ঢাকা   রোববার, ১৭ মে ২০২৬
দৈনিক প্রথম সকাল

“দীর্ঘ ১৭ বছরের বঞ্চনা নিয়ে মুখ খুললেন পানিসম্পদ মন্ত্রী”

বিশেষ প্রতিবেদক,দৈনিক প্রথম সকাল।পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, আমরা ১৭ বছর বঞ্চনার শিকার হয়েছি। আমরা যেন আর অবহেলিত না থাকি,বঞ্চনার শিকার না হই,উপেক্ষিত না হই।অদ্য শুক্রবার ১৫ ই মে বিকেলে লক্ষ্মীপুরে নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মত-বিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।এ্যানি লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির আহবায়ক।তিনি বলেন চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা গঠনের মাধ্যমে সেটা আমরা প্রমাণ করেছি আমরা বিএনপি চাইলে সেটা পারি,প্রমাণও পেয়েছি।পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন রাস্তা-ঘাট,জলাবদ্ধতা,স্কুল-কলেজ,মাদ্রাসাসহ অনেক উন্নয়নের দিক থেকে আমরা বঞ্চিত হয়েছি গত ১৭ বছর।এখান থেকে আমাদেরকে বের হয়ে আসতে হবে।আমরা লক্ষ্মীপুরে একটা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করবো। মেডিকেল কলেজ ও অর্থনৈতিক জোন আমরা গড়ে তুলবো।এসময় বিশেষ অতিথি ছিলেন লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক সাহাবউদ্দিন সাবু,জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক হাছিবুর রহমান, বাফুফে সহ-সভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী, চন্দ্রগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি বেলাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ইউছুফ ভূঁইয়া,লক্ষ্মীপুর জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আহমেদ ফেরদৌস মানিক ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের জেলা সভাপতি হাফিজুর রহমান প্রমুখ।

ঈদে আসছে নতুন টাকা, থাকছে না কোনো ব্যক্তির ছবি: গভর্নর

বৃহস্পতিবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত সমাবেশে এসব দাবি জানানো হয়। সমাবেশ শেষে মিছিল নিয়ে অর্থ উপদেষ্টা বরাবর ১২ দাফা দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি দেওয়া হয়।সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি বজলুর রশীদ ফিরোজের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তৃতা করেন- কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস, সহ-সভাপতি জয়নাল আবেদীন মুকুল, শফিউর রহমান শফি, অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম পল্টু, অ্যাডভোকেট আসাদুল ইসলাম প্রমুখ। সমাবেশে বজলুর রশীদ ফিরোজ বলেন, কৃষি হচ্ছে বাংলাদেশের বৃহত্তম খাত; কিন্তু এই খাতটি দীর্ঘদিন ধরেই চরম অবহেলার শিকার। দেশের মোট শ্রমশক্তির ৪৫ শতাংশ এবং গ্রামীণ নারীদের প্রায় ৬০ শতাংশ কৃষিতে নিয়োজিত। কৃষি খাত দেশের জিডিপিতে ১১ দশমিক ২ শতাংশ অবদান রাখলেও সরকারিভাবে এর গুরুত্ব নেই বললেই চলে। কৃষি ও কৃষক ক্ষেতমজুর না বাঁচলে দেশ বাঁচবে না। কৃষি ও কৃষকের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত না হলে, দেশের অর্থনীতি ও খাদ্য নিরাপত্তাও ঝুঁকির মুখে পড়বে।তিনি বলেন, কৃষি উপকরণের দাম যেমন বেড়েই চলেছে, তেমনি কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এর ফলে প্রতিবছর প্রায় ১১ লাখ কৃষক জমি হারিয়ে ভূমিহীন হয়ে পড়ছে। বাজার ভরে গেছে ভেজাল সার, বীজ ও কীটনাশকে। যার ফলে কৃষকরা চরম ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। ক্ষেতমজুরদের বছরে গড় কাজ থাকে ১৮০ দিনেরও কম। ‘আমি রেটে’ গ্রামীণ রেশনিং ব্যবস্থা চালুর দাবিও বছরের পর বছর ধরে উপেক্ষিত থেকে যাচ্ছে।দেশের অগ্রযাত্রা নিশ্চিত করতে হলে খাদ্য নিরাপত্তাকে প্রাধান্য দিয়ে কৃষিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। এ লক্ষ্যে তিনি জাতীয় বাজেটে কৃষি খাতে উন্নয়ন বরাদ্দের ৪০ শতাংশ নিশ্চিত করার জোর দাবি জানান তিনি। তাদের দাবিগুলো হলো- 

পিছিয়ে পড়ছে দেশের সম্ভাবনাময় এসএমই খাত

বৃহস্পতিবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত সমাবেশে এসব দাবি জানানো হয়। সমাবেশ শেষে মিছিল নিয়ে অর্থ উপদেষ্টা বরাবর ১২ দাফা দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি দেওয়া হয়।সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি বজলুর রশীদ ফিরোজের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তৃতা করেন- কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস, সহ-সভাপতি জয়নাল আবেদীন মুকুল, শফিউর রহমান শফি, অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম পল্টু, অ্যাডভোকেট আসাদুল ইসলাম প্রমুখ। সমাবেশে বজলুর রশীদ ফিরোজ বলেন, কৃষি হচ্ছে বাংলাদেশের বৃহত্তম খাত; কিন্তু এই খাতটি দীর্ঘদিন ধরেই চরম অবহেলার শিকার। দেশের মোট শ্রমশক্তির ৪৫ শতাংশ এবং গ্রামীণ নারীদের প্রায় ৬০ শতাংশ কৃষিতে নিয়োজিত। কৃষি খাত দেশের জিডিপিতে ১১ দশমিক ২ শতাংশ অবদান রাখলেও সরকারিভাবে এর গুরুত্ব নেই বললেই চলে। কৃষি ও কৃষক ক্ষেতমজুর না বাঁচলে দেশ বাঁচবে না। কৃষি ও কৃষকের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত না হলে, দেশের অর্থনীতি ও খাদ্য নিরাপত্তাও ঝুঁকির মুখে পড়বে।তিনি বলেন, কৃষি উপকরণের দাম যেমন বেড়েই চলেছে, তেমনি কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এর ফলে প্রতিবছর প্রায় ১১ লাখ কৃষক জমি হারিয়ে ভূমিহীন হয়ে পড়ছে। বাজার ভরে গেছে ভেজাল সার, বীজ ও কীটনাশকে। যার ফলে কৃষকরা চরম ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। ক্ষেতমজুরদের বছরে গড় কাজ থাকে ১৮০ দিনেরও কম। ‘আমি রেটে’ গ্রামীণ রেশনিং ব্যবস্থা চালুর দাবিও বছরের পর বছর ধরে উপেক্ষিত থেকে যাচ্ছে।দেশের অগ্রযাত্রা নিশ্চিত করতে হলে খাদ্য নিরাপত্তাকে প্রাধান্য দিয়ে কৃষিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। এ লক্ষ্যে তিনি জাতীয় বাজেটে কৃষি খাতে উন্নয়ন বরাদ্দের ৪০ শতাংশ নিশ্চিত করার জোর দাবি জানান তিনি। তাদের দাবিগুলো হলো- 

বাজেটে কৃষি খাতে ৪০ শতাংশ উন্নয়ন বরাদ্দের দাবি

বৃহস্পতিবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত সমাবেশে এসব দাবি জানানো হয়। সমাবেশ শেষে মিছিল নিয়ে অর্থ উপদেষ্টা বরাবর ১২ দাফা দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি দেওয়া হয়।সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি বজলুর রশীদ ফিরোজের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তৃতা করেন- কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস, সহ-সভাপতি জয়নাল আবেদীন মুকুল, শফিউর রহমান শফি, অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম পল্টু, অ্যাডভোকেট আসাদুল ইসলাম প্রমুখ। সমাবেশে বজলুর রশীদ ফিরোজ বলেন, কৃষি হচ্ছে বাংলাদেশের বৃহত্তম খাত; কিন্তু এই খাতটি দীর্ঘদিন ধরেই চরম অবহেলার শিকার। দেশের মোট শ্রমশক্তির ৪৫ শতাংশ এবং গ্রামীণ নারীদের প্রায় ৬০ শতাংশ কৃষিতে নিয়োজিত। কৃষি খাত দেশের জিডিপিতে ১১ দশমিক ২ শতাংশ অবদান রাখলেও সরকারিভাবে এর গুরুত্ব নেই বললেই চলে। কৃষি ও কৃষক ক্ষেতমজুর না বাঁচলে দেশ বাঁচবে না। কৃষি ও কৃষকের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত না হলে, দেশের অর্থনীতি ও খাদ্য নিরাপত্তাও ঝুঁকির মুখে পড়বে।তিনি বলেন, কৃষি উপকরণের দাম যেমন বেড়েই চলেছে, তেমনি কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এর ফলে প্রতিবছর প্রায় ১১ লাখ কৃষক জমি হারিয়ে ভূমিহীন হয়ে পড়ছে। বাজার ভরে গেছে ভেজাল সার, বীজ ও কীটনাশকে। যার ফলে কৃষকরা চরম ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। ক্ষেতমজুরদের বছরে গড় কাজ থাকে ১৮০ দিনেরও কম। ‘আমি রেটে’ গ্রামীণ রেশনিং ব্যবস্থা চালুর দাবিও বছরের পর বছর ধরে উপেক্ষিত থেকে যাচ্ছে।দেশের অগ্রযাত্রা নিশ্চিত করতে হলে খাদ্য নিরাপত্তাকে প্রাধান্য দিয়ে কৃষিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। এ লক্ষ্যে তিনি জাতীয় বাজেটে কৃষি খাতে উন্নয়ন বরাদ্দের ৪০ শতাংশ নিশ্চিত করার জোর দাবি জানান তিনি। তাদের দাবিগুলো হলো- 

প্রতিদিনের বাংলাদেশ পত্রিকায় ‘ক্রাইম রিপোর্টার’ নিয়োগ

প্রতিদিনের বাংলাদেশ

দুই সাংবাদিককে মারধর,ওসির তৎপরতায় মাদক-গানপাউডারসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী রাব্বীসহ ৩ জন আটক

দুই সাংবাদিককে মারধর,ওসির তৎপরতায় মাদক-গানপাউডারসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী রাব্বীসহ ৩ জন আটক

রংপুরে গাঁজা উদ্ধার,দুইজনের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা

রংপুরে গাঁজা উদ্ধার,দুইজনের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা

“দীর্ঘ ১৭ বছরের বঞ্চনা নিয়ে মুখ খুললেন পানিসম্পদ মন্ত্রী”

“দীর্ঘ ১৭ বছরের বঞ্চনা নিয়ে মুখ খুললেন পানিসম্পদ মন্ত্রী”

প্রকল্প ব্যয় লাগামেই রাখতে হবেঃ মির্জা ফখরুল

প্রকল্প ব্যয় লাগামেই রাখতে হবেঃ মির্জা ফখরুল

দক্ষ জনশক্তি গড়তে কারিগরি শিক্ষার বিকল্প নেই : হুইপ

দক্ষ জনশক্তি গড়তে কারিগরি শিক্ষার বিকল্প নেই : হুইপ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে অবৈধ করাত-কলের বিরুদ্ধে বন বিভাগের অভিযান

চাঁপাইনবাবগঞ্জে অবৈধ করাত-কলের বিরুদ্ধে বন বিভাগের অভিযান

হাজীরহাট থানার মোবাইল ডিউটিতে গাঁজাসহ আটক-১

হাজীরহাট থানার মোবাইল ডিউটিতে গাঁজাসহ আটক-১

চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদ্রাসায় শিশুর উপর অমানবিক নির্যাতন,শিক্ষক আটক

চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদ্রাসায় শিশুর উপর অমানবিক নির্যাতন,শিক্ষক আটক

তারেক রহমান অবশ্যই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন: আসিফ নজরুল

তারেক রহমান অবশ্যই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন: আসিফ নজরুল

প্রতিবাদ থেকেই এবি পার্টির উত্থান: মঈন খান

প্রতিবাদ থেকেই এবি পার্টির উত্থান: মঈন খান

“দীর্ঘ ১৭ বছরের বঞ্চনা নিয়ে মুখ খুললেন পানিসম্পদ মন্ত্রী”

বিশেষ প্রতিবেদক,দৈনিক প্রথম সকাল।পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, আমরা ১৭ বছর বঞ্চনার শিকার হয়েছি। আমরা যেন আর অবহেলিত না থাকি,বঞ্চনার শিকার না হই,উপেক্ষিত না হই।অদ্য শুক্রবার ১৫ ই মে বিকেলে লক্ষ্মীপুরে নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মত-বিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।এ্যানি লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির আহবায়ক।তিনি বলেন চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা গঠনের মাধ্যমে সেটা আমরা প্রমাণ করেছি আমরা বিএনপি চাইলে সেটা পারি,প্রমাণও পেয়েছি।পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন রাস্তা-ঘাট,জলাবদ্ধতা,স্কুল-কলেজ,মাদ্রাসাসহ অনেক উন্নয়নের দিক থেকে আমরা বঞ্চিত হয়েছি গত ১৭ বছর।এখান থেকে আমাদেরকে বের হয়ে আসতে হবে।আমরা লক্ষ্মীপুরে একটা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করবো। মেডিকেল কলেজ ও অর্থনৈতিক জোন আমরা গড়ে তুলবো।এসময় বিশেষ অতিথি ছিলেন লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক সাহাবউদ্দিন সাবু,জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক হাছিবুর রহমান, বাফুফে সহ-সভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী, চন্দ্রগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি বেলাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ইউছুফ ভূঁইয়া,লক্ষ্মীপুর জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আহমেদ ফেরদৌস মানিক ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের জেলা সভাপতি হাফিজুর রহমান প্রমুখ।

“দীর্ঘ ১৭ বছরের বঞ্চনা নিয়ে মুখ খুললেন পানিসম্পদ মন্ত্রী”

বিশেষ প্রতিবেদক,দৈনিক প্রথম সকাল।পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, আমরা ১৭ বছর বঞ্চনার শিকার হয়েছি। আমরা যেন আর অবহেলিত না থাকি,বঞ্চনার শিকার না হই,উপেক্ষিত না হই।অদ্য শুক্রবার ১৫ ই মে বিকেলে লক্ষ্মীপুরে নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মত-বিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।এ্যানি লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির আহবায়ক।তিনি বলেন চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা গঠনের মাধ্যমে সেটা আমরা প্রমাণ করেছি আমরা বিএনপি চাইলে সেটা পারি,প্রমাণও পেয়েছি।পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন রাস্তা-ঘাট,জলাবদ্ধতা,স্কুল-কলেজ,মাদ্রাসাসহ অনেক উন্নয়নের দিক থেকে আমরা বঞ্চিত হয়েছি গত ১৭ বছর।এখান থেকে আমাদেরকে বের হয়ে আসতে হবে।আমরা লক্ষ্মীপুরে একটা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করবো। মেডিকেল কলেজ ও অর্থনৈতিক জোন আমরা গড়ে তুলবো।এসময় বিশেষ অতিথি ছিলেন লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক সাহাবউদ্দিন সাবু,জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক হাছিবুর রহমান, বাফুফে সহ-সভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী, চন্দ্রগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি বেলাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ইউছুফ ভূঁইয়া,লক্ষ্মীপুর জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আহমেদ ফেরদৌস মানিক ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের জেলা সভাপতি হাফিজুর রহমান প্রমুখ।

সব বিভাগের খবর

প্রকল্প ব্যয় লাগামেই রাখতে হবেঃ মির্জা ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক,দৈনিক প্রথম সকাল। স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, জনগণের কল্যাণই সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ডের মূল লক্ষ্য এবং জনগণের অর্থের এক টাকাও যেন অপচয় না হয়, সেদিকে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।আজ বৃহস্পতিবার ১৪ ই মে সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগ ও সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে বাস্তবায়নাধীন বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় তিনি এ নির্দেশ দেন।মন্ত্রী বলেন জনগণের কল্যাণই সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের মূল লক্ষ্য এবং জনগণের অর্থের এক টাকাও যেন অপচয় না হয়,সেদিকে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।তিনি বলেন উন্নয়ন কার্যক্রমের মাধ্যমে সরকারের ভাবমূর্তি যেমন উজ্জ্বল হয়,তেমনই কোনও ধরনের অনিয়ম বা গাফিলতি পুরো মন্ত্রণালয়ের সুনাম ক্ষুণ্ন করতে পারে। তাই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও প্রকল্প পরিচালকদের আরও দায়িত্বশীল হতে হবে।এ সময় স্থানীয় সরকার বিভাগের চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলো দ্রুত,সাশ্রয়ী ও জনবান্ধবভাবে বাস্তবায়নেরও নির্দেশ দেন তিনি।

তারেক রহমান অবশ্যই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন: আসিফ নজরুল

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সফরকে কেন্দ্র করে সামাজিক মাধ্যমে তার ছাত্রজীবন নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে, তার জবাব দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ও অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। তিনি জানিয়েছেন, তারেক রহমান ১৯৮৫-৮৬ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে ভর্তি হয়েছিলেন এবং প্রায় দুই মাস নিয়মিত ক্লাসও করেছেন। ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেন, 'তিনি অবশ্যই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন। আইন বিভাগের উপরের ব্যাচের ছাত্র হিসেবে তখনই বিষয়টা আমি জানতাম।' তিনি আরও জানান, তারেক রহমানের সহপাঠীদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী, সাবেক উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান এবং আপিল বিভাগের বর্তমান বিচারপতি ফারাহ মাহবুব। পড়াশোনা অসম্পন্ন রয়ে যাওয়ার কারণ হিসেবে অধ্যাপক আসিফ নজরুল তৎকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করেন। সে সময় জেনারেল এরশাদের কর্তৃত্ববাদী শাসন চলছিল এবং প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মৃত্যুতে এরশাদের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ছিল। সম্ভবত নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকির কারণেই তারেক রহমানের বিশ্ববিদ্যালয়-জীবন সংক্ষিপ্ত হয়ে যায় বলে তিনি মনে করেন।

‘কাজ শেষ না করে আমরা কোথাও যাচ্ছি না’

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস পদত্যাগ করছেন না উল্লেখ করে পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেছেন, আমরা আমাদের কাজ শেষ না করে কোথাও যাচ্ছি না। শনিবার একনেক বৈঠকের পর হওয়া উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান। দুপুর ১২টা ২০ মিনিটের দিকে শুরু হওয়া বৈঠকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে অগ্রগতিতে বাধা সৃষ্টিকারী বিষয়গুলো চিহ্নিত করা এবং সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।প্রধান উপদেষ্টার পদত্যাগের বিষয়ে পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, তিনি চলে যাবেন বলেননি। তিনি (প্রধান উপদেষ্টা) বলেছেন, আমরা যে কাজ করছি, আমাদের সামনে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তাতে অনেক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু আমরা সব বাধা অতিক্রম করব।অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর অর্পিত দায়িত্বের গুরুত্বের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ এর ওপর নির্ভর করছে। আমরা এ দায়িত্ব ছেড়ে যেতে পারি না।পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, আমরা দেখছি বিভিন্ন জায়গা থেকে কী কী বাধা আসছে, কে কী সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন এবং আমরা এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কী কী প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে।উপদেষ্টা রাজনৈতিক দল, প্রশাসন, বিচার বিভাগ এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসহ সব পক্ষের সমর্থন চেয়ে বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পক্ষে থাকা সব শক্তি এবং সব রাষ্ট্রীয় সংস্থাকে আমরা এ লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য করার আহ্বান জানাব। এটা শুধু আমাদের একার দায়িত্ব নয়।ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ আরও বলেন, উপদেষ্টারা স্বপ্রণোদিতভাবে এখানে আসেননি। তবে তাদের একটি জাতীয় দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে এবং তারা তা ছেড়ে যাবেন না।আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের রূপরেখা নিয়ে বৈঠকে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করেননি উপদেষ্টা।

এলডিসির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নীতির পুনর্মূল্যায়ন জরুরি

বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি নীতিমালা  : এলডিসি পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয়তা এবং চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক সেমিনারের আয়োজন করে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত অধ্যাপক লুৎফে সিদ্দিকী। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. সেলিম রায়হান।মূল প্রবন্ধে ড. সেলিম রায়হান বলেন, রাজস্ব খাতে সংস্কারের অভাব এবং প্রত্যক্ষ করের মাধ্যমে কর বৃদ্ধিতে সরকারের ব্যর্থতার ফলে পরোক্ষ কর ও আমদানি করের ওপর ব্যাপক নির্ভরতা দেখা দিচ্ছে। প্রতিযোগী দেশগুলোর চেয়ে বাংলাদেশের আমদানি শুল্ক হার অনেক বেশি। রপ্তানি খাতও শুধু তৈরি পোশাকে সীমাবদ্ধ। তাও আবার পোশাকের প্রবৃদ্ধি নগদ প্রণোদনা ও কর ছাড়ের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। এলডিসি উত্তরণ পরবর্তী চাপ সামলাতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাকের পাশাপাশি নতুন রপ্তানি পণ্য ও নতুন বাজার খোঁজা উচিত।প্রধান অতিথির বক্তব্যে লুৎফে সিদ্দিকী বলেন, সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যকার কাঠামোগত সংস্কার জরুরি। তবে যে গতিতে বর্তমানে সংস্কার কার্যক্রম সম্পন্ন হচ্ছে তা প্রয়োজনের তুলনায় বেশ কম। সত্যিকার অর্থে শিল্প খাতসহ অন্য সেক্টরে কোনো দীর্ঘমেয়াদে রোডম্যাপ নেই, যা হতাশার বিষয়। এলডিসি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের পাশাপাশি সরকারের সংস্থাগুলোর মধ্যকার সমন্বয় বাড়ানো প্রয়োজন।প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. আনিসুজ্জামান চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশকে এলডিসি উত্তরণ করতেই হবে। এখান থেকে ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই। তবে এলডিসি পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমাদের উচ্চমানের তৈরি পোশাক, ওষুধ এবং লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতের ওপর বেশি হারে মনোযোগী হতে হবে। তিনি আরও বলেন, এলডিসি উত্তরণ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মানবসম্পদ উন্নয়ন, শিল্প-কারখানা এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনা মধ্যে সমন্বয় ও পারস্পরিক আস্থা-বিশ্বাস বৃদ্ধির বিকল্প নেই। সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সদস্য (কাস্টমস) কাজী মোস্তাফিজুর রহমান এবং রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন। অনুষ্ঠানে নির্ধারিত আলোচনায় অংশ নেন বিকেএমইএর সাবেক সভাপতি ফজলুল হক, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের জয়েন্ট চিফ (ইন্টারন্যাশাল কো-অপারেশন ডিভিশন) মসিউল ইসলাম, বেসিসের সাবেক সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর, ডেল্টা ফার্মা লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. জাকির হোসেন এবং ফকির ফ্যাশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফকির কামরুজ্জামান নাহিদ প্রমুখ।

অনিয়মে জর্জরিত ‘ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্স’, ঝুঁকিতে ব্যান্ডউইথ নিরাপত্তা

নিয়ন্ত্রক সংস্থার নিয়মকানুন উপেক্ষা করে একে একে আইআইজি, আইটিসি, আইজিডব্লিউসহ ইন্টারনেট-টেলিকম খাতের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ লাইসেন্স দখলে নেয় আওয়ামী সুবিধাভোগী এ প্রতিষ্ঠান। এসব লাইসেন্স অর্জনে রাজনৈতিক প্রভাব ও প্রশাসনিক সুবিধা ব্যবহার করা হয়েছে বলেও জানান সংশ্লিষ্টরা।সংশ্লিষ্ট সূত্র ও নথি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি), বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবলস পিএলসি (বিএসসিপিএলসি), দেশের অভ্যন্তরের আইটিসি প্রতিষ্ঠান এবং এয়ারটেল ও টাটার মতো শীর্ষ ব্যান্ডউইথ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে ওয়ান এশিয়ার মোট বকেয়ার পরিমাণ ২৩ কোটি টাকারও বেশি। বিটিআরসির কাছেই এর বকেয়া প্রায় ৪ কোটি টাকা। বিএসসিসিএল-এর কাছে রয়েছে আরও ১ কোটি টাকার বেশি। অপরদিকে টেলিকম জায়ান্ট এয়ারটেল তাদের ১৩ কোটি টাকার এবং টাটা ৫ কোটি টাকার বকেয়া দাবি করছে। এদিকে বকেয়া আদায়ে নানাভাবে চেষ্টা করে না পেয়ে ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্স-এর বিরুদ্ধে বিএসসিপিএলসি ঢাকা জেলা জজ আদালতে ‘আরবিট্রেশন মামলা’ দায়ের করে। এর রায়ে তারা জয়ী হয়। সেই রায়ের কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানটি ‘অ্যাওয়ার্ড এক্সিকিউশন মামলা’ করে, যা এখনো চলমান রয়েছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটির উদ্যোক্তারা সরকারের নীতিনির্ধারকদের কাছে বিভিন্ন প্রভাবশালী মহলের মাধ্যমে চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করছেন, যেন লাইসেন্স বাতিল না হয় এবং তাদের ব্যবসা চালু রাখা যায়। ইতোমধ্যে নিয়মবহির্ভূতভাবে তারা এনওসিও নিয়েছে বলে জানিয়েছে বিটিআরসির একটি সূত্র।ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্স একসময় আইআইজি, আইটিসি ও আইজিডব্লিউ লাইসেন্স নিয়ে টেলিকম বাজারে প্রবেশ করলেও সময়ের সঙ্গে শর্ত লঙ্ঘন করে একাধিক অনিয়মে জড়িয়ে পড়ে। তাদের মালিকানাধীন বেঙ্গল ব্রডব্যান্ড ২০১৬ সালে ডিভিশনাল আইএসপি লাইসেন্স পেলেও নবায়ন না করেই বর্তমানে অবৈধভাবে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি এর মালিকানাধীন প্রিজমা ডিজিটাল নেটওয়ার্কের রয়েছে ন্যাশন ওয়াইড আইএসপি লাইসেন্স।এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে বারবার মোবালইল ফোনে কল, হোয়াটসঅ্যাপ ও এসএমএসে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয় ওয়ান এশিয়া অ্যালায়ন্সের মূল প্রতিষ্ঠান বেঙ্গল কমিউনিকেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসফারিয়া খায়েরের সঙ্গে। তবে তিনি সাড়া দেননি। পরে পুনরায় চেষ্টা করলে দেখা যায়, তিনি প্রতিবেদকের নম্বরই ব্লক করে দিয়েছেন।বিটিআরসির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্সকে মোট বকেয়ার ৫০ শতাংশ এককালীন পরিশোধ এবং বাকি অংশ কিস্তিতে পরিশোধের শর্তে এনওসি প্রদান করা হয়েছে। তবে নির্ধারিত ১ কোটি ৩৮ লাখ টাকা পরিশোধের কথা থাকলেও প্রতিষ্ঠানটি এ পর্যন্ত মাত্র ১ কোটি টাকা পরিশোধ করেছে বলে তিনি জানান।ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএসপিএবি) সভাপতি ইমদাদুল হক বলেন, আইএসপি সেক্টরের সেবাদান নির্ভর করে আইআইজি ও ব্যান্ডউইথ সরবরাহকারীদের ওপর। কেউ যদি কোটি টাকা বকেয়া রেখে অনিয়ম করে, তা গ্রাহকের নিরাপত্তা ও নিরবচ্ছিন্ন সংযোগের জন্য হুমকি। তবে নেপথ্যে যদি নীতিগত বা কাঠামোগত কোনো সমস্যা থাকে, সেটাও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান যুগান্তরকে বলেন, টেলিযোগাযোগ খাতের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম নিয়ম ও নীতিমালার আলোকে পর্যালোচনা জরুরি। এক্ষেত্রে যদি কোনো প্রতিষ্ঠান বকেয়া বা নীতিগত ব্যত্যয়ের সঙ্গে যুক্ত থাকে, তাহলে তা ন্যায্যতার ভিত্তিতে সমাধান হওয়া উচিত। বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসলাম হোসেন যুগান্তরকে বলেন, দীর্ঘদিন তাগাদা দিলেও প্রতিষ্ঠানটি পাওনা পরিশোধ করেনি, চিঠির জবাবও দেয়নি। এখন তাদের কাউকে খুঁজেও পাওয়া যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে মামলা করেছি।ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমেদ তৈয়ব যুগান্তরকে বলেন, আমরা চাই, ব্যবসায়ীরা স্বচ্ছন্দে ব্যবসা করুক, গ্রাহকদের সেবা দিক। কিন্তু সরকারের পাওনা পরিশোধ না করে কেউ যদি অনিয়মে জড়ায়, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।

অধ্যাদেশ বিলুপ্তির দাবিতে কর্মবিরতি কর্মসূচি চলবে

ন কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড হাতে তাদের স্লোগান দিতে দেখা যায়। এনবিআরের অধীনস্থ সারা দেশের অন্য সব অফিসেও একইভাবে কর্মসূচি পালিত হয়। ঢাকা ও চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজে বিকাল ৩টা পর্যন্ত কোনো কাজ হয়নি। ভ্যাট ও কর অফিসেও সেবা বন্ধ ছিল। তবে রপ্তানি ও আন্তর্জাতিক যাত্রীসেবা কাযক্রম চলমান ছিল। শনিবার এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন কাস্টমসের অতিরিক্ত কমিশনার এদিপ বিল্লাহ, উপকর কমিশনার মোস্তফিজুর রহমান, সহকারী কর কমিশনার ইশতিয়াক হোসেন। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, দেশের বৃহত্তর স্বার্থে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের দাবি অত্যন্ত যৌক্তিক, যা ইতোমধ্যেই দেশের প্রথিতযশা অর্থনীতিবিদ ও থিংকট্যাংকসহ সর্বমহলে স্বীকৃতি পেয়েছে। এনবিআর তথা রাজস্ব প্রশাসনের আমূল সংস্কার আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি। তবে এই সংস্কার হতে হবে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে স্বীকৃত সর্বোত্তম ব্যবস্থা ও পদ্ধতির অনুরূপ। দেশের স্বার্থ ও উন্নয়ন দর্শন এতে সঠিকভাবে প্রতিফলিত হতে হবে। এছাড়া রাজস্ব প্রশাসন অধিকতর কার্যকর, প্রগতিশীল ও দুর্নীতিমুক্ত হতে হবে এবং এ সংস্কার বিশেষ কারও স্বার্থ হাসিলের হাতিয়ার হবে না। কিন্তু রাজস্ব ব্যবস্থার আমূল সংস্কারের স্বার্থে আমাদের এমন যৌক্তিক দাবি মেনে নিতে সরকার কেন, কী কারণে এবং কাদের প্ররোচনায় বিলম্ব করছে, তা বোধগম্য নয়।    এতে আরও বলা হয়, আজ (শনিবার) সকাল থেকেই এনবিআর ভবনের অভ্যন্তরে এবং বাইরে বিপুলসংখ্যক পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি রয়েছে। এ বিষয়টি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মনে নানা ধরনের প্রশ্নের উদ্রেক করেছে। ক্ষুব্ধ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বলছেন, এনবিআরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আন্দোলন করতে বাধ্য হয়েছে। কিন্তু এখন দেখছি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে ভয় দেখানোর চেষ্টা হচ্ছে। তবে রোববারও একইভাবে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেখানে হস্তক্ষেপ করবে, সেখানে তারা প্রেস ব্রিফিং করবেন।ভিন্নমত যাদের: নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর ও কাস্টমস ক্যাডারের কয়েকজন সিনিয়র কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, ‘দাবি আদায়ের নামে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের ব্যানারে এখন যা হচ্ছে তা রীতিমতো সরকার ও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অবস্থান। এটি সম্পূর্ণ শৃঙ্খলাপরিপন্থি কাজ, সরকারি কর্মচারী আচরণবিধি এসব কর্মকাণ্ড পারমিট করে না।’ তারা মনে করেন, এনবিআর বিলুপ্ত করে যে গেজেট করা হয়েছে সেখানে প্রত্যাশার অনেক কিছু চলে এসেছে। যেটুকু অবশিষ্ট আছে তা পরবর্তী সংশোধনী ও বিধি প্রণয়নের মাধ্যমে সংযোজন করা সম্ভব। এজন্য এভাবে আন্দোলন করার প্রয়োজন ছিল না। বিষয়টিকে পুনরায় আলোচনার টেবিলে নিয়ে গেলে ভালো হতো। 

“দীর্ঘ ১৭ বছরের বঞ্চনা নিয়ে মুখ খুললেন পানিসম্পদ মন্ত্রী”

“দীর্ঘ ১৭ বছরের বঞ্চনা নিয়ে মুখ খুললেন পানিসম্পদ মন্ত্রী”

বিশেষ প্রতিবেদক,দৈনিক প্রথম সকাল।পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, আমরা ১৭ বছর বঞ্চনার শিকার হয়েছি। আমরা যেন আর অবহেলিত না থাকি,বঞ্চনার শিকার না হই,উপেক্ষিত না হই।অদ্য শুক্রবার ১৫ ই মে বিকেলে লক্ষ্মীপুরে নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মত-বিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।এ্যানি লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির আহবায়ক।তিনি বলেন চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা গঠনের মাধ্যমে সেটা আমরা প্রমাণ করেছি আমরা বিএনপি চাইলে সেটা পারি,প্রমাণও পেয়েছি।পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন রাস্তা-ঘাট,জলাবদ্ধতা,স্কুল-কলেজ,মাদ্রাসাসহ অনেক উন্নয়নের দিক থেকে আমরা বঞ্চিত হয়েছি গত ১৭ বছর।এখান থেকে আমাদেরকে বের হয়ে আসতে হবে।আমরা লক্ষ্মীপুরে একটা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করবো। মেডিকেল কলেজ ও অর্থনৈতিক জোন আমরা গড়ে তুলবো।এসময় বিশেষ অতিথি ছিলেন লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক সাহাবউদ্দিন সাবু,জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক হাছিবুর রহমান, বাফুফে সহ-সভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী, চন্দ্রগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি বেলাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ইউছুফ ভূঁইয়া,লক্ষ্মীপুর জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আহমেদ ফেরদৌস মানিক ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের জেলা সভাপতি হাফিজুর রহমান প্রমুখ।

প্রকল্প ব্যয় লাগামেই রাখতে হবেঃ মির্জা ফখরুল

প্রকল্প ব্যয় লাগামেই রাখতে হবেঃ মির্জা ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক,দৈনিক প্রথম সকাল। স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, জনগণের কল্যাণই সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ডের মূল লক্ষ্য এবং জনগণের অর্থের এক টাকাও যেন অপচয় না হয়, সেদিকে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।আজ বৃহস্পতিবার ১৪ ই মে সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগ ও সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে বাস্তবায়নাধীন বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় তিনি এ নির্দেশ দেন।মন্ত্রী বলেন জনগণের কল্যাণই সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের মূল লক্ষ্য এবং জনগণের অর্থের এক টাকাও যেন অপচয় না হয়,সেদিকে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।তিনি বলেন উন্নয়ন কার্যক্রমের মাধ্যমে সরকারের ভাবমূর্তি যেমন উজ্জ্বল হয়,তেমনই কোনও ধরনের অনিয়ম বা গাফিলতি পুরো মন্ত্রণালয়ের সুনাম ক্ষুণ্ন করতে পারে। তাই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও প্রকল্প পরিচালকদের আরও দায়িত্বশীল হতে হবে।এ সময় স্থানীয় সরকার বিভাগের চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলো দ্রুত,সাশ্রয়ী ও জনবান্ধবভাবে বাস্তবায়নেরও নির্দেশ দেন তিনি।

তারেক রহমান অবশ্যই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন: আসিফ নজরুল

তারেক রহমান অবশ্যই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন: আসিফ নজরুল

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সফরকে কেন্দ্র করে সামাজিক মাধ্যমে তার ছাত্রজীবন নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে, তার জবাব দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ও অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। তিনি জানিয়েছেন, তারেক রহমান ১৯৮৫-৮৬ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে ভর্তি হয়েছিলেন এবং প্রায় দুই মাস নিয়মিত ক্লাসও করেছেন। ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেন, 'তিনি অবশ্যই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন। আইন বিভাগের উপরের ব্যাচের ছাত্র হিসেবে তখনই বিষয়টা আমি জানতাম।' তিনি আরও জানান, তারেক রহমানের সহপাঠীদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী, সাবেক উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান এবং আপিল বিভাগের বর্তমান বিচারপতি ফারাহ মাহবুব। পড়াশোনা অসম্পন্ন রয়ে যাওয়ার কারণ হিসেবে অধ্যাপক আসিফ নজরুল তৎকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করেন। সে সময় জেনারেল এরশাদের কর্তৃত্ববাদী শাসন চলছিল এবং প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মৃত্যুতে এরশাদের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ছিল। সম্ভবত নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকির কারণেই তারেক রহমানের বিশ্ববিদ্যালয়-জীবন সংক্ষিপ্ত হয়ে যায় বলে তিনি মনে করেন।

“দীর্ঘ ১৭ বছরের বঞ্চনা নিয়ে মুখ খুললেন পানিসম্পদ মন্ত্রী”

বিশেষ প্রতিবেদক,দৈনিক প্রথম সকাল।পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, আমরা ১৭ বছর বঞ্চনার শিকার হয়েছি। আমরা যেন আর অবহেলিত না থাকি,বঞ্চনার শিকার না হই,উপেক্ষিত না হই।অদ্য শুক্রবার ১৫ ই মে বিকেলে লক্ষ্মীপুরে নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মত-বিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।এ্যানি লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির আহবায়ক।তিনি বলেন চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা গঠনের মাধ্যমে সেটা আমরা প্রমাণ করেছি আমরা বিএনপি চাইলে সেটা পারি,প্রমাণও পেয়েছি।পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন রাস্তা-ঘাট,জলাবদ্ধতা,স্কুল-কলেজ,মাদ্রাসাসহ অনেক উন্নয়নের দিক থেকে আমরা বঞ্চিত হয়েছি গত ১৭ বছর।এখান থেকে আমাদেরকে বের হয়ে আসতে হবে।আমরা লক্ষ্মীপুরে একটা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করবো। মেডিকেল কলেজ ও অর্থনৈতিক জোন আমরা গড়ে তুলবো।এসময় বিশেষ অতিথি ছিলেন লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক সাহাবউদ্দিন সাবু,জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক হাছিবুর রহমান, বাফুফে সহ-সভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী, চন্দ্রগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি বেলাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ইউছুফ ভূঁইয়া,লক্ষ্মীপুর জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আহমেদ ফেরদৌস মানিক ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের জেলা সভাপতি হাফিজুর রহমান প্রমুখ।

“দীর্ঘ ১৭ বছরের বঞ্চনা নিয়ে মুখ খুললেন পানিসম্পদ মন্ত্রী”

“দীর্ঘ ১৭ বছরের বঞ্চনা নিয়ে মুখ খুললেন পানিসম্পদ মন্ত্রী”

বিশেষ প্রতিবেদক,দৈনিক প্রথম সকাল।পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, আমরা ১৭ বছর বঞ্চনার শিকার হয়েছি। আমরা যেন আর অবহেলিত না থাকি,বঞ্চনার শিকার না হই,উপেক্ষিত না হই।অদ্য শুক্রবার ১৫ ই মে বিকেলে লক্ষ্মীপুরে নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মত-বিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।এ্যানি লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির আহবায়ক।তিনি বলেন চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা গঠনের মাধ্যমে সেটা আমরা প্রমাণ করেছি আমরা বিএনপি চাইলে সেটা পারি,প্রমাণও পেয়েছি।পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন রাস্তা-ঘাট,জলাবদ্ধতা,স্কুল-কলেজ,মাদ্রাসাসহ অনেক উন্নয়নের দিক থেকে আমরা বঞ্চিত হয়েছি গত ১৭ বছর।এখান থেকে আমাদেরকে বের হয়ে আসতে হবে।আমরা লক্ষ্মীপুরে একটা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করবো। মেডিকেল কলেজ ও অর্থনৈতিক জোন আমরা গড়ে তুলবো।এসময় বিশেষ অতিথি ছিলেন লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক সাহাবউদ্দিন সাবু,জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক হাছিবুর রহমান, বাফুফে সহ-সভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী, চন্দ্রগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি বেলাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ইউছুফ ভূঁইয়া,লক্ষ্মীপুর জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আহমেদ ফেরদৌস মানিক ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের জেলা সভাপতি হাফিজুর রহমান প্রমুখ।

“দীর্ঘ ১৭ বছরের বঞ্চনা নিয়ে মুখ খুললেন পানিসম্পদ মন্ত্রী”

“দীর্ঘ ১৭ বছরের বঞ্চনা নিয়ে মুখ খুললেন পানিসম্পদ মন্ত্রী”

বিশেষ প্রতিবেদক,দৈনিক প্রথম সকাল।পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, আমরা ১৭ বছর বঞ্চনার শিকার হয়েছি। আমরা যেন আর অবহেলিত না থাকি,বঞ্চনার শিকার না হই,উপেক্ষিত না হই।অদ্য শুক্রবার ১৫ ই মে বিকেলে লক্ষ্মীপুরে নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মত-বিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।এ্যানি লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির আহবায়ক।তিনি বলেন চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা গঠনের মাধ্যমে সেটা আমরা প্রমাণ করেছি আমরা বিএনপি চাইলে সেটা পারি,প্রমাণও পেয়েছি।পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন রাস্তা-ঘাট,জলাবদ্ধতা,স্কুল-কলেজ,মাদ্রাসাসহ অনেক উন্নয়নের দিক থেকে আমরা বঞ্চিত হয়েছি গত ১৭ বছর।এখান থেকে আমাদেরকে বের হয়ে আসতে হবে।আমরা লক্ষ্মীপুরে একটা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করবো। মেডিকেল কলেজ ও অর্থনৈতিক জোন আমরা গড়ে তুলবো।এসময় বিশেষ অতিথি ছিলেন লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক সাহাবউদ্দিন সাবু,জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক হাছিবুর রহমান, বাফুফে সহ-সভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী, চন্দ্রগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি বেলাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ইউছুফ ভূঁইয়া,লক্ষ্মীপুর জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আহমেদ ফেরদৌস মানিক ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের জেলা সভাপতি হাফিজুর রহমান প্রমুখ।

“দীর্ঘ ১৭ বছরের বঞ্চনা নিয়ে মুখ খুললেন পানিসম্পদ মন্ত্রী”

“দীর্ঘ ১৭ বছরের বঞ্চনা নিয়ে মুখ খুললেন পানিসম্পদ মন্ত্রী”

বিশেষ প্রতিবেদক,দৈনিক প্রথম সকাল।পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, আমরা ১৭ বছর বঞ্চনার শিকার হয়েছি। আমরা যেন আর অবহেলিত না থাকি,বঞ্চনার শিকার না হই,উপেক্ষিত না হই।অদ্য শুক্রবার ১৫ ই মে বিকেলে লক্ষ্মীপুরে নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মত-বিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।এ্যানি লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির আহবায়ক।তিনি বলেন চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা গঠনের মাধ্যমে সেটা আমরা প্রমাণ করেছি আমরা বিএনপি চাইলে সেটা পারি,প্রমাণও পেয়েছি।পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন রাস্তা-ঘাট,জলাবদ্ধতা,স্কুল-কলেজ,মাদ্রাসাসহ অনেক উন্নয়নের দিক থেকে আমরা বঞ্চিত হয়েছি গত ১৭ বছর।এখান থেকে আমাদেরকে বের হয়ে আসতে হবে।আমরা লক্ষ্মীপুরে একটা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করবো। মেডিকেল কলেজ ও অর্থনৈতিক জোন আমরা গড়ে তুলবো।এসময় বিশেষ অতিথি ছিলেন লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক সাহাবউদ্দিন সাবু,জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক হাছিবুর রহমান, বাফুফে সহ-সভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী, চন্দ্রগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি বেলাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ইউছুফ ভূঁইয়া,লক্ষ্মীপুর জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আহমেদ ফেরদৌস মানিক ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের জেলা সভাপতি হাফিজুর রহমান প্রমুখ।

“দীর্ঘ ১৭ বছরের বঞ্চনা নিয়ে মুখ খুললেন পানিসম্পদ মন্ত্রী”

“দীর্ঘ ১৭ বছরের বঞ্চনা নিয়ে মুখ খুললেন পানিসম্পদ মন্ত্রী”

বিশেষ প্রতিবেদক,দৈনিক প্রথম সকাল।পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, আমরা ১৭ বছর বঞ্চনার শিকার হয়েছি। আমরা যেন আর অবহেলিত না থাকি,বঞ্চনার শিকার না হই,উপেক্ষিত না হই।অদ্য শুক্রবার ১৫ ই মে বিকেলে লক্ষ্মীপুরে নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মত-বিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।এ্যানি লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির আহবায়ক।তিনি বলেন চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা গঠনের মাধ্যমে সেটা আমরা প্রমাণ করেছি আমরা বিএনপি চাইলে সেটা পারি,প্রমাণও পেয়েছি।পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন রাস্তা-ঘাট,জলাবদ্ধতা,স্কুল-কলেজ,মাদ্রাসাসহ অনেক উন্নয়নের দিক থেকে আমরা বঞ্চিত হয়েছি গত ১৭ বছর।এখান থেকে আমাদেরকে বের হয়ে আসতে হবে।আমরা লক্ষ্মীপুরে একটা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করবো। মেডিকেল কলেজ ও অর্থনৈতিক জোন আমরা গড়ে তুলবো।এসময় বিশেষ অতিথি ছিলেন লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক সাহাবউদ্দিন সাবু,জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক হাছিবুর রহমান, বাফুফে সহ-সভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী, চন্দ্রগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি বেলাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ইউছুফ ভূঁইয়া,লক্ষ্মীপুর জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আহমেদ ফেরদৌস মানিক ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের জেলা সভাপতি হাফিজুর রহমান প্রমুখ।

“দীর্ঘ ১৭ বছরের বঞ্চনা নিয়ে মুখ খুললেন পানিসম্পদ মন্ত্রী”

“দীর্ঘ ১৭ বছরের বঞ্চনা নিয়ে মুখ খুললেন পানিসম্পদ মন্ত্রী”

বিশেষ প্রতিবেদক,দৈনিক প্রথম সকাল।পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, আমরা ১৭ বছর বঞ্চনার শিকার হয়েছি। আমরা যেন আর অবহেলিত না থাকি,বঞ্চনার শিকার না হই,উপেক্ষিত না হই।অদ্য শুক্রবার ১৫ ই মে বিকেলে লক্ষ্মীপুরে নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মত-বিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।এ্যানি লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির আহবায়ক।তিনি বলেন চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা গঠনের মাধ্যমে সেটা আমরা প্রমাণ করেছি আমরা বিএনপি চাইলে সেটা পারি,প্রমাণও পেয়েছি।পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন রাস্তা-ঘাট,জলাবদ্ধতা,স্কুল-কলেজ,মাদ্রাসাসহ অনেক উন্নয়নের দিক থেকে আমরা বঞ্চিত হয়েছি গত ১৭ বছর।এখান থেকে আমাদেরকে বের হয়ে আসতে হবে।আমরা লক্ষ্মীপুরে একটা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করবো। মেডিকেল কলেজ ও অর্থনৈতিক জোন আমরা গড়ে তুলবো।এসময় বিশেষ অতিথি ছিলেন লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক সাহাবউদ্দিন সাবু,জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক হাছিবুর রহমান, বাফুফে সহ-সভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী, চন্দ্রগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি বেলাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ইউছুফ ভূঁইয়া,লক্ষ্মীপুর জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আহমেদ ফেরদৌস মানিক ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের জেলা সভাপতি হাফিজুর রহমান প্রমুখ।

দুই সাংবাদিককে মারধর,ওসির তৎপরতায় মাদক-গানপাউডারসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী রাব্বীসহ ৩ জন আটক

দুই সাংবাদিককে মারধর,ওসির তৎপরতায় মাদক-গানপাউডারসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী রাব্বীসহ ৩ জন আটক

বদিউজ্জামান রাজাবাবু,জেলা করেসপন্ডেন্ট,চাঁপাইনবাবগঞ্জ।  চাঁপাইনবাবগঞ্জে দুই সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী রাব্বি ও তাঁর অন্যতম সহযোগী সোহেলসহ ৩ জনকে হেরোইন এবং বিস্ফোরক দ্রব্যসহ গ্রেফতার করেছে পুলিশ।গতকাল শুক্রবার ১৫ ই মে বিকালে ঢাকার শাহবাগ থানাধীন মৎস্য ভবন মোড় থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের ফকিরপাড়ার মৃত শহিদ আলীর ছেলে রাব্বি (২৬),একই পাড়ার মৃত মনিরুল ইসলাম মনির ছেলে সোহেল জিনজিরা (৩০) ও প্রফেসরপাড়ার সুমন আলীর ছেলে সুমিত আলিফ (২৪)।পুলিশ সূত্রে জানা যায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস এর নির্দেশক্রমে সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ একরামুল হোসাইন পিপিএম'র সার্বিক তত্ত্বাবধানে সদর মডেল থানার একটি আভিযানিক চৌকষ দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকার শাহবাগ এলাকার মৎস্য ভবন মোড়ে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।এ সময় আসামিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার ১৫ ই মে রাতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানাধীন বারঘরিয়া ইউনিয়নের নীল কুঠির মাঠ সংলগ্ন ইট ভাটার পূর্বে বারঘরিয়া হতে গোয়ালবাড়ী যাওয়ার পাকা রাস্তার উত্তরে একটি পরিত্যক্ত বিল্ডিংয়ে তল্লাশি করে ১৫০ গ্রাম হেরোইন ও ২ কেজি বিস্ফোরক দ্রব্য উদ্ধার করা হয়।চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একরামুল হোসাইন পিপিএম বলেন সাংবাদিকদের ওপর হামলার পর জেলার বাইরে চলে যান রাব্বি ও সোহেল।তবে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাঁদের গতিবিধি কয়েক দিন ধরে অনুসরণ করছিল পুলিশ। শেষ পর্যন্ত পুলিশ তাঁদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।বাকি আসামিদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত আছে।তিনি আরও জানান বিস্ফোরক দ্রব্য,হেরোইনসহ তাঁদের তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁদের কাছে ২ কেজি গান পাউডার ও ১৫০ গ্রাম হেরোইন পাওয়া যায়।উল্লেখ্য যে গত ৩১ শে এপ্রিল চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের বাতেনখাঁর মোড়ে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হন তারেক রহমান ও তারেক আজিজ নামের দুই সাংবাদিক। ওই রাতেই সদর মডেল থানায় মো. রাব্বি ও সোহেলের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৮-১০ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়

“দীর্ঘ ১৭ বছরের বঞ্চনা নিয়ে মুখ খুললেন পানিসম্পদ মন্ত্রী”

“দীর্ঘ ১৭ বছরের বঞ্চনা নিয়ে মুখ খুললেন পানিসম্পদ মন্ত্রী”

বিশেষ প্রতিবেদক,দৈনিক প্রথম সকাল।পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, আমরা ১৭ বছর বঞ্চনার শিকার হয়েছি। আমরা যেন আর অবহেলিত না থাকি,বঞ্চনার শিকার না হই,উপেক্ষিত না হই।অদ্য শুক্রবার ১৫ ই মে বিকেলে লক্ষ্মীপুরে নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মত-বিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।এ্যানি লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির আহবায়ক।তিনি বলেন চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা গঠনের মাধ্যমে সেটা আমরা প্রমাণ করেছি আমরা বিএনপি চাইলে সেটা পারি,প্রমাণও পেয়েছি।পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন রাস্তা-ঘাট,জলাবদ্ধতা,স্কুল-কলেজ,মাদ্রাসাসহ অনেক উন্নয়নের দিক থেকে আমরা বঞ্চিত হয়েছি গত ১৭ বছর।এখান থেকে আমাদেরকে বের হয়ে আসতে হবে।আমরা লক্ষ্মীপুরে একটা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করবো। মেডিকেল কলেজ ও অর্থনৈতিক জোন আমরা গড়ে তুলবো।এসময় বিশেষ অতিথি ছিলেন লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক সাহাবউদ্দিন সাবু,জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক হাছিবুর রহমান, বাফুফে সহ-সভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী, চন্দ্রগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি বেলাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ইউছুফ ভূঁইয়া,লক্ষ্মীপুর জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আহমেদ ফেরদৌস মানিক ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের জেলা সভাপতি হাফিজুর রহমান প্রমুখ।

রক্তচাপ কেড়ে নিতে পারে দৃষ্টিশক্তি

চোখের স্ট্রোকের জন্য কি হাইপারটেনশন দায়ী?চোখের চিকিৎসক ডা. সুমন মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘হাইপারটেনশনের কারণে চোখের একাধিক ক্ষতি হতে পারে।’ উচ্চ রক্তচাপে চোখের রেটিনার শিরায় ব্লকেজ তৈরি হয়। এর ফলে রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়। এই অবস্থাকে ‘সেন্টাল রেটিনাল ভেইন অকুলেশন’ বলা হয়। এটি শিরার পাশাপাশি ধমনীতেও হতে পারে বলে জানিয়েছেন ডা. মুখোপাধ্যায়। আসলে চলতি ভাষায় এই অবস্থাকেই চোখের স্ট্রোক বলা হয়।সিআরভিও-এ কি দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারেন?সিআরভিও-এর একাধিক উপসর্গ রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে কমন হলো- হঠাৎ করে একটা চোখের দৃষ্টি কমে যাওয়া। এছাড়া চোখে রক্তপাত হলে চোখের ভিতর কালো ঝুলের মতো অংশ দেখা যায়।‘সিআরভিও-এর চিকিৎসা হলো ইনজেকশন বা রেটিনাল লেজার’ বলেন ডা. মুখোপাধ্যায়। সিআরভিও হলে দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া, ঝাপসা দৃষ্টি এবং দৃষ্টিশক্তি হারানোর মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কতটা ক্ষতিকর?ডা. মুখোপাধ্যায়ের সংযোজন, ‘প্রেশার খুব বেশি থাকলে চোখের ভিতর যে অপটিক নার্ভ থাকে, তারও মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।’ এই অবস্থায় চোখে রক্তপাতও হতে পারে। একে চিকিৎসার ভাষায় হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি বলা হয়।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কি গর্ভবতীদেরও হয়?হাইপারটেনশনে ভয় রয়েছে অন্তঃসত্ত্বা নারীদেরও। অনেক সময় গর্ভাবস্থায় হবু মায়ের ব্লাড প্রেশার অত্যধিক বেড়ে যায়। যাকে বলে প্রেগন্যান্সি হাইপারটেনশন বা ‘একলাম্পসিয়া’। এই অবস্থা তৈরি হলে মস্তিষ্কে রক্তপাত হয়। এই পর্যায়ে পৌঁছনোর ঠিক আগে চোখের উপর প্রভাব পড়ে। দৃষ্টিশক্তি কমে আসে। এই লক্ষণ দেখে বোঝা যায় যে, ‘একলাম্পসিয়া’ খারাপ দিকে এগোচ্ছে ‘অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার কন্ট্রোলে রাখা দরকার কেন?এছাড়া অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার বারবার যাচাই করা দরকার। অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ থাকা অবস্থায় অস্ত্রোপচার করলে চোখে রক্তপাত হতে পারে এবং চোখ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

রক্তচাপ কতটা বেড়ে গেলে হার্টঅ্যাটাক হতে পারে

প্রথমত, উচ্চ রক্তচাপ কখন হয় এবং এটি আসলে কী তা বোঝা গুরুত্বপূর্ণ। সহজ কথায়, এটি এমন একটি স্বাস্থ্যগত অবস্থা যেখানে রক্ত পাম্প করার জন্য হৃদপিণ্ডকে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি চাপ প্রয়োগ করতে হয়। এর ফলে, শিরাগুলির উপর চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়, যার কারণে তাদের দেয়াল ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করে। গুরুতর ক্ষেত্রে, শিরা ফেটে যেতে পারে, যা মারাত্মক হতে পারে।উচ্চ রক্তচাপের পরিসীমা কতযদি শরীরের রক্তচাপের পরিসীমা ১২০/৮০ মিমি এইচজি হয় তবে তাকে স্বাভাবিক রক্তচাপ বলা হয়। কিন্তু যখন এই পরিসীমা সিস্টোলিক ১৩০/১৩৯ এবং ডায়াস্টোলিক ৮০ থেকে ৯০ মিমি এইচজি-র মধ্যে পড়ে, তখন তাকে উচ্চ রক্তচাপের অবস্থা বলা হয়।রক্তচাপের কোন স্তরটি হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়বিশেষজ্ঞদের মতে, উচ্চ রক্তচাপের সমস্যাও হার্টঅ্যাটাকের জন্য অনেকাংশে দায়ী। পরিসরের কথা বলতে গেলে, যদি রক্তচাপ ১৪০/৯০ মিমিএইচজি-র উপরে পৌঁছায়, তাহলে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে, আপনার অবিলম্বে আপনার ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা উচিত যাতে অবস্থা গুরুতর না হয়।দৃশ্যমান লক্ষণগুলি কী কীরক্তচাপের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো এটি কোনও গুরুতর লক্ষণ দেখায় না। এজন্যই একে 'নীরব ঘাতক' বলা হয়। তবে, কিছু ক্ষেত্রে আক্রান্ত ব্যক্তি তীব্র মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, চোখ লাল হওয়া, বুকে ব্যথা, নাক দিয়ে রক্তপাত এবং বমি বমি ভাব অনুভব করতে পারেন। অতএব, যদি আপনার রক্তচাপের সমস্যা থাকে, তাহলে নিয়মিত আপনার রিডিং পরীক্ষা করে দেখুন এবং গুরুতর অবস্থার ক্ষেত্রে, অবিলম্বে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন।

রক্তচাপ কতটা বেড়ে গেলে হার্টঅ্যাটাক হতে পারে

প্রথমত, উচ্চ রক্তচাপ কখন হয় এবং এটি আসলে কী তা বোঝা গুরুত্বপূর্ণ। সহজ কথায়, এটি এমন একটি স্বাস্থ্যগত অবস্থা যেখানে রক্ত পাম্প করার জন্য হৃদপিণ্ডকে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি চাপ প্রয়োগ করতে হয়। এর ফলে, শিরাগুলির উপর চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়, যার কারণে তাদের দেয়াল ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করে। গুরুতর ক্ষেত্রে, শিরা ফেটে যেতে পারে, যা মারাত্মক হতে পারে।উচ্চ রক্তচাপের পরিসীমা কতযদি শরীরের রক্তচাপের পরিসীমা ১২০/৮০ মিমি এইচজি হয় তবে তাকে স্বাভাবিক রক্তচাপ বলা হয়। কিন্তু যখন এই পরিসীমা সিস্টোলিক ১৩০/১৩৯ এবং ডায়াস্টোলিক ৮০ থেকে ৯০ মিমি এইচজি-র মধ্যে পড়ে, তখন তাকে উচ্চ রক্তচাপের অবস্থা বলা হয়।রক্তচাপের কোন স্তরটি হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়বিশেষজ্ঞদের মতে, উচ্চ রক্তচাপের সমস্যাও হার্টঅ্যাটাকের জন্য অনেকাংশে দায়ী। পরিসরের কথা বলতে গেলে, যদি রক্তচাপ ১৪০/৯০ মিমিএইচজি-র উপরে পৌঁছায়, তাহলে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে, আপনার অবিলম্বে আপনার ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা উচিত যাতে অবস্থা গুরুতর না হয়।দৃশ্যমান লক্ষণগুলি কী কীরক্তচাপের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো এটি কোনও গুরুতর লক্ষণ দেখায় না। এজন্যই একে 'নীরব ঘাতক' বলা হয়। তবে, কিছু ক্ষেত্রে আক্রান্ত ব্যক্তি তীব্র মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, চোখ লাল হওয়া, বুকে ব্যথা, নাক দিয়ে রক্তপাত এবং বমি বমি ভাব অনুভব করতে পারেন। অতএব, যদি আপনার রক্তচাপের সমস্যা থাকে, তাহলে নিয়মিত আপনার রিডিং পরীক্ষা করে দেখুন এবং গুরুতর অবস্থার ক্ষেত্রে, অবিলম্বে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন।

‘স্ট্রেস ফ্র্যাকচার’ কী? কেন এ সমস্যায় পুরুষদের চেয়ে নারীরাই বেশি ভোগেন?

তবে যখন আঘাত লাগে, হাড় ভাঙে বা হাড়ে চিড় ধরে, তখন কষ্টের শেষ থাকে না। আর যত্নআত্তির প্রয়োজনও সেই সময়েই পড়ে। তখন সাবধানে থাকতে কী করা উচিত, হাড় ভাল রাখার কী কী ব্যায়াম আছে, কী খেলে হাড় মজবুত হবে— ইত্যাদি বিষয়গুলো নিয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু হয়। হাড় কীভাবে ভাঙে, কখন ভাঙে, কাদের বেশি হয়— এই নিয়ে সচেতনতা কম মানুষেরই আছে। বড় কোনো দুর্ঘটনা বা আঘাত লাগা ছাড়াও কিন্তু হাড় ভাঙে বা হাড়ে চিড় ধরে, যাকে ‘বোন ফ্র্যাকচার’ বল হয়। তেমনই একটি হল ‘স্ট্রেস ফ্র্যাকচার’ যেই সমস্যাটি নারীদেরই বেশি হয়।‘ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেল্থ’ থেকে প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, পুরুষের চেয়ে নারীরাই হাড়ের স্ট্রেস ফ্র্যাকচারে বেশি ভোগেন। যারা খেলাধূলা বেশি করেন, জিমে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দৌড়ন, জগিং বা ওয়েট ট্রেনিং করেন, অথবা নাচ, অ্যারোবিক্স করেন, তাদের এই ফ্র্যাকচার বেশি হয়।‘স্ট্রেস ফ্র্যাকচার’ কীভাবে হয়?হাড়ের অনেক স্তর থাকে। একেবারে বাইরে একটা পর্দা থাকে, যাকে পেরিঅস্টিয়াম বলা হয়, তারপর থাকে কর্টিকাল বোন, তার মাঝে থাকে মজ্জা। এটি অনেকটা রডের মতো, ত্রিমাত্রিক গঠনের। ওই অংশটি যদি ভেঙে যায় বা থেঁতলে যায়, তখন বলা হয় হাড়ে ‘ফ্র্যাকচার’ হয়েছে। এই বিষয়ে অস্থি চিকিৎসক সুব্রত গড়াই জানাচ্ছেন, প্রধানত ফ্র্যাকচার হয় কোনো ট্রমা বা ইনজুরি থেকে। তাতে হয় হাড় সম্পূর্ণভাবে ভেঙে যায় বা তাতে চিড় ধরতে পারে। হাড়ের সঙ্গে যে পেশি জুড়ে থাকে, সেগুলোতে ক্ষত হয়, হাড়ের লিগামেন্ট ছিঁড়ে বেরিয়ে আসতে পারে। শরীরের কোনো একটি অংশের হাড় ও পেশিতে ক্রমাগত চাপ পড়ার কারণে যখন ওই অংশের পেশি দুর্বল হয় ও হাড়ে চিড় ধরে, তখন তাকে স্ট্রেস ফ্র্যাকচার বলে। এটি গোড়ালি মচকে যাওয়া বা হাত ভেঙে যাওয়ার মতো হঠাৎ করে ঘটা দুর্ঘটনা নয়। দীর্ঘ সময় ধরে হাড়ে চাপ পড়তে পড়তে বা আঘাত লেগে হাড় দুর্বল হয়ে গিয়ে ফ্র্যাকচার হয়।এটি খেলোয়াড়দের বেশি হয়, তবে যারা খুব বেশি দৌড়োদৌড়ি বা ভারি ব্যায়াম করেন, তাদেরও হতে পারে। অস্টিয়োপোরোসিস থেকেও ‘স্ট্রেস ফ্র্যাকচার’ হতে পারে। হাড়ের ভিতরে টিউমার বা কোনো সংক্রমণের কারণে হাড়ের শক্তি কমে গিয়েও এমন হতে পারে। নারীদের রজোনিবৃত্তির পরে ‘স্ট্রেস ফ্র্যাকচার’ হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। কারণ ওই সময়ে ইস্ট্রোজেন হরমোনের মাত্রা কমতে থাকে, ফলে শরীরের প্রতিরোধ শক্তিও দুর্বল হয়ে পড়ে।