ঢাকা   সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দৈনিক প্রথম সকাল

ঢাকা শহরের যানজট নিরসন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক,আসছে অটোরিকশা চলাচলে নীতিমালা

নিজস্ব প্রতিবেদক,দৈনিক প্রথম সকাল। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ঢাকা শহরের যানজট নিরসন,ট্রাফিক ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং পরিবহণ খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।অদ্য শনিবার ২৯ শে আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।বৈঠকে ঢাকা মহানগরীর চলমান যানজট পরিস্থিতি,গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও ফ্লাইওভারে যানবাহনের চাপ,গণপরিবহণ ব্যবস্থাপনা,বাস টার্মিনাল পুনর্বিন্যাস,পার্কিং ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।বৈঠকে এক্সপ্রেসওয়ে ও ফ্লাইওভারের টোল প্লাজাগুলোতে ইটিসি (ইলেক্ট্রনিক টোল কালেকশন) সিস্টেম চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।এর মাধ্যমে টোল আদায় ব্যবস্থাকে আরও ধুনিক,দ্রুত ও প্রযুক্তিনির্ভর করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এ লক্ষ্যে একটি অ্যাপ ডেভেলপমেন্টের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আগামী চার মাসের মধ্যে এ কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। যাত্রাবাড়ী-গুলিস্তান ফ্লাইওভারের যানজট নিরসনযাত্রাবাড়ী-গুলিস্তান ফ্লাইওভারের আশপাশে দীর্ঘদিনের যানজট নিরসনের বিষয়েও বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) দেওয়া আগের প্রস্তুত করা প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে যানজট নিরসনে করণীয় নির্ধারণের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।এ বিষয়ে বুয়েটকে বিদ্যমান প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সুপারিশসহ একটি প্রতিবেদন আগামী ১৫ দিনের মধ্যে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। সিটি করপোরেশন ও ট্রাফিক পুলিশের সমন্বয়ে এ কার্যক্রম বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত হয়।ফুলবাড়িয়া বাস টার্মিনাল কেরানীগঞ্জে স্থানান্তরঢাকার গণপরিবহন ব্যবস্থাকে আরও সুশৃঙ্খল করতে ফুলবাড়িয়া বাস টার্মিনাল সরিয়ে কেরানীগঞ্জে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণ করে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। এই বাস টার্মিনালটি স্থানান্তর করা হলে রাজধানীর কেন্দ্রীয় অংশে বাস ও আন্তঃজেলা যানবাহনের চাপ কমানোর পাশাপাশি যানজট নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে বৈঠকে আলোচনা হয়।স্থায়ী বাস টার্মিনাল নির্মাণ যেহেতু দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্প তাই আগামীচার মাসের মধ্যে ঝিলমিল প্রকল্পের ১৫ একর জমিতে একটি অস্থায়ী বাস টার্মিনাল নির্মাণের সিদ্ধান্ত হয় বৈঠকে। গাবতলী বাস টার্মিনাল সম্প্রসারণসক্ষমতা বৃদ্ধি এবং যানবাহন ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করার লক্ষ্যে গাবতলী বাস টার্মিনালের পেছনের অংশ সম্প্রসারণের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয় বৈঠকে।এ কাজ দ্রুত বাস্তবায়নে সড়ক বিভাগ, ট্রাফিক পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।কারওয়ান বাজারের কিচেন মার্কেট গাবতলীতে স্থানান্তররাজধানীর যানজট কমাতে কারওয়ান বাজারের কিচেন মার্কেট সরিয়ে গাবতলীতে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।বৈঠকে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়।সচিবালয়ের আশপাশে পার্কিং ব্যবস্থাসচিবালয়ের চারপাশে যানজট নিরসনে পার্কিং ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়।এ লক্ষ্যে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত হয়। একই সঙ্গে প্রয়োজন অনুযায়ী বিকল্প পার্কিংয়ের স্থানও অনুসন্ধান করতে বলা হয়। সচিবালয়কেন্দ্রিক যানবাহনের চাপ নিয়ন্ত্রণ এবং আশপাশের সড়কে চলাচল স্বাভাবিক রাখতে এ উদ্যোগ নেওয়া হবে। অটোরিকশা চলাচলে নীতিমালাঢাকা শহরে অটোরিকশা চলাচলকে আরও সুশৃঙ্খল ও নিয়ন্ত্রিত করতে একটি পৃথক নীতিমালা প্রণয়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।অনুমোদনহীন ডাবল ডেকার স্লিপার বাসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাএ ছাড়া অনুমোদনহীন ডাবল ডেকার স্লিপার বাসের চলাচলের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী রাজধানীর যানজট নিরসনে বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কাজগুলো সম্পন্ন করতে সবার আন্তরিক প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।এ সময় বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ,সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম,স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম,পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস,ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম,মন্ত্রিপরিষদ সচিব,প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা,৩ রাতে ৩০০ লক্ষ্যবস্তু বিধ্বস্ত

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট,দৈনিক প্রথম সকাল। পানি সম্পদমন্ত্রী মোঃ শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন ফারাক্কা পানি বণ্টন চুক্তি নবায়নে পানির অধিকার,কৃষি,খাদ্য নিরাপত্তা,পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।ক্রমবর্ধমান বাস্তবতায় দেশের স্বার্থ রক্ষা করে পানি নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দিয়ে ফারাক্কা চুক্তি নবায়ন করা হবে।অদ্য মঙ্গলবার ১৮ ই আগস্ট বিকালে রাজধানীর ধান বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ল অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স (বিআইএলআইএ) আয়োজিত "গঙ্গা পানি চুক্তি,পুনর্নবায়ন" শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।এ সময় পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ উপস্থিত ছিলেন।পানি সম্পদমন্ত্রী আরও বলেন ১৯৭৭ইং সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়ে করা ফারাক্কা চুক্তি ছিল সবচেয়ে কার্যকর।১৯৭৭ ইং সালের চুক্তিতে পানি পাওয়ার গ্যারান্টি ক্লজ ছিল।কিন্তু ১৯৯৬ ইং সালের চুক্তিতে সেই গ্যারান্টি ক্লজ বাদ দেওয়া হয়েছে।চুক্তি নবায়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে আমরা কাজ করছি।বাংলাদেশের স্বার্থকে সম্মান জানানো,মানুষের মনোভাবকে গুরুত্ব দেওয়া এবং পানির ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় প্রতিবেশী দেশের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।  প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের ৫৪টি আন্তঃসীমান্ত নদী রয়েছে।এসব নদীর বেশিরভাগেরই নাব্যতা নেই।নদীতে নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী,খাল ও জলাশয় খননের পরিকল্পনা নিয়েছেন।তিনি উপযুক্ত ব্যক্তিদের মাধ্যমে যৌথ নদী কমিশনকে শক্তিশালী করার উদ্যোগের কথাও জানান।সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিআইএলআইএর চেয়ারম্যান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. বোরহান উদ্দিন খান। আলোচনায় অংশ নেন স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক এম ফিরোজ আহমেদসহ অন্যরা।

তেল বাণিজ্যে খুলছে ইরানের দুয়ার

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট,দৈনিক প্রথম সকাল। পানি সম্পদমন্ত্রী মোঃ শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন ফারাক্কা পানি বণ্টন চুক্তি নবায়নে পানির অধিকার,কৃষি,খাদ্য নিরাপত্তা,পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।ক্রমবর্ধমান বাস্তবতায় দেশের স্বার্থ রক্ষা করে পানি নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দিয়ে ফারাক্কা চুক্তি নবায়ন করা হবে।অদ্য মঙ্গলবার ১৮ ই আগস্ট বিকালে রাজধানীর ধান বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ল অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স (বিআইএলআইএ) আয়োজিত "গঙ্গা পানি চুক্তি,পুনর্নবায়ন" শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।এ সময় পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ উপস্থিত ছিলেন।পানি সম্পদমন্ত্রী আরও বলেন ১৯৭৭ইং সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়ে করা ফারাক্কা চুক্তি ছিল সবচেয়ে কার্যকর।১৯৭৭ ইং সালের চুক্তিতে পানি পাওয়ার গ্যারান্টি ক্লজ ছিল।কিন্তু ১৯৯৬ ইং সালের চুক্তিতে সেই গ্যারান্টি ক্লজ বাদ দেওয়া হয়েছে।চুক্তি নবায়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে আমরা কাজ করছি।বাংলাদেশের স্বার্থকে সম্মান জানানো,মানুষের মনোভাবকে গুরুত্ব দেওয়া এবং পানির ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় প্রতিবেশী দেশের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।  প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের ৫৪টি আন্তঃসীমান্ত নদী রয়েছে।এসব নদীর বেশিরভাগেরই নাব্যতা নেই।নদীতে নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী,খাল ও জলাশয় খননের পরিকল্পনা নিয়েছেন।তিনি উপযুক্ত ব্যক্তিদের মাধ্যমে যৌথ নদী কমিশনকে শক্তিশালী করার উদ্যোগের কথাও জানান।সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিআইএলআইএর চেয়ারম্যান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. বোরহান উদ্দিন খান। আলোচনায় অংশ নেন স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক এম ফিরোজ আহমেদসহ অন্যরা।

