ঢাকা   সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক প্রথম সকাল

পেশাগত দক্ষতা,সততা,বিশ্বস্ততা ও মেধার ভিত্তিতে পদোন্নতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট,দৈনিক প্রথম সকাল।  প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজনৈতিক মতাদর্শ ও ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের উর্ধ্বে উঠে বাহিনীর কর্মকর্তাদের পদোন্নতির উপর জোর দিয়েছেন।এ ক্ষেত্রে তিনি অফিসারদের পেশাগত দক্ষতা,নেতৃত্বের গুণাবলি,শৃঙ্খলার মান,সততা,বিশ্বস্ততা ও আনুগত্য এবং সর্বোপরি নিযুক্তিগত উপযুক্ততার উপর গুরুত্বারোপ করতে নির্বাচনী পর্ষদের সদস্যদের নির্দেশনা দেন।অদ্য রবিবার ২৩ শে আগস্ট সকালে ঢাকা সেনানিবাসে বিমান বাহিনীর সদর দপ্তরে নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৬ ইং এর উদ্বোধনকালে তিনি এ নির্দেশনা দেন।  প্রধানমন্ত্রী বলেন দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বাংলাদেশ নৌ ও বিমান বাহিনী দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা,স্থিতিশীলতা ও দুর্যোগ মোকাবিলায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।দেশের প্রয়োজনে বাংলাদেশ নৌ ও বিমান বাহিনীর ত্যাগের জন্য তিনি নৌ ও বিমান বাহিনী প্রধান থেকে শুরু করে বাহিনীর সকল সদস্যকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।বক্তব্যের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করেন মহান স্বাধীনতার ঘোষক,শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়াকে।১৯৭১ ইং সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সকল শহীদ,২০২৪ ইং সালে দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা রক্ষায় বীর ছাত্র-জনতার গণঅভুত্থানের সকল শহীদ এবং ১৯৭১ ইং থেকে ২০২৪ ইং সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে যারা দেশে গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে হতাহত হয়েছেন প্রত্যেকের অবদান তিনি কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সকল শহীদ,যুদ্ধাহত ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের,বিশেষ করে সশস্ত্র বাহিনী তথা নৌ ও বিমান বাহিনীর শহীদসহ সকল বীর সেনাদের।পরবর্তী সময়ে প্রধানমন্ত্রী বিমান বাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনাল স্থাপনা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।প্রথমে তিনি ঢাকা সেনানিবাসস্থ আকাশ প্রতিরক্ষা পরিচালন কেন্দ্রে স্থাপিত এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ইন্টিগ্রেশন (এডিএসআই)-এর উদ্বোধনী স্মারক ফলক উন্মোচন করেন।এ সময় তিনি নব উন্মোচিত এডিএসআই-এর বিভিন্ন আকাশ প্রতিরক্ষা কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এছাড়া তিনি বিমান বাহিনীর এয়ার কমান্ড অপারেশন সেন্টার (এসিওসি) পরিদর্শন করেন।পরিদর্শনকালে তিনি এসিওসি'র ডিজিটাল লার্জ ডিসপ্লের সাহায্যে বিমান বাহিনীর যুদ্ধবিমান কর্তৃক শত্রুবিমানসমূহকে বাধা প্রদান ও চট্টগ্রাম থেকে আনম্যান্ড এরিয়েল ভেহিকেল (ড্রোন)-এর লাইফ ফিডের মাধ্যমে হেলিকপ্টার থেকে সেনা অবতরণ অবলোকন করেন।এরপর প্রধানমন্ত্রী বিমান বাহিনীর এ্যারোস্পেস রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট কমপ্লেক্স এবং এর বিভিন্ন গবেষণা কার্যক্রম সরেজমিনে প্রত্যক্ষ করেন। এসময় বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর নিজস্ব সক্ষমতায় প্রস্তুতকৃত বিভিন্ন ধরনের আনম্যান্ড এরিয়েল ভেহিকেল (ড্রোন,কামিকাজি ড্রোন, ইন্টারসেপ্টর ড্রোন এবং ভিটোল) প্রদর্শন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী কোয়াডকপ্টার এর উড্ডয়ন অবলোকন করেন।নিজস্ব প্রযুক্তিগত সক্ষমতায় এ ধরনের আধুনিক উড্ডয়ন ব্যবস্থা প্রস্তুতকরণ বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর গবেষণা, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিগত আত্মনির্ভরতার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হবে বলে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন। এর আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অনুষ্ঠানস্থলে এসে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান তাঁর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান,নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন।গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনাল স্থাপনা পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা,নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী প্রধান,সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার,প্রতিরক্ষা সচিবসহ সশস্ত্র বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। 

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা,৩ রাতে ৩০০ লক্ষ্যবস্তু বিধ্বস্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক,দৈনিক প্রথম সকাল।শিশুদের সুস্থ ও মূল্যবোধ সম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে খেলাধুলাকে আরও বিস্তৃত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বিএনপির ক্রীড়া সম্পাদক,ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক এবং যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।তিনি বলেছেন শুধু শিশুদের খেলাধুলা করলেই হবে না,অভিভাবকদেরও শরীরচর্চা ও খেলাধুলায় সম্পৃক্ত হতে হবে।একই সঙ্গে শিশুদের মোবাইল ও ডিজিটাল ডিভাইসের অতিনির্ভরতা কমিয়ে মাঠমুখী করতে পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে একযোগে কাজ করার আহবান জানান তিনি।আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর পল্লবীর ২ নম্বর ওয়ার্ড কমিউনিটি সেন্টারে বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত ২০২৫ ইং শিক্ষাবর্ষে পল্লবী থানার বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সনদ,নগদ অর্থ ও ক্রেস্ট প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।আমিনুল হক বলেন বর্তমান সরকার প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবাকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রায় এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা নিয়েছে। এসব কর্মী ঘরে ঘরে গিয়ে মানুষকে রোগ প্রতিরোধ ও সুস্থ জীবনযাপনের বিষয়ে সচেতন করবেন।পাশাপাশি খেলার মাঠে প্রবীণদের হাঁটার জন্য ওয়াকওয়ে নির্মাণের উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে।তিনি বলেন নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস কর্মসূচির মাধ্যমে সারা দেশের শিশু-কিশোরদের খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করা হচ্ছে।অদ্য ১লা জুলাই থেকে অনলাইন নিবন্ধন শুরু হয়েছে।১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশুরা এতে অংশ নিতে পারবে।অভিভাবকদের উদ্দেশে তিনি বলেন সন্তানদের খেলাধুলার সুযোগ করে দিলে তাদের মধ্য থেকেই ভবিষ্যতের জাতীয় পর্যায়ের ক্রীড়াবিদ তৈরি হবে।মোবাইল ফোনের অতিরিক্ত ব্যবহারে উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন শিশুরা মাঠে সময় কাটালে তারা প্রযুক্তির আসক্তি ও মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধি থেকে দূরে থাকবে।এ লক্ষ্যেই দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে পর্যায়ক্রমে খেলার মাঠ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।তিনি আরও বলেন আগামী শিক্ষাক্রমে চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে।ফুটবল,ক্রিকেট,সাঁতার,মার্শাল আর্টসহ বিভিন্ন খেলাধুলা পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত থাকবে।শুধু লিখিত পরীক্ষা নয়,মাঠে ব্যবহারিক মূল্যায়নেরও ব্যবস্থা থাকবে।নৈতিক শিক্ষার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দিয়ে আমিনুল হক বলেন শিশুদের বড়দের সম্মান,ছোটদের স্নেহ,সত্যবাদিতা,শৃঙ্খলা ও পারিবারিক মূল্যবোধ শেখাতে হবে।তিনি শিক্ষকদের প্রতিদিন ক্লাসে কিছু সময় নৈতিক শিক্ষা নিয়ে আলোচনা করার আহবান জানান।একই সঙ্গে তিনি অভিভাবকদের সতর্ক থাকার আহবান জানিয়ে বলেন কোনো অপশক্তি যেন কোমলমতি শিক্ষার্থীদের উসকানি দিয়ে বিশৃঙ্খলার কাজে ব্যবহার করতে না পারে।অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচকের বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান ড. এল. এম. কামরুজ্জামান।বিশেষ অতিথি ছিলেন সংগঠনের মহাসচিব জয়নুল আবেদীন জয়,শিক্ষা সম্পাদক নজরুল ইসলাম,সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক এটিএম অলিউল হাসানাত তুহিন,পল্লবী থানা আহবায়ক আলী আকবর ও সাধারণ সম্পাদক এরশাদ হোসেন।সভাপতিত্ব করেন পল্লবী থানা শাখার সভাপতি মোঃ হায়দার ইসলাম।

তেল বাণিজ্যে খুলছে ইরানের দুয়ার

নিজস্ব প্রতিবেদক,দৈনিক প্রথম সকাল।শিশুদের সুস্থ ও মূল্যবোধ সম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে খেলাধুলাকে আরও বিস্তৃত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বিএনপির ক্রীড়া সম্পাদক,ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক এবং যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।তিনি বলেছেন শুধু শিশুদের খেলাধুলা করলেই হবে না,অভিভাবকদেরও শরীরচর্চা ও খেলাধুলায় সম্পৃক্ত হতে হবে।একই সঙ্গে শিশুদের মোবাইল ও ডিজিটাল ডিভাইসের অতিনির্ভরতা কমিয়ে মাঠমুখী করতে পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে একযোগে কাজ করার আহবান জানান তিনি।আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর পল্লবীর ২ নম্বর ওয়ার্ড কমিউনিটি সেন্টারে বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত ২০২৫ ইং শিক্ষাবর্ষে পল্লবী থানার বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সনদ,নগদ অর্থ ও ক্রেস্ট প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।আমিনুল হক বলেন বর্তমান সরকার প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবাকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রায় এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা নিয়েছে। এসব কর্মী ঘরে ঘরে গিয়ে মানুষকে রোগ প্রতিরোধ ও সুস্থ জীবনযাপনের বিষয়ে সচেতন করবেন।পাশাপাশি খেলার মাঠে প্রবীণদের হাঁটার জন্য ওয়াকওয়ে নির্মাণের উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে।তিনি বলেন নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস কর্মসূচির মাধ্যমে সারা দেশের শিশু-কিশোরদের খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করা হচ্ছে।অদ্য ১লা জুলাই থেকে অনলাইন নিবন্ধন শুরু হয়েছে।১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশুরা এতে অংশ নিতে পারবে।অভিভাবকদের উদ্দেশে তিনি বলেন সন্তানদের খেলাধুলার সুযোগ করে দিলে তাদের মধ্য থেকেই ভবিষ্যতের জাতীয় পর্যায়ের ক্রীড়াবিদ তৈরি হবে।মোবাইল ফোনের অতিরিক্ত ব্যবহারে উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন শিশুরা মাঠে সময় কাটালে তারা প্রযুক্তির আসক্তি ও মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধি থেকে দূরে থাকবে।এ লক্ষ্যেই দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে পর্যায়ক্রমে খেলার মাঠ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।তিনি আরও বলেন আগামী শিক্ষাক্রমে চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে।ফুটবল,ক্রিকেট,সাঁতার,মার্শাল আর্টসহ বিভিন্ন খেলাধুলা পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত থাকবে।শুধু লিখিত পরীক্ষা নয়,মাঠে ব্যবহারিক মূল্যায়নেরও ব্যবস্থা থাকবে।নৈতিক শিক্ষার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দিয়ে আমিনুল হক বলেন শিশুদের বড়দের সম্মান,ছোটদের স্নেহ,সত্যবাদিতা,শৃঙ্খলা ও পারিবারিক মূল্যবোধ শেখাতে হবে।তিনি শিক্ষকদের প্রতিদিন ক্লাসে কিছু সময় নৈতিক শিক্ষা নিয়ে আলোচনা করার আহবান জানান।একই সঙ্গে তিনি অভিভাবকদের সতর্ক থাকার আহবান জানিয়ে বলেন কোনো অপশক্তি যেন কোমলমতি শিক্ষার্থীদের উসকানি দিয়ে বিশৃঙ্খলার কাজে ব্যবহার করতে না পারে।অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচকের বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান ড. এল. এম. কামরুজ্জামান।বিশেষ অতিথি ছিলেন সংগঠনের মহাসচিব জয়নুল আবেদীন জয়,শিক্ষা সম্পাদক নজরুল ইসলাম,সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক এটিএম অলিউল হাসানাত তুহিন,পল্লবী থানা আহবায়ক আলী আকবর ও সাধারণ সম্পাদক এরশাদ হোসেন।সভাপতিত্ব করেন পল্লবী থানা শাখার সভাপতি মোঃ হায়দার ইসলাম।

