ঢাকা   শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬
দৈনিক প্রথম সকাল

নতুন দায়িত্বে ফয়সল আমীন ও এলিজা জামান,নিলেন শপথ

বিশেষ প্রতিনিধি,দৈনিক প্রথম সকাল।  ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নবনির্বাচিত দুই সংসদ-সদস্য শপথ গ্রহণ করেছেন।শপথ নেওয়া দুই সংসদ সদস্য হলেন মির্জা ফয়সল আমীন ও এলিজা জামান।মঙ্গলবার ৩ রা নভেম্বর দুপুর ১২টায় জাতীয় সংসদ ভবনে স্পিকারের কার্যালয়ে তাদের শপথ পড়ান জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মোঃ গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়ার সঞ্চালনায় শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।এতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ উপস্থিত ছিলেন।সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদের তৃতীয় তফসিল এবং জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির ৫ অনুযায়ী স্পিকার নবনির্বাচিত সংসদ-সদস্যদের শপথ পড়ান।শপথ গ্রহণ শেষে দুই সংসদ সদস্য রীতি অনুযায়ী সংসদ সচিবের কক্ষে শপথ বইয়ে স্বাক্ষর করেন।অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার, চিফ হুইপ, অন্যান্য হুইপ, সংসদ-সদস্য এবং সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা,৩ রাতে ৩০০ লক্ষ্যবস্তু বিধ্বস্ত

নিজস্ব প্রতিনিধি,দৈনিক প্রথম সকাল। বিএনপির সংসদীয় দলের সভায় বিদায়ী বক্তব্য দেওয়ার সময় আবেগ ধরে রাখতে পারেননি দলের সদ্য সাবেক মহাসচিব ও রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।বক্তব্যের একপর্যায়ে কয়েকবার কেঁদে ফেলেন তিনি।আবেগঘন কণ্ঠে নেতাকর্মীদের কাছে দোয়া কামনার পাশাপাশি আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তাকে ভোট দেওয়ার অনুরোধ জানান।তার বক্তব্য ঘিরে সভাকক্ষে এক আবেগময় পরিবেশের সৃষ্টি হয়।এ সময় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকেও আবেগাপ্লুত হতে দেখা যায়।অদ্য বুধবার ১৯ শে আগস্ট জাতীয় সংসদ ভবনের সরকারি দলের সভাকক্ষে বিএনপির সংসদীয় দলের বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে দুপুর ২টায় শুরু হওয়া সভা চলে প্রায় দেড় ঘণ্টা।জানা যায় সভায় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি স্বাগত বক্তব্য দেন।তিনি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পর্কে সংসদ সদস্যদের বিস্তারিত ধারণা দেন এবং মির্জা ফখরুল ইসলামের পক্ষে ভোট চান।তিনি সংসদ সদস্যদের জানান আগামীকাল বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং মির্জা ফখরুল ইসলাম নিজেও ভোট দেবেন।রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করলে তার ঠাকুরগাঁও-৩ আসনটি শূন্য হবে।কান্নাজড়িত কণ্ঠে দোয়া চাইলেন ফখরুলএরপর বক্তব্য দিতে দাঁড়ান বিএনপির সদ্যবিদায়ী মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।সভায় উপস্থিত একাধিক সংসদ সদস্যের ভাষ্য, বক্তব্যের শুরুতেই তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এবং কান্নায় ভেঙে পড়েন।বক্তব্যে তিনি বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করেন এবং তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। একই সঙ্গে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে।কৃতজ্ঞতা জানান দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতিও।বিএনপিতে যোগ দেওয়ার পর জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও মহাসচিব হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালনের কথা তুলে ধরেন মির্জা ফখরুল। দায়িত্ব পালনের সময়ে কোনো ভুলভ্রান্তি হয়ে থাকলে কিংবা অজান্তে কারো মনে আঘাত দিয়ে থাকলে তিনি ক্ষমাপ্রার্থী বলেও জানান।তিনি বলেন দল তাকে যে সম্মান ও দায়িত্ব দিয়েছে, জীবন দিয়ে হলেও তিনি সেই সম্মান রক্ষা করবেন। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো আপস করবেন না।বঙ্গভবনে যাওয়ার পর সহকর্মীদের মিস করবেন উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল সবার কাছে দোয়া চান।একই সঙ্গে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তার পক্ষে ভোট দেওয়ার জন্য দলীয় সংসদ সদস্যদের প্রতি আহবান জানান তিনি।সভায় অংশ নেওয়া একাধিক সংসদ সদস্য জানান কয়েক মিনিটের বক্তব্যে চার-পাঁচবার কেঁদেছিলেন মির্জা ফখরুল।এতে সভাকক্ষে আবেগঘন পরিবেশ তৈরি হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

তেল বাণিজ্যে খুলছে ইরানের দুয়ার

নিজস্ব প্রতিনিধি,দৈনিক প্রথম সকাল। বিএনপির সংসদীয় দলের সভায় বিদায়ী বক্তব্য দেওয়ার সময় আবেগ ধরে রাখতে পারেননি দলের সদ্য সাবেক মহাসচিব ও রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।বক্তব্যের একপর্যায়ে কয়েকবার কেঁদে ফেলেন তিনি।আবেগঘন কণ্ঠে নেতাকর্মীদের কাছে দোয়া কামনার পাশাপাশি আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তাকে ভোট দেওয়ার অনুরোধ জানান।তার বক্তব্য ঘিরে সভাকক্ষে এক আবেগময় পরিবেশের সৃষ্টি হয়।এ সময় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকেও আবেগাপ্লুত হতে দেখা যায়।অদ্য বুধবার ১৯ শে আগস্ট জাতীয় সংসদ ভবনের সরকারি দলের সভাকক্ষে বিএনপির সংসদীয় দলের বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে দুপুর ২টায় শুরু হওয়া সভা চলে প্রায় দেড় ঘণ্টা।জানা যায় সভায় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি স্বাগত বক্তব্য দেন।তিনি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পর্কে সংসদ সদস্যদের বিস্তারিত ধারণা দেন এবং মির্জা ফখরুল ইসলামের পক্ষে ভোট চান।তিনি সংসদ সদস্যদের জানান আগামীকাল বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং মির্জা ফখরুল ইসলাম নিজেও ভোট দেবেন।রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করলে তার ঠাকুরগাঁও-৩ আসনটি শূন্য হবে।কান্নাজড়িত কণ্ঠে দোয়া চাইলেন ফখরুলএরপর বক্তব্য দিতে দাঁড়ান বিএনপির সদ্যবিদায়ী মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।সভায় উপস্থিত একাধিক সংসদ সদস্যের ভাষ্য, বক্তব্যের শুরুতেই তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এবং কান্নায় ভেঙে পড়েন।বক্তব্যে তিনি বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করেন এবং তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। একই সঙ্গে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে।কৃতজ্ঞতা জানান দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতিও।বিএনপিতে যোগ দেওয়ার পর জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও মহাসচিব হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালনের কথা তুলে ধরেন মির্জা ফখরুল। দায়িত্ব পালনের সময়ে কোনো ভুলভ্রান্তি হয়ে থাকলে কিংবা অজান্তে কারো মনে আঘাত দিয়ে থাকলে তিনি ক্ষমাপ্রার্থী বলেও জানান।তিনি বলেন দল তাকে যে সম্মান ও দায়িত্ব দিয়েছে, জীবন দিয়ে হলেও তিনি সেই সম্মান রক্ষা করবেন। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো আপস করবেন না।বঙ্গভবনে যাওয়ার পর সহকর্মীদের মিস করবেন উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল সবার কাছে দোয়া চান।একই সঙ্গে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তার পক্ষে ভোট দেওয়ার জন্য দলীয় সংসদ সদস্যদের প্রতি আহবান জানান তিনি।সভায় অংশ নেওয়া একাধিক সংসদ সদস্য জানান কয়েক মিনিটের বক্তব্যে চার-পাঁচবার কেঁদেছিলেন মির্জা ফখরুল।এতে সভাকক্ষে আবেগঘন পরিবেশ তৈরি হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

দক্ষ জনশক্তি গড়তে কারিগরি শিক্ষার বিকল্প নেই : হুইপ

নিজস্ব প্রতিনিধি,দৈনিক প্রথম সকাল। বিএনপির সংসদীয় দলের সভায় বিদায়ী বক্তব্য দেওয়ার সময় আবেগ ধরে রাখতে পারেননি দলের সদ্য সাবেক মহাসচিব ও রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।বক্তব্যের একপর্যায়ে কয়েকবার কেঁদে ফেলেন তিনি।আবেগঘন কণ্ঠে নেতাকর্মীদের কাছে দোয়া কামনার পাশাপাশি আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তাকে ভোট দেওয়ার অনুরোধ জানান।তার বক্তব্য ঘিরে সভাকক্ষে এক আবেগময় পরিবেশের সৃষ্টি হয়।এ সময় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকেও আবেগাপ্লুত হতে দেখা যায়।অদ্য বুধবার ১৯ শে আগস্ট জাতীয় সংসদ ভবনের সরকারি দলের সভাকক্ষে বিএনপির সংসদীয় দলের বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে দুপুর ২টায় শুরু হওয়া সভা চলে প্রায় দেড় ঘণ্টা।জানা যায় সভায় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি স্বাগত বক্তব্য দেন।তিনি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পর্কে সংসদ সদস্যদের বিস্তারিত ধারণা দেন এবং মির্জা ফখরুল ইসলামের পক্ষে ভোট চান।তিনি সংসদ সদস্যদের জানান আগামীকাল বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং মির্জা ফখরুল ইসলাম নিজেও ভোট দেবেন।রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করলে তার ঠাকুরগাঁও-৩ আসনটি শূন্য হবে।কান্নাজড়িত কণ্ঠে দোয়া চাইলেন ফখরুলএরপর বক্তব্য দিতে দাঁড়ান বিএনপির সদ্যবিদায়ী মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।সভায় উপস্থিত একাধিক সংসদ সদস্যের ভাষ্য, বক্তব্যের শুরুতেই তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এবং কান্নায় ভেঙে পড়েন।বক্তব্যে তিনি বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করেন এবং তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। একই সঙ্গে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে।কৃতজ্ঞতা জানান দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতিও।বিএনপিতে যোগ দেওয়ার পর জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও মহাসচিব হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালনের কথা তুলে ধরেন মির্জা ফখরুল। দায়িত্ব পালনের সময়ে কোনো ভুলভ্রান্তি হয়ে থাকলে কিংবা অজান্তে কারো মনে আঘাত দিয়ে থাকলে তিনি ক্ষমাপ্রার্থী বলেও জানান।তিনি বলেন দল তাকে যে সম্মান ও দায়িত্ব দিয়েছে, জীবন দিয়ে হলেও তিনি সেই সম্মান রক্ষা করবেন। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো আপস করবেন না।বঙ্গভবনে যাওয়ার পর সহকর্মীদের মিস করবেন উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল সবার কাছে দোয়া চান।একই সঙ্গে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তার পক্ষে ভোট দেওয়ার জন্য দলীয় সংসদ সদস্যদের প্রতি আহবান জানান তিনি।সভায় অংশ নেওয়া একাধিক সংসদ সদস্য জানান কয়েক মিনিটের বক্তব্যে চার-পাঁচবার কেঁদেছিলেন মির্জা ফখরুল।এতে সভাকক্ষে আবেগঘন পরিবেশ তৈরি হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

প্রতিদিনের বাংলাদেশ পত্রিকায় ‘ক্রাইম রিপোর্টার’ নিয়োগ

প্রতিদিনের বাংলাদেশ

চাপরতলা ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী উপজেলা যুবদলের সভাপতি মোঃ জামাল আহমেদ

চাপরতলা ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী উপজেলা যুবদলের সভাপতি মোঃ জামাল আহমেদ

তৃণমূলের মাঠ থেকে বিসিবির বোর্ডে,লালমনিরহাটের ক্রিকেট তারকা ফরিদ হোসেন

তৃণমূলের মাঠ থেকে বিসিবির বোর্ডে,লালমনিরহাটের ক্রিকেট তারকা ফরিদ হোসেন

সৈয়দ আবেদ উল্লাহ নিউটন চেয়ারম্যান প্রার্থী ও তার রাজনৈতিক পরিচয় এবং পারিবারিক ব্যাকগ্রাউন্ড

সৈয়দ আবেদ উল্লাহ নিউটন চেয়ারম্যান প্রার্থী ও তার রাজনৈতিক পরিচয় এবং পারিবারিক ব্যাকগ্রাউন্ড

হাজীরহাটে সিআর ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী গ্রেফতার

হাজীরহাটে সিআর ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী গ্রেফতার

ফরিদগঞ্জের ঘনিয়া সাঈদিয়া কামিল (এমএ) মাদরাসা শিক্ষার মান উন্নয়নে আলোচনা সভা

ফরিদগঞ্জের ঘনিয়া সাঈদিয়া কামিল (এমএ) মাদরাসা শিক্ষার মান উন্নয়নে আলোচনা সভা

চামড়া সংরক্ষণে  বিনামূল্যে ৩০ হাজার টন লবণ দেবে সরকার

চামড়া সংরক্ষণে বিনামূল্যে ৩০ হাজার টন লবণ দেবে সরকার

নকল ব্যান্ডরোল সিন্ডিকেটে অভিযান,আরও ২ জনকে খুঁজছে পুলিশ

নকল ব্যান্ডরোল সিন্ডিকেটে অভিযান,আরও ২ জনকে খুঁজছে পুলিশ

এম এ হান্নান এমপি- মৎস্য ও প্রানী সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটির সদস্য হওয়া সংবর্ধনা

এম এ হান্নান এমপি- মৎস্য ও প্রানী সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটির সদস্য হওয়া সংবর্ধনা

সিআইডি পুলিশের স্ত্রীর মামলায় ৩ সাংবাদিকের জামিন করালো বিএমএসএফের আইনজীবীরা

সিআইডি পুলিশের স্ত্রীর মামলায় ৩ সাংবাদিকের জামিন করালো বিএমএসএফের আইনজীবীরা

পুরোনো রাউটারকে বানিয়ে ফেলুন ওয়াই-ফাই এক্সটেন্ডার

পুরোনো রাউটারকে বানিয়ে ফেলুন ওয়াই-ফাই এক্সটেন্ডার

পীরযাত্রাপুরের সুখে-দুঃখের সাথী,আস্থার আরেক নাম হাবিবুর রহমান রনি

পীরযাত্রাপুরের সুখে-দুঃখের সাথী,আস্থার আরেক নাম হাবিবুর রহমান রনি

জিন্দারপুর ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুস সবুরের সমর্থনে উঠান বৈঠক

জিন্দারপুর ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুস সবুরের সমর্থনে উঠান বৈঠক

শান্তিগঞ্জে জমকালো আয়োজনে ‘তারেক ডেকোরেটার্স’-এর শুভ উদ্বোধন

শান্তিগঞ্জে জমকালো আয়োজনে ‘তারেক ডেকোরেটার্স’-এর শুভ উদ্বোধন

কানাইঘাট সীমান্তে বিজিবির পৃথক অভিযানে ১,২৬০ কেজি ভারতীয় জিরা জব্দ

কানাইঘাট সীমান্তে বিজিবির পৃথক অভিযানে ১,২৬০ কেজি ভারতীয় জিরা জব্দ

ঠাকুরগাঁওয়ের লোকায়ন জাদুঘরে রংপুর বিভাগের ছয় জেলা প্রশাসক, রোপণ করলেন দুর্লভ প্রজাতির বৃক্ষ

ঠাকুরগাঁওয়ের লোকায়ন জাদুঘরে রংপুর বিভাগের ছয় জেলা প্রশাসক, রোপণ করলেন দুর্লভ প্রজাতির বৃক্ষ

ভঙ্গুর অর্থনীতিতেও জনগণের কষ্ট লাঘবে কাজ করছে সরকারঃ ঠাকুরগাঁওয়ে ত্রাণমন্ত্রী দুলু

ভঙ্গুর অর্থনীতিতেও জনগণের কষ্ট লাঘবে কাজ করছে সরকারঃ ঠাকুরগাঁওয়ে ত্রাণমন্ত্রী দুলু

সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের উপর হামলা,প্রধান আসামি কারাগারে

সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের উপর হামলা,প্রধান আসামি কারাগারে

টেকনাফে অভিযান চালিয়ে অস্ত্র মামলার আসামিকে গ্রেফতার করেছে এসআরবি

টেকনাফে অভিযান চালিয়ে অস্ত্র মামলার আসামিকে গ্রেফতার করেছে এসআরবি

মাদক ও চুরি বিরোধী সুনামগঞ্জের তিনটি ইউনিয়নবাসির আয়োজনে প্রতিরোধমূলক সভা অনুষ্ঠিত

মাদক ও চুরি বিরোধী সুনামগঞ্জের তিনটি ইউনিয়নবাসির আয়োজনে প্রতিরোধমূলক সভা অনুষ্ঠিত

‎সাংবাদিকতা,সত্য অনুসন্ধান,জনস্বার্থ ও সমাজ পরিবর্তনের এক শক্তিশালী মাধ্যম

‎সাংবাদিকতা,সত্য অনুসন্ধান,জনস্বার্থ ও সমাজ পরিবর্তনের এক শক্তিশালী মাধ্যম

জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে পেশাদার চালকদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা

নিজস্ব প্রতিনিধি,দৈনিক প্রথম সকাল।   জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং পেশাদার মোটরযান চালকদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে।অদ্য সোমবার ২ রা নভেম্বর ২০২৬ ইং সকাল ১০টায় রাজধানীর বিআরটিসি ট্রেনিং সেন্টার, তেজগাঁও, ঢাকায় এ স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।এবারের জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল - “নিরাপদ সড়ক সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ”।বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ঢাকা মেট্রো সার্কেল-০২, ইকুরিয়া, কেরানীগঞ্জের উদ্যোগে এবং সেন্টার ফর ইনজুরি প্রিভেনশন অ্যান্ড রিসার্চ, বাংলাদেশ (সিআইপিআরবি)-এর সার্বিক সহযোগিতায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্যক্রমের আওতায় পেশাদার মোটরযান চালকদের ডায়াবেটিস, দৃষ্টিশক্তি ও উচ্চ রক্তচাপ পরীক্ষা করা হয়। পাশাপাশি চালকদের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখা, শারীরিক সক্ষমতা সম্পর্কে সচেতন থাকা এবং নিরাপদে যানবাহন চালানোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করা হয়।আয়োজকরা মনে করেন, সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চালকদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একজন সুস্থ, সচেতন ও দক্ষ চালক সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। বিশেষ করে দৃষ্টিশক্তির সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপ কিংবা ডায়াবেটিসের মতো শারীরিক জটিলতা সম্পর্কে আগাম সচেতনতা চালকদের নিরাপদে গাড়ি চালাতে সহায়তা করে।সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে শুধু ট্রাফিক আইন প্রয়োগ নয়, চালকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং জনসচেতনতা তৈরিও জরুরি। এ ধরনের স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্যক্রম পেশাদার চালকদের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি নিরাপদ সড়ক গড়ার উদ্যোগকে আরও বেগবান করবে বলে আশা প্রকাশ করেন সংশ্লিষ্টরা।সুস্থ চালক, নিরাপদ সড়ক-ট্রাফিক আইন মেনে চলুন, সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে এগিয়ে আসুন।

পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনের মধ্যে তিন শ্রমিক নেতা আটক,মুক্তির দাবি বিভিন্ন সংগঠনের

জীবন দেওয়ান উজ্জ্বল,নিজস্ব প্রতিবেদক। তৈরি পোশাকশিল্পের শ্রমিকদের ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণসহ বিভিন্ন দাবিতে চলমান আন্দোলনের মধ্যে উসকানি দেওয়ার অভিযোগ ও অন্যান্য ঘটনায় তিন শ্রমিক নেতাকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। এদিকে শ্রমিক নেতাদের আটকের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে তাঁদের নিঃশর্ত মুক্তি এবং হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতারা।প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী আটক শ্রমিক নেতারা হলেন-জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের আশুলিয়া থানা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ হালিম, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ট্রেড ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মোঃ শামীম এবং বাংলাদেশ টেক্সটাইল গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মনসুর আলী।জানা গেছে মোঃ হালিমকে আশুলিয়ার বসুন্ধরা সোনিয়া মার্কেট এলাকা থেকে ঢাকা জেলা (উত্তর) গোয়েন্দা পুলিশ আটক করে।অন্যদিকে মোঃ শামীম ও মোঃ মনসুর আলীকে জিরাবো এলাকা থেকে আটক করা হয়।এদিকে পোশাকশ্রমিকদের নতুন ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণের লক্ষ্যে সরকার গঠিত ছয় সদস্যের মজুরি বোর্ডে শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বাবুল আখতার।তিনি বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক। পাশাপাশি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনও মজুরি বোর্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন।অন্য দিকে শ্রমিক অসন্তোষ নিরসন,শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং মালিক-শ্রমিকের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের বিভিন্ন উদ্যোগে যুক্ত রয়েছেন শ্রমিক নেত্রী নাজমা আক্তার,আবুল হোসাইন ও লাভলী ইয়াসমিন।শ্রমিক সংগঠনগুলোর নেতাদের দাবি, শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি, চাকরির নিরাপত্তা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে কোনো শ্রমিক নেতা যেন হয়রানির শিকার না হন,তা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে আটক নেতাদের মুক্তি এবং তাঁদের বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।পোশাকশিল্প দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। তাই শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি, মালিকপক্ষের স্বার্থ এবং শিল্পের স্থিতিশীলতা বিবেচনায় নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে চলমান সংকটের সমাধান জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।আটক শ্রমিক নেতাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে তাঁদের বক্তব্য এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিস্তারিত ব্যাখ্যা পাওয়া গেলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।

সব বিভাগের খবর

নতুন নেতৃত্বের প্রত্যয়ে সুনামগঞ্জে এনসিপির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত

রফিকুল ইসলাম রফিক,সুনামগঞ্জ। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-তে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও সচেতন নাগরিকদের যোগদান উপলক্ষে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান এবং নবগঠিত সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।গতকাল বুধবার ৪ ঠা নভেম্বর সন্ধ্যা আট ঘটিকায় সুনামগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী শহীদ জগৎজ্যোতি পাঠাগারে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিলেট বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল আরিফ।অনুষ্ঠানে নবাগত নেতাকর্মী ও সচেতন নাগরিকদের স্বাগত জানানো হয়। পাশাপাশি নবগঠিত সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা কমিটির নেতৃবৃন্দের পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়।এ সময় দেওয়ান সাজাউর রাজা চৌধুরী সুমন বলেন নতুন সহযোদ্ধাদের অংশগ্রহণ দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করবে বলে তিনি আশাবাদী।পারস্পরিক শ্রদ্ধা,ঐক্য, দায়িত্বশীলতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও মানবিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।তিনি আরও বলেন মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সমুন্নত রাখা এবং একটি বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে এনসিপির নেতাকর্মীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।অনুষ্ঠানে নবগঠিত সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা কমিটির নেতৃবৃন্দকে অভিনন্দন জানানো হয়। একই সঙ্গে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দেওয়ান সাজাউর রাজা চৌধুরী সুমন। তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

নতুন দায়িত্বে ফয়সল আমীন ও এলিজা জামান,নিলেন শপথ

বিশেষ প্রতিনিধি,দৈনিক প্রথম সকাল।  ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নবনির্বাচিত দুই সংসদ-সদস্য শপথ গ্রহণ করেছেন।শপথ নেওয়া দুই সংসদ সদস্য হলেন মির্জা ফয়সল আমীন ও এলিজা জামান।মঙ্গলবার ৩ রা নভেম্বর দুপুর ১২টায় জাতীয় সংসদ ভবনে স্পিকারের কার্যালয়ে তাদের শপথ পড়ান জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মোঃ গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়ার সঞ্চালনায় শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।এতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ উপস্থিত ছিলেন।সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদের তৃতীয় তফসিল এবং জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির ৫ অনুযায়ী স্পিকার নবনির্বাচিত সংসদ-সদস্যদের শপথ পড়ান।শপথ গ্রহণ শেষে দুই সংসদ সদস্য রীতি অনুযায়ী সংসদ সচিবের কক্ষে শপথ বইয়ে স্বাক্ষর করেন।অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার, চিফ হুইপ, অন্যান্য হুইপ, সংসদ-সদস্য এবং সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

রাড্ডা ক্লিনিক দখল নিয়ে কঠোর বার্তাঃ ডা. শফিকুর রহমান

বিশেষ প্রতিবেদক,দৈনিক প্রথম সকাল।জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, রাতের অন্ধকারে রাড্ডা ক্লিনিক দখলের ঘটনায় অবশেষে সরকার ও সরকারি দল বাধ্য হয়ে সাংগঠনিক পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে। কিন্তু এত বড় অপকর্মের জন্য শুধু সাংগঠনিক পদক্ষেপ মোটেই যথেষ্ট নয়।অদ্য বৃহস্পতিবার ১ লা অক্টোবর দুপুর ২.৩০ মিনিটের দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।জামায়াত আমির বলেন কালপ্রিটদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিয়ে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। দেশবাসী দৃশ্যমান ও বিশ্বাসযোগ্য আইনি পদক্ষেপ দেখতে চায়।তিনি  বলেন একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত ও লুণ্ঠিত স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি টেকসইভাবে পুনর্নির্মাণের দায়িত্বও সরকারকে পালন করতে হবে।৫০ বছরের বেশি পুরানো রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্র ভাংচুর,দখল ও লুটপাটের হানিফ মিয়াসহ স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের কয়েকজন নেতার নামও ঘটনায় আসে যারা এলাকায় সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত।সমমনা দোকানদার সমবায় সমিতি লিমিটেডের সঙ্গেও স্থানীয় বিএনপির কয়েকজনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায়।বিষয়টে নিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক সমালোচনা তৈরি হলে আজ ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টিকে পদত্যাগের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।দুপুরে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সঙ্গে দেখা করে তিনি পদত্যাগ পত্র জমা দেন।

সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির পদত্যাগ

বিশেষ প্রতিবেদক,দৈনিক প্রথম সকাল।  জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি পদত্যাগ করেছেন।অদ্য বৃহস্পতিবার ১ লা অক্টোবর প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে স্পিকারের দপ্তরে পদত্যাগপত্র জমা দেন তিনি।এর আগে রাজধানীর মিরপুরের রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার (মা ও শিশুস্বাস্থ্য কেন্দ্র) গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে মিষ্টির পদত্যাগের বিষয়টি আলোচনায় আসে।ঐ ঘটনার রাতে রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা,ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠে।এ ঘটনায় সরকারি দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ততার অভিযোগও সামনে আসে।এছাড়া মিষ্টির অতীত রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়েও বিভিন্ন সময়ে অভিযোগ ও বিতর্ক রয়েছে।ওয়ার্ড কাউন্সিলর থাকাকালে তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি,সন্ত্রাস ও জমি দখলসহ বিভিন্ন অভিযোগ উঠে। এসব অভিযোগ ঘিরে তার রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়েও বিভিন্ন সময়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছিল।

ঘুস খাওয়ার প্রতিযোগিতা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন হাসনাত আবদুল্লাহ

নিজস্ব প্রতিনিধি,দৈনিক প্রথম সকাল। নতুন সরকার আসার পরেও ঘুস খাওয়ার প্রতিযোগিতা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন এনসিপির সংসদ সদস্য (এমপি) হাসনাত আবদুল্লাহ।সরকারের প্রতি আহবান জানিয়ে তিনি বলেন ফালতু সফটওয়্যারের হয়রানিমূলক নিবন্ধন সিস্টেম আমূল সংস্কার করুন। বিএমইটি কার্ডের হয়রানি থেকে প্রবাসীদের মুক্ত করুন।বৃহস্পতিবার ১৭ ই সেপ্টেম্বর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।পোস্টে তিনি লেখেন আমরা একটা অভিযোগ পাচ্ছি যে বিগত এক সপ্তাহ ধরে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো-বিএমইটি কার্ড বরাদ্দ বন্ধ।ক্লিয়ারেন্স কার্ড পাচ্ছে না লোকজন,তাই আন্দোলনের ঘোষণাও এসেছে। কিন্তু ব্যাক-চ্যানেলে ঠিকই কার্ড দিচ্ছে বেশি টাকায়।নতুন সরকার আসার পরেও ঘুস খাওয়ার প্রতিযোগিতা চলছে।বিএমইটি কেন দরকার-এমন প্রশ্ন রেখে তিনি লেখেন প্রবাসী শ্রমিকদের ক্ষেত্রে একটি কাজ অপরিহার্য তা হচ্ছে,শ্রমিকদের নিবন্ধনভিত্তিক ডেটাবেজ তৈরি।আপনার দরকার ডেটাবেজ,প্লাস্টিক কার্ডের ব্যবসা জরুরি নয়।ডেটাবেজ হবে এনআইডি ও পাসপোর্ট উভয়ের ডেটার সমন্বয়ে।কোন নাগরিক কোন দেশে, কোন নিয়োগকর্তার অধীনে আছেন,এই তথ্য থাকলে প্রবাসী শ্রমিকের অসুস্থতা,কর্মহীনতা,সিরিয়াস দুর্ঘটনা এবং মৃত্যুতে তাকে বা তার পরিবারকে সাপোর্ট দেওয়া যায়। পাশাপাশি লাশ ফেরানো,যুদ্ধ বা আঞ্চলিক সংঘাতে সরিয়ে আনা,মজুরি না পেলে দূতাবাসের হস্তক্ষেপ ইত্যাদির জন্য নিখুঁত রেজিস্ট্রেশন দরকার।কিন্তু প্রবাসী কল্যাণ ও বিএমইটি কি সব কাজ ঠিকঠাক করছে? যদি না করে, তাহলে রেজিস্ট্রেশনের নামে তাদের হয়রানির অধিকার কে দিয়েছে? দাবি জানিয়ে হাসনাত লেখেন প্রবাসীদের ক্রমাগত হয়রানি থামাতে, বিএমইটিকে গেটকিপার থেকে রেজিস্ট্রারে রূপান্তর করতে হবে। অর্থাৎ,শ্রমিকদের নিবন্ধন প্লাস্টিক কার্ড থেকে সরিয়ে ডেটাবেজভিত্তিক করতে হবে। সঠিক ডেটাবেজের জন্য দরকারঃ- ১। পাসপোর্ট, এনআইডির তথ্য সঠিকতা। এসব তথ্য ম্যানুয়াল ফিল হবে না, সার্ভার থেকে অটোমেটিক আসবে সিকিউর এপিআই করে।২। শিক্ষাগত যোগ্যতা ও দক্ষতা (শিক্ষা বোর্ডের ও টিটিসির সঙ্গে সরাসরি এপিআই করা ভেরিফিকেশন)। এখানে হার্ডকপি সার্টিফিকেট যাচাই পুরোপুরি বন্ধ করা হবে।৩। ভিসা যাচাই এবং প্রবাসী দূতাবাসের এন্ডোর্সমেন্ট। এটা শতভাগ অনলাইন ও এপিআইভিত্তিক হতে হবে।৪। হেলথ চেক। এখানেও ভিন্ন ভিন্ন দেশের অ্যাপ্রুভড ক্লিনিকের সঙ্গে রিয়েল-টাইম ডেটা ভেরিফিকেশন রাখতে হবে।এরপরে আসবে-দুর্ঘটনা, অসুস্থতা ও লাশ ফেরানোর মতো বিমার তথ্য, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ওয়েজ আর্নার্স সুবিধাদির তথ্য। বিদেশে কর্মহীন থাকার তথ্য এবং নেসেসারি সাপোর্ট।কুমিল্লা-৪ আসনের এই সংসদ সদস্য লেখেন, সাবেক ও বর্তমান সরকার এপিআইভিত্তিক রিয়েল-টাইম সনদ যাচাই পদ্ধতি সম্পর্কে হয় জ্ঞান রাখে না, না হয় দুর্নীতি ও ঘুসচক্র জারি রেখে দালালচক্র পালাই তাদের উদ্দেশ্য। ফলে, তারা এখনো হার্ডকপি পেপার ভেরিফিকেশনের একটা হয়রানিমূলক ব্যবস্থা চালু রেখেছে। একের পর এক নিম্নমান সফটওয়্যারের মাধ্যমে সেবার নামে হয়রানি চলছে।বিএমইটির কার্ডের পুরো জাস্টিফিকেশনটাই করা হয়েছিল প্রি-ডিপার্চার ট্রেনিং আর অথেন্টিক ডকুমেন্টস (জব, ভিসা) বাধ্যতামূলক করতে।এমনটি উল্লেখ করে তিনি লেখেন, অথচ বিএমইটি কার্ড দিয়ে ঘুস দেওয়া বাধ্যতামূলক করেছে। শুধু বৈধ ভিসা যাচাই এবং মেডিকেল কিংবা লাশ ফেরানো ও বিমা বরাদ্দ দেওয়ার জন্য বিএমইটির জাস্টিফিকেশন থাকে। প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন টিটিসিগুলোর (টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার) সার্টিফিকেশন রিয়েল-টাইম এপিআই ভেরিফিকেশনও করা যায়। তিনি আরও লেখেন যেহেতু হেলথ করানো হয় বিদেশি দূতাবাসগুলোর ট্রাস্টেড পার্টনার থেকে, তাই এসব ক্ষেত্রে ডকুমেন্ট অনলাইন এপিআই দিয়ে যাচাই করা সহজ হওয়ার কথা। কিন্তু,বাংলাদেশে বিএমইটি ভিসার বৈধতা,দক্ষতার সনদ,পাবলিক পরীক্ষার সার্টিফিকেট কিংবা মেডিকেল সনদ ইত্যাদির রিয়েল-টাইম ডেটাবেজ সাপেক্ষে যাচাই করতে পারে না। ফলে,এখানে জাল ডকুমেন্টের ছড়াছড়ি।এ অবস্থায় বিএমইটি থাকার যৌক্তিকতা কোথায়? বিমানবন্দরে প্রবাসীদের হয়রানি করা আর ম্যানপাওয়ার ব্যবসার নামে দালাল পোষার জন্য?ভারত ও নেপালের উদাহরণ দিয়ে তিনি লেখেন, বাংলাদেশ ভারত-নেপালের প্রবাসী শ্রমিক ম্যানেজমেন্ট থেকে শিক্ষা নিতে পারে।ভারতের মডেলটিই সবচেয়ে শিক্ষণীয়,এবং কারণটি ফি নয় বরং সেবার পরিধি। ভারতে ছাড়পত্র লাগে কেবল তাদের, যাদের পাসপোর্টে ECR সিল আছে, অর্থাৎ যারা দশম শ্রেণি পাশ করেননি। মাধ্যমিক পাস করলেই ইসিএনআর (ECNR) ক্যাটাগরি, কোনো ছাড়পত্র লাগে না।ছাড়পত্র লাগলেও তা কেবল নির্দিষ্ট ১৮টি দেশের জন্য। পুরো প্রক্রিয়া (emigrate ডট gove ডট in) এ অনলাইন,ফি ২০০ রূপি, আবেদনের দিনই পিওই (POE) ছাড়পত্র দেন।অনলাইনে এবং হয়রানি ছাড়া। অর্থাৎ, ভারত প্রবাসী সেবা অনলাইন ও পলিসি ভিত্তিক সহজ ও উন্মুক্ত করে সংস্থার আওতা সংকুচিত করেছে। শিক্ষার একটি ন্যূনতম মান পার হলেই রাষ্ট্র ধরে নিচ্ছে, নাগরিক নিজের সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম।বাস্তবে এটা কাজ করছে।এনসিপির এই নেতা আরও লেখেন ২০১৫ ইং সাল থেকে নেপাল তাদের ফ্রি ভিসা,ফ্রি টিকিট-নীতি বাস্তবায়ন করেছে, যেখানে সাতটি প্রধান গন্তব্যে ভিসা ও বিমানভাড়া নিয়োগকর্তার দায়। ফলে নেপালের প্রবাসী শ্রমিকও বেড়েছে, দালালের দৌরাত্ম্য ও খরচ দুটোই কমেছে। ভারতে POE / eMigrate (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) এর মাধ্যমে দূতাবাস-সত্যায়িত চুক্তিপত্র এবং নিয়োগকর্তার নিবন্ধন করে। কেবল ECR পাসপোর্টধারী, কেবল ১৮টি দেশের জন্য ছাড়পত্র লাগে। অদক্ষ শ্রমিক ও নারী শ্রমিকের ক্ষেত্রে ভারতীয় দূতাবাসের সত্যায়ন বাধ্যতামূলক।এতে করে যাচাইয়ের একটি প্রকৃত ভিত্তি থাকে বলে মন্তব্য করেন তিনি। হাসনাত লেখেন বাংলাদেশে সেই ভিত্তিটিই দুর্বল, ফলে ছাড়পত্র হয়ে দাঁড়ায় একটি সিল, যাচাই নয়।চাইলে ইমিগ্রেশনের ফোর-ট্র্যাক সফটওয়্যারেও একটি প্রবাসী সাপোর্ট ডেটা ফিল্ড খোলা যায়। এখানে ভিসা-পাসপোর্ট ম্যাপিং ডেটাবেজ, মেডিকেল রেকর্ড এবং টিটিসির সনদের রিয়েল-টাইম এপিআই যাচাই সম্ভব। কোনো নতুন প্রকল্প লাগে না, বিদ্যমান সিস্টেমের ইন্টারঅপারেবিলিটি করলেই হয়।শেষে তিনি লেখেন, বিশ্বব্যাংকের হিসেবে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের অভিবাসন ব্যয় প্রায় সর্বোচ্চ। বাংলাদেশ-সৌদি আরব, বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া, বাংলাদেশ-কাতার,বাংলাদেশ-আরব আমিরাত, বাংলাদেশ-কুয়েত করিডোরে পরিসংখ্যান ব্যুরোর হিসাবে গড় খরচ ৪ দশমিক ১৭ লাখ টাকা,যা তুলতে লাগে ১৭ দশমিক ৬ মাস। বাস্তবে ঘুস দালালচক্র এবং এয়ারপোর্ট কমিশনের পরে লাগে ৫ লাখের বেশি।অর্থাৎ, বাংলাদেশের প্রবাসী শ্রমিকদের অবস্থা ভয়াবহ।প্রবাসীদের হয়রানিমুক্ত সেবা দিতে,ফালতু সফটওয়্যারের হয়রানিমূলক নিবন্ধন সিস্টেম আমূল সংস্কার করুন। বিএমইটি কার্ডের হয়রানি থেকে প্রবাসীদের মুক্ত করুন।

ডিসেম্বরে আওয়ামী লীগ ফেরার হাওয়া-বাতাস স্যোশাল মিডিয়া,আরেকটা ভারতেঃ সারজিস আলম

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট,দৈনিক প্রথম সকাল।জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম বলেছেন ডিসেম্বরে আওয়ামী লীগ ফেরার কোনো হাওয়া-বাতাস দুইটা জায়গায় দেখা যায়৷ একটা স্যোশাল মিডিয়া,আরেকটা হয়তো ভারতে।বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ ফেরার কোনো বাতাস আসার সুযোগ নাই।স্বাধীন-সার্বভৌম ভূখণ্ডে গণহত্যাকারী,খুনী,মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি কোনো সাজাপ্রাপ্ত আসামি ফিরতে পারবে না।অদ্য শনিবার ২৯ শে আগস্ট রাত সাড়ে ৮টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এনসিপির সাংগঠনিক সমন্বয় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।জ্বালানি সমস্যার কথা উল্লেখ করে সারজিস আলম বলেন যদি অর্থমন্ত্রী ও জ্বালানি মন্ত্রী এই কথা বলেন যে বিদ্যুৎ এবং গ্যাসের সমস্যা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে,তাহলে এই সেক্টরগুলোর সাথে সংশ্লিষ্ট প্রত্যেক মন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত।এটা শুধু একজন মন্ত্রীকে দায় দিয়ে লাভ নেই।এই দায়ভার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কোনোভাবে এড়াতে পারেন না।  তিনি যদি দেখেন যে একজন মন্ত্রী সঠিকভাবে তার মন্ত্রণালয় চালাতে পারছে না,তাহলে অবশ্যই তাকে অপসারণ করতে হবে।সেটা না করে তাকে যদি বসিয়ে রাখেন এবং ব্যর্থতার নাটক দেখতে থাকেন; তাহলে এই দায়ভার আপনি এড়াতে পারেন না।আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির সমালোচনা করে তিনি বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যেন তার মন্ত্রণালয়ে একটু নজর দেন। তিনি তো বর্তমানে আসলে প্রধানমন্ত্রীর প্রক্সি হিসেবে কাজ করছেন।কিন্তু এটা করতে গিয়ে রাষ্ট্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তিনি নজর দিতে পারছেন না।আমরা তাকে আহবান করব তিনি যেন তার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দিকে নজর দেন।এনসিপির ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমিটির আহবায়ক জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার ও আশরাফ উদ্দিন মাহদি এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রশক্তির আহবায়ক বাকের মজুমদার প্রমুখ।

কোন পোস্ট নেই !
কোন পোস্ট নেই !
কোন পোস্ট নেই !
পীরযাত্রাপুরের সুখে-দুঃখের সাথী,আস্থার আরেক নাম হাবিবুর রহমান রনি

পীরযাত্রাপুরের সুখে-দুঃখের সাথী,আস্থার আরেক নাম হাবিবুর রহমান রনি

​সুমন আহমেদ,বিশেষ প্রতিনিধি,কুমিল্লা।স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার মূল ভিত্তি ইউনিয়ন পরিষদ। জনগণের দোরগোড়ায় নাগরিক সেবা পৌঁছে দেওয়া এবং গ্রামীণ অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ইউনিয়ন পরিষদের ভূমিকা অপরিসীম।আসন্ন কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার ৫নং পীরযাত্রাপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে স্থানীয় রাজনীতি ও সামাজিক অঙ্গনে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন এলাকার পরিচিত মুখ হাবিবুর রহমান রনি।এলাকার সাধারণ মানুষ ও সুধীমহলের সাথে কথা বলে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ড এবং জনসেবামূলক নানা উদ্যোগের সাথে যুক্ত থেকে তিনি স্থানীয় জনগণের মনে শক্ত স্থান করে নিয়েছেন।বিপদের দিনে সাধারণ মানুষের পাশে ছায়ার মতো থাকার কারণে এলাকাবাসীর কাছে তিনি কেবল একজন প্রার্থী নন,বরং একজন নির্ভরযোগ্য বন্ধু হিসেবে পরিচিত। এলাকার যুবসমাজকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার সুযোগ সৃষ্টি এবং প্রান্তিক মানুষের অধিকার রক্ষায় তিনি সবসময় বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে চান।​উন্নয়নের রূপরেখা ও নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ​একটি দুর্নীতিমুক্ত,স্বচ্ছ এবং জনবান্ধব ইউনিয়ন পরিষদ গঠনই তাঁর প্রধান লক্ষ্য। নির্বাচিত হলে তাঁর পরিকল্পনাগুলোর মধ্যে রয়েছেঃ—​অবকাঠামো উন্নয়নঃ- গ্রামীণ কাঁচা রাস্তাঘাট পাকাকরণ, ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং ভাঙা কালভার্ট সংস্কার।​সেবা সহজীকরণঃ-জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন, নাগরিক সনদ প্রদান এবং ভিজিডি-ভিজিএফসহ সকল সরকারি সহায়তা প্রকৃত ও অসহায় মানুষের দোরগোড়ায় স্বচ্ছতার সাথে পৌঁছে দেওয়া।​মাদক ও অপরাধমুক্ত সমাজ গঠন: যুবসমাজকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের প্রসার এবং সামাজিক অপরাধ দমনে জোরালো সচেতনতা বৃদ্ধি।শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা: স্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মানোন্নয়নে সহযোগিতা এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করা।জনসেবায় নিবেদিত প্রাণ​স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে হাবিবুর রহমান রনি এলাকার যেকোনো বিপদে-আপদে সবসময় মানুষের পাশে ছুটে গেছেন। বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক সংকটেও তিনি নিজ উদ্যোগে দরিদ্র মানুষের সহযোগিতায় এগিয়ে এসেছেন।​এ বিষয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী হাবিবুর রহমান রনি বলেন, "ইউনিয়নবাসীর সুখে-দুঃখে আমি অতীতেও পাশে ছিলাম,ভবিষ্যতেও থাকব। জনগণের রায় নিয়ে নির্বাচিত হতে পারলে পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, মডেল এবং দুর্নীতিমুক্ত ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলব। ইউনিয়নবাসীর প্রতিটি নাগরিক অধিকার ও সেবা শতভাগ নিশ্চিত করাই আমার একমাত্র ব্রত"।

কুমিল্লা বোর্ডে এইচএসসিতে পাসের হার ৪৮.০৪%, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১,৩১৩ জন

কুমিল্লা বোর্ডে এইচএসসিতে পাসের হার ৪৮.০৪%, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১,৩১৩ জন

রজত সাহা,কুমিল্লা। কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০২৬ সালের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় পাসের হার ৪৮ দশমিক ০৪ শতাংশ। এ বছর বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ হাজার ৩১৩ জন শিক্ষার্থী। গত বছরের তুলনায় পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে।অদ্য শনিবার ৩১  শে অক্টোবর প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, কুমিল্লা বোর্ডে মোট ৯২ হাজার ১৬২ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৪৪ হাজার ২৭২ জন।বিভাগ ভিত্তিক ফলাফলবিভাগ ভিত্তিক ফলাফলে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন। বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার ৬৩ দশমিক ৮৩ শতাংশ। মানবিক বিভাগে পাসের হার ৪১ দশমিক ৪৫ শতাংশ এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ৪০ দশমিক ৭৩ শতাংশ।ছাত্রীদের পাসের হার বেশিলিঙ্গ ভিত্তিক ফলাফলে ছাত্রীদের পাসের হার ৫১ দশমিক ২৬ শতাংশ। অন্যদিকে ছাত্রদের পাসের হার ৪৩ দশমিক ১৭ শতাংশ। উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর সংখ্যাতেও ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীরা এগিয়ে রয়েছেন।শতভাগ পাস চার প্রতিষ্ঠানে, শূন্য পাস ১৫টিতেবোর্ডের অধীনে চারটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সব পরীক্ষার্থী পাস করেছেন। বিপরীতে, ১৫টি প্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হতে পারেননি।গত বছরের তুলনায় ফলাফলের অবনতি২০২৫ ইং সালে কুমিল্লা বোর্ডে পাসের হার ছিল ৪৮ দশমিক ৮৬ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ২ হাজার ৭০৭ জন। চলতি বছর পাসের হার কমেছে ০ দশমিক ৮২ শতাংশ পয়েন্ট এবং জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ১ হাজার ৩৯৪ জন।ফলাফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন শিক্ষক ও অভিভাবকেরা। একই সঙ্গে ফলাফল বিশ্লেষণ করে শিক্ষার মান উন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস),দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড ও কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড।

কোন পোস্ট নেই !
 সিরাজগঞ্জে আগাম আমন ধান ঘরে তোলার ধুম,বাম্পার ফলনেও দাম নিয়ে চিন্তিত কৃষকরা

সিরাজগঞ্জে আগাম আমন ধান ঘরে তোলার ধুম,বাম্পার ফলনেও দাম নিয়ে চিন্তিত কৃষকরা

মোঃ আব্দুর রব মনসুর,সিরাজগঞ্জ। আবহাওয়া অনুকূলে থাকা ও সময়মতো যথাযথ পরিচর্যার কারণে সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলায় আগাম জাতের রোপা আমন ধান কাটা শুরু হয়েছে। দীর্ঘ দিন পর বাম্পারফলন দেখে জেলার কৃষককুলের মনে ফিরে এসেছে স্বস্তি ও আনন্দের হাসি।জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে চলতি মৌসুমে সিরাজগঞ্জ জেলায় মোট ৭৬ হাজার ৮২৫ হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধানের আবাদ করা হয়েছে,যা নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি। এর মধ্যে শুধু সদর উপজেলায় ১৪ হাজার ৩৬৫ হেক্টর জমিতে আমন চাষ করা হয়েছে। জেলার কাজিপুরসহ বিভিন্ন উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে এখন সোনালি ধানের শিষ বাতাসে দুলছে। ইতোমধ্যে অনেক কৃষক ধান কেটে ঘরেও তুলেছেন।সরেজমিনে জেলার বিভিন্ন উপজেলার মাঠে মাঠে ধান কাটা ও মাড়াইয়ের উৎসবমুখর কর্মযজ্ঞ লক্ষ্য করা গেছে। চাষাবাদের শুরু থেকে বড় কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না থাকায় এবং আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় অন্য বছরের তুলনায় এবার ধানের ফলন বেশ ভালো হয়েছে।কাজিপুর উপজেলার সোনামুখী ইউনিয়নের  দুর্গতি পাড়া এলাকার চাষী রঞ্জু মিয়া জানান "তিন বিঘা জমিতে ধান লাগিয়েছিলাম।ইতোমধ্যে দুই বিঘা জমির ধান কেটে ভালো ফলন পেয়েছি।তবে এবার সার,বীজ ও শ্রমিক মজুরি বেশি পড়েছে। বাজারে ধানের চড়া দাম না পেলে আমাদের লাভবান হওয়া কঠিন হবে"।মাঠপর্যায়ের কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আগাম জাতের ধান ঘরে তোলার পর এই জমিগুলোতে পরবর্তী সময়ে আগাম সরিষা চাষের পরিকল্পনা করছেন তাঁরা।এতে কৃষকদের দ্বিগুণ আয়ের সম্ভাবনা তৈরি হবে।সিরাজগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক এ কে এম মঞ্জুরে মওলা বলেন, অনুকূল আবহাওয়ার কারণে এবার ধানের ফলন খুব ভালো হয়েছে।কৃষকরা যাতে নির্বিঘ্নে ধান কাটা ও সংরক্ষণ করতে পারেন, সেজন্য মাঠপর্যায়ে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।তবে বাম্পার ফলনের আনন্দ থাকলেও বাজারে ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা না গেলে প্রান্তিক কৃষকদের লোকসানের মুখে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয় কৃষি বিশেষজ্ঞরা।

কাজিপুরের সোনামুখী মেলায় আজ আসছেন চিত্রনায়ক মেহেদী হাসান

কাজিপুরের সোনামুখী মেলায় আজ আসছেন চিত্রনায়ক মেহেদী হাসান

মোঃ আব্দুর রব মনসুর, সিরাজগঞ্জ।সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী সোনামুখী মেলায় শুরু হয়েছে নতুন এক আমেজ। মেলার প্রধান আকর্ষণ হিসেবে ‘দি নিউ লাকি সার্কাস’-এ যোগ দিয়েছেন ঢালিউডের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক মেহেদী হাসান। ৪ ও ৫ তারিখ (বৃহস্পতি ও শুক্রবার) মেলা প্রাঙ্গণে দর্শক মাতাতে সরাসরি উপস্থিত থাকছেন এই তারকা।গতকাল মেলা প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখা যায় চিত্রনায়ক মেহেদী হাসানের আগমনকে কেন্দ্র করে সোনামুখী ও আশেপাশের এলাকায় ব্যাপক উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে।বিশেষ করে গ্রামীণ জনপদের সাধারণ মানুষ রূপালী পর্দার প্রিয় নায়ককে সামনাসামনি দেখার এই সুযোগ হাতছাড়া করতে চাচ্ছেন না।মেলা উদযাপন কমিটির এক সদস্য জানান "সোনামুখী মেলা ৩০০ বছরের  ঐতিহ্য।এবার চিত্রনায়ক মেহেদী হাসানের উপস্থিতিতে মেলা প্রাঙ্গণ আরও জমজমাট হয়ে উঠেছে। দর্শকদের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে"।দি নিউ লাকি সার্কাস’ কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে জানা যায়, চিত্রনায়ক মেহেদীর মনোজ্ঞ পরিবেশনার পাশাপাশি সার্কাসে রয়েছে দেশ-বিদেশের কুশলীদের রোমাঞ্চকর ও শ্বাসরুদ্ধকর শারীরিক কসরত। দুই দিনব্যাপী এই বিশেষ প্রদর্শনীতে দুপুর তিন থেকে শো শুরু হয়ে রাত ১২পর্যন্ত চলবে। মেলায় আগত দর্শনার্থীরা এই আয়োজনকে কেন্দ্র করে বেশ আনন্দিত ও উচ্ছ্বসিত।

কোন পোস্ট নেই !
‎সাংবাদিকতা,সত্য অনুসন্ধান,জনস্বার্থ ও সমাজ পরিবর্তনের এক শক্তিশালী মাধ্যম

‎সাংবাদিকতা,সত্য অনুসন্ধান,জনস্বার্থ ও সমাজ পরিবর্তনের এক শক্তিশালী মাধ্যম

‎রফিকুল ইসলাম রফিক,সুনামগঞ্জ। সাংবাদিকতা শুধু সংবাদ সংগ্রহ, লেখা কিংবা প্রকাশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি একটি মহান পেশা, সামাজিক দায়িত্ব এবং জনস্বার্থ রক্ষার অন্যতম শক্তিশালী মাধ্যম।সমাজের বাস্তব চিত্র তুলে ধরা, অন্যায়-অনিয়মের বিরুদ্ধে জনমত তৈরি করা, রাষ্ট্রের জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে সাংবাদিকতা।‎‎সাংবাদিকতা কী?‎সাংবাদিকতা হলো সমাজ, রাষ্ট্র, রাজনীতি, অর্থনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সংস্কৃতি, অপরাধ, মানবাধিকারসহ বিভিন্ন বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ, যাচাই-বাছাই, বিশ্লেষণ এবং তা গণমাধ্যমের মাধ্যমে জনসাধারণের কাছে নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠভাবে উপস্থাপনের প্রক্রিয়া।একজন সাংবাদিকের প্রধান দায়িত্ব হলো সত্য অনুসন্ধান করা এবং সেই সত্য মানুষের সামনে তুলে ধরা। তিনি সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের কথা শোনেন, ঘটনা পর্যবেক্ষণ করেন,তথ্য-উপাত্ত যাচাই করেন এবং জনগণের জানার অধিকার নিশ্চিত করতে কাজ করেন।‎‎সাংবাদিকতা কেন প্রয়োজন?‎একটি সভ্য, সচেতন ও গণতান্ত্রিক সমাজ গঠনে সাংবাদিকতার গুরুত্ব অপরিসীম। কারণ, জনগণকে সঠিক তথ্য জানানো এবং রাষ্ট্র ও সমাজের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড সম্পর্কে সচেতন করাই সাংবাদিকতার অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য।‎সাংবাদিকতা প্রয়োজন কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণেঃ—‎১. সত্য ও সঠিক তথ্য প্রকাশ: সমাজে ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, সমস্যা ও সম্ভাবনার বাস্তব চিত্র তুলে ধরে সাংবাদিকতা। গুজব, অপতথ্য ও বিভ্রান্তি থেকে মানুষকে রক্ষা করতে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার বিকল্প নেই।‎২. অন্যায় ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে ভূমিকাঃ দুর্নীতি,অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার, বৈষম্য ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা অনুসন্ধান করে জনসমক্ষে তুলে ধরার মাধ্যমে সাংবাদিকতা জবাবদিহি প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করে।‎৩. জনসচেতনতা সৃষ্টি: শিক্ষা,স্বাস্থ্য,পরিবেশ,আইন,সামাজিক সমস্যা ও নাগরিক অধিকার সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করে সাংবাদিকতা। ফলে জনগণ নিজেদের অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে জানতে পারে।‎৪. গণতন্ত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা: গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে জনগণের মতামত, দাবি, সমালোচনা ও প্রত্যাশা তুলে ধরার অন্যতম মাধ্যম গণমাধ্যম। স্বাধীন ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখে।‎৫. অবহেলিত মানুষের কণ্ঠস্বর: সমাজের দরিদ্র, অসহায়, নির্যাতিত ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সমস্যা ও দাবিগুলো তুলে ধরে সাংবাদিকতা। যাদের কথা অনেক সময় ক্ষমতাবানদের কাছে পৌঁছায় না, তাদের কথা সমাজ ও রাষ্ট্রের সামনে তুলে ধরাই সাংবাদিকতার অন্যতম মানবিক দায়িত্ব।‎সাংবাদিকতা কি শুধু সংবাদ প্রকাশের পেশা?‎না, সাংবাদিকতা কেবল একটি পেশা নয়।এটি জনস্বার্থে কাজ করার একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। একজন প্রকৃত সাংবাদিক কখনো ব্যক্তিগত স্বার্থ, রাজনৈতিক প্রভাব,অর্থনৈতিক সুবিধা কিংবা কোনো পক্ষের চাপে সত্যকে আড়াল করতে পারেন না। তাঁর কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হওয়া উচিত সত্য, ন্যায়, মানবিকতা ও জনস্বার্থ।‎সাংবাদিকতার সঙ্গে যেমন স্বাধীনতা জড়িত,তেমনি এর সঙ্গে জড়িত দায়িত্বশীলতাও। সংবাদ প্রকাশের আগে তথ্য যাচাই, সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য গ্রহণ,ব্যক্তিগত গোপনীয়তার প্রতি সম্মান এবং নিরপেক্ষতা বজায় রাখা একজন পেশাদার সাংবাদিকের মৌলিক দায়িত্ব।‎বর্তমান সময়ে সাংবাদিকতার চ্যালেঞ্জ‎প্রযুক্তির উন্নয়নে সাংবাদিকতার পরিধি অনেক বেড়েছে। সংবাদপত্র, টেলিভিশন, অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে মুহূর্তেই সংবাদ ছড়িয়ে পড়ছে।তবে এর পাশাপাশি বেড়েছে ভুয়া সংবাদ, অপতথ্য, গুজব, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা ও যাচাইহীন তথ্য প্রকাশের ঝুঁকি।‎এ ছাড়া সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা, স্বাধীনভাবে কাজ করার পরিবেশ, আর্থিক অনিশ্চয়তা, রাজনৈতিক ও সামাজিক চাপ এবং তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করাও বর্তমান সময়ের বড় চ্যালেঞ্জ।‎এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রয়োজন স্বাধীন, নিরপেক্ষ, নৈতিক ও পেশাদার সাংবাদিকতা। পাশাপাশি সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ, পেশাগত মর্যাদা,নিরাপত্তা এবং স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ নিশ্চিত করা জরুরি।‎একজন আদর্শ সাংবাদিকের গুণাবলি‎একজন আদর্শ সাংবাদিকের মধ্যে সততা, সাহসিকতা, নিরপেক্ষতা, দায়িত্ববোধ, অনুসন্ধানী মনোভাব এবং মানবিক মূল্যবোধ থাকা প্রয়োজন। তাঁকে হতে হবে তথ্যনির্ভর ও যুক্তিবাদী। কোনো সংবাদ প্রকাশের আগে একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে তথ্য যাচাই করা এবং ভুল হলে তা সংশোধন করার মানসিকতাও থাকতে হবে।‎সাংবাদিকের কলম হতে হবে সত্যের পক্ষে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে এবং মানুষের কল্যাণে। তবে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রকাশের ক্ষেত্রে যথাযথ প্রমাণ ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য গ্রহণ করা অপরিহার্য।‎উপসংহারঃ-‎সাংবাদিকতা একটি সমাজের বিবেক ও রাষ্ট্রের জবাবদিহি প্রতিষ্ঠার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। যে সমাজে স্বাধীন, দায়িত্বশীল ও সাহসী সাংবাদিকতা বিকশিত হয়,সে সমাজে অন্যায়-অনিয়মের বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরি হওয়ার সুযোগ বাড়ে। জনগণ পায় সত্য জানার অধিকার, রাষ্ট্র পায় জবাবদিহির চাপ এবং সমাজ এগিয়ে যায় সচেতনতার পথে।‎তাই সাংবাদিকতাকে শুধু জীবিকা অর্জনের পেশা হিসেবে দেখলে চলবে না,একে দেখতে হবে সত্য অনুসন্ধান, মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা এবং জনস্বার্থ রক্ষার এক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হিসেবে।‎সাংবাদিকতার মূল শক্তি তার কলমে নয়,তার সত্যনিষ্ঠায়। কারণ, সংবাদ মানুষের কাছে পৌঁছানোই সাংবাদিকতার কাজ নয়; বরং মানুষকে সত্য জানতে সহায়তা করাই সাংবাদিকতার প্রকৃত সার্থকতা।

কোন পোস্ট নেই !