দক্ষ জনশক্তি গড়তে কারিগরি শিক্ষার বিকল্প নেই : হুইপ

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট,দৈনিক প্রথম সকাল। পানি সম্পদমন্ত্রী মোঃ শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন ফারাক্কা পানি বণ্টন চুক্তি নবায়নে পানির অধিকার,কৃষি,খাদ্য নিরাপত্তা,পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।ক্রমবর্ধমান বাস্তবতায় দেশের স্বার্থ রক্ষা করে পানি নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দিয়ে ফারাক্কা চুক্তি নবায়ন করা হবে।অদ্য মঙ্গলবার ১৮ ই আগস্ট বিকালে রাজধানীর ধান বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ল অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স (বিআইএলআইএ) আয়োজিত "গঙ্গা পানি চুক্তি,পুনর্নবায়ন" শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।এ সময় পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ উপস্থিত ছিলেন।পানি সম্পদমন্ত্রী আরও বলেন ১৯৭৭ইং সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়ে করা ফারাক্কা চুক্তি ছিল সবচেয়ে কার্যকর।১৯৭৭ ইং সালের চুক্তিতে পানি পাওয়ার গ্যারান্টি ক্লজ ছিল।কিন্তু ১৯৯৬ ইং সালের চুক্তিতে সেই গ্যারান্টি ক্লজ বাদ দেওয়া হয়েছে।চুক্তি নবায়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে আমরা কাজ করছি।বাংলাদেশের স্বার্থকে সম্মান জানানো,মানুষের মনোভাবকে গুরুত্ব দেওয়া এবং পানির ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় প্রতিবেশী দেশের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।  প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের ৫৪টি আন্তঃসীমান্ত নদী রয়েছে।এসব নদীর বেশিরভাগেরই নাব্যতা নেই।নদীতে নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী,খাল ও জলাশয় খননের পরিকল্পনা নিয়েছেন।তিনি উপযুক্ত ব্যক্তিদের মাধ্যমে যৌথ নদী কমিশনকে শক্তিশালী করার উদ্যোগের কথাও জানান।সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিআইএলআইএর চেয়ারম্যান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. বোরহান উদ্দিন খান। আলোচনায় অংশ নেন স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক এম ফিরোজ আহমেদসহ অন্যরা।

প্রতিদিনের বাংলাদেশ পত্রিকায় ‘ক্রাইম রিপোর্টার’ নিয়োগ

প্রতিদিনের বাংলাদেশ

হাজীরহাটে সিআর ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী গ্রেফতার

হাজীরহাটে সিআর ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী গ্রেফতার

ফরিদগঞ্জের ঘনিয়া সাঈদিয়া কামিল (এমএ) মাদরাসা শিক্ষার মান উন্নয়নে আলোচনা সভা

ফরিদগঞ্জের ঘনিয়া সাঈদিয়া কামিল (এমএ) মাদরাসা শিক্ষার মান উন্নয়নে আলোচনা সভা

চামড়া সংরক্ষণে  বিনামূল্যে ৩০ হাজার টন লবণ দেবে সরকার

চামড়া সংরক্ষণে বিনামূল্যে ৩০ হাজার টন লবণ দেবে সরকার

নকল ব্যান্ডরোল সিন্ডিকেটে অভিযান,আরও ২ জনকে খুঁজছে পুলিশ

নকল ব্যান্ডরোল সিন্ডিকেটে অভিযান,আরও ২ জনকে খুঁজছে পুলিশ

পুরোনো রাউটারকে বানিয়ে ফেলুন ওয়াই-ফাই এক্সটেন্ডার

পুরোনো রাউটারকে বানিয়ে ফেলুন ওয়াই-ফাই এক্সটেন্ডার

অন্য কেউ আপনার জিমেইল ব্যবহার করছে? এখনই ব্যবস্থা না নিলে হ্যাকিংয়ের ঝুঁকি!

অন্য কেউ আপনার জিমেইল ব্যবহার করছে? এখনই ব্যবস্থা না নিলে হ্যাকিংয়ের ঝুঁকি!

মিঠামইনে শহীদ আব্দুল গনি ভূইয়ার শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

মিঠামইনে শহীদ আব্দুল গনি ভূইয়ার শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

বাজেটে কৃষি খাতে ৪০ শতাংশ উন্নয়ন বরাদ্দের দাবি

বাজেটে কৃষি খাতে ৪০ শতাংশ উন্নয়ন বরাদ্দের দাবি

রাশিয়ার শ্রম বাজারে ১ লাখ কর্মী পাঠাতে চায় বাংলাদেশ

রাশিয়ার শ্রম বাজারে ১ লাখ কর্মী পাঠাতে চায় বাংলাদেশ

আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ যেকোনো ব্যক্তি স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেনঃ প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ যেকোনো ব্যক্তি স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেনঃ প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

মালয়েশিয়ায় অবৈধভাবে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য হাইকমিশনের জরুরি বার্তা

মালয়েশিয়ায় অবৈধভাবে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য হাইকমিশনের জরুরি বার্তা

সাভারে পুলিশ পিটিয়ে হত্যা মামলায় ৯ জন আসামি গ্রেফতার

সাভারে পুলিশ পিটিয়ে হত্যা মামলায় ৯ জন আসামি গ্রেফতার

স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন সেলিম রেজা

স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন সেলিম রেজা

এম. এ. হান্নানের নতুন দায়িত্ব, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটিতে সদস্য

এম. এ. হান্নানের নতুন দায়িত্ব, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটিতে সদস্য

রাষ্ট্রপতির ঠাকুরগাঁওয়ে আগমনে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী যা বললেন

রাষ্ট্রপতির ঠাকুরগাঁওয়ে আগমনে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী যা বললেন

চাচিকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত ভাতিজা আল-আমিন আটক

চাচিকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত ভাতিজা আল-আমিন আটক

নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের নেতাকর্মীদের মিছিল,৬ গ্রেফতার

নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের নেতাকর্মীদের মিছিল,৬ গ্রেফতার

বনানী কবরস্থানে ফরিদা বেগমের দাফন সম্পন্ন

বনানী কবরস্থানে ফরিদা বেগমের দাফন সম্পন্ন

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৩৫ যুবককে ইলেকট্রিক্যাল ও হাউজ ওয়্যারিং প্রশিক্ষণ দিলো ৫৩ বিজিবি

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৩৫ যুবককে ইলেকট্রিক্যাল ও হাউজ ওয়্যারিং প্রশিক্ষণ দিলো ৫৩ বিজিবি

পাথরঘাটায় ৪০০ শিক্ষার্থীর মাঝে ফলদ ও ঔষধি চারা বিতরণ

পাথরঘাটায় ৪০০ শিক্ষার্থীর মাঝে ফলদ ও ঔষধি চারা বিতরণ

স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন সেলিম রেজা

নিজস্ব প্রতিবেদক,দৈনিক প্রথম সকাল। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য একেএম সেলিম রেজা।গতকাল রবিবার ৬ ই সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে কণ্ঠভোটে সর্বসম্মতিক্রমে কমিটি গঠন ও পুনর্গঠনের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদ এবং জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধির ২৪৬, ২৪৭ ও ২৪৮ বিধি অনুসরণ করে সংসদ নেতার পক্ষে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি এসব প্রস্তাব উত্থাপন করেন।স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে পদাধিকারবলে মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী সদস্য হিসেবে থাকবেন।কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন-বগুড়া-২ আসনের সংসদ সদস্য মীর শাহ আলম,ময়মনসিংহ -১০ আসনের মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান, নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম আজাদ, চট্টগ্রাম-১৪ আসনের আলহাজ্ব জসিমউদ্দীন আহমেদ, চাঁদপুর-৩ আসনের শেখ ফরিদ আহমেদ, সংরক্ষিত মহিলা আসন-৩৫-এর তাহমিনা সুলতানা,রংপুর-২ আসনের এটিএম আজহারুল ইসলাম এবং সিরাজগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ইসলাম খান।সংসদীয় স্থায়ী কমিটিগুলো সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পর্যালোচনা,বিভিন্ন বিষয়ে সুপারিশ এবং সরকারের কর্মকাণ্ডে সংসদীয় নজরদারি নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।এদিকে একই দিনে কৃষি,দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ, স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়, শ্রম ও কর্মসংস্থান,সংস্কৃতি বিষয়ক, খাদ্য, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা,পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিও গঠন ও পুনর্গঠন করা হয়েছে।

স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন সেলিম রেজা

নিজস্ব প্রতিবেদক,দৈনিক প্রথম সকাল। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য একেএম সেলিম রেজা।গতকাল রবিবার ৬ ই সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে কণ্ঠভোটে সর্বসম্মতিক্রমে কমিটি গঠন ও পুনর্গঠনের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদ এবং জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধির ২৪৬, ২৪৭ ও ২৪৮ বিধি অনুসরণ করে সংসদ নেতার পক্ষে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি এসব প্রস্তাব উত্থাপন করেন।স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে পদাধিকারবলে মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী সদস্য হিসেবে থাকবেন।কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন-বগুড়া-২ আসনের সংসদ সদস্য মীর শাহ আলম,ময়মনসিংহ -১০ আসনের মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান, নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম আজাদ, চট্টগ্রাম-১৪ আসনের আলহাজ্ব জসিমউদ্দীন আহমেদ, চাঁদপুর-৩ আসনের শেখ ফরিদ আহমেদ, সংরক্ষিত মহিলা আসন-৩৫-এর তাহমিনা সুলতানা,রংপুর-২ আসনের এটিএম আজহারুল ইসলাম এবং সিরাজগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ইসলাম খান।সংসদীয় স্থায়ী কমিটিগুলো সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পর্যালোচনা,বিভিন্ন বিষয়ে সুপারিশ এবং সরকারের কর্মকাণ্ডে সংসদীয় নজরদারি নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।এদিকে একই দিনে কৃষি,দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ, স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়, শ্রম ও কর্মসংস্থান,সংস্কৃতি বিষয়ক, খাদ্য, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা,পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিও গঠন ও পুনর্গঠন করা হয়েছে।

সব বিভাগের খবর

রাষ্ট্রপতির ঠাকুরগাঁওয়ে আগমনে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী যা বললেন