দক্ষ জনশক্তি গড়তে কারিগরি শিক্ষার বিকল্প নেই : হুইপ

নিজস্ব প্রতিবেদক,দৈনিক প্রথম সকাল।শিশুদের সুস্থ ও মূল্যবোধ সম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে খেলাধুলাকে আরও বিস্তৃত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বিএনপির ক্রীড়া সম্পাদক,ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক এবং যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।তিনি বলেছেন শুধু শিশুদের খেলাধুলা করলেই হবে না,অভিভাবকদেরও শরীরচর্চা ও খেলাধুলায় সম্পৃক্ত হতে হবে।একই সঙ্গে শিশুদের মোবাইল ও ডিজিটাল ডিভাইসের অতিনির্ভরতা কমিয়ে মাঠমুখী করতে পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে একযোগে কাজ করার আহবান জানান তিনি।আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর পল্লবীর ২ নম্বর ওয়ার্ড কমিউনিটি সেন্টারে বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত ২০২৫ ইং শিক্ষাবর্ষে পল্লবী থানার বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সনদ,নগদ অর্থ ও ক্রেস্ট প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।আমিনুল হক বলেন বর্তমান সরকার প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবাকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রায় এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা নিয়েছে। এসব কর্মী ঘরে ঘরে গিয়ে মানুষকে রোগ প্রতিরোধ ও সুস্থ জীবনযাপনের বিষয়ে সচেতন করবেন।পাশাপাশি খেলার মাঠে প্রবীণদের হাঁটার জন্য ওয়াকওয়ে নির্মাণের উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে।তিনি বলেন নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস কর্মসূচির মাধ্যমে সারা দেশের শিশু-কিশোরদের খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করা হচ্ছে।অদ্য ১লা জুলাই থেকে অনলাইন নিবন্ধন শুরু হয়েছে।১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশুরা এতে অংশ নিতে পারবে।অভিভাবকদের উদ্দেশে তিনি বলেন সন্তানদের খেলাধুলার সুযোগ করে দিলে তাদের মধ্য থেকেই ভবিষ্যতের জাতীয় পর্যায়ের ক্রীড়াবিদ তৈরি হবে।মোবাইল ফোনের অতিরিক্ত ব্যবহারে উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন শিশুরা মাঠে সময় কাটালে তারা প্রযুক্তির আসক্তি ও মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধি থেকে দূরে থাকবে।এ লক্ষ্যেই দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে পর্যায়ক্রমে খেলার মাঠ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।তিনি আরও বলেন আগামী শিক্ষাক্রমে চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে।ফুটবল,ক্রিকেট,সাঁতার,মার্শাল আর্টসহ বিভিন্ন খেলাধুলা পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত থাকবে।শুধু লিখিত পরীক্ষা নয়,মাঠে ব্যবহারিক মূল্যায়নেরও ব্যবস্থা থাকবে।নৈতিক শিক্ষার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দিয়ে আমিনুল হক বলেন শিশুদের বড়দের সম্মান,ছোটদের স্নেহ,সত্যবাদিতা,শৃঙ্খলা ও পারিবারিক মূল্যবোধ শেখাতে হবে।তিনি শিক্ষকদের প্রতিদিন ক্লাসে কিছু সময় নৈতিক শিক্ষা নিয়ে আলোচনা করার আহবান জানান।একই সঙ্গে তিনি অভিভাবকদের সতর্ক থাকার আহবান জানিয়ে বলেন কোনো অপশক্তি যেন কোমলমতি শিক্ষার্থীদের উসকানি দিয়ে বিশৃঙ্খলার কাজে ব্যবহার করতে না পারে।অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচকের বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান ড. এল. এম. কামরুজ্জামান।বিশেষ অতিথি ছিলেন সংগঠনের মহাসচিব জয়নুল আবেদীন জয়,শিক্ষা সম্পাদক নজরুল ইসলাম,সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক এটিএম অলিউল হাসানাত তুহিন,পল্লবী থানা আহবায়ক আলী আকবর ও সাধারণ সম্পাদক এরশাদ হোসেন।সভাপতিত্ব করেন পল্লবী থানা শাখার সভাপতি মোঃ হায়দার ইসলাম।

প্রতিদিনের বাংলাদেশ পত্রিকায় ‘ক্রাইম রিপোর্টার’ নিয়োগ

প্রতিদিনের বাংলাদেশ

হাজীরহাটে সিআর ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী গ্রেফতার

হাজীরহাটে সিআর ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী গ্রেফতার

ফরিদগঞ্জের ঘনিয়া সাঈদিয়া কামিল (এমএ) মাদরাসা শিক্ষার মান উন্নয়নে আলোচনা সভা

ফরিদগঞ্জের ঘনিয়া সাঈদিয়া কামিল (এমএ) মাদরাসা শিক্ষার মান উন্নয়নে আলোচনা সভা

চামড়া সংরক্ষণে  বিনামূল্যে ৩০ হাজার টন লবণ দেবে সরকার

চামড়া সংরক্ষণে বিনামূল্যে ৩০ হাজার টন লবণ দেবে সরকার

নকল ব্যান্ডরোল সিন্ডিকেটে অভিযান,আরও ২ জনকে খুঁজছে পুলিশ

নকল ব্যান্ডরোল সিন্ডিকেটে অভিযান,আরও ২ জনকে খুঁজছে পুলিশ

পুরোনো রাউটারকে বানিয়ে ফেলুন ওয়াই-ফাই এক্সটেন্ডার

পুরোনো রাউটারকে বানিয়ে ফেলুন ওয়াই-ফাই এক্সটেন্ডার

অন্য কেউ আপনার জিমেইল ব্যবহার করছে? এখনই ব্যবস্থা না নিলে হ্যাকিংয়ের ঝুঁকি!

অন্য কেউ আপনার জিমেইল ব্যবহার করছে? এখনই ব্যবস্থা না নিলে হ্যাকিংয়ের ঝুঁকি!

বাজেটে কৃষি খাতে ৪০ শতাংশ উন্নয়ন বরাদ্দের দাবি

বাজেটে কৃষি খাতে ৪০ শতাংশ উন্নয়ন বরাদ্দের দাবি

রাশিয়ার শ্রম বাজারে ১ লাখ কর্মী পাঠাতে চায় বাংলাদেশ

রাশিয়ার শ্রম বাজারে ১ লাখ কর্মী পাঠাতে চায় বাংলাদেশ

আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ যেকোনো ব্যক্তি স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেনঃ প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ যেকোনো ব্যক্তি স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেনঃ প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

জাতীয় সমাবেশে আনসার বাহিনীকে প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিক শুভেচ্ছা

জাতীয় সমাবেশে আনসার বাহিনীকে প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিক শুভেচ্ছা

মৌসুমের প্রথম ম্যাচটি সহজ জয়ই প্রত্যাশা করেছিল ম্যানচেস্টার সিটি

মৌসুমের প্রথম ম্যাচটি সহজ জয়ই প্রত্যাশা করেছিল ম্যানচেস্টার সিটি

হাতিয়ায় স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে হেলাল উদ্দিন নামে এক যুবলীগ নেতা আটক

হাতিয়ায় স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে হেলাল উদ্দিন নামে এক যুবলীগ নেতা আটক

পেশাগত দক্ষতা,সততা,বিশ্বস্ততা ও মেধার ভিত্তিতে পদোন্নতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

পেশাগত দক্ষতা,সততা,বিশ্বস্ততা ও মেধার ভিত্তিতে পদোন্নতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

রাষ্ট্রপতির একান্ত সচিব হয়েছেন যুগ্ম-সচিব মোঃ আবু আউয়াল

রাষ্ট্রপতির একান্ত সচিব হয়েছেন যুগ্ম-সচিব মোঃ আবু আউয়াল

মাসখানেকের মধ্যে নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করা হবেঃ প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

মাসখানেকের মধ্যে নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করা হবেঃ প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা খয়রাত হোসেন আটক

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা খয়রাত হোসেন আটক

ইরানের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক চাপ ও নিষেধাজ্ঞায় কোনো দেশ যুক্ত হলে পাল্টা পদক্ষেপ নিবে তেহরান

ইরানের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক চাপ ও নিষেধাজ্ঞায় কোনো দেশ যুক্ত হলে পাল্টা পদক্ষেপ নিবে তেহরান

উদয়পুরে চেয়ারম্যান প্রার্থী আলিমের গণসংযোগ

উদয়পুরে চেয়ারম্যান প্রার্থী আলিমের গণসংযোগ

খেলাধুলার মাধ্যমে সমাজে আমূল পরিবর্তন আনা সম্ভবঃ প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক

খেলাধুলার মাধ্যমে সমাজে আমূল পরিবর্তন আনা সম্ভবঃ প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক

যাদুকাটার বৌলাই নদীতে হাউসবোট থেকে এক শিশু নিখোঁজ

যাদুকাটার বৌলাই নদীতে হাউসবোট থেকে এক শিশু নিখোঁজ

পেশাগত দক্ষতা,সততা,বিশ্বস্ততা ও মেধার ভিত্তিতে পদোন্নতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট,দৈনিক প্রথম সকাল।  প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজনৈতিক মতাদর্শ ও ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের উর্ধ্বে উঠে বাহিনীর কর্মকর্তাদের পদোন্নতির উপর জোর দিয়েছেন।এ ক্ষেত্রে তিনি অফিসারদের পেশাগত দক্ষতা,নেতৃত্বের গুণাবলি,শৃঙ্খলার মান,সততা,বিশ্বস্ততা ও আনুগত্য এবং সর্বোপরি নিযুক্তিগত উপযুক্ততার উপর গুরুত্বারোপ করতে নির্বাচনী পর্ষদের সদস্যদের নির্দেশনা দেন।অদ্য রবিবার ২৩ শে আগস্ট সকালে ঢাকা সেনানিবাসে বিমান বাহিনীর সদর দপ্তরে নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৬ ইং এর উদ্বোধনকালে তিনি এ নির্দেশনা দেন।  প্রধানমন্ত্রী বলেন দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বাংলাদেশ নৌ ও বিমান বাহিনী দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা,স্থিতিশীলতা ও দুর্যোগ মোকাবিলায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।দেশের প্রয়োজনে বাংলাদেশ নৌ ও বিমান বাহিনীর ত্যাগের জন্য তিনি নৌ ও বিমান বাহিনী প্রধান থেকে শুরু করে বাহিনীর সকল সদস্যকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।বক্তব্যের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করেন মহান স্বাধীনতার ঘোষক,শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়াকে।১৯৭১ ইং সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সকল শহীদ,২০২৪ ইং সালে দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা রক্ষায় বীর ছাত্র-জনতার গণঅভুত্থানের সকল শহীদ এবং ১৯৭১ ইং থেকে ২০২৪ ইং সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে যারা দেশে গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে হতাহত হয়েছেন প্রত্যেকের অবদান তিনি কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সকল শহীদ,যুদ্ধাহত ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের,বিশেষ করে সশস্ত্র বাহিনী তথা নৌ ও বিমান বাহিনীর শহীদসহ সকল বীর সেনাদের।পরবর্তী সময়ে প্রধানমন্ত্রী বিমান বাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনাল স্থাপনা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।প্রথমে তিনি ঢাকা সেনানিবাসস্থ আকাশ প্রতিরক্ষা পরিচালন কেন্দ্রে স্থাপিত এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ইন্টিগ্রেশন (এডিএসআই)-এর উদ্বোধনী স্মারক ফলক উন্মোচন করেন।এ সময় তিনি নব উন্মোচিত এডিএসআই-এর বিভিন্ন আকাশ প্রতিরক্ষা কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এছাড়া তিনি বিমান বাহিনীর এয়ার কমান্ড অপারেশন সেন্টার (এসিওসি) পরিদর্শন করেন।পরিদর্শনকালে তিনি এসিওসি'র ডিজিটাল লার্জ ডিসপ্লের সাহায্যে বিমান বাহিনীর যুদ্ধবিমান কর্তৃক শত্রুবিমানসমূহকে বাধা প্রদান ও চট্টগ্রাম থেকে আনম্যান্ড এরিয়েল ভেহিকেল (ড্রোন)-এর লাইফ ফিডের মাধ্যমে হেলিকপ্টার থেকে সেনা অবতরণ অবলোকন করেন।এরপর প্রধানমন্ত্রী বিমান বাহিনীর এ্যারোস্পেস রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট কমপ্লেক্স এবং এর বিভিন্ন গবেষণা কার্যক্রম সরেজমিনে প্রত্যক্ষ করেন। এসময় বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর নিজস্ব সক্ষমতায় প্রস্তুতকৃত বিভিন্ন ধরনের আনম্যান্ড এরিয়েল ভেহিকেল (ড্রোন,কামিকাজি ড্রোন, ইন্টারসেপ্টর ড্রোন এবং ভিটোল) প্রদর্শন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী কোয়াডকপ্টার এর উড্ডয়ন অবলোকন করেন।নিজস্ব প্রযুক্তিগত সক্ষমতায় এ ধরনের আধুনিক উড্ডয়ন ব্যবস্থা প্রস্তুতকরণ বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর গবেষণা, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিগত আত্মনির্ভরতার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হবে বলে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন। এর আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অনুষ্ঠানস্থলে এসে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান তাঁর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান,নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন।গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনাল স্থাপনা পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা,নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী প্রধান,সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার,প্রতিরক্ষা সচিবসহ সশস্ত্র বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। 

পেশাগত দক্ষতা,সততা,বিশ্বস্ততা ও মেধার ভিত্তিতে পদোন্নতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট,দৈনিক প্রথম সকাল।  প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজনৈতিক মতাদর্শ ও ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের উর্ধ্বে উঠে বাহিনীর কর্মকর্তাদের পদোন্নতির উপর জোর দিয়েছেন।এ ক্ষেত্রে তিনি অফিসারদের পেশাগত দক্ষতা,নেতৃত্বের গুণাবলি,শৃঙ্খলার মান,সততা,বিশ্বস্ততা ও আনুগত্য এবং সর্বোপরি নিযুক্তিগত উপযুক্ততার উপর গুরুত্বারোপ করতে নির্বাচনী পর্ষদের সদস্যদের নির্দেশনা দেন।অদ্য রবিবার ২৩ শে আগস্ট সকালে ঢাকা সেনানিবাসে বিমান বাহিনীর সদর দপ্তরে নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৬ ইং এর উদ্বোধনকালে তিনি এ নির্দেশনা দেন।  প্রধানমন্ত্রী বলেন দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বাংলাদেশ নৌ ও বিমান বাহিনী দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা,স্থিতিশীলতা ও দুর্যোগ মোকাবিলায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।দেশের প্রয়োজনে বাংলাদেশ নৌ ও বিমান বাহিনীর ত্যাগের জন্য তিনি নৌ ও বিমান বাহিনী প্রধান থেকে শুরু করে বাহিনীর সকল সদস্যকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।বক্তব্যের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করেন মহান স্বাধীনতার ঘোষক,শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়াকে।১৯৭১ ইং সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সকল শহীদ,২০২৪ ইং সালে দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা রক্ষায় বীর ছাত্র-জনতার গণঅভুত্থানের সকল শহীদ এবং ১৯৭১ ইং থেকে ২০২৪ ইং সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে যারা দেশে গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে হতাহত হয়েছেন প্রত্যেকের অবদান তিনি কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সকল শহীদ,যুদ্ধাহত ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের,বিশেষ করে সশস্ত্র বাহিনী তথা নৌ ও বিমান বাহিনীর শহীদসহ সকল বীর সেনাদের।পরবর্তী সময়ে প্রধানমন্ত্রী বিমান বাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনাল স্থাপনা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।প্রথমে তিনি ঢাকা সেনানিবাসস্থ আকাশ প্রতিরক্ষা পরিচালন কেন্দ্রে স্থাপিত এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ইন্টিগ্রেশন (এডিএসআই)-এর উদ্বোধনী স্মারক ফলক উন্মোচন করেন।এ সময় তিনি নব উন্মোচিত এডিএসআই-এর বিভিন্ন আকাশ প্রতিরক্ষা কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এছাড়া তিনি বিমান বাহিনীর এয়ার কমান্ড অপারেশন সেন্টার (এসিওসি) পরিদর্শন করেন।পরিদর্শনকালে তিনি এসিওসি'র ডিজিটাল লার্জ ডিসপ্লের সাহায্যে বিমান বাহিনীর যুদ্ধবিমান কর্তৃক শত্রুবিমানসমূহকে বাধা প্রদান ও চট্টগ্রাম থেকে আনম্যান্ড এরিয়েল ভেহিকেল (ড্রোন)-এর লাইফ ফিডের মাধ্যমে হেলিকপ্টার থেকে সেনা অবতরণ অবলোকন করেন।এরপর প্রধানমন্ত্রী বিমান বাহিনীর এ্যারোস্পেস রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট কমপ্লেক্স এবং এর বিভিন্ন গবেষণা কার্যক্রম সরেজমিনে প্রত্যক্ষ করেন। এসময় বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর নিজস্ব সক্ষমতায় প্রস্তুতকৃত বিভিন্ন ধরনের আনম্যান্ড এরিয়েল ভেহিকেল (ড্রোন,কামিকাজি ড্রোন, ইন্টারসেপ্টর ড্রোন এবং ভিটোল) প্রদর্শন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী কোয়াডকপ্টার এর উড্ডয়ন অবলোকন করেন।নিজস্ব প্রযুক্তিগত সক্ষমতায় এ ধরনের আধুনিক উড্ডয়ন ব্যবস্থা প্রস্তুতকরণ বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর গবেষণা, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিগত আত্মনির্ভরতার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হবে বলে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন। এর আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অনুষ্ঠানস্থলে এসে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান তাঁর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান,নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন।গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনাল স্থাপনা পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা,নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী প্রধান,সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার,প্রতিরক্ষা সচিবসহ সশস্ত্র বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। 

সব বিভাগের খবর

জিয়াউর রহমান এবং মা মরহুমা খালেদা জিয়ার মাজার জিয়ারত করেছেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক,দৈনিক প্রথম সকাল। ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন শেষে বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং মা মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মাজার জিয়ারত করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।অদ্য বৃহস্পতিবার ২০ শে আগস্ট বিকেলে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের চন্দ্রিমা উদ্যানে তিনি এই জিয়ারত করেন।দলীয় ও সরকারি সূত্র জানায় এদিন বিকেলে উৎসবমুখর পরিবেশে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।এই ঐতিহাসিক প্রক্রিয়া শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার বাবা ও মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে যান।মাজার জিয়ারতকালে মোনাজাতে দেশ ও জাতির কল্যাণ,গণতান্ত্রিক ধারার ধারাবাহিকতা রক্ষা এবং বাংলাদেশের মানুষের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে মহান আল্লাহর দরবারে বিশেষ দোয়া করা হয়।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় এবি পার্টির পক্ষ থেকে মির্জা ফখরুলকে অভিনন্দন

বিশেষ প্রতিবেদক,দৈনিক প্রথম সকাল। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) পক্ষ থেকে তাকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন দলের চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু এবং সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দলের পক্ষ থেকে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই উষ্ণ অভিনন্দন জানানো হয়।অভিনন্দন বার্তায় তারা বলেন ফ্যাসিবাদ-পরবর্তী বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ নিঃসন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক ঘটনা, যা জাতির নতুন যাত্রায় আস্থার এক দৃঢ় ভিত্তি রচনা করবে।তার দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, গণতান্ত্রিক চর্চা ও রাষ্ট্রীয় বিষয়ে প্রজ্ঞা নতুন বাংলাদেশে গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিকীকরণে সুদূরপ্রসারী ও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।নেতারা একই সঙ্গে রাষ্ট্রপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী বিরোধী দলীয় প্রার্থী কর্নেল (অবঃ) অলি আহমদ বীর বিক্রমকেও অশেষ ধন্যবাদ জানান। গণতন্ত্রের সৌন্দর্য ও রীতি মেনে একজন সিনিয়র রাজনীতিক হিসেবে তিনি যে সৌজন্য ও সহমর্মিতার পরিচয় দিয়েছেন তা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক পথচলাকে সুসংহত করবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।তারা বলেন রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলীয় ও রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে সব নাগরিকের অভিভাবক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন,এটাই দেশের জনগণের অকুণ্ঠ প্রত্যাশা।একই সঙ্গে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানসমূহের স্বাধীনতা রক্ষা,নাগরিক অধিকার সংরক্ষণ,রাজনৈতিক বহুত্ববাদের চর্চা ও জাতীয় ঐক্য সুসংহত করার ক্ষেত্রে তিনি অগ্রণী ও দৃঢ় নেতৃত্ব দেবেন বলে আমরা পূর্ণ আস্থা রাখি।এবি পার্টির ওই নেতা বলেছেন জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী নতুন বাংলাদেশে রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক রূপান্তর ও রাজনৈতিক সংস্কারের যে ঐতিহাসিক আকাঙ্ক্ষা সৃষ্টি হয়েছে,তা বাস্তবায়নে রাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও নির্ণায়ক।আমরা দৃঢ়ভাবে আশা করি তিনি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদটির মর্যাদা,নিরপেক্ষতা ও ঐতিহ্য সমুন্নত রেখে জনগণের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার প্রতি পূর্ণ সম্মান দেখাবেন এবং জাতিকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে সেতুবন্ধনের ভূমিকা পালন করবেন।

আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ৫ জেলায় বিজিবি মোতায়েন

বিশেষ প্রতিবেদক,দৈনিক প্রথম সকাল। সেনাবাহিনীর পর দেশের অভ্যন্তরীণ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলায় কক্সবাজার,মাদারীপুর,শেরপুর,গাজীপুর ও মৌলভীবাজার জেলায় বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।এর আগে দেশের ৬ জেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করে সরকার।আজ সোমবার ২২ শে জুন সন্ধ্যা থেকে ৩০ শে জুন পর্যন্ত বিজিবি সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।সাঁরাবিজিবির সদর দফতরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোঃ শরীফুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন।তিনি জানান দেশের অন্যান্য জেলাতেও প্রয়োজন অনুযায়ী তাৎক্ষণিক মোতায়েনের জন্য বিজিবি সদস্যদের স্ট্যান্ডবাই রাখা হয়েছে।এর আগে ইন এইড টু সিভিল পাওয়ারের আওতায় ঢাকা,নারায়ণগঞ্জ,গোপালগঞ্জ,চট্টগ্রাম,ফরিদপুর ও গাজীপুর জেলা সেনা মোতায়নের কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

ইন্টারপোলের সহায়তায় দুবাইয়ে আটক বেনজীর আহমেদ

বিশেষ প্রতিনিধি,দৈনিক প্রথম সকাল। পুলিশের সাবেক আইজিপি বেনজির আহমেদকে ইন্টারপোলের সহায়তায় দুবাই পুলিশ গ্রেফতার  করেছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।অদ্য রবিবার ১৪ ই  জুন সংসদে বাজেট অধিবেশনে ৩০০ বিধিতে দেয়া এক বক্তব্যে এ তথ্যটি নিশ্চিত করেন তিনি।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান দুর্নীতির একটি মামলায় গত শুক্রবার দুবাই পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছে। অতি দ্রুত তাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হবে।অপরাধী যতই শক্তিশালী হোক না কেন আইনের উর্ধ্বে কেউ নয়।তিনি বলেন গত ১২ ই জুন দুবাই পুলিশ ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো (এনসিবি) একটি ইমেইলের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারকে জানায় দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত বেনজীর আহমেদকে দুবাই পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তিনি বর্তমানে সেখানে আটক আছেন।জানা গেছে ২০২৪ ইং সালের ১৫ ই ডিসেম্বর ঢাকা-১ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অর্থপাচার মামলা দায়ের করে দুদক।মামলায় তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন এবং মানি লন্ডারিং বা অর্থ পাচারের অভিযোগ আনা হয়। দুদকের তদন্তে তার ঘোষণা বহির্ভূত প্রায় ১১ কোটি ৪ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়।চলতি বছরের ৩ রা মে এই মামলায় আদালত অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করে এবং ১৩ ই মে থেকে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়।এই মামলার পরিপ্রেক্ষিতেই তাকে ইন্টারপোলের সহায়তায় দুবাই থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

রাশিয়ার শ্রম বাজারে ১ লাখ কর্মী পাঠাতে চায় বাংলাদেশ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট,দৈনিক প্রথম সকাল। বাংলাদেশ ও রাশিয়া জনশক্তিখাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণে ব্যাপকভাবে কাজ করছে।এর অংশ হিসেবে রাশিয়ায় বর্তমানে কর্মরত প্রায় ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মীর সংখ্যা আগামী এক বছরের মধ্যে এক লাখে উন্নীত করার প্রস্তাব দিয়েছে ঢাকা।অদ্য মঙ্গলবার ৯ ই জুন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাশিয়ায় চলমান তিন দিনের সরকারি সফরে গিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এই প্রস্তাব দেন।বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয় রুশ কর্তৃপক্ষ এই প্রস্তাবের ওপর দ্রুততার সঙ্গে কাজ করতে সম্মত হয়েছে এবং উভয় পক্ষই শিগগিরই প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।দুই দেশের আলোচনায় বাংলাদেশ থেকে রাশিয়ায় জনশক্তি রপ্তানি দশগুণ বাড়ানোর বিষয়টি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে উঠে এসেছে।জনশক্তি খাতে সহযোগিতার পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য নিয়েও আলোচনা হয়।বাংলাদেশ ও রাশিয়া একমত হয়েছে যে বর্তমান দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ সম্ভাবনার তুলনায় অনেক কম এবং তা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো উচিত।রাশিয়ায় বাংলাদেশের রপ্তানিপণ্য বিশেষ করে তৈরি পোশাক ও ওষুধ সামগ্রীর বাজার বাড়ানোর সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরেন ড. খলিলুর রহমান।বাণিজ্যের নতুন সুযোগ সন্ধান ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারে আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে একটি বাংলাদেশি ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল রাশিয়ায় পাঠানোর প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছে রুশ পক্ষ।এছাড়া দুই দেশের আলোচনায় প্রযুক্তি, বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সংক্রান্ত সহযোগিতা বেশ গুরুত্ব পেয়েছে।কৃষি ও স্বাস্থ্যসেবা খাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারের বিষয়ে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের জন্য একটি রুশ প্রতিনিধিদলকে বাংলাদেশ সফরের প্রস্তাব দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।এই প্রস্তাবেও তাৎক্ষণিকভাবে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে রাশিয়া।পাশাপাশি বাংলাদেশের জাতীয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নীতিমালা প্রণয়ন এবং এই খাতে "সেন্টার অব এক্সেলেন্স" বা উৎকর্ষ কেন্দ্র স্থাপনে সহায়তা করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে মস্কো।ড. খলিলুর রহমান ৭ জুন থেকে রাশিয়া সফরে রয়েছেন। এই সফরে তার সঙ্গে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।সূত্রঃ বাসস

পেশাগত দক্ষতা,সততা,বিশ্বস্ততা ও মেধার ভিত্তিতে পদোন্নতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

পেশাগত দক্ষতা,সততা,বিশ্বস্ততা ও মেধার ভিত্তিতে পদোন্নতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট,দৈনিক প্রথম সকাল।  প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজনৈতিক মতাদর্শ ও ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের উর্ধ্বে উঠে বাহিনীর কর্মকর্তাদের পদোন্নতির উপর জোর দিয়েছেন।এ ক্ষেত্রে তিনি অফিসারদের পেশাগত দক্ষতা,নেতৃত্বের গুণাবলি,শৃঙ্খলার মান,সততা,বিশ্বস্ততা ও আনুগত্য এবং সর্বোপরি নিযুক্তিগত উপযুক্ততার উপর গুরুত্বারোপ করতে নির্বাচনী পর্ষদের সদস্যদের নির্দেশনা দেন।অদ্য রবিবার ২৩ শে আগস্ট সকালে ঢাকা সেনানিবাসে বিমান বাহিনীর সদর দপ্তরে নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৬ ইং এর উদ্বোধনকালে তিনি এ নির্দেশনা দেন।  প্রধানমন্ত্রী বলেন দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বাংলাদেশ নৌ ও বিমান বাহিনী দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা,স্থিতিশীলতা ও দুর্যোগ মোকাবিলায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।দেশের প্রয়োজনে বাংলাদেশ নৌ ও বিমান বাহিনীর ত্যাগের জন্য তিনি নৌ ও বিমান বাহিনী প্রধান থেকে শুরু করে বাহিনীর সকল সদস্যকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।বক্তব্যের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করেন মহান স্বাধীনতার ঘোষক,শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়াকে।১৯৭১ ইং সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সকল শহীদ,২০২৪ ইং সালে দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা রক্ষায় বীর ছাত্র-জনতার গণঅভুত্থানের সকল শহীদ এবং ১৯৭১ ইং থেকে ২০২৪ ইং সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে যারা দেশে গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে হতাহত হয়েছেন প্রত্যেকের অবদান তিনি কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সকল শহীদ,যুদ্ধাহত ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের,বিশেষ করে সশস্ত্র বাহিনী তথা নৌ ও বিমান বাহিনীর শহীদসহ সকল বীর সেনাদের।পরবর্তী সময়ে প্রধানমন্ত্রী বিমান বাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনাল স্থাপনা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।প্রথমে তিনি ঢাকা সেনানিবাসস্থ আকাশ প্রতিরক্ষা পরিচালন কেন্দ্রে স্থাপিত এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ইন্টিগ্রেশন (এডিএসআই)-এর উদ্বোধনী স্মারক ফলক উন্মোচন করেন।এ সময় তিনি নব উন্মোচিত এডিএসআই-এর বিভিন্ন আকাশ প্রতিরক্ষা কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এছাড়া তিনি বিমান বাহিনীর এয়ার কমান্ড অপারেশন সেন্টার (এসিওসি) পরিদর্শন করেন।পরিদর্শনকালে তিনি এসিওসি'র ডিজিটাল লার্জ ডিসপ্লের সাহায্যে বিমান বাহিনীর যুদ্ধবিমান কর্তৃক শত্রুবিমানসমূহকে বাধা প্রদান ও চট্টগ্রাম থেকে আনম্যান্ড এরিয়েল ভেহিকেল (ড্রোন)-এর লাইফ ফিডের মাধ্যমে হেলিকপ্টার থেকে সেনা অবতরণ অবলোকন করেন।এরপর প্রধানমন্ত্রী বিমান বাহিনীর এ্যারোস্পেস রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট কমপ্লেক্স এবং এর বিভিন্ন গবেষণা কার্যক্রম সরেজমিনে প্রত্যক্ষ করেন। এসময় বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর নিজস্ব সক্ষমতায় প্রস্তুতকৃত বিভিন্ন ধরনের আনম্যান্ড এরিয়েল ভেহিকেল (ড্রোন,কামিকাজি ড্রোন, ইন্টারসেপ্টর ড্রোন এবং ভিটোল) প্রদর্শন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী কোয়াডকপ্টার এর উড্ডয়ন অবলোকন করেন।নিজস্ব প্রযুক্তিগত সক্ষমতায় এ ধরনের আধুনিক উড্ডয়ন ব্যবস্থা প্রস্তুতকরণ বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর গবেষণা, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিগত আত্মনির্ভরতার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হবে বলে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন। এর আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অনুষ্ঠানস্থলে এসে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান তাঁর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান,নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন।গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনাল স্থাপনা পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা,নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী প্রধান,সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার,প্রতিরক্ষা সচিবসহ সশস্ত্র বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। 

জিয়াউর রহমান এবং মা মরহুমা খালেদা জিয়ার মাজার জিয়ারত করেছেন প্রধানমন্ত্রী

জিয়াউর রহমান এবং মা মরহুমা খালেদা জিয়ার মাজার জিয়ারত করেছেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক,দৈনিক প্রথম সকাল। ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন শেষে বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং মা মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মাজার জিয়ারত করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।অদ্য বৃহস্পতিবার ২০ শে আগস্ট বিকেলে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের চন্দ্রিমা উদ্যানে তিনি এই জিয়ারত করেন।দলীয় ও সরকারি সূত্র জানায় এদিন বিকেলে উৎসবমুখর পরিবেশে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।এই ঐতিহাসিক প্রক্রিয়া শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার বাবা ও মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে যান।মাজার জিয়ারতকালে মোনাজাতে দেশ ও জাতির কল্যাণ,গণতান্ত্রিক ধারার ধারাবাহিকতা রক্ষা এবং বাংলাদেশের মানুষের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে মহান আল্লাহর দরবারে বিশেষ দোয়া করা হয়।

পেশাগত দক্ষতা,সততা,বিশ্বস্ততা ও মেধার ভিত্তিতে পদোন্নতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট,দৈনিক প্রথম সকাল।  প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজনৈতিক মতাদর্শ ও ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের উর্ধ্বে উঠে বাহিনীর কর্মকর্তাদের পদোন্নতির উপর জোর দিয়েছেন।এ ক্ষেত্রে তিনি অফিসারদের পেশাগত দক্ষতা,নেতৃত্বের গুণাবলি,শৃঙ্খলার মান,সততা,বিশ্বস্ততা ও আনুগত্য এবং সর্বোপরি নিযুক্তিগত উপযুক্ততার উপর গুরুত্বারোপ করতে নির্বাচনী পর্ষদের সদস্যদের নির্দেশনা দেন।অদ্য রবিবার ২৩ শে আগস্ট সকালে ঢাকা সেনানিবাসে বিমান বাহিনীর সদর দপ্তরে নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৬ ইং এর উদ্বোধনকালে তিনি এ নির্দেশনা দেন।  প্রধানমন্ত্রী বলেন দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বাংলাদেশ নৌ ও বিমান বাহিনী দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা,স্থিতিশীলতা ও দুর্যোগ মোকাবিলায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।দেশের প্রয়োজনে বাংলাদেশ নৌ ও বিমান বাহিনীর ত্যাগের জন্য তিনি নৌ ও বিমান বাহিনী প্রধান থেকে শুরু করে বাহিনীর সকল সদস্যকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।বক্তব্যের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করেন মহান স্বাধীনতার ঘোষক,শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়াকে।১৯৭১ ইং সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সকল শহীদ,২০২৪ ইং সালে দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা রক্ষায় বীর ছাত্র-জনতার গণঅভুত্থানের সকল শহীদ এবং ১৯৭১ ইং থেকে ২০২৪ ইং সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে যারা দেশে গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে হতাহত হয়েছেন প্রত্যেকের অবদান তিনি কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সকল শহীদ,যুদ্ধাহত ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের,বিশেষ করে সশস্ত্র বাহিনী তথা নৌ ও বিমান বাহিনীর শহীদসহ সকল বীর সেনাদের।পরবর্তী সময়ে প্রধানমন্ত্রী বিমান বাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনাল স্থাপনা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।প্রথমে তিনি ঢাকা সেনানিবাসস্থ আকাশ প্রতিরক্ষা পরিচালন কেন্দ্রে স্থাপিত এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ইন্টিগ্রেশন (এডিএসআই)-এর উদ্বোধনী স্মারক ফলক উন্মোচন করেন।এ সময় তিনি নব উন্মোচিত এডিএসআই-এর বিভিন্ন আকাশ প্রতিরক্ষা কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এছাড়া তিনি বিমান বাহিনীর এয়ার কমান্ড অপারেশন সেন্টার (এসিওসি) পরিদর্শন করেন।পরিদর্শনকালে তিনি এসিওসি'র ডিজিটাল লার্জ ডিসপ্লের সাহায্যে বিমান বাহিনীর যুদ্ধবিমান কর্তৃক শত্রুবিমানসমূহকে বাধা প্রদান ও চট্টগ্রাম থেকে আনম্যান্ড এরিয়েল ভেহিকেল (ড্রোন)-এর লাইফ ফিডের মাধ্যমে হেলিকপ্টার থেকে সেনা অবতরণ অবলোকন করেন।এরপর প্রধানমন্ত্রী বিমান বাহিনীর এ্যারোস্পেস রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট কমপ্লেক্স এবং এর বিভিন্ন গবেষণা কার্যক্রম সরেজমিনে প্রত্যক্ষ করেন। এসময় বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর নিজস্ব সক্ষমতায় প্রস্তুতকৃত বিভিন্ন ধরনের আনম্যান্ড এরিয়েল ভেহিকেল (ড্রোন,কামিকাজি ড্রোন, ইন্টারসেপ্টর ড্রোন এবং ভিটোল) প্রদর্শন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী কোয়াডকপ্টার এর উড্ডয়ন অবলোকন করেন।নিজস্ব প্রযুক্তিগত সক্ষমতায় এ ধরনের আধুনিক উড্ডয়ন ব্যবস্থা প্রস্তুতকরণ বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর গবেষণা, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিগত আত্মনির্ভরতার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হবে বলে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন। এর আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অনুষ্ঠানস্থলে এসে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান তাঁর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান,নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন।গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনাল স্থাপনা পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা,নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী প্রধান,সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার,প্রতিরক্ষা সচিবসহ সশস্ত্র বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। 

পেশাগত দক্ষতা,সততা,বিশ্বস্ততা ও মেধার ভিত্তিতে পদোন্নতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

পেশাগত দক্ষতা,সততা,বিশ্বস্ততা ও মেধার ভিত্তিতে পদোন্নতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট,দৈনিক প্রথম সকাল।  প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজনৈতিক মতাদর্শ ও ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের উর্ধ্বে উঠে বাহিনীর কর্মকর্তাদের পদোন্নতির উপর জোর দিয়েছেন।এ ক্ষেত্রে তিনি অফিসারদের পেশাগত দক্ষতা,নেতৃত্বের গুণাবলি,শৃঙ্খলার মান,সততা,বিশ্বস্ততা ও আনুগত্য এবং সর্বোপরি নিযুক্তিগত উপযুক্ততার উপর গুরুত্বারোপ করতে নির্বাচনী পর্ষদের সদস্যদের নির্দেশনা দেন।অদ্য রবিবার ২৩ শে আগস্ট সকালে ঢাকা সেনানিবাসে বিমান বাহিনীর সদর দপ্তরে নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৬ ইং এর উদ্বোধনকালে তিনি এ নির্দেশনা দেন।  প্রধানমন্ত্রী বলেন দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বাংলাদেশ নৌ ও বিমান বাহিনী দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা,স্থিতিশীলতা ও দুর্যোগ মোকাবিলায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।দেশের প্রয়োজনে বাংলাদেশ নৌ ও বিমান বাহিনীর ত্যাগের জন্য তিনি নৌ ও বিমান বাহিনী প্রধান থেকে শুরু করে বাহিনীর সকল সদস্যকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।বক্তব্যের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করেন মহান স্বাধীনতার ঘোষক,শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়াকে।১৯৭১ ইং সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সকল শহীদ,২০২৪ ইং সালে দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা রক্ষায় বীর ছাত্র-জনতার গণঅভুত্থানের সকল শহীদ এবং ১৯৭১ ইং থেকে ২০২৪ ইং সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে যারা দেশে গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে হতাহত হয়েছেন প্রত্যেকের অবদান তিনি কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সকল শহীদ,যুদ্ধাহত ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের,বিশেষ করে সশস্ত্র বাহিনী তথা নৌ ও বিমান বাহিনীর শহীদসহ সকল বীর সেনাদের।পরবর্তী সময়ে প্রধানমন্ত্রী বিমান বাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনাল স্থাপনা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।প্রথমে তিনি ঢাকা সেনানিবাসস্থ আকাশ প্রতিরক্ষা পরিচালন কেন্দ্রে স্থাপিত এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ইন্টিগ্রেশন (এডিএসআই)-এর উদ্বোধনী স্মারক ফলক উন্মোচন করেন।এ সময় তিনি নব উন্মোচিত এডিএসআই-এর বিভিন্ন আকাশ প্রতিরক্ষা কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এছাড়া তিনি বিমান বাহিনীর এয়ার কমান্ড অপারেশন সেন্টার (এসিওসি) পরিদর্শন করেন।পরিদর্শনকালে তিনি এসিওসি'র ডিজিটাল লার্জ ডিসপ্লের সাহায্যে বিমান বাহিনীর যুদ্ধবিমান কর্তৃক শত্রুবিমানসমূহকে বাধা প্রদান ও চট্টগ্রাম থেকে আনম্যান্ড এরিয়েল ভেহিকেল (ড্রোন)-এর লাইফ ফিডের মাধ্যমে হেলিকপ্টার থেকে সেনা অবতরণ অবলোকন করেন।এরপর প্রধানমন্ত্রী বিমান বাহিনীর এ্যারোস্পেস রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট কমপ্লেক্স এবং এর বিভিন্ন গবেষণা কার্যক্রম সরেজমিনে প্রত্যক্ষ করেন। এসময় বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর নিজস্ব সক্ষমতায় প্রস্তুতকৃত বিভিন্ন ধরনের আনম্যান্ড এরিয়েল ভেহিকেল (ড্রোন,কামিকাজি ড্রোন, ইন্টারসেপ্টর ড্রোন এবং ভিটোল) প্রদর্শন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী কোয়াডকপ্টার এর উড্ডয়ন অবলোকন করেন।নিজস্ব প্রযুক্তিগত সক্ষমতায় এ ধরনের আধুনিক উড্ডয়ন ব্যবস্থা প্রস্তুতকরণ বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর গবেষণা, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিগত আত্মনির্ভরতার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হবে বলে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন। এর আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অনুষ্ঠানস্থলে এসে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান তাঁর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান,নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন।গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনাল স্থাপনা পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা,নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী প্রধান,সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার,প্রতিরক্ষা সচিবসহ সশস্ত্র বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। 

পেশাগত দক্ষতা,সততা,বিশ্বস্ততা ও মেধার ভিত্তিতে পদোন্নতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

পেশাগত দক্ষতা,সততা,বিশ্বস্ততা ও মেধার ভিত্তিতে পদোন্নতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট,দৈনিক প্রথম সকাল।  প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজনৈতিক মতাদর্শ ও ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের উর্ধ্বে উঠে বাহিনীর কর্মকর্তাদের পদোন্নতির উপর জোর দিয়েছেন।এ ক্ষেত্রে তিনি অফিসারদের পেশাগত দক্ষতা,নেতৃত্বের গুণাবলি,শৃঙ্খলার মান,সততা,বিশ্বস্ততা ও আনুগত্য এবং সর্বোপরি নিযুক্তিগত উপযুক্ততার উপর গুরুত্বারোপ করতে নির্বাচনী পর্ষদের সদস্যদের নির্দেশনা দেন।অদ্য রবিবার ২৩ শে আগস্ট সকালে ঢাকা সেনানিবাসে বিমান বাহিনীর সদর দপ্তরে নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৬ ইং এর উদ্বোধনকালে তিনি এ নির্দেশনা দেন।  প্রধানমন্ত্রী বলেন দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বাংলাদেশ নৌ ও বিমান বাহিনী দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা,স্থিতিশীলতা ও দুর্যোগ মোকাবিলায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।দেশের প্রয়োজনে বাংলাদেশ নৌ ও বিমান বাহিনীর ত্যাগের জন্য তিনি নৌ ও বিমান বাহিনী প্রধান থেকে শুরু করে বাহিনীর সকল সদস্যকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।বক্তব্যের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করেন মহান স্বাধীনতার ঘোষক,শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়াকে।১৯৭১ ইং সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সকল শহীদ,২০২৪ ইং সালে দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা রক্ষায় বীর ছাত্র-জনতার গণঅভুত্থানের সকল শহীদ এবং ১৯৭১ ইং থেকে ২০২৪ ইং সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে যারা দেশে গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে হতাহত হয়েছেন প্রত্যেকের অবদান তিনি কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সকল শহীদ,যুদ্ধাহত ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের,বিশেষ করে সশস্ত্র বাহিনী তথা নৌ ও বিমান বাহিনীর শহীদসহ সকল বীর সেনাদের।পরবর্তী সময়ে প্রধানমন্ত্রী বিমান বাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনাল স্থাপনা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।প্রথমে তিনি ঢাকা সেনানিবাসস্থ আকাশ প্রতিরক্ষা পরিচালন কেন্দ্রে স্থাপিত এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ইন্টিগ্রেশন (এডিএসআই)-এর উদ্বোধনী স্মারক ফলক উন্মোচন করেন।এ সময় তিনি নব উন্মোচিত এডিএসআই-এর বিভিন্ন আকাশ প্রতিরক্ষা কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এছাড়া তিনি বিমান বাহিনীর এয়ার কমান্ড অপারেশন সেন্টার (এসিওসি) পরিদর্শন করেন।পরিদর্শনকালে তিনি এসিওসি'র ডিজিটাল লার্জ ডিসপ্লের সাহায্যে বিমান বাহিনীর যুদ্ধবিমান কর্তৃক শত্রুবিমানসমূহকে বাধা প্রদান ও চট্টগ্রাম থেকে আনম্যান্ড এরিয়েল ভেহিকেল (ড্রোন)-এর লাইফ ফিডের মাধ্যমে হেলিকপ্টার থেকে সেনা অবতরণ অবলোকন করেন।এরপর প্রধানমন্ত্রী বিমান বাহিনীর এ্যারোস্পেস রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট কমপ্লেক্স এবং এর বিভিন্ন গবেষণা কার্যক্রম সরেজমিনে প্রত্যক্ষ করেন। এসময় বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর নিজস্ব সক্ষমতায় প্রস্তুতকৃত বিভিন্ন ধরনের আনম্যান্ড এরিয়েল ভেহিকেল (ড্রোন,কামিকাজি ড্রোন, ইন্টারসেপ্টর ড্রোন এবং ভিটোল) প্রদর্শন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী কোয়াডকপ্টার এর উড্ডয়ন অবলোকন করেন।নিজস্ব প্রযুক্তিগত সক্ষমতায় এ ধরনের আধুনিক উড্ডয়ন ব্যবস্থা প্রস্তুতকরণ বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর গবেষণা, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিগত আত্মনির্ভরতার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হবে বলে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন। এর আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অনুষ্ঠানস্থলে এসে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান তাঁর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান,নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন।গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনাল স্থাপনা পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা,নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী প্রধান,সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার,প্রতিরক্ষা সচিবসহ সশস্ত্র বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। 

পেশাগত দক্ষতা,সততা,বিশ্বস্ততা ও মেধার ভিত্তিতে পদোন্নতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

পেশাগত দক্ষতা,সততা,বিশ্বস্ততা ও মেধার ভিত্তিতে পদোন্নতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট,দৈনিক প্রথম সকাল।  প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজনৈতিক মতাদর্শ ও ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের উর্ধ্বে উঠে বাহিনীর কর্মকর্তাদের পদোন্নতির উপর জোর দিয়েছেন।এ ক্ষেত্রে তিনি অফিসারদের পেশাগত দক্ষতা,নেতৃত্বের গুণাবলি,শৃঙ্খলার মান,সততা,বিশ্বস্ততা ও আনুগত্য এবং সর্বোপরি নিযুক্তিগত উপযুক্ততার উপর গুরুত্বারোপ করতে নির্বাচনী পর্ষদের সদস্যদের নির্দেশনা দেন।অদ্য রবিবার ২৩ শে আগস্ট সকালে ঢাকা সেনানিবাসে বিমান বাহিনীর সদর দপ্তরে নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৬ ইং এর উদ্বোধনকালে তিনি এ নির্দেশনা দেন।  প্রধানমন্ত্রী বলেন দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বাংলাদেশ নৌ ও বিমান বাহিনী দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা,স্থিতিশীলতা ও দুর্যোগ মোকাবিলায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।দেশের প্রয়োজনে বাংলাদেশ নৌ ও বিমান বাহিনীর ত্যাগের জন্য তিনি নৌ ও বিমান বাহিনী প্রধান থেকে শুরু করে বাহিনীর সকল সদস্যকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।বক্তব্যের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করেন মহান স্বাধীনতার ঘোষক,শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়াকে।১৯৭১ ইং সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সকল শহীদ,২০২৪ ইং সালে দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা রক্ষায় বীর ছাত্র-জনতার গণঅভুত্থানের সকল শহীদ এবং ১৯৭১ ইং থেকে ২০২৪ ইং সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে যারা দেশে গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে হতাহত হয়েছেন প্রত্যেকের অবদান তিনি কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সকল শহীদ,যুদ্ধাহত ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের,বিশেষ করে সশস্ত্র বাহিনী তথা নৌ ও বিমান বাহিনীর শহীদসহ সকল বীর সেনাদের।পরবর্তী সময়ে প্রধানমন্ত্রী বিমান বাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনাল স্থাপনা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।প্রথমে তিনি ঢাকা সেনানিবাসস্থ আকাশ প্রতিরক্ষা পরিচালন কেন্দ্রে স্থাপিত এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ইন্টিগ্রেশন (এডিএসআই)-এর উদ্বোধনী স্মারক ফলক উন্মোচন করেন।এ সময় তিনি নব উন্মোচিত এডিএসআই-এর বিভিন্ন আকাশ প্রতিরক্ষা কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এছাড়া তিনি বিমান বাহিনীর এয়ার কমান্ড অপারেশন সেন্টার (এসিওসি) পরিদর্শন করেন।পরিদর্শনকালে তিনি এসিওসি'র ডিজিটাল লার্জ ডিসপ্লের সাহায্যে বিমান বাহিনীর যুদ্ধবিমান কর্তৃক শত্রুবিমানসমূহকে বাধা প্রদান ও চট্টগ্রাম থেকে আনম্যান্ড এরিয়েল ভেহিকেল (ড্রোন)-এর লাইফ ফিডের মাধ্যমে হেলিকপ্টার থেকে সেনা অবতরণ অবলোকন করেন।এরপর প্রধানমন্ত্রী বিমান বাহিনীর এ্যারোস্পেস রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট কমপ্লেক্স এবং এর বিভিন্ন গবেষণা কার্যক্রম সরেজমিনে প্রত্যক্ষ করেন। এসময় বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর নিজস্ব সক্ষমতায় প্রস্তুতকৃত বিভিন্ন ধরনের আনম্যান্ড এরিয়েল ভেহিকেল (ড্রোন,কামিকাজি ড্রোন, ইন্টারসেপ্টর ড্রোন এবং ভিটোল) প্রদর্শন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী কোয়াডকপ্টার এর উড্ডয়ন অবলোকন করেন।নিজস্ব প্রযুক্তিগত সক্ষমতায় এ ধরনের আধুনিক উড্ডয়ন ব্যবস্থা প্রস্তুতকরণ বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর গবেষণা, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিগত আত্মনির্ভরতার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হবে বলে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন। এর আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অনুষ্ঠানস্থলে এসে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান তাঁর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান,নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন।গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনাল স্থাপনা পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা,নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী প্রধান,সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার,প্রতিরক্ষা সচিবসহ সশস্ত্র বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। 

পেশাগত দক্ষতা,সততা,বিশ্বস্ততা ও মেধার ভিত্তিতে পদোন্নতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

পেশাগত দক্ষতা,সততা,বিশ্বস্ততা ও মেধার ভিত্তিতে পদোন্নতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট,দৈনিক প্রথম সকাল।  প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজনৈতিক মতাদর্শ ও ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের উর্ধ্বে উঠে বাহিনীর কর্মকর্তাদের পদোন্নতির উপর জোর দিয়েছেন।এ ক্ষেত্রে তিনি অফিসারদের পেশাগত দক্ষতা,নেতৃত্বের গুণাবলি,শৃঙ্খলার মান,সততা,বিশ্বস্ততা ও আনুগত্য এবং সর্বোপরি নিযুক্তিগত উপযুক্ততার উপর গুরুত্বারোপ করতে নির্বাচনী পর্ষদের সদস্যদের নির্দেশনা দেন।অদ্য রবিবার ২৩ শে আগস্ট সকালে ঢাকা সেনানিবাসে বিমান বাহিনীর সদর দপ্তরে নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৬ ইং এর উদ্বোধনকালে তিনি এ নির্দেশনা দেন।  প্রধানমন্ত্রী বলেন দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বাংলাদেশ নৌ ও বিমান বাহিনী দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা,স্থিতিশীলতা ও দুর্যোগ মোকাবিলায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।দেশের প্রয়োজনে বাংলাদেশ নৌ ও বিমান বাহিনীর ত্যাগের জন্য তিনি নৌ ও বিমান বাহিনী প্রধান থেকে শুরু করে বাহিনীর সকল সদস্যকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।বক্তব্যের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করেন মহান স্বাধীনতার ঘোষক,শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়াকে।১৯৭১ ইং সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সকল শহীদ,২০২৪ ইং সালে দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা রক্ষায় বীর ছাত্র-জনতার গণঅভুত্থানের সকল শহীদ এবং ১৯৭১ ইং থেকে ২০২৪ ইং সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে যারা দেশে গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে হতাহত হয়েছেন প্রত্যেকের অবদান তিনি কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সকল শহীদ,যুদ্ধাহত ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের,বিশেষ করে সশস্ত্র বাহিনী তথা নৌ ও বিমান বাহিনীর শহীদসহ সকল বীর সেনাদের।পরবর্তী সময়ে প্রধানমন্ত্রী বিমান বাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনাল স্থাপনা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।প্রথমে তিনি ঢাকা সেনানিবাসস্থ আকাশ প্রতিরক্ষা পরিচালন কেন্দ্রে স্থাপিত এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ইন্টিগ্রেশন (এডিএসআই)-এর উদ্বোধনী স্মারক ফলক উন্মোচন করেন।এ সময় তিনি নব উন্মোচিত এডিএসআই-এর বিভিন্ন আকাশ প্রতিরক্ষা কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এছাড়া তিনি বিমান বাহিনীর এয়ার কমান্ড অপারেশন সেন্টার (এসিওসি) পরিদর্শন করেন।পরিদর্শনকালে তিনি এসিওসি'র ডিজিটাল লার্জ ডিসপ্লের সাহায্যে বিমান বাহিনীর যুদ্ধবিমান কর্তৃক শত্রুবিমানসমূহকে বাধা প্রদান ও চট্টগ্রাম থেকে আনম্যান্ড এরিয়েল ভেহিকেল (ড্রোন)-এর লাইফ ফিডের মাধ্যমে হেলিকপ্টার থেকে সেনা অবতরণ অবলোকন করেন।এরপর প্রধানমন্ত্রী বিমান বাহিনীর এ্যারোস্পেস রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট কমপ্লেক্স এবং এর বিভিন্ন গবেষণা কার্যক্রম সরেজমিনে প্রত্যক্ষ করেন। এসময় বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর নিজস্ব সক্ষমতায় প্রস্তুতকৃত বিভিন্ন ধরনের আনম্যান্ড এরিয়েল ভেহিকেল (ড্রোন,কামিকাজি ড্রোন, ইন্টারসেপ্টর ড্রোন এবং ভিটোল) প্রদর্শন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী কোয়াডকপ্টার এর উড্ডয়ন অবলোকন করেন।নিজস্ব প্রযুক্তিগত সক্ষমতায় এ ধরনের আধুনিক উড্ডয়ন ব্যবস্থা প্রস্তুতকরণ বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর গবেষণা, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিগত আত্মনির্ভরতার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হবে বলে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন। এর আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অনুষ্ঠানস্থলে এসে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান তাঁর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান,নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন।গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনাল স্থাপনা পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা,নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী প্রধান,সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার,প্রতিরক্ষা সচিবসহ সশস্ত্র বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। 

পেশাগত দক্ষতা,সততা,বিশ্বস্ততা ও মেধার ভিত্তিতে পদোন্নতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

পেশাগত দক্ষতা,সততা,বিশ্বস্ততা ও মেধার ভিত্তিতে পদোন্নতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট,দৈনিক প্রথম সকাল।  প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজনৈতিক মতাদর্শ ও ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের উর্ধ্বে উঠে বাহিনীর কর্মকর্তাদের পদোন্নতির উপর জোর দিয়েছেন।এ ক্ষেত্রে তিনি অফিসারদের পেশাগত দক্ষতা,নেতৃত্বের গুণাবলি,শৃঙ্খলার মান,সততা,বিশ্বস্ততা ও আনুগত্য এবং সর্বোপরি নিযুক্তিগত উপযুক্ততার উপর গুরুত্বারোপ করতে নির্বাচনী পর্ষদের সদস্যদের নির্দেশনা দেন।অদ্য রবিবার ২৩ শে আগস্ট সকালে ঢাকা সেনানিবাসে বিমান বাহিনীর সদর দপ্তরে নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৬ ইং এর উদ্বোধনকালে তিনি এ নির্দেশনা দেন।  প্রধানমন্ত্রী বলেন দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বাংলাদেশ নৌ ও বিমান বাহিনী দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা,স্থিতিশীলতা ও দুর্যোগ মোকাবিলায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।দেশের প্রয়োজনে বাংলাদেশ নৌ ও বিমান বাহিনীর ত্যাগের জন্য তিনি নৌ ও বিমান বাহিনী প্রধান থেকে শুরু করে বাহিনীর সকল সদস্যকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।বক্তব্যের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করেন মহান স্বাধীনতার ঘোষক,শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়াকে।১৯৭১ ইং সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সকল শহীদ,২০২৪ ইং সালে দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা রক্ষায় বীর ছাত্র-জনতার গণঅভুত্থানের সকল শহীদ এবং ১৯৭১ ইং থেকে ২০২৪ ইং সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে যারা দেশে গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে হতাহত হয়েছেন প্রত্যেকের অবদান তিনি কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সকল শহীদ,যুদ্ধাহত ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের,বিশেষ করে সশস্ত্র বাহিনী তথা নৌ ও বিমান বাহিনীর শহীদসহ সকল বীর সেনাদের।পরবর্তী সময়ে প্রধানমন্ত্রী বিমান বাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনাল স্থাপনা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।প্রথমে তিনি ঢাকা সেনানিবাসস্থ আকাশ প্রতিরক্ষা পরিচালন কেন্দ্রে স্থাপিত এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ইন্টিগ্রেশন (এডিএসআই)-এর উদ্বোধনী স্মারক ফলক উন্মোচন করেন।এ সময় তিনি নব উন্মোচিত এডিএসআই-এর বিভিন্ন আকাশ প্রতিরক্ষা কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এছাড়া তিনি বিমান বাহিনীর এয়ার কমান্ড অপারেশন সেন্টার (এসিওসি) পরিদর্শন করেন।পরিদর্শনকালে তিনি এসিওসি'র ডিজিটাল লার্জ ডিসপ্লের সাহায্যে বিমান বাহিনীর যুদ্ধবিমান কর্তৃক শত্রুবিমানসমূহকে বাধা প্রদান ও চট্টগ্রাম থেকে আনম্যান্ড এরিয়েল ভেহিকেল (ড্রোন)-এর লাইফ ফিডের মাধ্যমে হেলিকপ্টার থেকে সেনা অবতরণ অবলোকন করেন।এরপর প্রধানমন্ত্রী বিমান বাহিনীর এ্যারোস্পেস রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট কমপ্লেক্স এবং এর বিভিন্ন গবেষণা কার্যক্রম সরেজমিনে প্রত্যক্ষ করেন। এসময় বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর নিজস্ব সক্ষমতায় প্রস্তুতকৃত বিভিন্ন ধরনের আনম্যান্ড এরিয়েল ভেহিকেল (ড্রোন,কামিকাজি ড্রোন, ইন্টারসেপ্টর ড্রোন এবং ভিটোল) প্রদর্শন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী কোয়াডকপ্টার এর উড্ডয়ন অবলোকন করেন।নিজস্ব প্রযুক্তিগত সক্ষমতায় এ ধরনের আধুনিক উড্ডয়ন ব্যবস্থা প্রস্তুতকরণ বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর গবেষণা, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিগত আত্মনির্ভরতার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হবে বলে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন। এর আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অনুষ্ঠানস্থলে এসে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান তাঁর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান,নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন।গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনাল স্থাপনা পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা,নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী প্রধান,সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার,প্রতিরক্ষা সচিবসহ সশস্ত্র বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। 

হাতিয়ায় স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে হেলাল উদ্দিন নামে এক যুবলীগ নেতা আটক

হাতিয়ায় স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে হেলাল উদ্দিন নামে এক যুবলীগ নেতা আটক

বিশেষ প্রতিনিধি,দৈনিক প্রথম সকাল।নোয়াখালীর হাতিয়ায় এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মোঃ হেলাল উদ্দিন নামে এক সাবেক যুবলীগ নেতাকে আটক করেছে পুলিশ।অদ্য রবিবার ২৩ শে আগস্ট সকালে উপজেলার হরণী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের আদর্শ গ্রাম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।আটক হেলাল উদ্দিন ঐ এলাকার বেলায়েত খলিফার ছেলে।স্থানীয় বাজারে তার ওষুধের দোকান রয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে অদ্য রবিবার সকাল ৮টার দিকে হেলাল উদ্দিন ওই স্কুল ছাত্রীকে কৌশলে তার ওষুধের দোকানের পেছনে নিয়ে ধর্ষণ করেন।বিষয়টি টের পেয়ে আশপাশের স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে তাকে হাতেনাতে আটক করে।পরে গ্রাম্য পুলিশের মাধ্যমে খবর দেওয়া হলে হাতিয়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে হেলাল উদ্দিনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।ঘটনার পর এ সম্পর্কিত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।এলাকাবাসী দ্রুত অভিযুক্তের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করে জানান হেলালের বিরুদ্ধে পূর্বেও নারী নির্যাতনের একাধিক অভিযোগ রয়েছে।গত ৫ ই আগস্ট এক নারীকে ধর্ষণ চেষ্টার ঘটনায় স্থানীয় সালিশে তাকে ৫০টি বেত্রাঘাত ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছিল।তবে সালিশের পরও তিনি অপরাধমূলক কার্যক্রম থেকে সরে আসেননি।স্থানীয়দের দাবি হেলাল উদ্দিন অতীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের স্থানীয় পর্যায়ের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন।গত ৫ ই আগস্ট পটপরিবর্তনের পর তিনি নিজেকে বাঁচাতে জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয় হতে শুরু করেন। 

পেশাগত দক্ষতা,সততা,বিশ্বস্ততা ও মেধার ভিত্তিতে পদোন্নতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

পেশাগত দক্ষতা,সততা,বিশ্বস্ততা ও মেধার ভিত্তিতে পদোন্নতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট,দৈনিক প্রথম সকাল।  প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজনৈতিক মতাদর্শ ও ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের উর্ধ্বে উঠে বাহিনীর কর্মকর্তাদের পদোন্নতির উপর জোর দিয়েছেন।এ ক্ষেত্রে তিনি অফিসারদের পেশাগত দক্ষতা,নেতৃত্বের গুণাবলি,শৃঙ্খলার মান,সততা,বিশ্বস্ততা ও আনুগত্য এবং সর্বোপরি নিযুক্তিগত উপযুক্ততার উপর গুরুত্বারোপ করতে নির্বাচনী পর্ষদের সদস্যদের নির্দেশনা দেন।অদ্য রবিবার ২৩ শে আগস্ট সকালে ঢাকা সেনানিবাসে বিমান বাহিনীর সদর দপ্তরে নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৬ ইং এর উদ্বোধনকালে তিনি এ নির্দেশনা দেন।  প্রধানমন্ত্রী বলেন দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বাংলাদেশ নৌ ও বিমান বাহিনী দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা,স্থিতিশীলতা ও দুর্যোগ মোকাবিলায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।দেশের প্রয়োজনে বাংলাদেশ নৌ ও বিমান বাহিনীর ত্যাগের জন্য তিনি নৌ ও বিমান বাহিনী প্রধান থেকে শুরু করে বাহিনীর সকল সদস্যকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।বক্তব্যের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করেন মহান স্বাধীনতার ঘোষক,শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়াকে।১৯৭১ ইং সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সকল শহীদ,২০২৪ ইং সালে দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা রক্ষায় বীর ছাত্র-জনতার গণঅভুত্থানের সকল শহীদ এবং ১৯৭১ ইং থেকে ২০২৪ ইং সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে যারা দেশে গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে হতাহত হয়েছেন প্রত্যেকের অবদান তিনি কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সকল শহীদ,যুদ্ধাহত ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের,বিশেষ করে সশস্ত্র বাহিনী তথা নৌ ও বিমান বাহিনীর শহীদসহ সকল বীর সেনাদের।পরবর্তী সময়ে প্রধানমন্ত্রী বিমান বাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনাল স্থাপনা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।প্রথমে তিনি ঢাকা সেনানিবাসস্থ আকাশ প্রতিরক্ষা পরিচালন কেন্দ্রে স্থাপিত এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ইন্টিগ্রেশন (এডিএসআই)-এর উদ্বোধনী স্মারক ফলক উন্মোচন করেন।এ সময় তিনি নব উন্মোচিত এডিএসআই-এর বিভিন্ন আকাশ প্রতিরক্ষা কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এছাড়া তিনি বিমান বাহিনীর এয়ার কমান্ড অপারেশন সেন্টার (এসিওসি) পরিদর্শন করেন।পরিদর্শনকালে তিনি এসিওসি'র ডিজিটাল লার্জ ডিসপ্লের সাহায্যে বিমান বাহিনীর যুদ্ধবিমান কর্তৃক শত্রুবিমানসমূহকে বাধা প্রদান ও চট্টগ্রাম থেকে আনম্যান্ড এরিয়েল ভেহিকেল (ড্রোন)-এর লাইফ ফিডের মাধ্যমে হেলিকপ্টার থেকে সেনা অবতরণ অবলোকন করেন।এরপর প্রধানমন্ত্রী বিমান বাহিনীর এ্যারোস্পেস রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট কমপ্লেক্স এবং এর বিভিন্ন গবেষণা কার্যক্রম সরেজমিনে প্রত্যক্ষ করেন। এসময় বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর নিজস্ব সক্ষমতায় প্রস্তুতকৃত বিভিন্ন ধরনের আনম্যান্ড এরিয়েল ভেহিকেল (ড্রোন,কামিকাজি ড্রোন, ইন্টারসেপ্টর ড্রোন এবং ভিটোল) প্রদর্শন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী কোয়াডকপ্টার এর উড্ডয়ন অবলোকন করেন।নিজস্ব প্রযুক্তিগত সক্ষমতায় এ ধরনের আধুনিক উড্ডয়ন ব্যবস্থা প্রস্তুতকরণ বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর গবেষণা, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিগত আত্মনির্ভরতার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হবে বলে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন। এর আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অনুষ্ঠানস্থলে এসে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান তাঁর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান,নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন।গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনাল স্থাপনা পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা,নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী প্রধান,সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার,প্রতিরক্ষা সচিবসহ সশস্ত্র বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। 

হামে নতুন করে ৮ শিশুর মৃত্যু,হাসপাতালে ভর্তি ৮২৯

বিশেষ প্রতিনিধি,দৈনিক প্রথম সকাল।  গত ২৪ ঘণ্টায়  হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময় হাম নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৮২৯ জন।অদ্য বুধবার ১০ ই জুন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম সংক্রান্ত নিয়মিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।এতে বলা হয় গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে ৯৪৫ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে।এ সময় ঢাকা বিভাগে ৬,সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে ১ জন করে মোট ৬ জন  হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরে গেছেন ৮৫৩ জন।গত ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ৯২ জন। একই সময়ে সন্দেহজন হাম রোগে মৃতের সংখ্যা ৫৪৭ জন।

দেশে নীরব ঘাতক উচ্চ রক্তচাপ,ঝরছে শত প্রাণ

বিশেষ প্রতিনিধি,দৈনিক প্রথম সকাল।অসংক্রামক রোগগুলোর মধ্যে উচ্চ রক্তচাপ (হাইপারটেনশন) একটি দীর্ঘস্থায়ী জীবনব্যাপী রোগ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসেব অনুযায়ী, বিশ্বে ১৪০ কোটি মানুষ (৩০-৭৯ বছর) উচ্চ রক্তচাপে ভুগছে, যাদের বেশিরভাগ বাস করেন নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশে।উচ্চ রক্তচাপের ফলে অনেকে হৃদরোগ,স্ট্রোক এবং কিডনি রোগের মতো অসংক্রামক রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।আর এতে মৃত্যু বহুগুণ বাড়ছে।বিশ্বে প্রতি বছর ১ কোটিরও বেশি মানুষ উচ্চ রক্তচাপের কারণে মারা যায়।এ সংখ্যা সকল সংক্রামক রোগে মোট মৃত্যুর চেয়েও বেশি।বাংলদেশেও উচ্চ রক্তচাপজনিত কারণে প্রতিদিন প্রাণ হারাচ্ছেন শত শত মানুষ।বাংলাদেশেও উচ্চ রক্তচাপের নীরব মহামারি চলছে।সবশেষ ‘বাংলাদেশ এনসিডি স্টেপস সার্ভে "২০২২" এর তথ্য অনুযায়ী প্রতি ৪ জনে ১ জন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ (২৩.৫ শতাংশ) উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত।বাংলাদেশে উচ্চ রক্তচাপজনিত অসুস্থতা এবং অকালমৃত্যুর বর্তমান প্রবণতা অব্যাহত থাকলে ২০৩০ ইং সালের মধ্যে অসংক্রামক রোগজনিত অকালমৃত্যু এক-তৃতীয়াংশে কমিয়ে আনা সংক্রান্ত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (লক্ষ্য ৩.৪) অর্জন কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়বে।এমন বাস্তবতায় সারা বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশেও রবিবার ১৭ ই মে পালিত হচ্ছে বিশ্ব উচ্চ রক্তচাপ দিবস।প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে উচ্চ রক্তচাপ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে এই দিবসটি পালন করা হয়।উচ্চ রক্তচাপকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় "নীরব ঘাতক" বলা হয়,কারণ এর কোনো স্পষ্ট লক্ষণ থাকে না, অথচ এটি স্ট্রোক ও হৃদরোগ এবং অকালমৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ।এই বছরের বিশ্ব উচ্চ রক্তচাপ দিবস এর মূল প্রতিপাদ্য হচ্ছে,"একসাথে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করি: নীরব ঘাতককে জয় করি।বিশ্বব্যাপী উচ্চ রক্তচাপ পরিস্থিতিঃ২০২৫ ইং সালের সেপ্টেম্বরে উচ্চ রক্তচাপ বিষয়ক ২য় বৈশ্বিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।প্রতিবেদন অনুযায়ী ৩০-৭৯ বছর বয়সী জনগোষ্ঠীর ৩৩ শতাংশ উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত এবং ১৯৯০ সাল থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৬৫ কোটি থেকে বেড়ে ১৪০ কোটিতে দাঁড়িয়েছে।এ সময়ে উচ্চ রক্তচাপের প্রকোপ ধনী দেশগুলো থেকে কমে নিম্ন এবং মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ্বব্যাপী উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত মানুষের মধ্যে মাত্র ৩২০ মিলিয়ন (২৩ শতাংশ) মানুষ তাদের রক্তচাপ কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেরেছে।প্রতিবেদনের তথ্য মতে শুধুমাত্র কানাডা, কোস্টারিকা, আইসল্যান্ড এবং দক্ষিণ কোরিয়াতে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের হার ৫০ শতাংশের বেশি। ৯৯টি দেশে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের হার ২০ শতাংশেরও কম। ২০১১ সালে উচ্চ রক্তচাপজনিত কারণে ১ কোটি ১০ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছে, যা বিশ্বব্যাপী মোট মৃত্যুর ১৬ শতাংশ এবং অসংক্রামক রোগের জন্য দায়ী অন্য যেকোনো ঝুঁকির থেকে বেশি।বাংলাদেশে উচ্চ রক্তচাপ পরিস্থিতিঃ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) 'হেলথ অ্যান্ড মরবিডিটি স্ট্যাটাস সার্ভে-২০২৫' এর তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে শীর্ষ ১০টি রোগের তালিকায় এক নম্বরে রয়েছে উচ্চ রক্তচাপ।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২০২৫ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশে উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্তদের (৩০-৭৯ বছর বয়সী) অর্ধেকই (৫৩ শতাংশ পুরুষ, ৪৫ শতাংশ নারী) জানে না যে তাদের উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে। উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্তদের মধ্যে চিকিৎসা গ্রহণের হার মাত্র ৩৯ শতাংশ (৩৫ শতাংশ পুরুষ, ৪২ শতাংশ নারী)। নিয়মিত ওষুধ সেবনের মাধ্যমে রোগটি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেরেছে মাত্র ১৬ শতাংশ (১৫ শতাংশ পুরুষ, ১৬ শতাংশ নারী) অর্থাৎ প্রতি ৭ জনে ১ জন।প্রতিবেদনে আরও বলা হয় ২০২৪  ইং সালে বাংলাদেশে ২ লক্ষ ৮৩ হাজার ৪০০ মানুষ হৃদরোগজনিত রোগে মৃত্যুবরণ করেছে, যার ৫২ শতাংশের (৪৮ শতাংশ পুরুষ, ৫৬ শতাংশ নারী) জন্য দায়ী উচ্চ রক্তচাপ।উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে বিশেষজ্ঞদের মতামতঃউচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে করণীয় জানতে চাইলে পাবলিক হেলথ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট (ইলেক্ট) ডা. আবু জামিল ফয়সাল বাংলানিউজকে বলেন উচ্চ রক্তচাপ বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে।রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রথমেই আমাদেরকে খাবারে লবণ কম খেতে হবে,শাকসবজি প্রচুর পরিমাণে খেতে হবে,কমপক্ষে আধা ঘণ্টা শারীরিক পরিশ্রম কিংবা ব্যায়াম করতে হবে, নিয়মিত সঠিক সময়ে নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে হবে।এখন অনেকেই মোবাইল ফোনের আসক্তিতে রাত জাগে,প্রয়োজনের তুলনায় কম সময় ঘুমায়। পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম না হওয়ায় অনেকেই মানসিক উত্তেজনা বা চাপে থাকে।ধূমপানের কারণেও উচ্চ রক্তচাপ হয়, তাই ধূমপান কিংবা তামাকপণ্যের ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে। উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধে এই কয়েকটি বিষয় মেনে চলার পরামর্শ দেন তিনি।তিনি আরও বলেন কারও যদি মাথা ও ঘাড় ব্যথা হয়, মাথা ঘুরায়, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত এবং রক্তচাপ পরীক্ষা করা দরকার। উচ্চ রক্তচাপ শনাক্ত হলে নিয়মিত ওষুধ খেতে হবে।ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন ও রিসার্চ ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ডা.সোহেল রেজা চৌধুরী এ বিষয়ে বলেন কারও যখন উচ্চ রক্তচাপ শনাক্ত হয়,তখন ওষুধ খেয়ে নিয়ন্ত্রণ করা ছাড়া কোনো উপায় নেই।লাইফস্টাইল পরিবর্তন করলে কিছুটা কমে কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সারাজীবন ওষুধ খেতে হয়।অর্থাৎ একদিকে প্রতিরোধ আরেকদিকে চিকিৎসা নিতে হবে।দেশের প্রায় প্রতি চারজনে একজন উচ্চ রক্তচাপে ভুগছে। বিপদের কথা এদের অধিকাংশই জানে না,তাদের উচ্চ রক্তচাপ আছে।যারা জানে তাদের অর্ধেক ওষুধ খাচ্ছে। দেশে যত উচ্চ রক্তচাপের রোগী আছে তার মাত্র ১৬ শতাংশের উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে।তিনি আরও বলেন দেশে উচ্চ রক্তচাপ শনাক্তের একটা গ্যাপ আছে, আবার যাদের শনাক্ত হচ্ছে, তাদেরকেও সঠিকভাবে চিকিৎসা দেওয়া যাচ্ছে না।অন্যদিকে যারা চিকিৎসা নিচ্ছেন তাদের অনেকের রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণে থাকছে না।অর্থাৎ আমাদেরকে তিনটা বিষয়ে নজর দিতে হবে,এক গণহারে উচ্চ রক্তচাপের স্ক্রিনিং কার্যক্রম চালাতে হবে।দুই শনাক্ত রোগীদের সারা জীবন ওষুধ খেতে হয় এবং এটা অনেক ব্যয়বহুল,আবার ওষুধ না খেলে রোগটা নিয়ন্ত্রণে থাকবে না,তাই সরকারকে যাদের সামর্থ্য নাই তাদেরকে বিনা পয়সায় ওষুধ দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের এ অধ্যাপক জানান ওষুধ দেওয়ার পর রোগীর উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আছে কি না,নিয়মিত সেটা ফলোআপ করতে হবে। এই কয়েকটি কাজ করতে পারলে ধীরে ধীরে ওভারঅল কন্ট্রোল রেট বাড়বে,যেটা আমাদের লক্ষ্যমাত্রা ৭০ শতাংশের উপরে নিয়ে যাওয়া,সেটা অর্জন করতে পারব।এটা করতে পারলে স্ট্রোক,হার্ট অ্যাটিকে যে অকালমৃত্যু হচ্ছে তাও কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।

রক্তচাপ কেড়ে নিতে পারে দৃষ্টিশক্তি

চোখের স্ট্রোকের জন্য কি হাইপারটেনশন দায়ী?চোখের চিকিৎসক ডা. সুমন মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘হাইপারটেনশনের কারণে চোখের একাধিক ক্ষতি হতে পারে।’ উচ্চ রক্তচাপে চোখের রেটিনার শিরায় ব্লকেজ তৈরি হয়। এর ফলে রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়। এই অবস্থাকে ‘সেন্টাল রেটিনাল ভেইন অকুলেশন’ বলা হয়। এটি শিরার পাশাপাশি ধমনীতেও হতে পারে বলে জানিয়েছেন ডা. মুখোপাধ্যায়। আসলে চলতি ভাষায় এই অবস্থাকেই চোখের স্ট্রোক বলা হয়।সিআরভিও-এ কি দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারেন?সিআরভিও-এর একাধিক উপসর্গ রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে কমন হলো- হঠাৎ করে একটা চোখের দৃষ্টি কমে যাওয়া। এছাড়া চোখে রক্তপাত হলে চোখের ভিতর কালো ঝুলের মতো অংশ দেখা যায়।‘সিআরভিও-এর চিকিৎসা হলো ইনজেকশন বা রেটিনাল লেজার’ বলেন ডা. মুখোপাধ্যায়। সিআরভিও হলে দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া, ঝাপসা দৃষ্টি এবং দৃষ্টিশক্তি হারানোর মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কতটা ক্ষতিকর?ডা. মুখোপাধ্যায়ের সংযোজন, ‘প্রেশার খুব বেশি থাকলে চোখের ভিতর যে অপটিক নার্ভ থাকে, তারও মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।’ এই অবস্থায় চোখে রক্তপাতও হতে পারে। একে চিকিৎসার ভাষায় হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি বলা হয়।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কি গর্ভবতীদেরও হয়?হাইপারটেনশনে ভয় রয়েছে অন্তঃসত্ত্বা নারীদেরও। অনেক সময় গর্ভাবস্থায় হবু মায়ের ব্লাড প্রেশার অত্যধিক বেড়ে যায়। যাকে বলে প্রেগন্যান্সি হাইপারটেনশন বা ‘একলাম্পসিয়া’। এই অবস্থা তৈরি হলে মস্তিষ্কে রক্তপাত হয়। এই পর্যায়ে পৌঁছনোর ঠিক আগে চোখের উপর প্রভাব পড়ে। দৃষ্টিশক্তি কমে আসে। এই লক্ষণ দেখে বোঝা যায় যে, ‘একলাম্পসিয়া’ খারাপ দিকে এগোচ্ছে ‘অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার কন্ট্রোলে রাখা দরকার কেন?এছাড়া অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার বারবার যাচাই করা দরকার। অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ থাকা অবস্থায় অস্ত্রোপচার করলে চোখে রক্তপাত হতে পারে এবং চোখ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

রক্তচাপ কতটা বেড়ে গেলে হার্টঅ্যাটাক হতে পারে

প্রথমত, উচ্চ রক্তচাপ কখন হয় এবং এটি আসলে কী তা বোঝা গুরুত্বপূর্ণ। সহজ কথায়, এটি এমন একটি স্বাস্থ্যগত অবস্থা যেখানে রক্ত পাম্প করার জন্য হৃদপিণ্ডকে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি চাপ প্রয়োগ করতে হয়। এর ফলে, শিরাগুলির উপর চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়, যার কারণে তাদের দেয়াল ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করে। গুরুতর ক্ষেত্রে, শিরা ফেটে যেতে পারে, যা মারাত্মক হতে পারে।উচ্চ রক্তচাপের পরিসীমা কতযদি শরীরের রক্তচাপের পরিসীমা ১২০/৮০ মিমি এইচজি হয় তবে তাকে স্বাভাবিক রক্তচাপ বলা হয়। কিন্তু যখন এই পরিসীমা সিস্টোলিক ১৩০/১৩৯ এবং ডায়াস্টোলিক ৮০ থেকে ৯০ মিমি এইচজি-র মধ্যে পড়ে, তখন তাকে উচ্চ রক্তচাপের অবস্থা বলা হয়।রক্তচাপের কোন স্তরটি হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়বিশেষজ্ঞদের মতে, উচ্চ রক্তচাপের সমস্যাও হার্টঅ্যাটাকের জন্য অনেকাংশে দায়ী। পরিসরের কথা বলতে গেলে, যদি রক্তচাপ ১৪০/৯০ মিমিএইচজি-র উপরে পৌঁছায়, তাহলে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে, আপনার অবিলম্বে আপনার ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা উচিত যাতে অবস্থা গুরুতর না হয়।দৃশ্যমান লক্ষণগুলি কী কীরক্তচাপের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো এটি কোনও গুরুতর লক্ষণ দেখায় না। এজন্যই একে 'নীরব ঘাতক' বলা হয়। তবে, কিছু ক্ষেত্রে আক্রান্ত ব্যক্তি তীব্র মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, চোখ লাল হওয়া, বুকে ব্যথা, নাক দিয়ে রক্তপাত এবং বমি বমি ভাব অনুভব করতে পারেন। অতএব, যদি আপনার রক্তচাপের সমস্যা থাকে, তাহলে নিয়মিত আপনার রিডিং পরীক্ষা করে দেখুন এবং গুরুতর অবস্থার ক্ষেত্রে, অবিলম্বে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন।