হার্ডকপি সার্টিফিকেট যাচাই পুরোপুরি বন্ধ করা হবে।৩। ভিসা যাচাই এবং প্রবাসী দূতাবাসের এন্ডোর্সমেন্ট। এটা শতভাগ অনলাইন ও এপিআইভিত্তিক হতে হবে।৪। হেলথ চেক। এখানেও ভিন্ন ভিন্ন দেশের অ্যাপ্রুভড ক্লিনিকের সঙ্গে রিয়েল-টাইম ডেটা ভেরিফিকেশন রাখতে হবে।এরপরে আসবে-দুর্ঘটনা, অসুস্থতা ও লাশ ফেরানোর মতো বিমার তথ্য, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ওয়েজ আর্নার্স সুবিধাদির তথ্য। বিদেশে কর্মহীন থাকার তথ্য এবং নেসেসারি সাপোর্ট।কুমিল্লা-৪ আসনের এই সংসদ সদস্য লেখেন, সাবেক ও বর্তমান সরকার এপিআইভিত্তিক রিয়েল-টাইম সনদ যাচাই পদ্ধতি সম্পর্কে হয় জ্ঞান রাখে না, না হয় দুর্নীতি ও ঘুসচক্র জারি রেখে দালালচক্র পালাই তাদের উদ্দেশ্য। ফলে, তারা এখনো হার্ডকপি পেপার ভেরিফিকেশনের একটা হয়রানিমূলক ব্যবস্থা চালু রেখেছে। একের পর এক নিম্নমান সফটওয়্যারের মাধ্যমে সেবার নামে হয়রানি চলছে।বিএমইটির কার্ডের পুরো জাস্টিফিকেশনটাই করা হয়েছিল প্রি-ডিপার্চার ট্রেনিং আর অথেন্টিক ডকুমেন্টস (জব, ভিসা) বাধ্যতামূলক করতে।এমনটি উল্লেখ করে তিনি লেখেন, অথচ বিএমইটি কার্ড দিয়ে ঘুস দেওয়া বাধ্যতামূলক করেছে। শুধু বৈধ ভিসা যাচাই এবং মেডিকেল কিংবা লাশ ফেরানো ও বিমা বরাদ্দ দেওয়ার জন্য বিএমইটির জাস্টিফিকেশন থাকে। প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন টিটিসিগুলোর (টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার) সার্টিফিকেশন রিয়েল-টাইম এপিআই ভেরিফিকেশনও করা যায়। তিনি আরও লেখেন যেহেতু হেলথ করানো হয় বিদেশি দূতাবাসগুলোর ট্রাস্টেড পার্টনার থেকে, তাই এসব ক্ষেত্রে ডকুমেন্ট অনলাইন এপিআই দিয়ে যাচাই করা সহজ হওয়ার কথা। কিন্তু,বাংলাদেশে বিএমইটি ভিসার বৈধতা,দক্ষতার সনদ,পাবলিক পরীক্ষার সার্টিফিকেট কিংবা মেডিকেল সনদ ইত্যাদির রিয়েল-টাইম ডেটাবেজ সাপেক্ষে যাচাই করতে পারে না। ফলে,এখানে জাল ডকুমেন্টের ছড়াছড়ি।এ অবস্থায় বিএমইটি থাকার যৌক্তিকতা কোথায়? বিমানবন্দরে প্রবাসীদের হয়রানি করা আর ম্যানপাওয়ার ব্যবসার নামে দালাল পোষার জন্য?ভারত ও নেপালের উদাহরণ দিয়ে তিনি লেখেন, বাংলাদেশ ভারত-নেপালের প্রবাসী শ্রমিক ম্যানেজমেন্ট থেকে শিক্ষা নিতে পারে।ভারতের মডেলটিই সবচেয়ে শিক্ষণীয়,এবং কারণটি ফি নয় বরং সেবার পরিধি। ভারতে ছাড়পত্র লাগে কেবল তাদের, যাদের পাসপোর্টে ECR সিল আছে, অর্থাৎ যারা দশম শ্রেণি পাশ করেননি। মাধ্যমিক পাস করলেই ইসিএনআর (ECNR) ক্যাটাগরি, কোনো ছাড়পত্র লাগে না।ছাড়পত্র লাগলেও তা কেবল নির্দিষ্ট ১৮টি দেশের জন্য। পুরো প্রক্রিয়া (emigrate ডট gove ডট in) এ অনলাইন,ফি ২০০ রূপি, আবেদনের দিনই পিওই (POE) ছাড়পত্র দেন।অনলাইনে এবং হয়রানি ছাড়া। অর্থাৎ, ভারত প্রবাসী সেবা অনলাইন ও পলিসি ভিত্তিক সহজ ও উন্মুক্ত করে সংস্থার আওতা সংকুচিত করেছে। শিক্ষার একটি ন্যূনতম মান পার হলেই রাষ্ট্র ধরে নিচ্ছে, নাগরিক নিজের সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম।বাস্তবে এটা কাজ করছে।এনসিপির এই নেতা আরও লেখেন ২০১৫ ইং সাল থেকে নেপাল তাদের ফ্রি ভিসা,ফ্রি টিকিট-নীতি বাস্তবায়ন করেছে, যেখানে সাতটি প্রধান গন্তব্যে ভিসা ও বিমানভাড়া নিয়োগকর্তার দায়। ফলে নেপালের প্রবাসী শ্রমিকও বেড়েছে, দালালের দৌরাত্ম্য ও খরচ দুটোই কমেছে। ভারতে POE / eMigrate (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) এর মাধ্যমে দূতাবাস-সত্যায়িত চুক্তিপত্র এবং নিয়োগকর্তার নিবন্ধন করে। কেবল ECR পাসপোর্টধারী, কেবল ১৮টি দেশের জন্য ছাড়পত্র লাগে। অদক্ষ শ্রমিক ও নারী শ্রমিকের ক্ষেত্রে ভারতীয় দূতাবাসের সত্যায়ন বাধ্যতামূলক।এতে করে যাচাইয়ের একটি প্রকৃত ভিত্তি থাকে বলে মন্তব্য করেন তিনি। হাসনাত লেখেন বাংলাদেশে সেই ভিত্তিটিই দুর্বল, ফলে ছাড়পত্র হয়ে দাঁড়ায় একটি সিল, যাচাই নয়।চাইলে ইমিগ্রেশনের ফোর-ট্র্যাক সফটওয়্যারেও একটি প্রবাসী সাপোর্ট ডেটা ফিল্ড খোলা যায়। এখানে ভিসা-পাসপোর্ট ম্যাপিং ডেটাবেজ, মেডিকেল রেকর্ড এবং টিটিসির সনদের রিয়েল-টাইম এপিআই যাচাই সম্ভব। কোনো নতুন প্রকল্প লাগে না, বিদ্যমান সিস্টেমের ইন্টারঅপারেবিলিটি করলেই হয়।শেষে তিনি লেখেন, বিশ্বব্যাংকের হিসেবে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের অভিবাসন ব্যয় প্রায় সর্বোচ্চ। বাংলাদেশ-সৌদি আরব, বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া, বাংলাদেশ-কাতার,বাংলাদেশ-আরব আমিরাত, বাংলাদেশ-কুয়েত করিডোরে পরিসংখ্যান ব্যুরোর হিসাবে গড় খরচ ৪ দশমিক ১৭ লাখ টাকা,যা তুলতে লাগে ১৭ দশমিক ৬ মাস। বাস্তবে ঘুস দালালচক্র এবং এয়ারপোর্ট কমিশনের পরে লাগে ৫ লাখের বেশি।অর্থাৎ, বাংলাদেশের প্রবাসী শ্রমিকদের অবস্থা ভয়াবহ।প্রবাসীদের হয়রানিমুক্ত সেবা দিতে,ফালতু সফটওয়্যারের হয়রানিমূলক নিবন্ধন সিস্টেম আমূল সংস্কার করুন। বিএমইটি কার্ডের হয়রানি থেকে প্রবাসীদের মুক্ত করুন।

কোন পোস্ট নেই !
কোন পোস্ট নেই !
কোন পোস্ট নেই !
প্রতিবন্ধীদের মুখে হাসি ফোটাতে পাশে দাঁড়ালেন এমপি হাসান রাজীব প্রধান

প্রতিবন্ধীদের মুখে হাসি ফোটাতে পাশে দাঁড়ালেন এমপি হাসান রাজীব প্রধান

সজিব মিয়া,হাতীবান্ধা,লালমনিরহাট। লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় অসহায়, শারীরিক প্রতিবন্ধী ও চলাচলে অক্ষম ব্যক্তিদের মাঝে হুইলচেয়ার বিতরণ করা হয়েছে। তাঁদের দৈনন্দিন চলাচলের দুর্ভোগ কিছুটা লাঘব এবং জীবনযাত্রাকে সহজ করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়।অদ্য শনিবার ৭ ই নভেম্বর ২০২৬ ইং দুপুরে হাতীবান্ধা উপজেলা পরিষদ চত্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে এসব হুইল চেয়ার বিতরণ করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উপকারভোগীদের হাতে হুইলচেয়ার তুলে দেন লালমনিরহাট-১ (হাতীবান্ধা-পাটগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার হাসান রাজীব প্রধান।এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দীপ জন মিত্র,উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোশারফ হোসেন,সদস্য সচিব আফজাল মিয়া,বিএনপি নেতা এম.সাহেদুজ্জামান কোয়েলসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।হুইলচেয়ার পেয়ে উপকারভোগীরা চলাচলের ক্ষেত্রে নতুন করে স্বস্তি ফিরে পাবেন বলে আশা প্রকাশ করা হয়। বিশেষ করে যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে চলাফেরায় সীমাবদ্ধতা ও নানা প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হচ্ছিলেন, তাঁদের জন্য এই সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।স্থানীয়দের মতে, অসহায় ও প্রতিবন্ধী মানুষের পাশে এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ সমাজে সহমর্মিতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করে। মানুষের মৌলিক চলাচলের সুবিধা নিশ্চিত করতে এ ধরনের উদ্যোগ আরও সম্প্রসারিত হওয়া প্রয়োজন।‎

কুমিল্লা বোর্ডে এইচএসসিতে পাসের হার ৪৮.০৪%, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১,৩১৩ জন

কুমিল্লা বোর্ডে এইচএসসিতে পাসের হার ৪৮.০৪%, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১,৩১৩ জন

রজত সাহা,কুমিল্লা। কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০২৬ সালের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় পাসের হার ৪৮ দশমিক ০৪ শতাংশ। এ বছর বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ হাজার ৩১৩ জন শিক্ষার্থী। গত বছরের তুলনায় পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে।অদ্য শনিবার ৩১  শে অক্টোবর প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, কুমিল্লা বোর্ডে মোট ৯২ হাজার ১৬২ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৪৪ হাজার ২৭২ জন।বিভাগ ভিত্তিক ফলাফলবিভাগ ভিত্তিক ফলাফলে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন। বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার ৬৩ দশমিক ৮৩ শতাংশ। মানবিক বিভাগে পাসের হার ৪১ দশমিক ৪৫ শতাংশ এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ৪০ দশমিক ৭৩ শতাংশ।ছাত্রীদের পাসের হার বেশিলিঙ্গ ভিত্তিক ফলাফলে ছাত্রীদের পাসের হার ৫১ দশমিক ২৬ শতাংশ। অন্যদিকে ছাত্রদের পাসের হার ৪৩ দশমিক ১৭ শতাংশ। উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর সংখ্যাতেও ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীরা এগিয়ে রয়েছেন।শতভাগ পাস চার প্রতিষ্ঠানে, শূন্য পাস ১৫টিতেবোর্ডের অধীনে চারটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সব পরীক্ষার্থী পাস করেছেন। বিপরীতে, ১৫টি প্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হতে পারেননি।গত বছরের তুলনায় ফলাফলের অবনতি২০২৫ ইং সালে কুমিল্লা বোর্ডে পাসের হার ছিল ৪৮ দশমিক ৮৬ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ২ হাজার ৭০৭ জন। চলতি বছর পাসের হার কমেছে ০ দশমিক ৮২ শতাংশ পয়েন্ট এবং জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ১ হাজার ৩৯৪ জন।ফলাফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন শিক্ষক ও অভিভাবকেরা। একই সঙ্গে ফলাফল বিশ্লেষণ করে শিক্ষার মান উন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস),দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড ও কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড।

কোন পোস্ট নেই !
 সিরাজগঞ্জে আগাম আমন ধান ঘরে তোলার ধুম,বাম্পার ফলনেও দাম নিয়ে চিন্তিত কৃষকরা

সিরাজগঞ্জে আগাম আমন ধান ঘরে তোলার ধুম,বাম্পার ফলনেও দাম নিয়ে চিন্তিত কৃষকরা

মোঃ আব্দুর রব মনসুর,সিরাজগঞ্জ। আবহাওয়া অনুকূলে থাকা ও সময়মতো যথাযথ পরিচর্যার কারণে সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলায় আগাম জাতের রোপা আমন ধান কাটা শুরু হয়েছে। দীর্ঘ দিন পর বাম্পারফলন দেখে জেলার কৃষককুলের মনে ফিরে এসেছে স্বস্তি ও আনন্দের হাসি।জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে চলতি মৌসুমে সিরাজগঞ্জ জেলায় মোট ৭৬ হাজার ৮২৫ হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধানের আবাদ করা হয়েছে,যা নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি। এর মধ্যে শুধু সদর উপজেলায় ১৪ হাজার ৩৬৫ হেক্টর জমিতে আমন চাষ করা হয়েছে। জেলার কাজিপুরসহ বিভিন্ন উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে এখন সোনালি ধানের শিষ বাতাসে দুলছে। ইতোমধ্যে অনেক কৃষক ধান কেটে ঘরেও তুলেছেন।সরেজমিনে জেলার বিভিন্ন উপজেলার মাঠে মাঠে ধান কাটা ও মাড়াইয়ের উৎসবমুখর কর্মযজ্ঞ লক্ষ্য করা গেছে। চাষাবাদের শুরু থেকে বড় কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না থাকায় এবং আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় অন্য বছরের তুলনায় এবার ধানের ফলন বেশ ভালো হয়েছে।কাজিপুর উপজেলার সোনামুখী ইউনিয়নের  দুর্গতি পাড়া এলাকার চাষী রঞ্জু মিয়া জানান "তিন বিঘা জমিতে ধান লাগিয়েছিলাম।ইতোমধ্যে দুই বিঘা জমির ধান কেটে ভালো ফলন পেয়েছি।তবে এবার সার,বীজ ও শ্রমিক মজুরি বেশি পড়েছে। বাজারে ধানের চড়া দাম না পেলে আমাদের লাভবান হওয়া কঠিন হবে"।মাঠপর্যায়ের কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আগাম জাতের ধান ঘরে তোলার পর এই জমিগুলোতে পরবর্তী সময়ে আগাম সরিষা চাষের পরিকল্পনা করছেন তাঁরা।এতে কৃষকদের দ্বিগুণ আয়ের সম্ভাবনা তৈরি হবে।সিরাজগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক এ কে এম মঞ্জুরে মওলা বলেন, অনুকূল আবহাওয়ার কারণে এবার ধানের ফলন খুব ভালো হয়েছে।কৃষকরা যাতে নির্বিঘ্নে ধান কাটা ও সংরক্ষণ করতে পারেন, সেজন্য মাঠপর্যায়ে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।তবে বাম্পার ফলনের আনন্দ থাকলেও বাজারে ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা না গেলে প্রান্তিক কৃষকদের লোকসানের মুখে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয় কৃষি বিশেষজ্ঞরা।

লক্ষ্মীপুরের মেয়ে হোমায়রা হিমু,তিন বছরেও কাটেনি মৃত্যু রহস্য

লক্ষ্মীপুরের মেয়ে হোমায়রা হিমু,তিন বছরেও কাটেনি মৃত্যু রহস্য

ফয়সাল হোসেন লক্ষ্মীপুর। ‎‎টেলিভিশনের পর্দায় তার অভিনয় দেখেছেন অসংখ্য দর্শক। নোয়াখালীর আঞ্চলিক ভাষায় সংলাপ বলে পেয়েছিলেন আলাদা পরিচিতি। তবে তার অভিনয়জীবনের শুরুটা হয়েছিল লক্ষ্মীপুরে। এই শহরেই কেটেছে শৈশব ও কৈশোরের একটি বড় সময়। স্থানীয় নাট্যগোষ্ঠীর মঞ্চে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছিল তার পথচলা। তিনি অভিনেত্রী হোমায়রা হিমু।‎২০২৩ ইং সালের ২ রা নভেম্বর আকস্মিক মৃত্যু হয় এই অভিনেত্রীর। দেখতে দেখতে পেরিয়ে গেছে তিন বছর।কিন্তু তার মৃত্যুর কারণ ও ঘটনা প্রবাহ নিয়ে উঠা প্রশ্নগুলোর পূর্ণাঙ্গ নিষ্পত্তি হয়নি। অভিনয়ের মধ্য দিয়ে দর্শকের মনে জায়গা করে নেওয়া হিমুর মৃত্যুর বিচার চান স্বজন ও স্থানীয় সাংস্কৃতিক কর্মীরা।‎১৯৮৫ ইং সালের ২৩ রা নভেম্বর লক্ষ্মীপুরে জন্ম হোমায়রা হিমুর।শৈশবের বড় একটি সময় কেটেছে এই শহরেই।দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ার সময় থেকে মঞ্চনাটকে অভিনয় শুরু করেন তিনি।যুক্ত ছিলেন স্থানীয় হাইফাই কৌতুক শিল্পগোষ্ঠী ও ফ্রেন্ডস নাট্যগোষ্ঠীর সঙ্গে।১৯৯৯ ইং সালে এসএসসি পরীক্ষার পর ঢাকায় গিয়ে যুক্ত হন নাগরিক নাট্যাঙ্গনে।সেখান থেকেই ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে তার অভিনয়জীবন।‎‎লক্ষ্মীপুরে হোমায়রা হিমুর অভিনয়ের শুরুর দিনগুলোর স্মৃতি এখনো মনে রেখেছেন স্থানীয় নাট্যকর্মীরা। হাইফাই ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সংসদের সাবেক পরিচালক মহসিন কবির বলেন প্রথম দিকে হিমু তার মায়ের সঙ্গে হাইফাইয়ে আসতেন।একদিন মঞ্চে অভিনয়ের আগে সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব প্রয়াত বেলায়েত হোসেন রিপন তাকে পুরোনো জামা পরার বিষয়টি নিয়ে ধমক দিয়েছিলেন। এতে কেঁদে ফেলেন হিমু।মহসিন কবিরের স্মৃতিচারণ অনুযায়ী, সেই মুহূর্তের অভিনয় দর্শকদের বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছিল।‎‎স্থানীয় সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মাহবুবুর রহমান জানান মঞ্চে প্রথম দ্বৈত অভিনয়টি তার সঙ্গেই করেছিলেন হোমায়রা হিমু।ছোটবেলা থেকেই অভিনয়ের প্রতি তার আগ্রহ ছিল।অল্প বয়সে এমন প্রতিভাবান একজন শিল্পীর চলে যাওয়া তাকে ব্যথিত করে।‎হোমায়রা হিমুর শৈশব ও কৈশোরের স্মৃতি জড়িয়ে আছে লক্ষ্মীপুরের যে বাড়িতে,সেখানে এখনো তাঁকে স্মরণ করেন স্বজন ও পরিচিতজনেরা।মা-বাবাকে হারিয়ে জীবনের শেষ দিকে ঢাকায় অনেকটা একাকী জীবন কাটিয়েছেন তিনি।মৃত্যুর পর তাকে লক্ষ্মীপুর শহরের লামচরী মসজিদ কবরস্থানে তার মায়ের পাশে সমাহিত করা হয়।যে শহরে তার অভিনয়জীবনের সূচনা, মৃত্যুর পর সেখানেই মায়ের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন তিনি।‎‎হিমুর দূরসম্পর্কের মামা ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক মঈন উদ্দিন চৌধুরী কামরু বলেন এ বিষয়ে তদন্ত কমিটির সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি।পাশাপাশি হিমুর এক ফুফাকেও বিষয়টি নিয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলেছেন। তিনি চান, ঘটনার যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসুক এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত হোক।‎‎২০২৩ ইং সালের ২ রা নভেম্বর রাজধানীর উত্তরার একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা হোমায়রা হিমুকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর পর তার মরদেহ হাসপাতালে রেখে এক ব্যক্তির চলে যাওয়ার ঘটনা তখন নানা প্রশ্নের জন্ম দেয়।শুরুতে তার মৃত্যুর কারণ নিয়েও তৈরি হয় ধোঁয়াশা।পরদিন এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে একজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।‎‎তিন বছর পেরিয়ে গেলেও মামলার তদন্ত ও বিচারিক কার্যক্রমের সর্বশেষ অবস্থা নিয়ে স্বজনদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে।তারা চান মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটন করে দায়ীদের বিচারের আওতায় আনা হোক।লক্ষ্মীপুরের মঞ্চ থেকে শুরু হয়েছিল হোমায়রা হিমুর অভিনয়ের পথচলা। সেই পথ তাকে নিয়ে গিয়েছিল টেলিভিশন ও চলচ্চিত্রের পর্দায়।দর্শকের কাছে তিনি পরিচিতি পেয়েছিলেন অভিনয় দিয়ে।কিন্তু অকালমৃত্যুতে থেমে গেছে সেই পথচলা। মায়ের পাশে লক্ষ্মীপুরের মাটিতে শায়িত এই অভিনেত্রীর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটন ও ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় রয়েছেন তার স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।

কোন পোস্ট নেই !
‎সাংবাদিকতা,সত্য অনুসন্ধান,জনস্বার্থ ও সমাজ পরিবর্তনের এক শক্তিশালী মাধ্যম

‎সাংবাদিকতা,সত্য অনুসন্ধান,জনস্বার্থ ও সমাজ পরিবর্তনের এক শক্তিশালী মাধ্যম

‎রফিকুল ইসলাম রফিক,সুনামগঞ্জ। সাংবাদিকতা শুধু সংবাদ সংগ্রহ, লেখা কিংবা প্রকাশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি একটি মহান পেশা, সামাজিক দায়িত্ব এবং জনস্বার্থ রক্ষার অন্যতম শক্তিশালী মাধ্যম।সমাজের বাস্তব চিত্র তুলে ধরা, অন্যায়-অনিয়মের বিরুদ্ধে জনমত তৈরি করা, রাষ্ট্রের জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে সাংবাদিকতা।‎‎সাংবাদিকতা কী?‎সাংবাদিকতা হলো সমাজ, রাষ্ট্র, রাজনীতি, অর্থনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সংস্কৃতি, অপরাধ, মানবাধিকারসহ বিভিন্ন বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ, যাচাই-বাছাই, বিশ্লেষণ এবং তা গণমাধ্যমের মাধ্যমে জনসাধারণের কাছে নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠভাবে উপস্থাপনের প্রক্রিয়া।একজন সাংবাদিকের প্রধান দায়িত্ব হলো সত্য অনুসন্ধান করা এবং সেই সত্য মানুষের সামনে তুলে ধরা। তিনি সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের কথা শোনেন, ঘটনা পর্যবেক্ষণ করেন,তথ্য-উপাত্ত যাচাই করেন এবং জনগণের জানার অধিকার নিশ্চিত করতে কাজ করেন।‎‎সাংবাদিকতা কেন প্রয়োজন?‎একটি সভ্য, সচেতন ও গণতান্ত্রিক সমাজ গঠনে সাংবাদিকতার গুরুত্ব অপরিসীম। কারণ, জনগণকে সঠিক তথ্য জানানো এবং রাষ্ট্র ও সমাজের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড সম্পর্কে সচেতন করাই সাংবাদিকতার অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য।‎সাংবাদিকতা প্রয়োজন কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণেঃ—‎১. সত্য ও সঠিক তথ্য প্রকাশ: সমাজে ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, সমস্যা ও সম্ভাবনার বাস্তব চিত্র তুলে ধরে সাংবাদিকতা। গুজব, অপতথ্য ও বিভ্রান্তি থেকে মানুষকে রক্ষা করতে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার বিকল্প নেই।‎২. অন্যায় ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে ভূমিকাঃ দুর্নীতি,অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার, বৈষম্য ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা অনুসন্ধান করে জনসমক্ষে তুলে ধরার মাধ্যমে সাংবাদিকতা জবাবদিহি প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করে।‎৩. জনসচেতনতা সৃষ্টি: শিক্ষা,স্বাস্থ্য,পরিবেশ,আইন,সামাজিক সমস্যা ও নাগরিক অধিকার সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করে সাংবাদিকতা। ফলে জনগণ নিজেদের অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে জানতে পারে।‎৪. গণতন্ত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা: গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে জনগণের মতামত, দাবি, সমালোচনা ও প্রত্যাশা তুলে ধরার অন্যতম মাধ্যম গণমাধ্যম। স্বাধীন ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখে।‎৫. অবহেলিত মানুষের কণ্ঠস্বর: সমাজের দরিদ্র, অসহায়, নির্যাতিত ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সমস্যা ও দাবিগুলো তুলে ধরে সাংবাদিকতা। যাদের কথা অনেক সময় ক্ষমতাবানদের কাছে পৌঁছায় না, তাদের কথা সমাজ ও রাষ্ট্রের সামনে তুলে ধরাই সাংবাদিকতার অন্যতম মানবিক দায়িত্ব।‎সাংবাদিকতা কি শুধু সংবাদ প্রকাশের পেশা?‎না, সাংবাদিকতা কেবল একটি পেশা নয়।এটি জনস্বার্থে কাজ করার একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। একজন প্রকৃত সাংবাদিক কখনো ব্যক্তিগত স্বার্থ, রাজনৈতিক প্রভাব,অর্থনৈতিক সুবিধা কিংবা কোনো পক্ষের চাপে সত্যকে আড়াল করতে পারেন না। তাঁর কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হওয়া উচিত সত্য, ন্যায়, মানবিকতা ও জনস্বার্থ।‎সাংবাদিকতার সঙ্গে যেমন স্বাধীনতা জড়িত,তেমনি এর সঙ্গে জড়িত দায়িত্বশীলতাও। সংবাদ প্রকাশের আগে তথ্য যাচাই, সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য গ্রহণ,ব্যক্তিগত গোপনীয়তার প্রতি সম্মান এবং নিরপেক্ষতা বজায় রাখা একজন পেশাদার সাংবাদিকের মৌলিক দায়িত্ব।‎বর্তমান সময়ে সাংবাদিকতার চ্যালেঞ্জ‎প্রযুক্তির উন্নয়নে সাংবাদিকতার পরিধি অনেক বেড়েছে। সংবাদপত্র, টেলিভিশন, অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে মুহূর্তেই সংবাদ ছড়িয়ে পড়ছে।তবে এর পাশাপাশি বেড়েছে ভুয়া সংবাদ, অপতথ্য, গুজব, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা ও যাচাইহীন তথ্য প্রকাশের ঝুঁকি।‎এ ছাড়া সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা, স্বাধীনভাবে কাজ করার পরিবেশ, আর্থিক অনিশ্চয়তা, রাজনৈতিক ও সামাজিক চাপ এবং তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করাও বর্তমান সময়ের বড় চ্যালেঞ্জ।‎এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রয়োজন স্বাধীন, নিরপেক্ষ, নৈতিক ও পেশাদার সাংবাদিকতা। পাশাপাশি সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ, পেশাগত মর্যাদা,নিরাপত্তা এবং স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ নিশ্চিত করা জরুরি।‎একজন আদর্শ সাংবাদিকের গুণাবলি‎একজন আদর্শ সাংবাদিকের মধ্যে সততা, সাহসিকতা, নিরপেক্ষতা, দায়িত্ববোধ, অনুসন্ধানী মনোভাব এবং মানবিক মূল্যবোধ থাকা প্রয়োজন। তাঁকে হতে হবে তথ্যনির্ভর ও যুক্তিবাদী। কোনো সংবাদ প্রকাশের আগে একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে তথ্য যাচাই করা এবং ভুল হলে তা সংশোধন করার মানসিকতাও থাকতে হবে।‎সাংবাদিকের কলম হতে হবে সত্যের পক্ষে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে এবং মানুষের কল্যাণে। তবে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রকাশের ক্ষেত্রে যথাযথ প্রমাণ ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য গ্রহণ করা অপরিহার্য।‎উপসংহারঃ-‎সাংবাদিকতা একটি সমাজের বিবেক ও রাষ্ট্রের জবাবদিহি প্রতিষ্ঠার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। যে সমাজে স্বাধীন, দায়িত্বশীল ও সাহসী সাংবাদিকতা বিকশিত হয়,সে সমাজে অন্যায়-অনিয়মের বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরি হওয়ার সুযোগ বাড়ে। জনগণ পায় সত্য জানার অধিকার, রাষ্ট্র পায় জবাবদিহির চাপ এবং সমাজ এগিয়ে যায় সচেতনতার পথে।‎তাই সাংবাদিকতাকে শুধু জীবিকা অর্জনের পেশা হিসেবে দেখলে চলবে না,একে দেখতে হবে সত্য অনুসন্ধান, মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা এবং জনস্বার্থ রক্ষার এক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হিসেবে।‎সাংবাদিকতার মূল শক্তি তার কলমে নয়,তার সত্যনিষ্ঠায়। কারণ, সংবাদ মানুষের কাছে পৌঁছানোই সাংবাদিকতার কাজ নয়; বরং মানুষকে সত্য জানতে সহায়তা করাই সাংবাদিকতার প্রকৃত সার্থকতা।

কোন পোস্ট নেই !