বিশেষ প্রতিবেদক,দৈনিক প্রথম সকাল। পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন আজকে আমরা যে মানুষটিকে সংবর্ধিত করতে আসছি, আমি শুধু আজকে এইখানে,ঠাকুরগাঁও নয়,আমি চিৎকার করে বলতে পারি- বাংলাদেশের রাজনীতিতে এই রকম সৃষ্টিশীল,সৃজনশীল,নিরহংকার এমন একজন সর্বজনীন মানুষ আর হয়তো জন্ম নিবে কি-না সংশয় আছে।অদ্য রবিবার ৬ ই সেপ্টেম্বর বিকাল ৩টায় ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন আজকে সেই মানুষটি,যে নিজে তার কর্ম দিয়ে,সততা দিয়ে, নিষ্ঠা দিয়ে,দেশপ্রেম দিয়ে আজকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে সর্বশ্রেষ্ট জায়গায় আসীন হয়েছেন।আমি মনে করি এটা মির্জা আলমগীরের প্রাপ্যতা নয়,এটা বাংলাদেশের মানুষের প্রাপ্যতা। এমন একটা সর্বজনীন মানুষ,অসাম্প্রদায়িক মানুষকে আমরা আজকে বাংলাদেশের শ্রেষ্ট জায়গায় আসীন করতে পেরেছি।তিনি বলেন আসুন যে মানুষটি তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে কখনো সহিংসতা নয়,কখনো মানুষকে বিদ্বেষ নয়,এমনকি বিরোধী দল, বিরোধী মতকে বিদ্বেষে নয়,যিনি সবাইকে সংবরণ করে আজ বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক অবিস্মরণীয় মানুষে রুপান্তরিত হয়েছেন।প্রতিমন্ত্রী বলেন আসুন আমরা মনেপ্রাণে এই মানুষটার জন্য দোয়া করব, মহান রাব্বুল আলামিন যেন তার আয়ুষ্কাল বৃদ্ধি করে দেয়।ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন বাংলাদেশের দুঃসময়ে,দুর্দিনে যেমন উনি বাংলাদেশকে, আমাদের গণতান্ত্রিক অবস্থাকে তুলে ধরেছিলেন,ঠিক এভাবেই যেন আগামী দিনের বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে,বাংলাদেশের মানচিত্রকে,বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে,বাংলাদেশের পতাকাকে,বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বকে এবং বাংলাদেশের ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাইকে ধারণ করে আগামী দিনের বাংলাদেশকে উনার নেতৃত্বে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে এই প্রত্যাশা করি। 

বনানী কবরস্থানে ফরিদা বেগমের দাফন সম্পন্ন

বিশেষ প্রতিবেদক,দৈনিক প্রথম সকাল। রূপায়ণ গ্রুপের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খাঁন মুকুলের মা ফরিদা বেগমের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।অদ্য রবিবার ৬ ই সেপ্টেম্বর বাদ জোহর রাজধানীর বনানী কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়।এর আগে গুলশানের আজাদ মসজিদে মরহুমার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।শনিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে নিজ বাসভবনে ফরিদা বেগম হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন।এ সময় তাকে গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে (সাবেক ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল) নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।মৃত্যুর সময় তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর।তিনি চার ছেলে,নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।গুলশান আজাদ মসজিদে জানাজার আগে উপস্থিত মুসল্লিদের উদ্দেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন মরহুমার বড় ছেলে এবং রূপায়ণ গ্রুপের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খাঁন মুকুল।মায়ের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তিনি বলেন ১৫ বছর বয়সে বাবা হারিয়েছি। সেই সময় থেকে মা-ই আমাদের অভিভাবক ছিলেন।তিনি হজ্ব পালন করেছেন,ওমরাহও করেছেন।মহান আল্লাহ তার জীবনের গুনাহর খাতা মাফ করে তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন।মায়ের স্মৃতি মনে করে আবেগাপ্লুত হয়ে তিনি বলেন যেখানেই থাকতাম,প্রতিদিন মায়ের কাছে হাজিরা দিতাম।আমার মায়ের কথায় কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে মাফ করে দেবেন।কান্নাজড়িত কণ্ঠে সবার কাছে দোয়া চেয়ে তিনি বলেন মহান আল্লাহ যেন আমার মাকে মাফ করে বেহেশত নসিব করেন। সবাই তার জন্য দোয়া করবেন।এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন মরহুমার দৌহিত্র,রূপায়ণ গ্রুপের কো-চেয়ারম্যান ও দেশ রূপান্তরের প্রকাশক মাহির আলী খাঁন রাতুল,মরহুমার ছেলে ও রূপায়ণ গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান আলী আকবর খাঁন রতন,মরহুমার দৌহিত্র ও রূপায়ণ গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাইফ আলী খাঁন অতুলসহ পরিবারের সদস্যরা।ফরিদা বেগমের মৃত্যুতে রূপায়ণ গ্রুপের প্রতিষ্ঠানগুলোতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ অনেকেই বাসায় গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেন। জানাজা ও দাফনেও শরিক হন তারা।ফরিদা বেগমের মৃত্যুতে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ,বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত,মাছরাঙা টেলিভিশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) অঞ্জন চৌধুরী পিন্টু, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আব্দুল্লাহ আল মামুন,দেশ রূপান্তরের সম্পাদক মুস্তাফিজ শফি ও কালবেলার সম্পাদক সন্তোষ শর্মা,দৈনিক আজকের পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক কামরুল হাসানসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ শোক জানিয়েছেন।এ ছাড়া ঢাকা ক্লাব লিমিটেড, রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব),অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্স (অ্যাটকো)সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান শোক প্রকাশ করেছে।ফরিদা বেগমের জানাজায় শরিক হয়ে সমবেদনা জানান দৈনিক আগামীর সময়ের সম্পাদক মোস্তফা মামুন,রিহ্যাবের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুর রাজ্জাক, আগামীর সময়ের নির্বাহী সম্পাদক এহসানুল হক বাবু, স্থপতি রফিক আজম, অভিনেতা নাদের চৌধুরী,আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ তাজুল ইসলামসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। জানাজায় রূপায়ণ গ্রুপের কর্মকর্তা-কর্মচারী ছাড়াও বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাসহ সর্বস্তরের মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

দাম কমলো এলপিজি গ্যাসের দাম

বিশেষ প্রতিনিধি,দৈনিক প্রথম সকাল। বাংলাদেশের এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) সেপ্টেম্বর মাসের জন্য তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম নির্ধারণ করেছে। ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের নতুন খুচরামূল্য ১ হাজার ৫৯৮ টাকা থেকে কমিয়ে ১ হাজার ৫৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।অদ্য বুধবার ২ রা সেপ্টেম্বর নতুন এ দাম ঘোষণা করে সংস্থাটি।এছাড়া সাড়ে ৫ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৭২৭ টাকা,সাড়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৬৫২ টাকা,১৫ কেজির দাম ১ হাজার ৯৮২ টাকা,১৬ কেজির দাম ২ হাজার ১১৪ টাকা,১৮ কেজির দাম ২ হাজার ৩৭৮ টাকা, ২০ কেজির দাম ২ হাজার ৬৪২ টাকা, ২২ কেজির দাম ২ হাজার ৯০৭ টাকা,২৫ কেজির দাম ৩ হাজার ৩০৩ টাকা,৩০ কেজির দাম ৩ হাজার ৯৬৪ টাকা, ৩৩ কেজির দাম ৪ হাজার ৩৬০ টাকা,৩৫ কেজির দাম ৪ হাজার ৬২৪ টাকা, ৪৫ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৫ হাজার ৯৪৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।সংস্থাটি জানিয়েছে নতুন দাম আজ বুধবার সন্ধ্যা ৬ টা থেকে কার্যকর হবে। পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত নতুন এ দাম বহাল থাকবে।আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির মূল্য এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ব্যয়ের ওপর ভিত্তি করে প্রতি মাসে এলপিজি ও অটোগ্যাসের নতুন দাম নির্ধারণ করে থাকে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।

ফ্যামিলি কার্ড ডেলিভারিতে মাত্র ১ দশমিক ২ শতাংশ ত্রুটিঃ অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী

বিশেষ প্রতিনিধি,দৈনিক প্রথম সকাল। ফ্যামিলি কার্ড ডেলিভারিতে সরকার যে পাইলট প্রজেক্টটি হাতে নিয়েছে তাতে মাত্র ১ দশমিক ২ শতাংশ ত্রুটি বা ভুল হয়েছে বলে জানিয়েছে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই ত্রুটির হার অত্যন্ত নগণ্য এবং এটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে।অদ্য রবিবার ৩০ শে আগস্ট সকালে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে আয়োজিত বাংলাদেশে ‘বন্যা-পরবর্তী পুনরুদ্ধার ও পুনর্বাসন সহায়তা' প্রকল্প উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।অর্থমন্ত্রী বলেন ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে কোনো রাজনৈতিক বিবেচনা বা দলীয় পক্ষপাতিত্ব করা হয়নি। ভবিষ্যতেও এ ধরনের বিবেচনায় কার্ড বিতরণ করা হবে না।তিনি বলেন একটি পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হলে সঠিক উপায়ে এবং দক্ষতার সঙ্গে ত্রাণ ও সহায়তা বিতরণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।আমাদের দেশে বিতরণের ক্ষেত্রে অনেক ক্ষতি বা অপচয় হয়ে থাকে। এটি মূলত দুর্নীতির মাধ্যমে, অপচয়ের মাধ্যমে এবং সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাবে হয়ে থাকে।তিনি আরও বলেন সরকারের পক্ষে সবসময় একা সবকিছু সঠিকভাবে বিতরণ করা একটি বড় সমস্যা। এতে দুর্নীতি ও অপচয় হয়।কিন্তু ডেলিভারি ব্যবস্থায় যখন আপনি বেসরকারি খাত ও এনজিওদের রাখবেন,তখন একদিকে যেমন কাজ দক্ষতার সঙ্গে হয়,অন্যদিকে অপচয় ও দুর্নীতি কমে যায় বা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।আমি আনন্দিত যে,আজকের এই বন্যা পরবর্তী সময়ে এখন পর্যন্ত আমার জানা মতে কোনো দুর্নীতির অভিযোগ আসেনি। পত্র-পত্রিকায় বা কোথাও আমি এমন কোনো অভিযোগ দেখিনি।সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমে সরকারি, বেসরকারি ও এনজিও খাতের মধ্যে অংশীদারত্ব গড়ে তোলার কথা উল্লেখ করে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন এটি শুধু বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসন কার্যক্রমের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। সরকার নতুন অর্থনৈতিক মডেল বা সৃজনশীল অর্থনীতির কার্যক্রমেও সরকারি,বেসরকারি ও এনজিও খাতের যৌথ অংশীদারত্বকে গুরুত্ব দিচ্ছে।তিনি বলেন দুর্যোগের সময় সরকার প্রথম সারির সাড়াদানকারী হিসেবে তাৎক্ষণিক সহায়তা দিয়ে থাকে। তবে পরবর্তী সময়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠন,প্রতিবন্ধী মানুষের সহায়তা এবং অন্যান্য পুনর্বাসন কার্যক্রমে সমাজের বিভিন্ন স্তরে কাজ করা এনজিও ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে যুক্ত করা হচ্ছে।

ঢাকা শহরের যানজট নিরসন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক,আসছে অটোরিকশা চলাচলে নীতিমালা

নিজস্ব প্রতিবেদক,দৈনিক প্রথম সকাল। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ঢাকা শহরের যানজট নিরসন,ট্রাফিক ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং পরিবহণ খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।অদ্য শনিবার ২৯ শে আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।বৈঠকে ঢাকা মহানগরীর চলমান যানজট পরিস্থিতি,গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও ফ্লাইওভারে যানবাহনের চাপ,গণপরিবহণ ব্যবস্থাপনা,বাস টার্মিনাল পুনর্বিন্যাস,পার্কিং ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।বৈঠকে এক্সপ্রেসওয়ে ও ফ্লাইওভারের টোল প্লাজাগুলোতে ইটিসি (ইলেক্ট্রনিক টোল কালেকশন) সিস্টেম চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।এর মাধ্যমে টোল আদায় ব্যবস্থাকে আরও ধুনিক,দ্রুত ও প্রযুক্তিনির্ভর করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এ লক্ষ্যে একটি অ্যাপ ডেভেলপমেন্টের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আগামী চার মাসের মধ্যে এ কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। যাত্রাবাড়ী-গুলিস্তান ফ্লাইওভারের যানজট নিরসনযাত্রাবাড়ী-গুলিস্তান ফ্লাইওভারের আশপাশে দীর্ঘদিনের যানজট নিরসনের বিষয়েও বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) দেওয়া আগের প্রস্তুত করা প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে যানজট নিরসনে করণীয় নির্ধারণের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।এ বিষয়ে বুয়েটকে বিদ্যমান প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সুপারিশসহ একটি প্রতিবেদন আগামী ১৫ দিনের মধ্যে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। সিটি করপোরেশন ও ট্রাফিক পুলিশের সমন্বয়ে এ কার্যক্রম বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত হয়।ফুলবাড়িয়া বাস টার্মিনাল কেরানীগঞ্জে স্থানান্তরঢাকার গণপরিবহন ব্যবস্থাকে আরও সুশৃঙ্খল করতে ফুলবাড়িয়া বাস টার্মিনাল সরিয়ে কেরানীগঞ্জে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণ করে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। এই বাস টার্মিনালটি স্থানান্তর করা হলে রাজধানীর কেন্দ্রীয় অংশে বাস ও আন্তঃজেলা যানবাহনের চাপ কমানোর পাশাপাশি যানজট নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে বৈঠকে আলোচনা হয়।স্থায়ী বাস টার্মিনাল নির্মাণ যেহেতু দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্প তাই আগামীচার মাসের মধ্যে ঝিলমিল প্রকল্পের ১৫ একর জমিতে একটি অস্থায়ী বাস টার্মিনাল নির্মাণের সিদ্ধান্ত হয় বৈঠকে। গাবতলী বাস টার্মিনাল সম্প্রসারণসক্ষমতা বৃদ্ধি এবং যানবাহন ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করার লক্ষ্যে গাবতলী বাস টার্মিনালের পেছনের অংশ সম্প্রসারণের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয় বৈঠকে।এ কাজ দ্রুত বাস্তবায়নে সড়ক বিভাগ, ট্রাফিক পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।কারওয়ান বাজারের কিচেন মার্কেট গাবতলীতে স্থানান্তররাজধানীর যানজট কমাতে কারওয়ান বাজারের কিচেন মার্কেট সরিয়ে গাবতলীতে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।বৈঠকে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়।সচিবালয়ের আশপাশে পার্কিং ব্যবস্থাসচিবালয়ের চারপাশে যানজট নিরসনে পার্কিং ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়।এ লক্ষ্যে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত হয়। একই সঙ্গে প্রয়োজন অনুযায়ী বিকল্প পার্কিংয়ের স্থানও অনুসন্ধান করতে বলা হয়। সচিবালয়কেন্দ্রিক যানবাহনের চাপ নিয়ন্ত্রণ এবং আশপাশের সড়কে চলাচল স্বাভাবিক রাখতে এ উদ্যোগ নেওয়া হবে। অটোরিকশা চলাচলে নীতিমালাঢাকা শহরে অটোরিকশা চলাচলকে আরও সুশৃঙ্খল ও নিয়ন্ত্রিত করতে একটি পৃথক নীতিমালা প্রণয়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।অনুমোদনহীন ডাবল ডেকার স্লিপার বাসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাএ ছাড়া অনুমোদনহীন ডাবল ডেকার স্লিপার বাসের চলাচলের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী রাজধানীর যানজট নিরসনে বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কাজগুলো সম্পন্ন করতে সবার আন্তরিক প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।এ সময় বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ,সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম,স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম,পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস,ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম,মন্ত্রিপরিষদ সচিব,প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

পেশাগত দক্ষতা,সততা,বিশ্বস্ততা ও মেধার ভিত্তিতে পদোন্নতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট,দৈনিক প্রথম সকাল।  প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজনৈতিক মতাদর্শ ও ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের উর্ধ্বে উঠে বাহিনীর কর্মকর্তাদের পদোন্নতির উপর জোর দিয়েছেন।এ ক্ষেত্রে তিনি অফিসারদের পেশাগত দক্ষতা,নেতৃত্বের গুণাবলি,শৃঙ্খলার মান,সততা,বিশ্বস্ততা ও আনুগত্য এবং সর্বোপরি নিযুক্তিগত উপযুক্ততার উপর গুরুত্বারোপ করতে নির্বাচনী পর্ষদের সদস্যদের নির্দেশনা দেন।অদ্য রবিবার ২৩ শে আগস্ট সকালে ঢাকা সেনানিবাসে বিমান বাহিনীর সদর দপ্তরে নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৬ ইং এর উদ্বোধনকালে তিনি এ নির্দেশনা দেন।  প্রধানমন্ত্রী বলেন দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বাংলাদেশ নৌ ও বিমান বাহিনী দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা,স্থিতিশীলতা ও দুর্যোগ মোকাবিলায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।দেশের প্রয়োজনে বাংলাদেশ নৌ ও বিমান বাহিনীর ত্যাগের জন্য তিনি নৌ ও বিমান বাহিনী প্রধান থেকে শুরু করে বাহিনীর সকল সদস্যকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।বক্তব্যের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করেন মহান স্বাধীনতার ঘোষক,শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়াকে।১৯৭১ ইং সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সকল শহীদ,২০২৪ ইং সালে দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা রক্ষায় বীর ছাত্র-জনতার গণঅভুত্থানের সকল শহীদ এবং ১৯৭১ ইং থেকে ২০২৪ ইং সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে যারা দেশে গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে হতাহত হয়েছেন প্রত্যেকের অবদান তিনি কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সকল শহীদ,যুদ্ধাহত ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের,বিশেষ করে সশস্ত্র বাহিনী তথা নৌ ও বিমান বাহিনীর শহীদসহ সকল বীর সেনাদের।পরবর্তী সময়ে প্রধানমন্ত্রী বিমান বাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনাল স্থাপনা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।প্রথমে তিনি ঢাকা সেনানিবাসস্থ আকাশ প্রতিরক্ষা পরিচালন কেন্দ্রে স্থাপিত এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ইন্টিগ্রেশন (এডিএসআই)-এর উদ্বোধনী স্মারক ফলক উন্মোচন করেন।এ সময় তিনি নব উন্মোচিত এডিএসআই-এর বিভিন্ন আকাশ প্রতিরক্ষা কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এছাড়া তিনি বিমান বাহিনীর এয়ার কমান্ড অপারেশন সেন্টার (এসিওসি) পরিদর্শন করেন।পরিদর্শনকালে তিনি এসিওসি'র ডিজিটাল লার্জ ডিসপ্লের সাহায্যে বিমান বাহিনীর যুদ্ধবিমান কর্তৃক শত্রুবিমানসমূহকে বাধা প্রদান ও চট্টগ্রাম থেকে আনম্যান্ড এরিয়েল ভেহিকেল (ড্রোন)-এর লাইফ ফিডের মাধ্যমে হেলিকপ্টার থেকে সেনা অবতরণ অবলোকন করেন।এরপর প্রধানমন্ত্রী বিমান বাহিনীর এ্যারোস্পেস রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট কমপ্লেক্স এবং এর বিভিন্ন গবেষণা কার্যক্রম সরেজমিনে প্রত্যক্ষ করেন। এসময় বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর নিজস্ব সক্ষমতায় প্রস্তুতকৃত বিভিন্ন ধরনের আনম্যান্ড এরিয়েল ভেহিকেল (ড্রোন,কামিকাজি ড্রোন, ইন্টারসেপ্টর ড্রোন এবং ভিটোল) প্রদর্শন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী কোয়াডকপ্টার এর উড্ডয়ন অবলোকন করেন।নিজস্ব প্রযুক্তিগত সক্ষমতায় এ ধরনের আধুনিক উড্ডয়ন ব্যবস্থা প্রস্তুতকরণ বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর গবেষণা, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিগত আত্মনির্ভরতার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হবে বলে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন। এর আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অনুষ্ঠানস্থলে এসে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান তাঁর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান,নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন।গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনাল স্থাপনা পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা,নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী প্রধান,সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার,প্রতিরক্ষা সচিবসহ সশস্ত্র বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। 

স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন সেলিম রেজা

স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন সেলিম রেজা

নিজস্ব প্রতিবেদক,দৈনিক প্রথম সকাল। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য একেএম সেলিম রেজা।গতকাল রবিবার ৬ ই সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে কণ্ঠভোটে সর্বসম্মতিক্রমে কমিটি গঠন ও পুনর্গঠনের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদ এবং জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধির ২৪৬, ২৪৭ ও ২৪৮ বিধি অনুসরণ করে সংসদ নেতার পক্ষে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি এসব প্রস্তাব উত্থাপন করেন।স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে পদাধিকারবলে মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী সদস্য হিসেবে থাকবেন।কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন-বগুড়া-২ আসনের সংসদ সদস্য মীর শাহ আলম,ময়মনসিংহ -১০ আসনের মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান, নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম আজাদ, চট্টগ্রাম-১৪ আসনের আলহাজ্ব জসিমউদ্দীন আহমেদ, চাঁদপুর-৩ আসনের শেখ ফরিদ আহমেদ, সংরক্ষিত মহিলা আসন-৩৫-এর তাহমিনা সুলতানা,রংপুর-২ আসনের এটিএম আজহারুল ইসলাম এবং সিরাজগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ইসলাম খান।সংসদীয় স্থায়ী কমিটিগুলো সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পর্যালোচনা,বিভিন্ন বিষয়ে সুপারিশ এবং সরকারের কর্মকাণ্ডে সংসদীয় নজরদারি নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।এদিকে একই দিনে কৃষি,দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ, স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়, শ্রম ও কর্মসংস্থান,সংস্কৃতি বিষয়ক, খাদ্য, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা,পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিও গঠন ও পুনর্গঠন করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপতির ঠাকুরগাঁওয়ে আগমনে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী যা বললেন

রাষ্ট্রপতির ঠাকুরগাঁওয়ে আগমনে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী যা বললেন

বিশেষ প্রতিবেদক,দৈনিক প্রথম সকাল। পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন আজকে আমরা যে মানুষটিকে সংবর্ধিত করতে আসছি, আমি শুধু আজকে এইখানে,ঠাকুরগাঁও নয়,আমি চিৎকার করে বলতে পারি- বাংলাদেশের রাজনীতিতে এই রকম সৃষ্টিশীল,সৃজনশীল,নিরহংকার এমন একজন সর্বজনীন মানুষ আর হয়তো জন্ম নিবে কি-না সংশয় আছে।অদ্য রবিবার ৬ ই সেপ্টেম্বর বিকাল ৩টায় ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন আজকে সেই মানুষটি,যে নিজে তার কর্ম দিয়ে,সততা দিয়ে, নিষ্ঠা দিয়ে,দেশপ্রেম দিয়ে আজকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে সর্বশ্রেষ্ট জায়গায় আসীন হয়েছেন।আমি মনে করি এটা মির্জা আলমগীরের প্রাপ্যতা নয়,এটা বাংলাদেশের মানুষের প্রাপ্যতা। এমন একটা সর্বজনীন মানুষ,অসাম্প্রদায়িক মানুষকে আমরা আজকে বাংলাদেশের শ্রেষ্ট জায়গায় আসীন করতে পেরেছি।তিনি বলেন আসুন যে মানুষটি তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে কখনো সহিংসতা নয়,কখনো মানুষকে বিদ্বেষ নয়,এমনকি বিরোধী দল, বিরোধী মতকে বিদ্বেষে নয়,যিনি সবাইকে সংবরণ করে আজ বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক অবিস্মরণীয় মানুষে রুপান্তরিত হয়েছেন।প্রতিমন্ত্রী বলেন আসুন আমরা মনেপ্রাণে এই মানুষটার জন্য দোয়া করব, মহান রাব্বুল আলামিন যেন তার আয়ুষ্কাল বৃদ্ধি করে দেয়।ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন বাংলাদেশের দুঃসময়ে,দুর্দিনে যেমন উনি বাংলাদেশকে, আমাদের গণতান্ত্রিক অবস্থাকে তুলে ধরেছিলেন,ঠিক এভাবেই যেন আগামী দিনের বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে,বাংলাদেশের মানচিত্রকে,বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে,বাংলাদেশের পতাকাকে,বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বকে এবং বাংলাদেশের ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাইকে ধারণ করে আগামী দিনের বাংলাদেশকে উনার নেতৃত্বে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে এই প্রত্যাশা করি। 

বনানী কবরস্থানে ফরিদা বেগমের দাফন সম্পন্ন

বনানী কবরস্থানে ফরিদা বেগমের দাফন সম্পন্ন

বিশেষ প্রতিবেদক,দৈনিক প্রথম সকাল। রূপায়ণ গ্রুপের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খাঁন মুকুলের মা ফরিদা বেগমের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।অদ্য রবিবার ৬ ই সেপ্টেম্বর বাদ জোহর রাজধানীর বনানী কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়।এর আগে গুলশানের আজাদ মসজিদে মরহুমার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।শনিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে নিজ বাসভবনে ফরিদা বেগম হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন।এ সময় তাকে গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে (সাবেক ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল) নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।মৃত্যুর সময় তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর।তিনি চার ছেলে,নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।গুলশান আজাদ মসজিদে জানাজার আগে উপস্থিত মুসল্লিদের উদ্দেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন মরহুমার বড় ছেলে এবং রূপায়ণ গ্রুপের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খাঁন মুকুল।মায়ের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তিনি বলেন ১৫ বছর বয়সে বাবা হারিয়েছি। সেই সময় থেকে মা-ই আমাদের অভিভাবক ছিলেন।তিনি হজ্ব পালন করেছেন,ওমরাহও করেছেন।মহান আল্লাহ তার জীবনের গুনাহর খাতা মাফ করে তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন।মায়ের স্মৃতি মনে করে আবেগাপ্লুত হয়ে তিনি বলেন যেখানেই থাকতাম,প্রতিদিন মায়ের কাছে হাজিরা দিতাম।আমার মায়ের কথায় কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে মাফ করে দেবেন।কান্নাজড়িত কণ্ঠে সবার কাছে দোয়া চেয়ে তিনি বলেন মহান আল্লাহ যেন আমার মাকে মাফ করে বেহেশত নসিব করেন। সবাই তার জন্য দোয়া করবেন।এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন মরহুমার দৌহিত্র,রূপায়ণ গ্রুপের কো-চেয়ারম্যান ও দেশ রূপান্তরের প্রকাশক মাহির আলী খাঁন রাতুল,মরহুমার ছেলে ও রূপায়ণ গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান আলী আকবর খাঁন রতন,মরহুমার দৌহিত্র ও রূপায়ণ গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাইফ আলী খাঁন অতুলসহ পরিবারের সদস্যরা।ফরিদা বেগমের মৃত্যুতে রূপায়ণ গ্রুপের প্রতিষ্ঠানগুলোতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ অনেকেই বাসায় গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেন। জানাজা ও দাফনেও শরিক হন তারা।ফরিদা বেগমের মৃত্যুতে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ,বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত,মাছরাঙা টেলিভিশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) অঞ্জন চৌধুরী পিন্টু, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আব্দুল্লাহ আল মামুন,দেশ রূপান্তরের সম্পাদক মুস্তাফিজ শফি ও কালবেলার সম্পাদক সন্তোষ শর্মা,দৈনিক আজকের পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক কামরুল হাসানসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ শোক জানিয়েছেন।এ ছাড়া ঢাকা ক্লাব লিমিটেড, রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব),অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্স (অ্যাটকো)সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান শোক প্রকাশ করেছে।ফরিদা বেগমের জানাজায় শরিক হয়ে সমবেদনা জানান দৈনিক আগামীর সময়ের সম্পাদক মোস্তফা মামুন,রিহ্যাবের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুর রাজ্জাক, আগামীর সময়ের নির্বাহী সম্পাদক এহসানুল হক বাবু, স্থপতি রফিক আজম, অভিনেতা নাদের চৌধুরী,আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ তাজুল ইসলামসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। জানাজায় রূপায়ণ গ্রুপের কর্মকর্তা-কর্মচারী ছাড়াও বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাসহ সর্বস্তরের মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন সেলিম রেজা

নিজস্ব প্রতিবেদক,দৈনিক প্রথম সকাল। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য একেএম সেলিম রেজা।গতকাল রবিবার ৬ ই সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে কণ্ঠভোটে সর্বসম্মতিক্রমে কমিটি গঠন ও পুনর্গঠনের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদ এবং জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধির ২৪৬, ২৪৭ ও ২৪৮ বিধি অনুসরণ করে সংসদ নেতার পক্ষে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি এসব প্রস্তাব উত্থাপন করেন।স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে পদাধিকারবলে মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী সদস্য হিসেবে থাকবেন।কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন-বগুড়া-২ আসনের সংসদ সদস্য মীর শাহ আলম,ময়মনসিংহ -১০ আসনের মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান, নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম আজাদ, চট্টগ্রাম-১৪ আসনের আলহাজ্ব জসিমউদ্দীন আহমেদ, চাঁদপুর-৩ আসনের শেখ ফরিদ আহমেদ, সংরক্ষিত মহিলা আসন-৩৫-এর তাহমিনা সুলতানা,রংপুর-২ আসনের এটিএম আজহারুল ইসলাম এবং সিরাজগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ইসলাম খান।সংসদীয় স্থায়ী কমিটিগুলো সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পর্যালোচনা,বিভিন্ন বিষয়ে সুপারিশ এবং সরকারের কর্মকাণ্ডে সংসদীয় নজরদারি নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।এদিকে একই দিনে কৃষি,দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ, স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়, শ্রম ও কর্মসংস্থান,সংস্কৃতি বিষয়ক, খাদ্য, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা,পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিও গঠন ও পুনর্গঠন করা হয়েছে।

স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন সেলিম রেজা

স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন সেলিম রেজা

নিজস্ব প্রতিবেদক,দৈনিক প্রথম সকাল। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য একেএম সেলিম রেজা।গতকাল রবিবার ৬ ই সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে কণ্ঠভোটে সর্বসম্মতিক্রমে কমিটি গঠন ও পুনর্গঠনের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদ এবং জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধির ২৪৬, ২৪৭ ও ২৪৮ বিধি অনুসরণ করে সংসদ নেতার পক্ষে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি এসব প্রস্তাব উত্থাপন করেন।স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে পদাধিকারবলে মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী সদস্য হিসেবে থাকবেন।কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন-বগুড়া-২ আসনের সংসদ সদস্য মীর শাহ আলম,ময়মনসিংহ -১০ আসনের মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান, নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম আজাদ, চট্টগ্রাম-১৪ আসনের আলহাজ্ব জসিমউদ্দীন আহমেদ, চাঁদপুর-৩ আসনের শেখ ফরিদ আহমেদ, সংরক্ষিত মহিলা আসন-৩৫-এর তাহমিনা সুলতানা,রংপুর-২ আসনের এটিএম আজহারুল ইসলাম এবং সিরাজগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ইসলাম খান।সংসদীয় স্থায়ী কমিটিগুলো সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পর্যালোচনা,বিভিন্ন বিষয়ে সুপারিশ এবং সরকারের কর্মকাণ্ডে সংসদীয় নজরদারি নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।এদিকে একই দিনে কৃষি,দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ, স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়, শ্রম ও কর্মসংস্থান,সংস্কৃতি বিষয়ক, খাদ্য, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা,পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিও গঠন ও পুনর্গঠন করা হয়েছে।

স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন সেলিম রেজা

স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন সেলিম রেজা

নিজস্ব প্রতিবেদক,দৈনিক প্রথম সকাল। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য একেএম সেলিম রেজা।গতকাল রবিবার ৬ ই সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে কণ্ঠভোটে সর্বসম্মতিক্রমে কমিটি গঠন ও পুনর্গঠনের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদ এবং জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধির ২৪৬, ২৪৭ ও ২৪৮ বিধি অনুসরণ করে সংসদ নেতার পক্ষে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি এসব প্রস্তাব উত্থাপন করেন।স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে পদাধিকারবলে মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী সদস্য হিসেবে থাকবেন।কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন-বগুড়া-২ আসনের সংসদ সদস্য মীর শাহ আলম,ময়মনসিংহ -১০ আসনের মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান, নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম আজাদ, চট্টগ্রাম-১৪ আসনের আলহাজ্ব জসিমউদ্দীন আহমেদ, চাঁদপুর-৩ আসনের শেখ ফরিদ আহমেদ, সংরক্ষিত মহিলা আসন-৩৫-এর তাহমিনা সুলতানা,রংপুর-২ আসনের এটিএম আজহারুল ইসলাম এবং সিরাজগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ইসলাম খান।সংসদীয় স্থায়ী কমিটিগুলো সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পর্যালোচনা,বিভিন্ন বিষয়ে সুপারিশ এবং সরকারের কর্মকাণ্ডে সংসদীয় নজরদারি নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।এদিকে একই দিনে কৃষি,দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ, স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়, শ্রম ও কর্মসংস্থান,সংস্কৃতি বিষয়ক, খাদ্য, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা,পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিও গঠন ও পুনর্গঠন করা হয়েছে।

স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন সেলিম রেজা

স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন সেলিম রেজা

নিজস্ব প্রতিবেদক,দৈনিক প্রথম সকাল। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য একেএম সেলিম রেজা।গতকাল রবিবার ৬ ই সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে কণ্ঠভোটে সর্বসম্মতিক্রমে কমিটি গঠন ও পুনর্গঠনের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদ এবং জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধির ২৪৬, ২৪৭ ও ২৪৮ বিধি অনুসরণ করে সংসদ নেতার পক্ষে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি এসব প্রস্তাব উত্থাপন করেন।স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে পদাধিকারবলে মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী সদস্য হিসেবে থাকবেন।কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন-বগুড়া-২ আসনের সংসদ সদস্য মীর শাহ আলম,ময়মনসিংহ -১০ আসনের মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান, নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম আজাদ, চট্টগ্রাম-১৪ আসনের আলহাজ্ব জসিমউদ্দীন আহমেদ, চাঁদপুর-৩ আসনের শেখ ফরিদ আহমেদ, সংরক্ষিত মহিলা আসন-৩৫-এর তাহমিনা সুলতানা,রংপুর-২ আসনের এটিএম আজহারুল ইসলাম এবং সিরাজগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ইসলাম খান।সংসদীয় স্থায়ী কমিটিগুলো সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পর্যালোচনা,বিভিন্ন বিষয়ে সুপারিশ এবং সরকারের কর্মকাণ্ডে সংসদীয় নজরদারি নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।এদিকে একই দিনে কৃষি,দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ, স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়, শ্রম ও কর্মসংস্থান,সংস্কৃতি বিষয়ক, খাদ্য, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা,পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিও গঠন ও পুনর্গঠন করা হয়েছে।

স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন সেলিম রেজা

স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন সেলিম রেজা

নিজস্ব প্রতিবেদক,দৈনিক প্রথম সকাল। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য একেএম সেলিম রেজা।গতকাল রবিবার ৬ ই সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে কণ্ঠভোটে সর্বসম্মতিক্রমে কমিটি গঠন ও পুনর্গঠনের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদ এবং জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধির ২৪৬, ২৪৭ ও ২৪৮ বিধি অনুসরণ করে সংসদ নেতার পক্ষে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি এসব প্রস্তাব উত্থাপন করেন।স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে পদাধিকারবলে মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী সদস্য হিসেবে থাকবেন।কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন-বগুড়া-২ আসনের সংসদ সদস্য মীর শাহ আলম,ময়মনসিংহ -১০ আসনের মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান, নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম আজাদ, চট্টগ্রাম-১৪ আসনের আলহাজ্ব জসিমউদ্দীন আহমেদ, চাঁদপুর-৩ আসনের শেখ ফরিদ আহমেদ, সংরক্ষিত মহিলা আসন-৩৫-এর তাহমিনা সুলতানা,রংপুর-২ আসনের এটিএম আজহারুল ইসলাম এবং সিরাজগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ইসলাম খান।সংসদীয় স্থায়ী কমিটিগুলো সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পর্যালোচনা,বিভিন্ন বিষয়ে সুপারিশ এবং সরকারের কর্মকাণ্ডে সংসদীয় নজরদারি নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।এদিকে একই দিনে কৃষি,দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ, স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়, শ্রম ও কর্মসংস্থান,সংস্কৃতি বিষয়ক, খাদ্য, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা,পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিও গঠন ও পুনর্গঠন করা হয়েছে।

স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন সেলিম রেজা

স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন সেলিম রেজা

নিজস্ব প্রতিবেদক,দৈনিক প্রথম সকাল। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য একেএম সেলিম রেজা।গতকাল রবিবার ৬ ই সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে কণ্ঠভোটে সর্বসম্মতিক্রমে কমিটি গঠন ও পুনর্গঠনের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদ এবং জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধির ২৪৬, ২৪৭ ও ২৪৮ বিধি অনুসরণ করে সংসদ নেতার পক্ষে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি এসব প্রস্তাব উত্থাপন করেন।স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে পদাধিকারবলে মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী সদস্য হিসেবে থাকবেন।কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন-বগুড়া-২ আসনের সংসদ সদস্য মীর শাহ আলম,ময়মনসিংহ -১০ আসনের মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান, নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম আজাদ, চট্টগ্রাম-১৪ আসনের আলহাজ্ব জসিমউদ্দীন আহমেদ, চাঁদপুর-৩ আসনের শেখ ফরিদ আহমেদ, সংরক্ষিত মহিলা আসন-৩৫-এর তাহমিনা সুলতানা,রংপুর-২ আসনের এটিএম আজহারুল ইসলাম এবং সিরাজগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ইসলাম খান।সংসদীয় স্থায়ী কমিটিগুলো সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পর্যালোচনা,বিভিন্ন বিষয়ে সুপারিশ এবং সরকারের কর্মকাণ্ডে সংসদীয় নজরদারি নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।এদিকে একই দিনে কৃষি,দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ, স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়, শ্রম ও কর্মসংস্থান,সংস্কৃতি বিষয়ক, খাদ্য, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা,পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিও গঠন ও পুনর্গঠন করা হয়েছে।

এম. এ. হান্নানের নতুন দায়িত্ব, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটিতে সদস্য

এম. এ. হান্নানের নতুন দায়িত্ব, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটিতে সদস্য

পল্লব চক্রবর্তী,নাসিরনগর,ব্রাহ্মণবাড়িয়া। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনের সংসদ সদস্য এম. এ. হান্নান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।জাতীয় সংসদের গুরুত্বপূর্ণ এই কমিটিতে দায়িত্ব পাওয়ায় তার নির্বাচনী এলাকা নাসিরনগরে আনন্দ ও উৎসাহের সৃষ্টি হয়েছে।মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত দেশের অর্থনীতি,খাদ্যনিরাপত্তা ও কর্মসংস্থানের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত।এ খাতের উন্নয়ন,মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রম পর্যালোচনা এবং নীতিগত বিষয়গুলো নিয়ে সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে সদস্যদের।সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পাওয়াকে নাসিরনগরের মানুষের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা।তাদের প্রত্যাশা,নতুন দায়িত্বে এম. এ. হান্নান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নের পাশাপাশি নাসিরনগরের মানুষের বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনার বিষয়গুলো জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরবেন।এদিকে এম. এ. হান্নান গুরুত্বপূর্ণ এই দায়িত্ব পাওয়ায় নাসিরনগর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তারা তার দায়িত্বশীল ও সফল ভূমিকা কামনা করেছেন।

স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন সেলিম রেজা

স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন সেলিম রেজা

নিজস্ব প্রতিবেদক,দৈনিক প্রথম সকাল। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য একেএম সেলিম রেজা।গতকাল রবিবার ৬ ই সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে কণ্ঠভোটে সর্বসম্মতিক্রমে কমিটি গঠন ও পুনর্গঠনের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদ এবং জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধির ২৪৬, ২৪৭ ও ২৪৮ বিধি অনুসরণ করে সংসদ নেতার পক্ষে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি এসব প্রস্তাব উত্থাপন করেন।স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে পদাধিকারবলে মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী সদস্য হিসেবে থাকবেন।কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন-বগুড়া-২ আসনের সংসদ সদস্য মীর শাহ আলম,ময়মনসিংহ -১০ আসনের মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান, নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম আজাদ, চট্টগ্রাম-১৪ আসনের আলহাজ্ব জসিমউদ্দীন আহমেদ, চাঁদপুর-৩ আসনের শেখ ফরিদ আহমেদ, সংরক্ষিত মহিলা আসন-৩৫-এর তাহমিনা সুলতানা,রংপুর-২ আসনের এটিএম আজহারুল ইসলাম এবং সিরাজগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ইসলাম খান।সংসদীয় স্থায়ী কমিটিগুলো সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পর্যালোচনা,বিভিন্ন বিষয়ে সুপারিশ এবং সরকারের কর্মকাণ্ডে সংসদীয় নজরদারি নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।এদিকে একই দিনে কৃষি,দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ, স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়, শ্রম ও কর্মসংস্থান,সংস্কৃতি বিষয়ক, খাদ্য, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা,পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিও গঠন ও পুনর্গঠন করা হয়েছে।

হামে নতুন করে ৮ শিশুর মৃত্যু,হাসপাতালে ভর্তি ৮২৯

বিশেষ প্রতিনিধি,দৈনিক প্রথম সকাল।  গত ২৪ ঘণ্টায়  হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময় হাম নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৮২৯ জন।অদ্য বুধবার ১০ ই জুন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম সংক্রান্ত নিয়মিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।এতে বলা হয় গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে ৯৪৫ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে।এ সময় ঢাকা বিভাগে ৬,সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে ১ জন করে মোট ৬ জন  হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরে গেছেন ৮৫৩ জন।গত ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ৯২ জন। একই সময়ে সন্দেহজন হাম রোগে মৃতের সংখ্যা ৫৪৭ জন।

দেশে নীরব ঘাতক উচ্চ রক্তচাপ,ঝরছে শত প্রাণ

বিশেষ প্রতিনিধি,দৈনিক প্রথম সকাল।অসংক্রামক রোগগুলোর মধ্যে উচ্চ রক্তচাপ (হাইপারটেনশন) একটি দীর্ঘস্থায়ী জীবনব্যাপী রোগ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসেব অনুযায়ী, বিশ্বে ১৪০ কোটি মানুষ (৩০-৭৯ বছর) উচ্চ রক্তচাপে ভুগছে, যাদের বেশিরভাগ বাস করেন নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশে।উচ্চ রক্তচাপের ফলে অনেকে হৃদরোগ,স্ট্রোক এবং কিডনি রোগের মতো অসংক্রামক রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।আর এতে মৃত্যু বহুগুণ বাড়ছে।বিশ্বে প্রতি বছর ১ কোটিরও বেশি মানুষ উচ্চ রক্তচাপের কারণে মারা যায়।এ সংখ্যা সকল সংক্রামক রোগে মোট মৃত্যুর চেয়েও বেশি।বাংলদেশেও উচ্চ রক্তচাপজনিত কারণে প্রতিদিন প্রাণ হারাচ্ছেন শত শত মানুষ।বাংলাদেশেও উচ্চ রক্তচাপের নীরব মহামারি চলছে।সবশেষ ‘বাংলাদেশ এনসিডি স্টেপস সার্ভে "২০২২" এর তথ্য অনুযায়ী প্রতি ৪ জনে ১ জন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ (২৩.৫ শতাংশ) উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত।বাংলাদেশে উচ্চ রক্তচাপজনিত অসুস্থতা এবং অকালমৃত্যুর বর্তমান প্রবণতা অব্যাহত থাকলে ২০৩০ ইং সালের মধ্যে অসংক্রামক রোগজনিত অকালমৃত্যু এক-তৃতীয়াংশে কমিয়ে আনা সংক্রান্ত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (লক্ষ্য ৩.৪) অর্জন কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়বে।এমন বাস্তবতায় সারা বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশেও রবিবার ১৭ ই মে পালিত হচ্ছে বিশ্ব উচ্চ রক্তচাপ দিবস।প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে উচ্চ রক্তচাপ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে এই দিবসটি পালন করা হয়।উচ্চ রক্তচাপকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় "নীরব ঘাতক" বলা হয়,কারণ এর কোনো স্পষ্ট লক্ষণ থাকে না, অথচ এটি স্ট্রোক ও হৃদরোগ এবং অকালমৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ।এই বছরের বিশ্ব উচ্চ রক্তচাপ দিবস এর মূল প্রতিপাদ্য হচ্ছে,"একসাথে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করি: নীরব ঘাতককে জয় করি।বিশ্বব্যাপী উচ্চ রক্তচাপ পরিস্থিতিঃ২০২৫ ইং সালের সেপ্টেম্বরে উচ্চ রক্তচাপ বিষয়ক ২য় বৈশ্বিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।প্রতিবেদন অনুযায়ী ৩০-৭৯ বছর বয়সী জনগোষ্ঠীর ৩৩ শতাংশ উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত এবং ১৯৯০ সাল থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৬৫ কোটি থেকে বেড়ে ১৪০ কোটিতে দাঁড়িয়েছে।এ সময়ে উচ্চ রক্তচাপের প্রকোপ ধনী দেশগুলো থেকে কমে নিম্ন এবং মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ্বব্যাপী উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত মানুষের মধ্যে মাত্র ৩২০ মিলিয়ন (২৩ শতাংশ) মানুষ তাদের রক্তচাপ কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেরেছে।প্রতিবেদনের তথ্য মতে শুধুমাত্র কানাডা, কোস্টারিকা, আইসল্যান্ড এবং দক্ষিণ কোরিয়াতে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের হার ৫০ শতাংশের বেশি। ৯৯টি দেশে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের হার ২০ শতাংশেরও কম। ২০১১ সালে উচ্চ রক্তচাপজনিত কারণে ১ কোটি ১০ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছে, যা বিশ্বব্যাপী মোট মৃত্যুর ১৬ শতাংশ এবং অসংক্রামক রোগের জন্য দায়ী অন্য যেকোনো ঝুঁকির থেকে বেশি।বাংলাদেশে উচ্চ রক্তচাপ পরিস্থিতিঃ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) 'হেলথ অ্যান্ড মরবিডিটি স্ট্যাটাস সার্ভে-২০২৫' এর তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে শীর্ষ ১০টি রোগের তালিকায় এক নম্বরে রয়েছে উচ্চ রক্তচাপ।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২০২৫ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশে উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্তদের (৩০-৭৯ বছর বয়সী) অর্ধেকই (৫৩ শতাংশ পুরুষ, ৪৫ শতাংশ নারী) জানে না যে তাদের উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে। উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্তদের মধ্যে চিকিৎসা গ্রহণের হার মাত্র ৩৯ শতাংশ (৩৫ শতাংশ পুরুষ, ৪২ শতাংশ নারী)। নিয়মিত ওষুধ সেবনের মাধ্যমে রোগটি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেরেছে মাত্র ১৬ শতাংশ (১৫ শতাংশ পুরুষ, ১৬ শতাংশ নারী) অর্থাৎ প্রতি ৭ জনে ১ জন।প্রতিবেদনে আরও বলা হয় ২০২৪  ইং সালে বাংলাদেশে ২ লক্ষ ৮৩ হাজার ৪০০ মানুষ হৃদরোগজনিত রোগে মৃত্যুবরণ করেছে, যার ৫২ শতাংশের (৪৮ শতাংশ পুরুষ, ৫৬ শতাংশ নারী) জন্য দায়ী উচ্চ রক্তচাপ।উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে বিশেষজ্ঞদের মতামতঃউচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে করণীয় জানতে চাইলে পাবলিক হেলথ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট (ইলেক্ট) ডা. আবু জামিল ফয়সাল বাংলানিউজকে বলেন উচ্চ রক্তচাপ বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে।রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রথমেই আমাদেরকে খাবারে লবণ কম খেতে হবে,শাকসবজি প্রচুর পরিমাণে খেতে হবে,কমপক্ষে আধা ঘণ্টা শারীরিক পরিশ্রম কিংবা ব্যায়াম করতে হবে, নিয়মিত সঠিক সময়ে নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে হবে।এখন অনেকেই মোবাইল ফোনের আসক্তিতে রাত জাগে,প্রয়োজনের তুলনায় কম সময় ঘুমায়। পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম না হওয়ায় অনেকেই মানসিক উত্তেজনা বা চাপে থাকে।ধূমপানের কারণেও উচ্চ রক্তচাপ হয়, তাই ধূমপান কিংবা তামাকপণ্যের ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে। উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধে এই কয়েকটি বিষয় মেনে চলার পরামর্শ দেন তিনি।তিনি আরও বলেন কারও যদি মাথা ও ঘাড় ব্যথা হয়, মাথা ঘুরায়, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত এবং রক্তচাপ পরীক্ষা করা দরকার। উচ্চ রক্তচাপ শনাক্ত হলে নিয়মিত ওষুধ খেতে হবে।ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন ও রিসার্চ ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ডা.সোহেল রেজা চৌধুরী এ বিষয়ে বলেন কারও যখন উচ্চ রক্তচাপ শনাক্ত হয়,তখন ওষুধ খেয়ে নিয়ন্ত্রণ করা ছাড়া কোনো উপায় নেই।লাইফস্টাইল পরিবর্তন করলে কিছুটা কমে কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সারাজীবন ওষুধ খেতে হয়।অর্থাৎ একদিকে প্রতিরোধ আরেকদিকে চিকিৎসা নিতে হবে।দেশের প্রায় প্রতি চারজনে একজন উচ্চ রক্তচাপে ভুগছে। বিপদের কথা এদের অধিকাংশই জানে না,তাদের উচ্চ রক্তচাপ আছে।যারা জানে তাদের অর্ধেক ওষুধ খাচ্ছে। দেশে যত উচ্চ রক্তচাপের রোগী আছে তার মাত্র ১৬ শতাংশের উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে।তিনি আরও বলেন দেশে উচ্চ রক্তচাপ শনাক্তের একটা গ্যাপ আছে, আবার যাদের শনাক্ত হচ্ছে, তাদেরকেও সঠিকভাবে চিকিৎসা দেওয়া যাচ্ছে না।অন্যদিকে যারা চিকিৎসা নিচ্ছেন তাদের অনেকের রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণে থাকছে না।অর্থাৎ আমাদেরকে তিনটা বিষয়ে নজর দিতে হবে,এক গণহারে উচ্চ রক্তচাপের স্ক্রিনিং কার্যক্রম চালাতে হবে।দুই শনাক্ত রোগীদের সারা জীবন ওষুধ খেতে হয় এবং এটা অনেক ব্যয়বহুল,আবার ওষুধ না খেলে রোগটা নিয়ন্ত্রণে থাকবে না,তাই সরকারকে যাদের সামর্থ্য নাই তাদেরকে বিনা পয়সায় ওষুধ দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের এ অধ্যাপক জানান ওষুধ দেওয়ার পর রোগীর উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আছে কি না,নিয়মিত সেটা ফলোআপ করতে হবে। এই কয়েকটি কাজ করতে পারলে ধীরে ধীরে ওভারঅল কন্ট্রোল রেট বাড়বে,যেটা আমাদের লক্ষ্যমাত্রা ৭০ শতাংশের উপরে নিয়ে যাওয়া,সেটা অর্জন করতে পারব।এটা করতে পারলে স্ট্রোক,হার্ট অ্যাটিকে যে অকালমৃত্যু হচ্ছে তাও কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।

রক্তচাপ কেড়ে নিতে পারে দৃষ্টিশক্তি

চোখের স্ট্রোকের জন্য কি হাইপারটেনশন দায়ী?চোখের চিকিৎসক ডা. সুমন মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘হাইপারটেনশনের কারণে চোখের একাধিক ক্ষতি হতে পারে।’ উচ্চ রক্তচাপে চোখের রেটিনার শিরায় ব্লকেজ তৈরি হয়। এর ফলে রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়। এই অবস্থাকে ‘সেন্টাল রেটিনাল ভেইন অকুলেশন’ বলা হয়। এটি শিরার পাশাপাশি ধমনীতেও হতে পারে বলে জানিয়েছেন ডা. মুখোপাধ্যায়। আসলে চলতি ভাষায় এই অবস্থাকেই চোখের স্ট্রোক বলা হয়।সিআরভিও-এ কি দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারেন?সিআরভিও-এর একাধিক উপসর্গ রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে কমন হলো- হঠাৎ করে একটা চোখের দৃষ্টি কমে যাওয়া। এছাড়া চোখে রক্তপাত হলে চোখের ভিতর কালো ঝুলের মতো অংশ দেখা যায়।‘সিআরভিও-এর চিকিৎসা হলো ইনজেকশন বা রেটিনাল লেজার’ বলেন ডা. মুখোপাধ্যায়। সিআরভিও হলে দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া, ঝাপসা দৃষ্টি এবং দৃষ্টিশক্তি হারানোর মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কতটা ক্ষতিকর?ডা. মুখোপাধ্যায়ের সংযোজন, ‘প্রেশার খুব বেশি থাকলে চোখের ভিতর যে অপটিক নার্ভ থাকে, তারও মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।’ এই অবস্থায় চোখে রক্তপাতও হতে পারে। একে চিকিৎসার ভাষায় হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি বলা হয়।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কি গর্ভবতীদেরও হয়?হাইপারটেনশনে ভয় রয়েছে অন্তঃসত্ত্বা নারীদেরও। অনেক সময় গর্ভাবস্থায় হবু মায়ের ব্লাড প্রেশার অত্যধিক বেড়ে যায়। যাকে বলে প্রেগন্যান্সি হাইপারটেনশন বা ‘একলাম্পসিয়া’। এই অবস্থা তৈরি হলে মস্তিষ্কে রক্তপাত হয়। এই পর্যায়ে পৌঁছনোর ঠিক আগে চোখের উপর প্রভাব পড়ে। দৃষ্টিশক্তি কমে আসে। এই লক্ষণ দেখে বোঝা যায় যে, ‘একলাম্পসিয়া’ খারাপ দিকে এগোচ্ছে ‘অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার কন্ট্রোলে রাখা দরকার কেন?এছাড়া অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার বারবার যাচাই করা দরকার। অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ থাকা অবস্থায় অস্ত্রোপচার করলে চোখে রক্তপাত হতে পারে এবং চোখ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

রক্তচাপ কতটা বেড়ে গেলে হার্টঅ্যাটাক হতে পারে

প্রথমত, উচ্চ রক্তচাপ কখন হয় এবং এটি আসলে কী তা বোঝা গুরুত্বপূর্ণ। সহজ কথায়, এটি এমন একটি স্বাস্থ্যগত অবস্থা যেখানে রক্ত পাম্প করার জন্য হৃদপিণ্ডকে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি চাপ প্রয়োগ করতে হয়। এর ফলে, শিরাগুলির উপর চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়, যার কারণে তাদের দেয়াল ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করে। গুরুতর ক্ষেত্রে, শিরা ফেটে যেতে পারে, যা মারাত্মক হতে পারে।উচ্চ রক্তচাপের পরিসীমা কতযদি শরীরের রক্তচাপের পরিসীমা ১২০/৮০ মিমি এইচজি হয় তবে তাকে স্বাভাবিক রক্তচাপ বলা হয়। কিন্তু যখন এই পরিসীমা সিস্টোলিক ১৩০/১৩৯ এবং ডায়াস্টোলিক ৮০ থেকে ৯০ মিমি এইচজি-র মধ্যে পড়ে, তখন তাকে উচ্চ রক্তচাপের অবস্থা বলা হয়।রক্তচাপের কোন স্তরটি হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়বিশেষজ্ঞদের মতে, উচ্চ রক্তচাপের সমস্যাও হার্টঅ্যাটাকের জন্য অনেকাংশে দায়ী। পরিসরের কথা বলতে গেলে, যদি রক্তচাপ ১৪০/৯০ মিমিএইচজি-র উপরে পৌঁছায়, তাহলে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে, আপনার অবিলম্বে আপনার ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা উচিত যাতে অবস্থা গুরুতর না হয়।দৃশ্যমান লক্ষণগুলি কী কীরক্তচাপের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো এটি কোনও গুরুতর লক্ষণ দেখায় না। এজন্যই একে 'নীরব ঘাতক' বলা হয়। তবে, কিছু ক্ষেত্রে আক্রান্ত ব্যক্তি তীব্র মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, চোখ লাল হওয়া, বুকে ব্যথা, নাক দিয়ে রক্তপাত এবং বমি বমি ভাব অনুভব করতে পারেন। অতএব, যদি আপনার রক্তচাপের সমস্যা থাকে, তাহলে নিয়মিত আপনার রিডিং পরীক্ষা করে দেখুন এবং গুরুতর অবস্থার ক্ষেত্রে, অবিলম্বে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন।