ঢাকা   রোববার, ২৮ জুন ২০২৬
দৈনিক প্রথম সকাল

ইন্টারপোলের সহায়তায় দুবাইয়ে আটক বেনজীর আহমেদ

বিশেষ প্রতিনিধি,দৈনিক প্রথম সকাল। পুলিশের সাবেক আইজিপি বেনজির আহমেদকে ইন্টারপোলের সহায়তায় দুবাই পুলিশ গ্রেফতার  করেছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।অদ্য রবিবার ১৪ ই  জুন সংসদে বাজেট অধিবেশনে ৩০০ বিধিতে দেয়া এক বক্তব্যে এ তথ্যটি নিশ্চিত করেন তিনি।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান দুর্নীতির একটি মামলায় গত শুক্রবার দুবাই পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছে। অতি দ্রুত তাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হবে।অপরাধী যতই শক্তিশালী হোক না কেন আইনের উর্ধ্বে কেউ নয়।তিনি বলেন গত ১২ ই জুন দুবাই পুলিশ ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো (এনসিবি) একটি ইমেইলের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারকে জানায় দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত বেনজীর আহমেদকে দুবাই পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তিনি বর্তমানে সেখানে আটক আছেন।জানা গেছে ২০২৪ ইং সালের ১৫ ই ডিসেম্বর ঢাকা-১ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অর্থপাচার মামলা দায়ের করে দুদক।মামলায় তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন এবং মানি লন্ডারিং বা অর্থ পাচারের অভিযোগ আনা হয়। দুদকের তদন্তে তার ঘোষণা বহির্ভূত প্রায় ১১ কোটি ৪ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়।চলতি বছরের ৩ রা মে এই মামলায় আদালত অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করে এবং ১৩ ই মে থেকে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়।এই মামলার পরিপ্রেক্ষিতেই তাকে ইন্টারপোলের সহায়তায় দুবাই থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় মেয়েরা কেন বেশি বিপর্যস্ত, কী বলছে গবেষণা?

অন্যদিকে একই বয়সি ছেলেদের ক্ষেত্রে এ হার মাত্র প্রতি ১০ জনে একজন। গবেষণাটি পরিচালনা করেছে যুক্তরাজ্যের পাবলিক হেলথ ওয়েলস (PHW) ও কার্ডিফ ইউনিভার্সিটি।গবেষণায় দেখা গেছে, নবম ও দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মধ্যে মেয়েরাই সবচেয়ে বেশি সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। দশম শ্রেণির ১৪-১৫ বছর বয়সি ২১ শতাংশ মেয়ে এবং নবম শ্রেণির ১৩-১৪ বছর বয়সি ২০.৫ শতাংশ মেয়ে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে নেতিবাচক অভিজ্ঞতা হয়েছে বলে জানায়। ছেলেদের ক্ষেত্রে একই বয়সে এ হার যথাক্রমে ১০.১ এবং ৯.৮ শতাংশ। ১৩ বছর বয়সি লয়েস জানায়, ‘কখনো কখনো শুধু সময় কাটানোর জন্য ফোন হাতে নিই। কিন্তু বুঝতেই পারি না কখন দুই ঘণ্টা পেরিয়ে যায়! এটা মাঝেমধ্যে ভয় পাইয়ে দেয়।’ গবেষণায় অংশ নেওয়া অনেকে জানিয়েছে, খেলাধুলা বা শখের কাজ বাদ দিয়ে তারা সোশ্যাল মিডিয়ায় সময় দিচ্ছে।পিএইচডব্লিও-এর স্বাস্থ্য উন্নয়ন পরামর্শক এমিলি ভ্যান দে ভেনটার জানান, মেয়েরা ছেলেদের তুলনায় বেশি সময় রাতেও ডিভাইস ব্যবহার করে এবং বেশি রিপোর্ট করে যে তারা সাইবার বুলিয়িংয়ের শিকার হয়েছে। তিনি বলেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়ার কিছু সুবিধা থাকলেও টিনএজারদের মানসিক স্বাস্থ্যর ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব স্পষ্ট। বিষণ্নতা, উদ্বেগ ও আত্মমূল্যায়নের ঘাটতির পেছনে এটি একটি বড় ভূমিকা রাখছে।’ তিনি আরও পরামর্শ দেন, রাতে ডিভাইসের নোটিফিকেশন বন্ধ রাখা, ঘুমানোর ঘরে ফোন না রাখা এবং ঘুমের আগে সামাজিক মাধ্যমে প্রবেশ না করার অভ্যাস তৈরি করলে সমস্যা কিছুটা কমে আসতে পারে। জরিপটিতে সপ্তম থেকে একাদশ শ্রেণির প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এটি কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্য, সম্পর্ক, স্কুল জীবন ও প্রযুক্তি ব্যবহারের নানা দিককে ঘিরে সবচেয়ে বৃহৎ ও তথ্যবহুল জরিপগুলোর একটি

ঈদে আসছে নতুন টাকা, থাকছে না কোনো ব্যক্তির ছবি: গভর্নর

অন্যদিকে একই বয়সি ছেলেদের ক্ষেত্রে এ হার মাত্র প্রতি ১০ জনে একজন। গবেষণাটি পরিচালনা করেছে যুক্তরাজ্যের পাবলিক হেলথ ওয়েলস (PHW) ও কার্ডিফ ইউনিভার্সিটি।গবেষণায় দেখা গেছে, নবম ও দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মধ্যে মেয়েরাই সবচেয়ে বেশি সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। দশম শ্রেণির ১৪-১৫ বছর বয়সি ২১ শতাংশ মেয়ে এবং নবম শ্রেণির ১৩-১৪ বছর বয়সি ২০.৫ শতাংশ মেয়ে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে নেতিবাচক অভিজ্ঞতা হয়েছে বলে জানায়। ছেলেদের ক্ষেত্রে একই বয়সে এ হার যথাক্রমে ১০.১ এবং ৯.৮ শতাংশ। ১৩ বছর বয়সি লয়েস জানায়, ‘কখনো কখনো শুধু সময় কাটানোর জন্য ফোন হাতে নিই। কিন্তু বুঝতেই পারি না কখন দুই ঘণ্টা পেরিয়ে যায়! এটা মাঝেমধ্যে ভয় পাইয়ে দেয়।’ গবেষণায় অংশ নেওয়া অনেকে জানিয়েছে, খেলাধুলা বা শখের কাজ বাদ দিয়ে তারা সোশ্যাল মিডিয়ায় সময় দিচ্ছে।পিএইচডব্লিও-এর স্বাস্থ্য উন্নয়ন পরামর্শক এমিলি ভ্যান দে ভেনটার জানান, মেয়েরা ছেলেদের তুলনায় বেশি সময় রাতেও ডিভাইস ব্যবহার করে এবং বেশি রিপোর্ট করে যে তারা সাইবার বুলিয়িংয়ের শিকার হয়েছে। তিনি বলেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়ার কিছু সুবিধা থাকলেও টিনএজারদের মানসিক স্বাস্থ্যর ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব স্পষ্ট। বিষণ্নতা, উদ্বেগ ও আত্মমূল্যায়নের ঘাটতির পেছনে এটি একটি বড় ভূমিকা রাখছে।’ তিনি আরও পরামর্শ দেন, রাতে ডিভাইসের নোটিফিকেশন বন্ধ রাখা, ঘুমানোর ঘরে ফোন না রাখা এবং ঘুমের আগে সামাজিক মাধ্যমে প্রবেশ না করার অভ্যাস তৈরি করলে সমস্যা কিছুটা কমে আসতে পারে। জরিপটিতে সপ্তম থেকে একাদশ শ্রেণির প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এটি কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্য, সম্পর্ক, স্কুল জীবন ও প্রযুক্তি ব্যবহারের নানা দিককে ঘিরে সবচেয়ে বৃহৎ ও তথ্যবহুল জরিপগুলোর একটি

পিছিয়ে পড়ছে দেশের সম্ভাবনাময় এসএমই খাত

অন্যদিকে একই বয়সি ছেলেদের ক্ষেত্রে এ হার মাত্র প্রতি ১০ জনে একজন। গবেষণাটি পরিচালনা করেছে যুক্তরাজ্যের পাবলিক হেলথ ওয়েলস (PHW) ও কার্ডিফ ইউনিভার্সিটি।গবেষণায় দেখা গেছে, নবম ও দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মধ্যে মেয়েরাই সবচেয়ে বেশি সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। দশম শ্রেণির ১৪-১৫ বছর বয়সি ২১ শতাংশ মেয়ে এবং নবম শ্রেণির ১৩-১৪ বছর বয়সি ২০.৫ শতাংশ মেয়ে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে নেতিবাচক অভিজ্ঞতা হয়েছে বলে জানায়। ছেলেদের ক্ষেত্রে একই বয়সে এ হার যথাক্রমে ১০.১ এবং ৯.৮ শতাংশ। ১৩ বছর বয়সি লয়েস জানায়, ‘কখনো কখনো শুধু সময় কাটানোর জন্য ফোন হাতে নিই। কিন্তু বুঝতেই পারি না কখন দুই ঘণ্টা পেরিয়ে যায়! এটা মাঝেমধ্যে ভয় পাইয়ে দেয়।’ গবেষণায় অংশ নেওয়া অনেকে জানিয়েছে, খেলাধুলা বা শখের কাজ বাদ দিয়ে তারা সোশ্যাল মিডিয়ায় সময় দিচ্ছে।পিএইচডব্লিও-এর স্বাস্থ্য উন্নয়ন পরামর্শক এমিলি ভ্যান দে ভেনটার জানান, মেয়েরা ছেলেদের তুলনায় বেশি সময় রাতেও ডিভাইস ব্যবহার করে এবং বেশি রিপোর্ট করে যে তারা সাইবার বুলিয়িংয়ের শিকার হয়েছে। তিনি বলেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়ার কিছু সুবিধা থাকলেও টিনএজারদের মানসিক স্বাস্থ্যর ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব স্পষ্ট। বিষণ্নতা, উদ্বেগ ও আত্মমূল্যায়নের ঘাটতির পেছনে এটি একটি বড় ভূমিকা রাখছে।’ তিনি আরও পরামর্শ দেন, রাতে ডিভাইসের নোটিফিকেশন বন্ধ রাখা, ঘুমানোর ঘরে ফোন না রাখা এবং ঘুমের আগে সামাজিক মাধ্যমে প্রবেশ না করার অভ্যাস তৈরি করলে সমস্যা কিছুটা কমে আসতে পারে। জরিপটিতে সপ্তম থেকে একাদশ শ্রেণির প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এটি কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্য, সম্পর্ক, স্কুল জীবন ও প্রযুক্তি ব্যবহারের নানা দিককে ঘিরে সবচেয়ে বৃহৎ ও তথ্যবহুল জরিপগুলোর একটি

প্রতিদিনের বাংলাদেশ পত্রিকায় ‘ক্রাইম রিপোর্টার’ নিয়োগ

প্রতিদিনের বাংলাদেশ

হাজীরহাটে সিআর ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী গ্রেফতার

হাজীরহাটে সিআর ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী গ্রেফতার

চামড়া সংরক্ষণে  বিনামূল্যে ৩০ হাজার টন লবণ দেবে সরকার

চামড়া সংরক্ষণে বিনামূল্যে ৩০ হাজার টন লবণ দেবে সরকার

পুরোনো রাউটারকে বানিয়ে ফেলুন ওয়াই-ফাই এক্সটেন্ডার

পুরোনো রাউটারকে বানিয়ে ফেলুন ওয়াই-ফাই এক্সটেন্ডার

অন্য কেউ আপনার জিমেইল ব্যবহার করছে? এখনই ব্যবস্থা না নিলে হ্যাকিংয়ের ঝুঁকি!

অন্য কেউ আপনার জিমেইল ব্যবহার করছে? এখনই ব্যবস্থা না নিলে হ্যাকিংয়ের ঝুঁকি!

নওগাঁয় সাংবাদিকদের মর্যাদাহানি ও ফেসবুকে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন

নওগাঁয় সাংবাদিকদের মর্যাদাহানি ও ফেসবুকে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন

বাজেটে কৃষি খাতে ৪০ শতাংশ উন্নয়ন বরাদ্দের দাবি

বাজেটে কৃষি খাতে ৪০ শতাংশ উন্নয়ন বরাদ্দের দাবি

জাতীয় সমাবেশে আনসার বাহিনীকে প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিক শুভেচ্ছা

জাতীয় সমাবেশে আনসার বাহিনীকে প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিক শুভেচ্ছা

আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ যেকোনো ব্যক্তি স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেনঃ প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ যেকোনো ব্যক্তি স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেনঃ প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

সোশ্যাল মিডিয়ায় মেয়েরা কেন বেশি বিপর্যস্ত, কী বলছে গবেষণা?

সোশ্যাল মিডিয়ায় মেয়েরা কেন বেশি বিপর্যস্ত, কী বলছে গবেষণা?

উত্তরপ্রদেশে মসজিদ-মাদ্রাসা টার্গেট করে উচ্ছেদ অভিযান

উত্তরপ্রদেশে মসজিদ-মাদ্রাসা টার্গেট করে উচ্ছেদ অভিযান

ধর্মপাশার সুখাইড় বাজারে প্রশাসনের সহায়তায় বেদখল জায়গা ফেরত পেয়েছেন অভিজিৎ সরকার

ধর্মপাশার সুখাইড় বাজারে প্রশাসনের সহায়তায় বেদখল জায়গা ফেরত পেয়েছেন অভিজিৎ সরকার

কুড়িগ্রামে দরিদ্র পরিবারের মাঝে ছাগল ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি উপকরণ বিতরণ

কুড়িগ্রামে দরিদ্র পরিবারের মাঝে ছাগল ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি উপকরণ বিতরণ

কলাপাড়ায় সাংবাদিকের উপর ছাত্রদলের সন্ত্রাসী হামলা

কলাপাড়ায় সাংবাদিকের উপর ছাত্রদলের সন্ত্রাসী হামলা

নকল ব্যান্ডরোল সিন্ডিকেটে অভিযান,আরও ২ জনকে খুঁজছে পুলিশ

নকল ব্যান্ডরোল সিন্ডিকেটে অভিযান,আরও ২ জনকে খুঁজছে পুলিশ

সাবেক বিএনপি সভাপতির বিরুদ্ধে অনিয়মের বিস্ফোরক অভিযোগ

সাবেক বিএনপি সভাপতির বিরুদ্ধে অনিয়মের বিস্ফোরক অভিযোগ

মিরপুরে  ফুলবাড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপি উদ্যোগে বর্ধিত সভা

মিরপুরে ফুলবাড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপি উদ্যোগে বর্ধিত সভা

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বন্ধুর ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত,এলাকায় উত্তেজনা

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বন্ধুর ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত,এলাকায় উত্তেজনা

সুনামগঞ্জে শিশু একাডেমির উদ্যোগে রবীন্দ্র নজরুজ জয়ন্তী পালিত

সুনামগঞ্জে শিশু একাডেমির উদ্যোগে রবীন্দ্র নজরুজ জয়ন্তী পালিত

চাঁপাইনবাবগঞ্জের নিউ মার্কেটে আগুন,নিয়ন্ত্রণের পর চলছে ডাম্পিংয়ের কাজ

চাঁপাইনবাবগঞ্জের নিউ মার্কেটে আগুন,নিয়ন্ত্রণের পর চলছে ডাম্পিংয়ের কাজ

নবীগঞ্জে যুব সমাজকে বাঁচাতে ফুটবল খেলার কোন বিকল্প নাই- ইউএনও

নবীগঞ্জে যুব সমাজকে বাঁচাতে ফুটবল খেলার কোন বিকল্প নাই- ইউএনও

আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ৫ জেলায় বিজিবি মোতায়েন

বিশেষ প্রতিবেদক,দৈনিক প্রথম সকাল। সেনাবাহিনীর পর দেশের অভ্যন্তরীণ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলায় কক্সবাজার,মাদারীপুর,শেরপুর,গাজীপুর ও মৌলভীবাজার জেলায় বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।এর আগে দেশের ৬ জেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করে সরকার।আজ সোমবার ২২ শে জুন সন্ধ্যা থেকে ৩০ শে জুন পর্যন্ত বিজিবি সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।সাঁরাবিজিবির সদর দফতরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোঃ শরীফুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন।তিনি জানান দেশের অন্যান্য জেলাতেও প্রয়োজন অনুযায়ী তাৎক্ষণিক মোতায়েনের জন্য বিজিবি সদস্যদের স্ট্যান্ডবাই রাখা হয়েছে।এর আগে ইন এইড টু সিভিল পাওয়ারের আওতায় ঢাকা,নারায়ণগঞ্জ,গোপালগঞ্জ,চট্টগ্রাম,ফরিদপুর ও গাজীপুর জেলা সেনা মোতায়নের কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ৫ জেলায় বিজিবি মোতায়েন

বিশেষ প্রতিবেদক,দৈনিক প্রথম সকাল। সেনাবাহিনীর পর দেশের অভ্যন্তরীণ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলায় কক্সবাজার,মাদারীপুর,শেরপুর,গাজীপুর ও মৌলভীবাজার জেলায় বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।এর আগে দেশের ৬ জেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করে সরকার।আজ সোমবার ২২ শে জুন সন্ধ্যা থেকে ৩০ শে জুন পর্যন্ত বিজিবি সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।সাঁরাবিজিবির সদর দফতরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোঃ শরীফুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন।তিনি জানান দেশের অন্যান্য জেলাতেও প্রয়োজন অনুযায়ী তাৎক্ষণিক মোতায়েনের জন্য বিজিবি সদস্যদের স্ট্যান্ডবাই রাখা হয়েছে।এর আগে ইন এইড টু সিভিল পাওয়ারের আওতায় ঢাকা,নারায়ণগঞ্জ,গোপালগঞ্জ,চট্টগ্রাম,ফরিদপুর ও গাজীপুর জেলা সেনা মোতায়নের কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

সব বিভাগের খবর

ইন্টারপোলের সহায়তায় দুবাইয়ে আটক বেনজীর আহমেদ

বিশেষ প্রতিনিধি,দৈনিক প্রথম সকাল। পুলিশের সাবেক আইজিপি বেনজির আহমেদকে ইন্টারপোলের সহায়তায় দুবাই পুলিশ গ্রেফতার  করেছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।অদ্য রবিবার ১৪ ই  জুন সংসদে বাজেট অধিবেশনে ৩০০ বিধিতে দেয়া এক বক্তব্যে এ তথ্যটি নিশ্চিত করেন তিনি।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান দুর্নীতির একটি মামলায় গত শুক্রবার দুবাই পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছে। অতি দ্রুত তাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হবে।অপরাধী যতই শক্তিশালী হোক না কেন আইনের উর্ধ্বে কেউ নয়।তিনি বলেন গত ১২ ই জুন দুবাই পুলিশ ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো (এনসিবি) একটি ইমেইলের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারকে জানায় দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত বেনজীর আহমেদকে দুবাই পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তিনি বর্তমানে সেখানে আটক আছেন।জানা গেছে ২০২৪ ইং সালের ১৫ ই ডিসেম্বর ঢাকা-১ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অর্থপাচার মামলা দায়ের করে দুদক।মামলায় তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন এবং মানি লন্ডারিং বা অর্থ পাচারের অভিযোগ আনা হয়। দুদকের তদন্তে তার ঘোষণা বহির্ভূত প্রায় ১১ কোটি ৪ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়।চলতি বছরের ৩ রা মে এই মামলায় আদালত অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করে এবং ১৩ ই মে থেকে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়।এই মামলার পরিপ্রেক্ষিতেই তাকে ইন্টারপোলের সহায়তায় দুবাই থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

রাশিয়ার শ্রম বাজারে ১ লাখ কর্মী পাঠাতে চায় বাংলাদেশ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট,দৈনিক প্রথম সকাল। বাংলাদেশ ও রাশিয়া জনশক্তিখাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণে ব্যাপকভাবে কাজ করছে।এর অংশ হিসেবে রাশিয়ায় বর্তমানে কর্মরত প্রায় ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মীর সংখ্যা আগামী এক বছরের মধ্যে এক লাখে উন্নীত করার প্রস্তাব দিয়েছে ঢাকা।অদ্য মঙ্গলবার ৯ ই জুন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাশিয়ায় চলমান তিন দিনের সরকারি সফরে গিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এই প্রস্তাব দেন।বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয় রুশ কর্তৃপক্ষ এই প্রস্তাবের ওপর দ্রুততার সঙ্গে কাজ করতে সম্মত হয়েছে এবং উভয় পক্ষই শিগগিরই প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।দুই দেশের আলোচনায় বাংলাদেশ থেকে রাশিয়ায় জনশক্তি রপ্তানি দশগুণ বাড়ানোর বিষয়টি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে উঠে এসেছে।জনশক্তি খাতে সহযোগিতার পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য নিয়েও আলোচনা হয়।বাংলাদেশ ও রাশিয়া একমত হয়েছে যে বর্তমান দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ সম্ভাবনার তুলনায় অনেক কম এবং তা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো উচিত।রাশিয়ায় বাংলাদেশের রপ্তানিপণ্য বিশেষ করে তৈরি পোশাক ও ওষুধ সামগ্রীর বাজার বাড়ানোর সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরেন ড. খলিলুর রহমান।বাণিজ্যের নতুন সুযোগ সন্ধান ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারে আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে একটি বাংলাদেশি ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল রাশিয়ায় পাঠানোর প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছে রুশ পক্ষ।এছাড়া দুই দেশের আলোচনায় প্রযুক্তি, বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সংক্রান্ত সহযোগিতা বেশ গুরুত্ব পেয়েছে।কৃষি ও স্বাস্থ্যসেবা খাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারের বিষয়ে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের জন্য একটি রুশ প্রতিনিধিদলকে বাংলাদেশ সফরের প্রস্তাব দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।এই প্রস্তাবেও তাৎক্ষণিকভাবে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে রাশিয়া।পাশাপাশি বাংলাদেশের জাতীয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নীতিমালা প্রণয়ন এবং এই খাতে "সেন্টার অব এক্সেলেন্স" বা উৎকর্ষ কেন্দ্র স্থাপনে সহায়তা করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে মস্কো।ড. খলিলুর রহমান ৭ জুন থেকে রাশিয়া সফরে রয়েছেন। এই সফরে তার সঙ্গে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।সূত্রঃ বাসস

আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ যেকোনো ব্যক্তি স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেনঃ প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট,দৈনিক প্রথম সকাল। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ যেকোনো ব্যক্তি আইন ও নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত শর্ত পূরণ করতে পারলে অংশ নিতে পারবেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।অদ্য মঙ্গলবার ৯ ই জুন সচিবালয়ে তথ্য অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।জাহেদ উর রহমান বলেন স্থানীয় সরকার নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক ও প্রতিযোগিতামূলক করতে সরকার নীতিগতভাবে আগ্রহী।কোনো ব্যক্তি বা দলের পরিচয়ের চেয়ে নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত যোগ্যতা ও আইনি কাঠামোই এখানে প্রধান বিবেচ্য হবে।তিনি আরও বলেন নির্বাচনী পরিবেশ সুষ্ঠ রাখতে সরকার প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেবে এবং নির্বাচন কমিশন স্বাধীনভাবেই তাদের দায়িত্ব পালন করবে।

জাতীয় সমাবেশে আনসার বাহিনীকে প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিক শুভেচ্ছা

বিশেষ প্রতিনিধি,দৈনিক প্রথম সকাল।  বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৪৬তম জাতীয় সমাবেশ-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে বাহিনীর সব স্তরের সদস্য, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।বুধবার (২০ মে) বাহিনীটির ৪৬তম জাতীয় সমাবেশ-২০২৬ ইং উপলক্ষে মঙ্গলবার ১৯ ই মে দেওয়া এক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী এ শুভেচ্ছা জানান।বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৪৬তম জাতীয় সমাবেশ-২০২৬ ইং উদযাপিত হচ্ছে।এই শুভলগ্নে আমি এই বাহিনীর সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা,কর্মচারী এবং তৃণমূলের অকুতোভয় আনসার-ভিডিপি সদস্য-সদস্যাদের জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও প্রাণঢালা শুভেচ্ছা।মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী এই বাহিনীর ৬৭০ জন শহিদের প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা।সরকার প্রধান বলেন দেশের যেকোনও প্রয়োজনে এই বাহিনীর সদস্যদের সময়োপযোগী ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। ফেব্রুয়ারি মাসে সারাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করেছে।তাদের দায়িত্বশীল ভূমিকার জন্য আমি এই বাহিনীর সর্বস্তরের প্রতিটি সদস্যকে আবারও অভিনন্দন জানাই।দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় ধরে ফ্যাসিবাদী শাসনের পর বাংলাদেশ গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে। দেশে সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার লক্ষ্যে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার কাজ করে যাচ্ছে। একটি স্বনির্ভর, মানবিক ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার এই যাত্রাপথে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর গুরুত্ব অপরিসীম,যোগ করেন তিনি।তারেক রহমান বলেন স্বাধীনতার ঘোষক শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের গর্বিত উচ্চারণ "আমাদের হাত কোটি হাতিয়ার,অঙ্গীকার আমাদের দেশ গড়বার" এবং গণপ্রতিরক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নের ধারণায় গড়ে উঠা এই বাহিনীর রয়েছে দেশের প্রান্তিক পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত এক শক্তিশালী সেতুবন্ধন।গ্রাম ও শহরে সুরক্ষিত সমাজ কাঠামো গঠন,সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিতকরণ এবং বহুবিধ সেবা কার্যক্রম বাস্তবায়নে আনসার-ভিডিপি সরকারের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে কাজ করছে।তিনি বলেন আনসার-ভিডিপির নিবেদিতপ্রাণ স্বেচ্ছাসেবী সদস্যদের সম্পৃক্ততার মাধ্যমে বৃক্ষ রোপণের মতো কার্যক্রমে সারাদেশে বিস্তৃত নেটওয়ার্কের সক্ষমতাকে কার্যকরভাবে কাজে লাগানো সম্ভব। বিজ্ঞানভিত্তিক পরিবেশ সুরক্ষা এবং কৃষি অর্থনীতির বিকাশে খাল খনন, দুর্যোগপ্রবণ প্রত্যন্ত এলাকায় বন্যা থেকে সুরক্ষা,পানিসম্পদ পরিকল্পনা,দুর্যোগকালীন সাধারণ জনগণের খাদ্য নিরাপত্তা ও পুনর্বাসনের মতো অনন্য কার্যক্রম বাস্তবায়নেও আনসার ও ভিডিপি অপরিসীম ভূমিকা পালন করতে পারে।তিনি আরও বলেন আমাদের অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্রে শিল্প-কারখানা,হাসপাতাল ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ৫২ হাজারের বেশি অঙ্গীভূত আনসার সদস্য নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। বর্তমান সরকার বিশ্বাস করে, তারুণ্যই শক্তির উৎস। যুবসমাজকে নিছক জনশক্তি নয়, বরং দক্ষ উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে আনসার ও ভিডিপি যে সুনির্দিষ্ট চাহিদাভিত্তিক প্রশিক্ষণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, তা প্রশংসার দাবি রাখে। স্বনির্ভরতা ও কর্মসংস্থানের এই নতুন মডেলে সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করে একটি উৎপাদনমুখী রাষ্ট্র ও সমাজ গঠনে আনসার-ভিডিপি সহায়ক শক্তি হিসেবে কার্যকর ভূমিকা রাখবে, এটিই আমার প্রত্যাশা।প্রধানমন্ত্রী বলেন আমি বিশ্বাস করি, দেশপ্রেমের মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে আনসার-ভিডিপির গর্বিত সদস্যদের হাত ধরে বাংলাদেশের প্রতিটি গ্রাম আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের কেন্দ্রে পরিণত হবে। বৈষম্যমুক্ত ও ন্যায়ভিত্তিক নিরাপদ সমাজ বিনির্মাণে বাহিনীর ৬০ লাখ সদস্যের সাহস ও নিষ্ঠা হোক আগামী দিনের পাথেয়। আমি বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করছি এবং দেশ গড়ার পবিত্র দায়িত্বে আপনাদের সাহসী ও কার্যকর ভূমিকায় প্রতিপূর্ণ আস্থা রাখছি।

চট্টগ্রামে ভারতীয় হাইকমিশন কার্যালয়ে ভারতীয় নাগরিকের মরদেহ উদ্ধার

বিশেষ প্রতিবেদক,দৈনিক প্রথম সকাল।চট্টগ্রামে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশন কার্যালয় থেকে এক ভারতীয় নাগরিকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।ঐ ব্যক্তির নাম নলেন ধর (৩৮)।তিনি হাইকমিশনের সহকারী সিকিউরিটি কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।নলেন ভারতের হারিয়ানা রাজ্যের চন্ডিগড়ের বাসিন্দা।আদ্য মঙ্গলবার ১৯ ই সকাল সাড়ে ৯টার দিকে নগরের খুলশীতে হাইকমিশ্নের কার্যালয়ের একটি লিভিং রুম থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত (ওসি) মোঃ আরিফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।তিনি বলেন নিয়ম অনুযায়ী সব প্রক্রিয়া আমরা অনুসরণ করেছি।প্রাথমিকভাবে আমরা ধারণা করছি,লিভিং রুম থেকে বাথরুমে যাওয়া-আসার সময় হার্ট অ্যাটাক করে তার মৃত্যু হয়েছে।তবে মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়ার জন্য আমরা তার মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য পাঠিয়েছি।এদিকে ঘটনাস্থলে কোনো সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে বিনা বা লাশের শরীরে আঘাতের চিহ্ন বা সন্দেহজনক আলামত পাওয়া গেছে কি না, সেসব বিষয়ে  আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি পুলিশ।

আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ৫ জেলায় বিজিবি মোতায়েন

আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ৫ জেলায় বিজিবি মোতায়েন

বিশেষ প্রতিবেদক,দৈনিক প্রথম সকাল। সেনাবাহিনীর পর দেশের অভ্যন্তরীণ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলায় কক্সবাজার,মাদারীপুর,শেরপুর,গাজীপুর ও মৌলভীবাজার জেলায় বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।এর আগে দেশের ৬ জেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করে সরকার।আজ সোমবার ২২ শে জুন সন্ধ্যা থেকে ৩০ শে জুন পর্যন্ত বিজিবি সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।সাঁরাবিজিবির সদর দফতরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোঃ শরীফুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন।তিনি জানান দেশের অন্যান্য জেলাতেও প্রয়োজন অনুযায়ী তাৎক্ষণিক মোতায়েনের জন্য বিজিবি সদস্যদের স্ট্যান্ডবাই রাখা হয়েছে।এর আগে ইন এইড টু সিভিল পাওয়ারের আওতায় ঢাকা,নারায়ণগঞ্জ,গোপালগঞ্জ,চট্টগ্রাম,ফরিদপুর ও গাজীপুর জেলা সেনা মোতায়নের কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

 ইন্টারপোলের সহায়তায় দুবাইয়ে আটক বেনজীর আহমেদ

ইন্টারপোলের সহায়তায় দুবাইয়ে আটক বেনজীর আহমেদ

বিশেষ প্রতিনিধি,দৈনিক প্রথম সকাল। পুলিশের সাবেক আইজিপি বেনজির আহমেদকে ইন্টারপোলের সহায়তায় দুবাই পুলিশ গ্রেফতার  করেছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।অদ্য রবিবার ১৪ ই  জুন সংসদে বাজেট অধিবেশনে ৩০০ বিধিতে দেয়া এক বক্তব্যে এ তথ্যটি নিশ্চিত করেন তিনি।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান দুর্নীতির একটি মামলায় গত শুক্রবার দুবাই পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছে। অতি দ্রুত তাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হবে।অপরাধী যতই শক্তিশালী হোক না কেন আইনের উর্ধ্বে কেউ নয়।তিনি বলেন গত ১২ ই জুন দুবাই পুলিশ ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো (এনসিবি) একটি ইমেইলের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারকে জানায় দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত বেনজীর আহমেদকে দুবাই পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তিনি বর্তমানে সেখানে আটক আছেন।জানা গেছে ২০২৪ ইং সালের ১৫ ই ডিসেম্বর ঢাকা-১ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অর্থপাচার মামলা দায়ের করে দুদক।মামলায় তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন এবং মানি লন্ডারিং বা অর্থ পাচারের অভিযোগ আনা হয়। দুদকের তদন্তে তার ঘোষণা বহির্ভূত প্রায় ১১ কোটি ৪ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়।চলতি বছরের ৩ রা মে এই মামলায় আদালত অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করে এবং ১৩ ই মে থেকে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়।এই মামলার পরিপ্রেক্ষিতেই তাকে ইন্টারপোলের সহায়তায় দুবাই থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

রাশিয়ার শ্রম বাজারে ১ লাখ কর্মী পাঠাতে চায় বাংলাদেশ

রাশিয়ার শ্রম বাজারে ১ লাখ কর্মী পাঠাতে চায় বাংলাদেশ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট,দৈনিক প্রথম সকাল। বাংলাদেশ ও রাশিয়া জনশক্তিখাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণে ব্যাপকভাবে কাজ করছে।এর অংশ হিসেবে রাশিয়ায় বর্তমানে কর্মরত প্রায় ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মীর সংখ্যা আগামী এক বছরের মধ্যে এক লাখে উন্নীত করার প্রস্তাব দিয়েছে ঢাকা।অদ্য মঙ্গলবার ৯ ই জুন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাশিয়ায় চলমান তিন দিনের সরকারি সফরে গিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এই প্রস্তাব দেন।বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয় রুশ কর্তৃপক্ষ এই প্রস্তাবের ওপর দ্রুততার সঙ্গে কাজ করতে সম্মত হয়েছে এবং উভয় পক্ষই শিগগিরই প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।দুই দেশের আলোচনায় বাংলাদেশ থেকে রাশিয়ায় জনশক্তি রপ্তানি দশগুণ বাড়ানোর বিষয়টি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে উঠে এসেছে।জনশক্তি খাতে সহযোগিতার পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য নিয়েও আলোচনা হয়।বাংলাদেশ ও রাশিয়া একমত হয়েছে যে বর্তমান দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ সম্ভাবনার তুলনায় অনেক কম এবং তা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো উচিত।রাশিয়ায় বাংলাদেশের রপ্তানিপণ্য বিশেষ করে তৈরি পোশাক ও ওষুধ সামগ্রীর বাজার বাড়ানোর সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরেন ড. খলিলুর রহমান।বাণিজ্যের নতুন সুযোগ সন্ধান ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারে আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে একটি বাংলাদেশি ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল রাশিয়ায় পাঠানোর প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছে রুশ পক্ষ।এছাড়া দুই দেশের আলোচনায় প্রযুক্তি, বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সংক্রান্ত সহযোগিতা বেশ গুরুত্ব পেয়েছে।কৃষি ও স্বাস্থ্যসেবা খাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারের বিষয়ে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের জন্য একটি রুশ প্রতিনিধিদলকে বাংলাদেশ সফরের প্রস্তাব দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।এই প্রস্তাবেও তাৎক্ষণিকভাবে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে রাশিয়া।পাশাপাশি বাংলাদেশের জাতীয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নীতিমালা প্রণয়ন এবং এই খাতে "সেন্টার অব এক্সেলেন্স" বা উৎকর্ষ কেন্দ্র স্থাপনে সহায়তা করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে মস্কো।ড. খলিলুর রহমান ৭ জুন থেকে রাশিয়া সফরে রয়েছেন। এই সফরে তার সঙ্গে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।সূত্রঃ বাসস

আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ৫ জেলায় বিজিবি মোতায়েন

বিশেষ প্রতিবেদক,দৈনিক প্রথম সকাল। সেনাবাহিনীর পর দেশের অভ্যন্তরীণ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলায় কক্সবাজার,মাদারীপুর,শেরপুর,গাজীপুর ও মৌলভীবাজার জেলায় বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।এর আগে দেশের ৬ জেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করে সরকার।আজ সোমবার ২২ শে জুন সন্ধ্যা থেকে ৩০ শে জুন পর্যন্ত বিজিবি সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।সাঁরাবিজিবির সদর দফতরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোঃ শরীফুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন।তিনি জানান দেশের অন্যান্য জেলাতেও প্রয়োজন অনুযায়ী তাৎক্ষণিক মোতায়েনের জন্য বিজিবি সদস্যদের স্ট্যান্ডবাই রাখা হয়েছে।এর আগে ইন এইড টু সিভিল পাওয়ারের আওতায় ঢাকা,নারায়ণগঞ্জ,গোপালগঞ্জ,চট্টগ্রাম,ফরিদপুর ও গাজীপুর জেলা সেনা মোতায়নের কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ৫ জেলায় বিজিবি মোতায়েন

আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ৫ জেলায় বিজিবি মোতায়েন

বিশেষ প্রতিবেদক,দৈনিক প্রথম সকাল। সেনাবাহিনীর পর দেশের অভ্যন্তরীণ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলায় কক্সবাজার,মাদারীপুর,শেরপুর,গাজীপুর ও মৌলভীবাজার জেলায় বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।এর আগে দেশের ৬ জেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করে সরকার।আজ সোমবার ২২ শে জুন সন্ধ্যা থেকে ৩০ শে জুন পর্যন্ত বিজিবি সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।সাঁরাবিজিবির সদর দফতরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোঃ শরীফুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন।তিনি জানান দেশের অন্যান্য জেলাতেও প্রয়োজন অনুযায়ী তাৎক্ষণিক মোতায়েনের জন্য বিজিবি সদস্যদের স্ট্যান্ডবাই রাখা হয়েছে।এর আগে ইন এইড টু সিভিল পাওয়ারের আওতায় ঢাকা,নারায়ণগঞ্জ,গোপালগঞ্জ,চট্টগ্রাম,ফরিদপুর ও গাজীপুর জেলা সেনা মোতায়নের কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ৫ জেলায় বিজিবি মোতায়েন

আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ৫ জেলায় বিজিবি মোতায়েন

বিশেষ প্রতিবেদক,দৈনিক প্রথম সকাল। সেনাবাহিনীর পর দেশের অভ্যন্তরীণ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলায় কক্সবাজার,মাদারীপুর,শেরপুর,গাজীপুর ও মৌলভীবাজার জেলায় বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।এর আগে দেশের ৬ জেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করে সরকার।আজ সোমবার ২২ শে জুন সন্ধ্যা থেকে ৩০ শে জুন পর্যন্ত বিজিবি সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।সাঁরাবিজিবির সদর দফতরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোঃ শরীফুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন।তিনি জানান দেশের অন্যান্য জেলাতেও প্রয়োজন অনুযায়ী তাৎক্ষণিক মোতায়েনের জন্য বিজিবি সদস্যদের স্ট্যান্ডবাই রাখা হয়েছে।এর আগে ইন এইড টু সিভিল পাওয়ারের আওতায় ঢাকা,নারায়ণগঞ্জ,গোপালগঞ্জ,চট্টগ্রাম,ফরিদপুর ও গাজীপুর জেলা সেনা মোতায়নের কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ৫ জেলায় বিজিবি মোতায়েন

আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ৫ জেলায় বিজিবি মোতায়েন

বিশেষ প্রতিবেদক,দৈনিক প্রথম সকাল। সেনাবাহিনীর পর দেশের অভ্যন্তরীণ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলায় কক্সবাজার,মাদারীপুর,শেরপুর,গাজীপুর ও মৌলভীবাজার জেলায় বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।এর আগে দেশের ৬ জেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করে সরকার।আজ সোমবার ২২ শে জুন সন্ধ্যা থেকে ৩০ শে জুন পর্যন্ত বিজিবি সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।সাঁরাবিজিবির সদর দফতরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোঃ শরীফুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন।তিনি জানান দেশের অন্যান্য জেলাতেও প্রয়োজন অনুযায়ী তাৎক্ষণিক মোতায়েনের জন্য বিজিবি সদস্যদের স্ট্যান্ডবাই রাখা হয়েছে।এর আগে ইন এইড টু সিভিল পাওয়ারের আওতায় ঢাকা,নারায়ণগঞ্জ,গোপালগঞ্জ,চট্টগ্রাম,ফরিদপুর ও গাজীপুর জেলা সেনা মোতায়নের কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ৫ জেলায় বিজিবি মোতায়েন

আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ৫ জেলায় বিজিবি মোতায়েন

বিশেষ প্রতিবেদক,দৈনিক প্রথম সকাল। সেনাবাহিনীর পর দেশের অভ্যন্তরীণ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলায় কক্সবাজার,মাদারীপুর,শেরপুর,গাজীপুর ও মৌলভীবাজার জেলায় বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।এর আগে দেশের ৬ জেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করে সরকার।আজ সোমবার ২২ শে জুন সন্ধ্যা থেকে ৩০ শে জুন পর্যন্ত বিজিবি সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।সাঁরাবিজিবির সদর দফতরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোঃ শরীফুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন।তিনি জানান দেশের অন্যান্য জেলাতেও প্রয়োজন অনুযায়ী তাৎক্ষণিক মোতায়েনের জন্য বিজিবি সদস্যদের স্ট্যান্ডবাই রাখা হয়েছে।এর আগে ইন এইড টু সিভিল পাওয়ারের আওতায় ঢাকা,নারায়ণগঞ্জ,গোপালগঞ্জ,চট্টগ্রাম,ফরিদপুর ও গাজীপুর জেলা সেনা মোতায়নের কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ৫ জেলায় বিজিবি মোতায়েন

আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ৫ জেলায় বিজিবি মোতায়েন

বিশেষ প্রতিবেদক,দৈনিক প্রথম সকাল। সেনাবাহিনীর পর দেশের অভ্যন্তরীণ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলায় কক্সবাজার,মাদারীপুর,শেরপুর,গাজীপুর ও মৌলভীবাজার জেলায় বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।এর আগে দেশের ৬ জেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করে সরকার।আজ সোমবার ২২ শে জুন সন্ধ্যা থেকে ৩০ শে জুন পর্যন্ত বিজিবি সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।সাঁরাবিজিবির সদর দফতরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোঃ শরীফুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন।তিনি জানান দেশের অন্যান্য জেলাতেও প্রয়োজন অনুযায়ী তাৎক্ষণিক মোতায়েনের জন্য বিজিবি সদস্যদের স্ট্যান্ডবাই রাখা হয়েছে।এর আগে ইন এইড টু সিভিল পাওয়ারের আওতায় ঢাকা,নারায়ণগঞ্জ,গোপালগঞ্জ,চট্টগ্রাম,ফরিদপুর ও গাজীপুর জেলা সেনা মোতায়নের কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

ধর্মপাশার সুখাইড় বাজারে প্রশাসনের সহায়তায় বেদখল জায়গা ফেরত পেয়েছেন অভিজিৎ সরকার

ধর্মপাশার সুখাইড় বাজারে প্রশাসনের সহায়তায় বেদখল জায়গা ফেরত পেয়েছেন অভিজিৎ সরকার

কুলেন্দু শেখর দাস,সুনামগঞ্জ। সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের সহায়তা নিয়ে  খরিদাকৃত বেদখল হওয়া জায়গা ফেরত পেয়েছে ভূক্তভোগী একটি পরিবার।শুক্রবার ধর্মপাশা উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) সঞ্জয় ঘোষের নেতৃত্বে সার্ভেয়ার রুহুল আমীন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পুলিশ ও গণমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে সরেজমিন এসে মাপজোঁক করে টিনসেটের দোকানকোঠা ভেঙ্গে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করে আবেদনকারীকে ২১ শতক জায়গা বুঝিয়ে দেন। ভূমি প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের মাধ্যমে কাঙ্খিত সেবা পেয়ে উচ্ছ্বসিত ভুক্তভোগী পরিবারটি।উল্লেখ্য ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন ২০২৩ ইং এর মাধ্যমে বাংলাদেশে ভূমি সংক্রান্ত জালিয়াতি,অবৈধ দখল এবং প্রতারণা রোধে একটি যুগান্তকারী ফৌজদারি আইন। ২০২৩ ইং সালের ১৮ ই সেপ্টেম্বর গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে আইনটি কার্যকর হয়। সাধারণ নাগরিকদের দীর্ঘদিনের দেওয়ানি মামলার ভোগান্তি কমিয়ে দ্রুত অপরাধীদের শাস্তি ও প্রকৃত মালিকের অধিকার প্রতিষ্ঠা করে। এই আইন প্রয়োগ করে বেহাত হওয়ায় মূল্যবান ভূমি ফিরে পেয়েছেন উপজেলার দীপু তালুকদার ও তার পরিবার। ধর্মপাশা উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি),ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে তাহিরপুর উপজেলার দক্ষিন শ্রীপুর ইউনিয়নের মহজমপুর গ্রামের মৃত বীরেন্দ্র সরকারের ছেলে অভিজিৎ সরকার ২৬৩ নং খতিয়ানে, আরএস ৩৩৫ নং দাগে, ০.০৫ একর এবং আরএস ৬০৫ নং দাগে ০.০৫ একর শ্রী সুমন চন্দ্র দাসের পুত্র ও একমাত্র উত্তরাধিকারী শুধন দাসের কাছ থেকে গত ২০২৪ সালের ৯ ই সেপ্টেম্বর ২২৩৭ নং সাফ কবালা দলিলমূলে ক্রয় করেন।সুখাইড় গ্রামের মৃত সিতেস চন্দ্র দাসের ছেলে ব্রিপেশ চন্দ্র দাস ও অমর চন্দ্র দাস পৈত্রিক স্বত্তবলে আরএস ৩৩৫ নং দাগে  ১৩ লাখ টাকায় ১১ শতক এবং আরএস ৬০৫ নং দাগে একই বংশের মৃত সুমন দাসের ছেলে শুধন দাস ১২ লাখ টাকায় ১০ শতক সুখাইড় বাজারে ভিটা  জমি ২০২৪ সালের ৯ অক্টোবর ২২৩৮ নং সাফ কবালামূলে বিক্রি করেন। ক্রেতা দুটি দলিলমূলে ২১ শতক ভূমি দলিলমূলে নিজ নামে নামজারি করিয়ে সরকারি খাজনা পরিশোধ করে ভোগদখল করে আসছেন।কিন্তু গত ২০২৪ সালের ২৩ অক্টোবর ধর্মপাশা উপজেলার দিকজান গ্রামের চন্দ্র কুমার দাস, জাকির মিয়া, আয়না মিয়া, বাবুল মিয়া, কামনা দাস, রাজন দাস, টুটুল দাস,শুধন দাস ও শরিফ মিয়া রাতারাতি জমিতে দোকানঘর নির্মাণ করে অবৈধভাবে ভোগদখল শুরু করে। এ নিয়ে এলাকায় শালিস বিচার হলেও বিবাদীরা বিচার না মেনে অবৈধভাবে ভোগ দখলে থাকে।এ ঘটনায় জমির প্রকৃত মালিক অভিজিৎ সরকার থানায় মামলাও দায়ের করেন। পরে তিনি আম মোক্তার নামায় অভিজিৎ এর শ্বশুর সুনামগঞ্জ শহরের দীপু তালুকদারকে এই খরিদা জমিটুকু দেখভালের দায়িত্ব দিলে তিনি  ধর্মপাশা উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) গত ১৪ ই মে দখল প্রদানে সহযোগিতা চেয়ে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনে অভিযোগ করেন।অভিযোগের প্রেক্ষিতে ধর্মপাশা উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) দখলবাজদের একাধিক নোটিশ দেন। অবশেষে তিনি গত ২৬ জুন শুক্রবার এলাকায় সুখাইর মৌজা এলাকাস্থিত সুখাইর বাজারে গিয়ে দখলবাজদের উচ্ছেদ করে ভূমির মালিক অভিজিৎ সরকারকে দখলকৃত ১৮ শতক জায়গা বুঝিয়ে দেন। বাকি আড়াই শতক জায়গায় ঘরে মালামাল থাকায় দখলকারি ও এলাকাবাসীর আহবানে ১ সপ্তাহ সময় দেন। এ ব্যাপারে জমির মালিক অভিজিৎ সরকারের শ্বশুড় অভিযোগকারী দীপু দাস বলেন, আমরা ন্যায় বিচার পেয়েছি। ধর্মপাশা উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মহোদয়ের মাধ্যমে বাকি আড়াই শতক জায়গা এক সপ্তাহের মধ্যে বুঝিয়ে দেওয়ার সময় নিয়েছে। আমরা উনার কথা রেখেছি। এক সপ্তাহ পর আমরা আমাদের অবশিষ্ট জায়গায় দখল নেব।এ ব্যাপারে ধর্মপাশা উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) সঞ্জয় ঘোষ বলেন ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের অভিযোগ করার পর অভিযোগকারীর কাগজ পর্যালোচনা এবং যাছাই করে যারা অন্যায়ভাবে দখল করে রেখেছিল তাদেরকে একাধিক নোটিশ দিয়েছিলাম। অবশেষ শুক্রবার সরেজমিন গিয়ে তাদের উচ্ছেদ করে জমির মালিককে জায়গা বুঝিয়ে দিয়েছি।বাকি আড়াই শতকে মালামাল থাকায় তারা এক সপ্তাহ সময়ে চেয়ে নিয়েছেন।এক সপ্তাহ পরে মালিককে জায়গা বুঝিয়ে দেবেন।

আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ৫ জেলায় বিজিবি মোতায়েন

আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ৫ জেলায় বিজিবি মোতায়েন

বিশেষ প্রতিবেদক,দৈনিক প্রথম সকাল। সেনাবাহিনীর পর দেশের অভ্যন্তরীণ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলায় কক্সবাজার,মাদারীপুর,শেরপুর,গাজীপুর ও মৌলভীবাজার জেলায় বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।এর আগে দেশের ৬ জেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করে সরকার।আজ সোমবার ২২ শে জুন সন্ধ্যা থেকে ৩০ শে জুন পর্যন্ত বিজিবি সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।সাঁরাবিজিবির সদর দফতরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোঃ শরীফুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন।তিনি জানান দেশের অন্যান্য জেলাতেও প্রয়োজন অনুযায়ী তাৎক্ষণিক মোতায়েনের জন্য বিজিবি সদস্যদের স্ট্যান্ডবাই রাখা হয়েছে।এর আগে ইন এইড টু সিভিল পাওয়ারের আওতায় ঢাকা,নারায়ণগঞ্জ,গোপালগঞ্জ,চট্টগ্রাম,ফরিদপুর ও গাজীপুর জেলা সেনা মোতায়নের কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

হামে নতুন করে ৮ শিশুর মৃত্যু,হাসপাতালে ভর্তি ৮২৯

বিশেষ প্রতিনিধি,দৈনিক প্রথম সকাল।  গত ২৪ ঘণ্টায়  হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময় হাম নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৮২৯ জন।অদ্য বুধবার ১০ ই জুন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম সংক্রান্ত নিয়মিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।এতে বলা হয় গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে ৯৪৫ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে।এ সময় ঢাকা বিভাগে ৬,সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে ১ জন করে মোট ৬ জন  হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরে গেছেন ৮৫৩ জন।গত ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ৯২ জন। একই সময়ে সন্দেহজন হাম রোগে মৃতের সংখ্যা ৫৪৭ জন।

দেশে নীরব ঘাতক উচ্চ রক্তচাপ,ঝরছে শত প্রাণ

বিশেষ প্রতিনিধি,দৈনিক প্রথম সকাল।অসংক্রামক রোগগুলোর মধ্যে উচ্চ রক্তচাপ (হাইপারটেনশন) একটি দীর্ঘস্থায়ী জীবনব্যাপী রোগ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসেব অনুযায়ী, বিশ্বে ১৪০ কোটি মানুষ (৩০-৭৯ বছর) উচ্চ রক্তচাপে ভুগছে, যাদের বেশিরভাগ বাস করেন নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশে।উচ্চ রক্তচাপের ফলে অনেকে হৃদরোগ,স্ট্রোক এবং কিডনি রোগের মতো অসংক্রামক রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।আর এতে মৃত্যু বহুগুণ বাড়ছে।বিশ্বে প্রতি বছর ১ কোটিরও বেশি মানুষ উচ্চ রক্তচাপের কারণে মারা যায়।এ সংখ্যা সকল সংক্রামক রোগে মোট মৃত্যুর চেয়েও বেশি।বাংলদেশেও উচ্চ রক্তচাপজনিত কারণে প্রতিদিন প্রাণ হারাচ্ছেন শত শত মানুষ।বাংলাদেশেও উচ্চ রক্তচাপের নীরব মহামারি চলছে।সবশেষ ‘বাংলাদেশ এনসিডি স্টেপস সার্ভে "২০২২" এর তথ্য অনুযায়ী প্রতি ৪ জনে ১ জন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ (২৩.৫ শতাংশ) উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত।বাংলাদেশে উচ্চ রক্তচাপজনিত অসুস্থতা এবং অকালমৃত্যুর বর্তমান প্রবণতা অব্যাহত থাকলে ২০৩০ ইং সালের মধ্যে অসংক্রামক রোগজনিত অকালমৃত্যু এক-তৃতীয়াংশে কমিয়ে আনা সংক্রান্ত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (লক্ষ্য ৩.৪) অর্জন কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়বে।এমন বাস্তবতায় সারা বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশেও রবিবার ১৭ ই মে পালিত হচ্ছে বিশ্ব উচ্চ রক্তচাপ দিবস।প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে উচ্চ রক্তচাপ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে এই দিবসটি পালন করা হয়।উচ্চ রক্তচাপকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় "নীরব ঘাতক" বলা হয়,কারণ এর কোনো স্পষ্ট লক্ষণ থাকে না, অথচ এটি স্ট্রোক ও হৃদরোগ এবং অকালমৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ।এই বছরের বিশ্ব উচ্চ রক্তচাপ দিবস এর মূল প্রতিপাদ্য হচ্ছে,"একসাথে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করি: নীরব ঘাতককে জয় করি।বিশ্বব্যাপী উচ্চ রক্তচাপ পরিস্থিতিঃ২০২৫ ইং সালের সেপ্টেম্বরে উচ্চ রক্তচাপ বিষয়ক ২য় বৈশ্বিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।প্রতিবেদন অনুযায়ী ৩০-৭৯ বছর বয়সী জনগোষ্ঠীর ৩৩ শতাংশ উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত এবং ১৯৯০ সাল থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৬৫ কোটি থেকে বেড়ে ১৪০ কোটিতে দাঁড়িয়েছে।এ সময়ে উচ্চ রক্তচাপের প্রকোপ ধনী দেশগুলো থেকে কমে নিম্ন এবং মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ্বব্যাপী উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত মানুষের মধ্যে মাত্র ৩২০ মিলিয়ন (২৩ শতাংশ) মানুষ তাদের রক্তচাপ কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেরেছে।প্রতিবেদনের তথ্য মতে শুধুমাত্র কানাডা, কোস্টারিকা, আইসল্যান্ড এবং দক্ষিণ কোরিয়াতে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের হার ৫০ শতাংশের বেশি। ৯৯টি দেশে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের হার ২০ শতাংশেরও কম। ২০১১ সালে উচ্চ রক্তচাপজনিত কারণে ১ কোটি ১০ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছে, যা বিশ্বব্যাপী মোট মৃত্যুর ১৬ শতাংশ এবং অসংক্রামক রোগের জন্য দায়ী অন্য যেকোনো ঝুঁকির থেকে বেশি।বাংলাদেশে উচ্চ রক্তচাপ পরিস্থিতিঃ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) 'হেলথ অ্যান্ড মরবিডিটি স্ট্যাটাস সার্ভে-২০২৫' এর তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে শীর্ষ ১০টি রোগের তালিকায় এক নম্বরে রয়েছে উচ্চ রক্তচাপ।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২০২৫ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশে উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্তদের (৩০-৭৯ বছর বয়সী) অর্ধেকই (৫৩ শতাংশ পুরুষ, ৪৫ শতাংশ নারী) জানে না যে তাদের উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে। উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্তদের মধ্যে চিকিৎসা গ্রহণের হার মাত্র ৩৯ শতাংশ (৩৫ শতাংশ পুরুষ, ৪২ শতাংশ নারী)। নিয়মিত ওষুধ সেবনের মাধ্যমে রোগটি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেরেছে মাত্র ১৬ শতাংশ (১৫ শতাংশ পুরুষ, ১৬ শতাংশ নারী) অর্থাৎ প্রতি ৭ জনে ১ জন।প্রতিবেদনে আরও বলা হয় ২০২৪  ইং সালে বাংলাদেশে ২ লক্ষ ৮৩ হাজার ৪০০ মানুষ হৃদরোগজনিত রোগে মৃত্যুবরণ করেছে, যার ৫২ শতাংশের (৪৮ শতাংশ পুরুষ, ৫৬ শতাংশ নারী) জন্য দায়ী উচ্চ রক্তচাপ।উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে বিশেষজ্ঞদের মতামতঃউচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে করণীয় জানতে চাইলে পাবলিক হেলথ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট (ইলেক্ট) ডা. আবু জামিল ফয়সাল বাংলানিউজকে বলেন উচ্চ রক্তচাপ বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে।রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রথমেই আমাদেরকে খাবারে লবণ কম খেতে হবে,শাকসবজি প্রচুর পরিমাণে খেতে হবে,কমপক্ষে আধা ঘণ্টা শারীরিক পরিশ্রম কিংবা ব্যায়াম করতে হবে, নিয়মিত সঠিক সময়ে নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে হবে।এখন অনেকেই মোবাইল ফোনের আসক্তিতে রাত জাগে,প্রয়োজনের তুলনায় কম সময় ঘুমায়। পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম না হওয়ায় অনেকেই মানসিক উত্তেজনা বা চাপে থাকে।ধূমপানের কারণেও উচ্চ রক্তচাপ হয়, তাই ধূমপান কিংবা তামাকপণ্যের ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে। উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধে এই কয়েকটি বিষয় মেনে চলার পরামর্শ দেন তিনি।তিনি আরও বলেন কারও যদি মাথা ও ঘাড় ব্যথা হয়, মাথা ঘুরায়, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত এবং রক্তচাপ পরীক্ষা করা দরকার। উচ্চ রক্তচাপ শনাক্ত হলে নিয়মিত ওষুধ খেতে হবে।ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন ও রিসার্চ ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ডা.সোহেল রেজা চৌধুরী এ বিষয়ে বলেন কারও যখন উচ্চ রক্তচাপ শনাক্ত হয়,তখন ওষুধ খেয়ে নিয়ন্ত্রণ করা ছাড়া কোনো উপায় নেই।লাইফস্টাইল পরিবর্তন করলে কিছুটা কমে কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সারাজীবন ওষুধ খেতে হয়।অর্থাৎ একদিকে প্রতিরোধ আরেকদিকে চিকিৎসা নিতে হবে।দেশের প্রায় প্রতি চারজনে একজন উচ্চ রক্তচাপে ভুগছে। বিপদের কথা এদের অধিকাংশই জানে না,তাদের উচ্চ রক্তচাপ আছে।যারা জানে তাদের অর্ধেক ওষুধ খাচ্ছে। দেশে যত উচ্চ রক্তচাপের রোগী আছে তার মাত্র ১৬ শতাংশের উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে।তিনি আরও বলেন দেশে উচ্চ রক্তচাপ শনাক্তের একটা গ্যাপ আছে, আবার যাদের শনাক্ত হচ্ছে, তাদেরকেও সঠিকভাবে চিকিৎসা দেওয়া যাচ্ছে না।অন্যদিকে যারা চিকিৎসা নিচ্ছেন তাদের অনেকের রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণে থাকছে না।অর্থাৎ আমাদেরকে তিনটা বিষয়ে নজর দিতে হবে,এক গণহারে উচ্চ রক্তচাপের স্ক্রিনিং কার্যক্রম চালাতে হবে।দুই শনাক্ত রোগীদের সারা জীবন ওষুধ খেতে হয় এবং এটা অনেক ব্যয়বহুল,আবার ওষুধ না খেলে রোগটা নিয়ন্ত্রণে থাকবে না,তাই সরকারকে যাদের সামর্থ্য নাই তাদেরকে বিনা পয়সায় ওষুধ দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের এ অধ্যাপক জানান ওষুধ দেওয়ার পর রোগীর উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আছে কি না,নিয়মিত সেটা ফলোআপ করতে হবে। এই কয়েকটি কাজ করতে পারলে ধীরে ধীরে ওভারঅল কন্ট্রোল রেট বাড়বে,যেটা আমাদের লক্ষ্যমাত্রা ৭০ শতাংশের উপরে নিয়ে যাওয়া,সেটা অর্জন করতে পারব।এটা করতে পারলে স্ট্রোক,হার্ট অ্যাটিকে যে অকালমৃত্যু হচ্ছে তাও কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।

রক্তচাপ কেড়ে নিতে পারে দৃষ্টিশক্তি

চোখের স্ট্রোকের জন্য কি হাইপারটেনশন দায়ী?চোখের চিকিৎসক ডা. সুমন মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘হাইপারটেনশনের কারণে চোখের একাধিক ক্ষতি হতে পারে।’ উচ্চ রক্তচাপে চোখের রেটিনার শিরায় ব্লকেজ তৈরি হয়। এর ফলে রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়। এই অবস্থাকে ‘সেন্টাল রেটিনাল ভেইন অকুলেশন’ বলা হয়। এটি শিরার পাশাপাশি ধমনীতেও হতে পারে বলে জানিয়েছেন ডা. মুখোপাধ্যায়। আসলে চলতি ভাষায় এই অবস্থাকেই চোখের স্ট্রোক বলা হয়।সিআরভিও-এ কি দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারেন?সিআরভিও-এর একাধিক উপসর্গ রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে কমন হলো- হঠাৎ করে একটা চোখের দৃষ্টি কমে যাওয়া। এছাড়া চোখে রক্তপাত হলে চোখের ভিতর কালো ঝুলের মতো অংশ দেখা যায়।‘সিআরভিও-এর চিকিৎসা হলো ইনজেকশন বা রেটিনাল লেজার’ বলেন ডা. মুখোপাধ্যায়। সিআরভিও হলে দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া, ঝাপসা দৃষ্টি এবং দৃষ্টিশক্তি হারানোর মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কতটা ক্ষতিকর?ডা. মুখোপাধ্যায়ের সংযোজন, ‘প্রেশার খুব বেশি থাকলে চোখের ভিতর যে অপটিক নার্ভ থাকে, তারও মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।’ এই অবস্থায় চোখে রক্তপাতও হতে পারে। একে চিকিৎসার ভাষায় হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি বলা হয়।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কি গর্ভবতীদেরও হয়?হাইপারটেনশনে ভয় রয়েছে অন্তঃসত্ত্বা নারীদেরও। অনেক সময় গর্ভাবস্থায় হবু মায়ের ব্লাড প্রেশার অত্যধিক বেড়ে যায়। যাকে বলে প্রেগন্যান্সি হাইপারটেনশন বা ‘একলাম্পসিয়া’। এই অবস্থা তৈরি হলে মস্তিষ্কে রক্তপাত হয়। এই পর্যায়ে পৌঁছনোর ঠিক আগে চোখের উপর প্রভাব পড়ে। দৃষ্টিশক্তি কমে আসে। এই লক্ষণ দেখে বোঝা যায় যে, ‘একলাম্পসিয়া’ খারাপ দিকে এগোচ্ছে ‘অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার কন্ট্রোলে রাখা দরকার কেন?এছাড়া অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার বারবার যাচাই করা দরকার। অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ থাকা অবস্থায় অস্ত্রোপচার করলে চোখে রক্তপাত হতে পারে এবং চোখ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

রক্তচাপ কতটা বেড়ে গেলে হার্টঅ্যাটাক হতে পারে

প্রথমত, উচ্চ রক্তচাপ কখন হয় এবং এটি আসলে কী তা বোঝা গুরুত্বপূর্ণ। সহজ কথায়, এটি এমন একটি স্বাস্থ্যগত অবস্থা যেখানে রক্ত পাম্প করার জন্য হৃদপিণ্ডকে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি চাপ প্রয়োগ করতে হয়। এর ফলে, শিরাগুলির উপর চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়, যার কারণে তাদের দেয়াল ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করে। গুরুতর ক্ষেত্রে, শিরা ফেটে যেতে পারে, যা মারাত্মক হতে পারে।উচ্চ রক্তচাপের পরিসীমা কতযদি শরীরের রক্তচাপের পরিসীমা ১২০/৮০ মিমি এইচজি হয় তবে তাকে স্বাভাবিক রক্তচাপ বলা হয়। কিন্তু যখন এই পরিসীমা সিস্টোলিক ১৩০/১৩৯ এবং ডায়াস্টোলিক ৮০ থেকে ৯০ মিমি এইচজি-র মধ্যে পড়ে, তখন তাকে উচ্চ রক্তচাপের অবস্থা বলা হয়।রক্তচাপের কোন স্তরটি হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়বিশেষজ্ঞদের মতে, উচ্চ রক্তচাপের সমস্যাও হার্টঅ্যাটাকের জন্য অনেকাংশে দায়ী। পরিসরের কথা বলতে গেলে, যদি রক্তচাপ ১৪০/৯০ মিমিএইচজি-র উপরে পৌঁছায়, তাহলে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে, আপনার অবিলম্বে আপনার ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা উচিত যাতে অবস্থা গুরুতর না হয়।দৃশ্যমান লক্ষণগুলি কী কীরক্তচাপের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো এটি কোনও গুরুতর লক্ষণ দেখায় না। এজন্যই একে 'নীরব ঘাতক' বলা হয়। তবে, কিছু ক্ষেত্রে আক্রান্ত ব্যক্তি তীব্র মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, চোখ লাল হওয়া, বুকে ব্যথা, নাক দিয়ে রক্তপাত এবং বমি বমি ভাব অনুভব করতে পারেন। অতএব, যদি আপনার রক্তচাপের সমস্যা থাকে, তাহলে নিয়মিত আপনার রিডিং পরীক্ষা করে দেখুন এবং গুরুতর অবস্থার ক্ষেত্রে, অবিলম্বে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন।