ঢাকা   রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬
দৈনিক প্রথম সকাল

নতুন দায়িত্বে ফয়সল আমীন ও এলিজা জামান,নিলেন শপথ

বিশেষ প্রতিনিধি,দৈনিক প্রথম সকাল।  ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নবনির্বাচিত দুই সংসদ-সদস্য শপথ গ্রহণ করেছেন।শপথ নেওয়া দুই সংসদ সদস্য হলেন মির্জা ফয়সল আমীন ও এলিজা জামান।মঙ্গলবার ৩ রা নভেম্বর দুপুর ১২টায় জাতীয় সংসদ ভবনে স্পিকারের কার্যালয়ে তাদের শপথ পড়ান জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মোঃ গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়ার সঞ্চালনায় শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।এতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ উপস্থিত ছিলেন।সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদের তৃতীয় তফসিল এবং জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির ৫ অনুযায়ী স্পিকার নবনির্বাচিত সংসদ-সদস্যদের শপথ পড়ান।শপথ গ্রহণ শেষে দুই সংসদ সদস্য রীতি অনুযায়ী সংসদ সচিবের কক্ষে শপথ বইয়ে স্বাক্ষর করেন।অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার, চিফ হুইপ, অন্যান্য হুইপ, সংসদ-সদস্য এবং সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা,৩ রাতে ৩০০ লক্ষ্যবস্তু বিধ্বস্ত

নিজস্ব প্রতিনিধি,দৈনিক প্রথম সকাল। বিএনপির সংসদীয় দলের সভায় বিদায়ী বক্তব্য দেওয়ার সময় আবেগ ধরে রাখতে পারেননি দলের সদ্য সাবেক মহাসচিব ও রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।বক্তব্যের একপর্যায়ে কয়েকবার কেঁদে ফেলেন তিনি।আবেগঘন কণ্ঠে নেতাকর্মীদের কাছে দোয়া কামনার পাশাপাশি আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তাকে ভোট দেওয়ার অনুরোধ জানান।তার বক্তব্য ঘিরে সভাকক্ষে এক আবেগময় পরিবেশের সৃষ্টি হয়।এ সময় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকেও আবেগাপ্লুত হতে দেখা যায়।অদ্য বুধবার ১৯ শে আগস্ট জাতীয় সংসদ ভবনের সরকারি দলের সভাকক্ষে বিএনপির সংসদীয় দলের বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে দুপুর ২টায় শুরু হওয়া সভা চলে প্রায় দেড় ঘণ্টা।জানা যায় সভায় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি স্বাগত বক্তব্য দেন।তিনি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পর্কে সংসদ সদস্যদের বিস্তারিত ধারণা দেন এবং মির্জা ফখরুল ইসলামের পক্ষে ভোট চান।তিনি সংসদ সদস্যদের জানান আগামীকাল বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং মির্জা ফখরুল ইসলাম নিজেও ভোট দেবেন।রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করলে তার ঠাকুরগাঁও-৩ আসনটি শূন্য হবে।কান্নাজড়িত কণ্ঠে দোয়া চাইলেন ফখরুলএরপর বক্তব্য দিতে দাঁড়ান বিএনপির সদ্যবিদায়ী মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।সভায় উপস্থিত একাধিক সংসদ সদস্যের ভাষ্য, বক্তব্যের শুরুতেই তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এবং কান্নায় ভেঙে পড়েন।বক্তব্যে তিনি বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করেন এবং তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। একই সঙ্গে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে।কৃতজ্ঞতা জানান দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতিও।বিএনপিতে যোগ দেওয়ার পর জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও মহাসচিব হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালনের কথা তুলে ধরেন মির্জা ফখরুল। দায়িত্ব পালনের সময়ে কোনো ভুলভ্রান্তি হয়ে থাকলে কিংবা অজান্তে কারো মনে আঘাত দিয়ে থাকলে তিনি ক্ষমাপ্রার্থী বলেও জানান।তিনি বলেন দল তাকে যে সম্মান ও দায়িত্ব দিয়েছে, জীবন দিয়ে হলেও তিনি সেই সম্মান রক্ষা করবেন। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো আপস করবেন না।বঙ্গভবনে যাওয়ার পর সহকর্মীদের মিস করবেন উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল সবার কাছে দোয়া চান।একই সঙ্গে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তার পক্ষে ভোট দেওয়ার জন্য দলীয় সংসদ সদস্যদের প্রতি আহবান জানান তিনি।সভায় অংশ নেওয়া একাধিক সংসদ সদস্য জানান কয়েক মিনিটের বক্তব্যে চার-পাঁচবার কেঁদেছিলেন মির্জা ফখরুল।এতে সভাকক্ষে আবেগঘন পরিবেশ তৈরি হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

তেল বাণিজ্যে খুলছে ইরানের দুয়ার

নিজস্ব প্রতিনিধি,দৈনিক প্রথম সকাল। বিএনপির সংসদীয় দলের সভায় বিদায়ী বক্তব্য দেওয়ার সময় আবেগ ধরে রাখতে পারেননি দলের সদ্য সাবেক মহাসচিব ও রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।বক্তব্যের একপর্যায়ে কয়েকবার কেঁদে ফেলেন তিনি।আবেগঘন কণ্ঠে নেতাকর্মীদের কাছে দোয়া কামনার পাশাপাশি আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তাকে ভোট দেওয়ার অনুরোধ জানান।তার বক্তব্য ঘিরে সভাকক্ষে এক আবেগময় পরিবেশের সৃষ্টি হয়।এ সময় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকেও আবেগাপ্লুত হতে দেখা যায়।অদ্য বুধবার ১৯ শে আগস্ট জাতীয় সংসদ ভবনের সরকারি দলের সভাকক্ষে বিএনপির সংসদীয় দলের বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে দুপুর ২টায় শুরু হওয়া সভা চলে প্রায় দেড় ঘণ্টা।জানা যায় সভায় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি স্বাগত বক্তব্য দেন।তিনি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পর্কে সংসদ সদস্যদের বিস্তারিত ধারণা দেন এবং মির্জা ফখরুল ইসলামের পক্ষে ভোট চান।তিনি সংসদ সদস্যদের জানান আগামীকাল বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং মির্জা ফখরুল ইসলাম নিজেও ভোট দেবেন।রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করলে তার ঠাকুরগাঁও-৩ আসনটি শূন্য হবে।কান্নাজড়িত কণ্ঠে দোয়া চাইলেন ফখরুলএরপর বক্তব্য দিতে দাঁড়ান বিএনপির সদ্যবিদায়ী মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।সভায় উপস্থিত একাধিক সংসদ সদস্যের ভাষ্য, বক্তব্যের শুরুতেই তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এবং কান্নায় ভেঙে পড়েন।বক্তব্যে তিনি বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করেন এবং তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। একই সঙ্গে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে।কৃতজ্ঞতা জানান দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতিও।বিএনপিতে যোগ দেওয়ার পর জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও মহাসচিব হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালনের কথা তুলে ধরেন মির্জা ফখরুল। দায়িত্ব পালনের সময়ে কোনো ভুলভ্রান্তি হয়ে থাকলে কিংবা অজান্তে কারো মনে আঘাত দিয়ে থাকলে তিনি ক্ষমাপ্রার্থী বলেও জানান।তিনি বলেন দল তাকে যে সম্মান ও দায়িত্ব দিয়েছে, জীবন দিয়ে হলেও তিনি সেই সম্মান রক্ষা করবেন। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো আপস করবেন না।বঙ্গভবনে যাওয়ার পর সহকর্মীদের মিস করবেন উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল সবার কাছে দোয়া চান।একই সঙ্গে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তার পক্ষে ভোট দেওয়ার জন্য দলীয় সংসদ সদস্যদের প্রতি আহবান জানান তিনি।সভায় অংশ নেওয়া একাধিক সংসদ সদস্য জানান কয়েক মিনিটের বক্তব্যে চার-পাঁচবার কেঁদেছিলেন মির্জা ফখরুল।এতে সভাকক্ষে আবেগঘন পরিবেশ তৈরি হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

দক্ষ জনশক্তি গড়তে কারিগরি শিক্ষার বিকল্প নেই : হুইপ

নিজস্ব প্রতিনিধি,দৈনিক প্রথম সকাল। বিএনপির সংসদীয় দলের সভায় বিদায়ী বক্তব্য দেওয়ার সময় আবেগ ধরে রাখতে পারেননি দলের সদ্য সাবেক মহাসচিব ও রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।বক্তব্যের একপর্যায়ে কয়েকবার কেঁদে ফেলেন তিনি।আবেগঘন কণ্ঠে নেতাকর্মীদের কাছে দোয়া কামনার পাশাপাশি আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তাকে ভোট দেওয়ার অনুরোধ জানান।তার বক্তব্য ঘিরে সভাকক্ষে এক আবেগময় পরিবেশের সৃষ্টি হয়।এ সময় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকেও আবেগাপ্লুত হতে দেখা যায়।অদ্য বুধবার ১৯ শে আগস্ট জাতীয় সংসদ ভবনের সরকারি দলের সভাকক্ষে বিএনপির সংসদীয় দলের বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে দুপুর ২টায় শুরু হওয়া সভা চলে প্রায় দেড় ঘণ্টা।জানা যায় সভায় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি স্বাগত বক্তব্য দেন।তিনি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পর্কে সংসদ সদস্যদের বিস্তারিত ধারণা দেন এবং মির্জা ফখরুল ইসলামের পক্ষে ভোট চান।তিনি সংসদ সদস্যদের জানান আগামীকাল বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং মির্জা ফখরুল ইসলাম নিজেও ভোট দেবেন।রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করলে তার ঠাকুরগাঁও-৩ আসনটি শূন্য হবে।কান্নাজড়িত কণ্ঠে দোয়া চাইলেন ফখরুলএরপর বক্তব্য দিতে দাঁড়ান বিএনপির সদ্যবিদায়ী মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।সভায় উপস্থিত একাধিক সংসদ সদস্যের ভাষ্য, বক্তব্যের শুরুতেই তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এবং কান্নায় ভেঙে পড়েন।বক্তব্যে তিনি বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করেন এবং তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। একই সঙ্গে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে।কৃতজ্ঞতা জানান দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতিও।বিএনপিতে যোগ দেওয়ার পর জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও মহাসচিব হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালনের কথা তুলে ধরেন মির্জা ফখরুল। দায়িত্ব পালনের সময়ে কোনো ভুলভ্রান্তি হয়ে থাকলে কিংবা অজান্তে কারো মনে আঘাত দিয়ে থাকলে তিনি ক্ষমাপ্রার্থী বলেও জানান।তিনি বলেন দল তাকে যে সম্মান ও দায়িত্ব দিয়েছে, জীবন দিয়ে হলেও তিনি সেই সম্মান রক্ষা করবেন। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো আপস করবেন না।বঙ্গভবনে যাওয়ার পর সহকর্মীদের মিস করবেন উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল সবার কাছে দোয়া চান।একই সঙ্গে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তার পক্ষে ভোট দেওয়ার জন্য দলীয় সংসদ সদস্যদের প্রতি আহবান জানান তিনি।সভায় অংশ নেওয়া একাধিক সংসদ সদস্য জানান কয়েক মিনিটের বক্তব্যে চার-পাঁচবার কেঁদেছিলেন মির্জা ফখরুল।এতে সভাকক্ষে আবেগঘন পরিবেশ তৈরি হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

প্রতিদিনের বাংলাদেশ পত্রিকায় ‘ক্রাইম রিপোর্টার’ নিয়োগ

প্রতিদিনের বাংলাদেশ

চাপরতলা ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী উপজেলা যুবদলের সভাপতি মোঃ জামাল আহমেদ

চাপরতলা ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী উপজেলা যুবদলের সভাপতি মোঃ জামাল আহমেদ

তৃণমূলের মাঠ থেকে বিসিবির বোর্ডে,লালমনিরহাটের ক্রিকেট তারকা ফরিদ হোসেন

তৃণমূলের মাঠ থেকে বিসিবির বোর্ডে,লালমনিরহাটের ক্রিকেট তারকা ফরিদ হোসেন

সৈয়দ আবেদ উল্লাহ নিউটন চেয়ারম্যান প্রার্থী ও তার রাজনৈতিক পরিচয় এবং পারিবারিক ব্যাকগ্রাউন্ড

সৈয়দ আবেদ উল্লাহ নিউটন চেয়ারম্যান প্রার্থী ও তার রাজনৈতিক পরিচয় এবং পারিবারিক ব্যাকগ্রাউন্ড

ভবানীগঞ্জ সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত

ভবানীগঞ্জ সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত

হাজীরহাটে সিআর ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী গ্রেফতার

হাজীরহাটে সিআর ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী গ্রেফতার

ফরিদগঞ্জের ঘনিয়া সাঈদিয়া কামিল (এমএ) মাদরাসা শিক্ষার মান উন্নয়নে আলোচনা সভা

ফরিদগঞ্জের ঘনিয়া সাঈদিয়া কামিল (এমএ) মাদরাসা শিক্ষার মান উন্নয়নে আলোচনা সভা

চামড়া সংরক্ষণে  বিনামূল্যে ৩০ হাজার টন লবণ দেবে সরকার

চামড়া সংরক্ষণে বিনামূল্যে ৩০ হাজার টন লবণ দেবে সরকার

নকল ব্যান্ডরোল সিন্ডিকেটে অভিযান,আরও ২ জনকে খুঁজছে পুলিশ

নকল ব্যান্ডরোল সিন্ডিকেটে অভিযান,আরও ২ জনকে খুঁজছে পুলিশ

এম এ হান্নান এমপি- মৎস্য ও প্রানী সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটির সদস্য হওয়া সংবর্ধনা

এম এ হান্নান এমপি- মৎস্য ও প্রানী সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটির সদস্য হওয়া সংবর্ধনা

সিআইডি পুলিশের স্ত্রীর মামলায় ৩ সাংবাদিকের জামিন করালো বিএমএসএফের আইনজীবীরা

সিআইডি পুলিশের স্ত্রীর মামলায় ৩ সাংবাদিকের জামিন করালো বিএমএসএফের আইনজীবীরা

নবাবগঞ্জ উপজেলায় ৫৫তম সমবায় দিবস আয়োজিত

নবাবগঞ্জ উপজেলায় ৫৫তম সমবায় দিবস আয়োজিত

মাদকমুক্ত যুবসমাজ গড়তে খেলাধুলার বিকল্প নেইঃ আবু সায়েম সরকার

মাদকমুক্ত যুবসমাজ গড়তে খেলাধুলার বিকল্প নেইঃ আবু সায়েম সরকার

আখাউড়ায় রেল-সড়ক অবরোধের ঘোষণা,ভোগান্তির শঙ্কায় যাত্রীরা

আখাউড়ায় রেল-সড়ক অবরোধের ঘোষণা,ভোগান্তির শঙ্কায় যাত্রীরা

ফটিকছড়িতে সমবায় দিবস ঘিরে নানা আয়োজন,আলোচনায় উঠে এলো নতুন প্রত্যাশা

ফটিকছড়িতে সমবায় দিবস ঘিরে নানা আয়োজন,আলোচনায় উঠে এলো নতুন প্রত্যাশা

যশোরে টিকটকে নগ্ন বিকৃত ছবি ছড়ানোর অভিযোগ,জিডি,প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা

যশোরে টিকটকে নগ্ন বিকৃত ছবি ছড়ানোর অভিযোগ,জিডি,প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে আট মাসে কুরআন মুখস্থ করল শিশু আব্দুর রহমান

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে আট মাসে কুরআন মুখস্থ করল শিশু আব্দুর রহমান

সমবায়ের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করে সুখী সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভবঃ রুহুল কবির রিজভী

সমবায়ের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করে সুখী সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভবঃ রুহুল কবির রিজভী

 পীরগঞ্জে জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপিত

পীরগঞ্জে জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপিত

কুমিল্লার বুড়িচংয়ে সন্ত্রাসবিরোধী ও বিস্ফোরক আইনের মামলায় দুই স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেফতার

কুমিল্লার বুড়িচংয়ে সন্ত্রাসবিরোধী ও বিস্ফোরক আইনের মামলায় দুই স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেফতার

ঠাকুরগাঁওয়ে ওয়ারিশান সনদে জীবিত ব্যক্তিকে মৃত দেখানোর অভিযোগ প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে

ঠাকুরগাঁওয়ে ওয়ারিশান সনদে জীবিত ব্যক্তিকে মৃত দেখানোর অভিযোগ প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে

সমবায়ের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করে সুখী সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভবঃ রুহুল কবির রিজভী

মোঃ  মুক্তাদির হোসেন,রিপোর্টার,গাজীপুর।সমবায়ের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করে সুখী সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন অর্থনৈতিক ও সামাজিক স্বার্থে কিছু মানুষ একত্রিত হয়ে কাজ করে যাওয়াই সমবায়ের মূল দর্শণ।আমাদের দেশে মধ্যস্বত্ত,ভোগীদের কারণে কৃষক উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য দাম যেমন পায় না তেমনি ক্রেতাকে বেশি দাম দিয়ে পণ্য কিনতে হয়।সমবায় এই মধ্যস্বত্ত,ভোগীদের উপর নির্ভরতা কমিয়ে গ্রামীণ অর্থনৈতিক বঞ্চনার অবসান ঘটায়। দেশের ১৮ কোটি মানুষকে স্বাবলম্বী ও গ্রামীণ অর্থনীতি সমৃদ্ধ করতে সমবায় আন্দোলন আরো বেগবান হওয়া দরকার।অদ্য রবিবার ৮ ই নভেম্বর ২০২৬ ইং সকালে গাজীপুরের কালীগঞ্জের কালব রিসোর্ট অ্যান্ড কনভেনশন হলে উপজেলা প্রশাসন ও সমবায় বিভাগের আয়োজনে ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস-২০২৬ ইং উপলক্ষে এক আলেচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রিজভী আরো বলেন ১৮৪৪ সালে ইংল্যান্ডে সমবায়ের যাত্রা শুরু হয়। আমাদের ইতিহাসেও গ্রাম সমিতি নামক পদ্ধতি চালু ছিল। তখন গ্রাম ছিল স্বয়ংসম্পূর্ণ। সম্রাট বা বাদশাকে টেক্স দিতে হতো না। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, কৃষক ও শ্রমিক গ্রাম সমিতিতে তাদের অর্থ জমা রাখতো ও প্রয়োজনে সেখান থেকে পুঁজি সংগ্রহ করতো। কিন্তু আমাদের দেশে বৃটিশরা এসে তাদের ইউরোপীয় পদ্ধতি চালু করায় স্বয়ংসম্পূর্ণ গ্রাম তছনছ হয়ে যায়। পরবর্তীতে সমবায় আন্দোলনের মাধ্যমে আধুনিক সমবায় ব্যবস্থা চালু হয়। যা আজো অব্যাহত রয়েছে। সমবায়ের ভিত্তিতে একটি সুখী সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ.টি.এম কামরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও উপজেলা মহিলা সংস্থার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জেসমিন আক্তারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন গাজীপুর-৫ আসনের সাংসদ আলহাজ্ব একেএম ফজলুল হক মিলন, গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মো. নুরুল করিম ভুঁইয়া ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) তানিয়া তাবাসসুম এবং স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা আতাউর রহমান।এসময় উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক  মোঃ হুমায়ূন কবির মাস্টার, সদস্য সচিব খালেকুজ্জামান বাবলু,দি কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লীগ অব বাংলাদেশ লিঃ (কালব্) এর চেয়ারম্যান আগাস্টিন পিউরীফিকেশন, উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, সমবায় সমিতির সদস্য এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনের মধ্যে তিন শ্রমিক নেতা আটক,মুক্তির দাবি বিভিন্ন সংগঠনের

জীবন দেওয়ান উজ্জ্বল,নিজস্ব প্রতিবেদক। তৈরি পোশাকশিল্পের শ্রমিকদের ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণসহ বিভিন্ন দাবিতে চলমান আন্দোলনের মধ্যে উসকানি দেওয়ার অভিযোগ ও অন্যান্য ঘটনায় তিন শ্রমিক নেতাকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। এদিকে শ্রমিক নেতাদের আটকের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে তাঁদের নিঃশর্ত মুক্তি এবং হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতারা।প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী আটক শ্রমিক নেতারা হলেন-জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের আশুলিয়া থানা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ হালিম, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ট্রেড ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মোঃ শামীম এবং বাংলাদেশ টেক্সটাইল গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মনসুর আলী।জানা গেছে মোঃ হালিমকে আশুলিয়ার বসুন্ধরা সোনিয়া মার্কেট এলাকা থেকে ঢাকা জেলা (উত্তর) গোয়েন্দা পুলিশ আটক করে।অন্যদিকে মোঃ শামীম ও মোঃ মনসুর আলীকে জিরাবো এলাকা থেকে আটক করা হয়।এদিকে পোশাকশ্রমিকদের নতুন ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণের লক্ষ্যে সরকার গঠিত ছয় সদস্যের মজুরি বোর্ডে শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বাবুল আখতার।তিনি বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক। পাশাপাশি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনও মজুরি বোর্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন।অন্য দিকে শ্রমিক অসন্তোষ নিরসন,শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং মালিক-শ্রমিকের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের বিভিন্ন উদ্যোগে যুক্ত রয়েছেন শ্রমিক নেত্রী নাজমা আক্তার,আবুল হোসাইন ও লাভলী ইয়াসমিন।শ্রমিক সংগঠনগুলোর নেতাদের দাবি, শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি, চাকরির নিরাপত্তা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে কোনো শ্রমিক নেতা যেন হয়রানির শিকার না হন,তা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে আটক নেতাদের মুক্তি এবং তাঁদের বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।পোশাকশিল্প দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। তাই শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি, মালিকপক্ষের স্বার্থ এবং শিল্পের স্থিতিশীলতা বিবেচনায় নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে চলমান সংকটের সমাধান জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।আটক শ্রমিক নেতাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে তাঁদের বক্তব্য এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিস্তারিত ব্যাখ্যা পাওয়া গেলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।

সব বিভাগের খবর

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালনে গোবিন্দগঞ্জে বিএনপির প্রস্তুতি সভা

মোঃ মিজানুর রহমান,গোবিন্দগঞ্জ,গাইবান্ধা। ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে পালনের লক্ষ্যে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।গতকাল শুক্রবার ৬ ই নভেম্বর ২০২৬ ইং বিকেল সাড়ে ৫টায় গোবিন্দগঞ্জ পৌর শহরের পশ্চিম চারমাথায় অবস্থিত দলীয় কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।পৌর বিএনপির সভাপতি রবিউল কবির মনুর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফারুক আহম্মেদ।সভায় বিশেষ অতিথি ও অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির সহসভাপতি ফারুক কবির আহমদ, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব রেজানুল হাবীব রফিক, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু জাফর লেলিন, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলতাফ হোসেন পাতা, যুগ্ম আহ্বায়ক ও চলতি দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাজাদুর রহমান সাজু, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মান্নান সেন্টু, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান আকন্দ, সদস্য সচিব কাজী এহসানুল হক রিপন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শেখ শাহ আলম, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি সৈয়দ আল-আমিন রনি, সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন সরকার এবং জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক গোবিন্দ কুমার দাসসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।সভায় ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন ও সাংগঠনিক প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করা হয়।সভা শেষে গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মরহুম রবিউল ইসলাম রুবেলের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

সিরাজগঞ্জে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে আ.লীগ ও ছাত্রলীগের ৬ নেতা গ্রেফতার,কারাগারে প্রেরণ

 মোঃ আব্দুর রব মনসুর,সিরাজগঞ্জ। সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় রাতভর অভিযান চালিয়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠন ছাত্রলীগের ৬ জন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে সিরাজগঞ্জ সদর থানা পুলিশ।গতকাল বুধবার ৪ ঠা নভেম্বর দিবাগত রাতে জেলার বিভিন্ন স্থানে পৃথক অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেফতার করা হয়।অদ্য বৃহস্পতিবার ৫ ই নভেম্বর দুপুরে সন্ত্রাস বিরোধী আইনের মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে তাঁদের আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।সিরাজগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ রাকিবুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে বুধবার রাতে সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকার মাহমুদপুর এবং সদর উপজেলার ছোনগাছা, শিয়ালকোল ও সয়দাবাদ ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে অভিযান চালানো হয়।অভিযানে গ্রেপ্তারকৃতরা হলেনঃ —# মোঃ শামসুল আলম (৪৭): শিয়ালকোল ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি (শিলন্দা গ্রামের আবু তালেবের ছেলে)।# মোঃ আবুল কালাম আজাদ (৪৮): সয়দাবাদ ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি (খিদির ব্রিজ এলাকার মৃত জালাল উদ্দিন শেখের ছেলে)।# মোঃ জয়ানাল আবেদীন (৪১): সয়দাবাদ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক (জারিলা গ্রামের মৃত ইসমাইল হোসেনের ছেলে)।# মোঃ রাশেদুল ইসলাম (৩৪): ছোনগাছা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সিনিয়র সহসভাপতি (ছোনগাছা গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের ছেলে)।# মোঃ শাহাদাত হোসেন (২২): ছোনগাছা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সদস্য (পোটল ছোনগাছা গ্রামের আব্দুর রহিম ওরফে শওকতের ছেলে)।# মোঃ নাদিম সেখ (২৩): সিরাজগঞ্জ পৌর ছাত্রলীগের গ্রন্থনা বিষয়ক সম্পাদক (মাহমুদপুর মহল্লার আব্দুল বাছেদের ছেলে)।সিরাজগঞ্জ সদর থানার কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ রাকিবুল হাসান জানান,সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে রাতে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়েরকৃত মামলায় বৃহস্পতিবার দুপুরে তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

নতুন নেতৃত্বের প্রত্যয়ে সুনামগঞ্জে এনসিপির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত

রফিকুল ইসলাম রফিক,সুনামগঞ্জ। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-তে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও সচেতন নাগরিকদের যোগদান উপলক্ষে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান এবং নবগঠিত সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।গতকাল বুধবার ৪ ঠা নভেম্বর সন্ধ্যা আট ঘটিকায় সুনামগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী শহীদ জগৎজ্যোতি পাঠাগারে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিলেট বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল আরিফ।অনুষ্ঠানে নবাগত নেতাকর্মী ও সচেতন নাগরিকদের স্বাগত জানানো হয়। পাশাপাশি নবগঠিত সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা কমিটির নেতৃবৃন্দের পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়।এ সময় দেওয়ান সাজাউর রাজা চৌধুরী সুমন বলেন নতুন সহযোদ্ধাদের অংশগ্রহণ দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করবে বলে তিনি আশাবাদী।পারস্পরিক শ্রদ্ধা,ঐক্য, দায়িত্বশীলতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও মানবিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।তিনি আরও বলেন মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সমুন্নত রাখা এবং একটি বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে এনসিপির নেতাকর্মীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।অনুষ্ঠানে নবগঠিত সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা কমিটির নেতৃবৃন্দকে অভিনন্দন জানানো হয়। একই সঙ্গে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দেওয়ান সাজাউর রাজা চৌধুরী সুমন। তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

নতুন দায়িত্বে ফয়সল আমীন ও এলিজা জামান,নিলেন শপথ

বিশেষ প্রতিনিধি,দৈনিক প্রথম সকাল।  ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নবনির্বাচিত দুই সংসদ-সদস্য শপথ গ্রহণ করেছেন।শপথ নেওয়া দুই সংসদ সদস্য হলেন মির্জা ফয়সল আমীন ও এলিজা জামান।মঙ্গলবার ৩ রা নভেম্বর দুপুর ১২টায় জাতীয় সংসদ ভবনে স্পিকারের কার্যালয়ে তাদের শপথ পড়ান জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মোঃ গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়ার সঞ্চালনায় শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।এতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ উপস্থিত ছিলেন।সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদের তৃতীয় তফসিল এবং জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির ৫ অনুযায়ী স্পিকার নবনির্বাচিত সংসদ-সদস্যদের শপথ পড়ান।শপথ গ্রহণ শেষে দুই সংসদ সদস্য রীতি অনুযায়ী সংসদ সচিবের কক্ষে শপথ বইয়ে স্বাক্ষর করেন।অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার, চিফ হুইপ, অন্যান্য হুইপ, সংসদ-সদস্য এবং সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

রাড্ডা ক্লিনিক দখল নিয়ে কঠোর বার্তাঃ ডা. শফিকুর রহমান

বিশেষ প্রতিবেদক,দৈনিক প্রথম সকাল।জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, রাতের অন্ধকারে রাড্ডা ক্লিনিক দখলের ঘটনায় অবশেষে সরকার ও সরকারি দল বাধ্য হয়ে সাংগঠনিক পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে। কিন্তু এত বড় অপকর্মের জন্য শুধু সাংগঠনিক পদক্ষেপ মোটেই যথেষ্ট নয়।অদ্য বৃহস্পতিবার ১ লা অক্টোবর দুপুর ২.৩০ মিনিটের দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।জামায়াত আমির বলেন কালপ্রিটদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিয়ে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। দেশবাসী দৃশ্যমান ও বিশ্বাসযোগ্য আইনি পদক্ষেপ দেখতে চায়।তিনি  বলেন একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত ও লুণ্ঠিত স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি টেকসইভাবে পুনর্নির্মাণের দায়িত্বও সরকারকে পালন করতে হবে।৫০ বছরের বেশি পুরানো রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্র ভাংচুর,দখল ও লুটপাটের হানিফ মিয়াসহ স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের কয়েকজন নেতার নামও ঘটনায় আসে যারা এলাকায় সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত।সমমনা দোকানদার সমবায় সমিতি লিমিটেডের সঙ্গেও স্থানীয় বিএনপির কয়েকজনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায়।বিষয়টে নিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক সমালোচনা তৈরি হলে আজ ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টিকে পদত্যাগের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।দুপুরে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সঙ্গে দেখা করে তিনি পদত্যাগ পত্র জমা দেন।

সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির পদত্যাগ

বিশেষ প্রতিবেদক,দৈনিক প্রথম সকাল।  জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি পদত্যাগ করেছেন।অদ্য বৃহস্পতিবার ১ লা অক্টোবর প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে স্পিকারের দপ্তরে পদত্যাগপত্র জমা দেন তিনি।এর আগে রাজধানীর মিরপুরের রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার (মা ও শিশুস্বাস্থ্য কেন্দ্র) গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে মিষ্টির পদত্যাগের বিষয়টি আলোচনায় আসে।ঐ ঘটনার রাতে রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা,ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠে।এ ঘটনায় সরকারি দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ততার অভিযোগও সামনে আসে।এছাড়া মিষ্টির অতীত রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়েও বিভিন্ন সময়ে অভিযোগ ও বিতর্ক রয়েছে।ওয়ার্ড কাউন্সিলর থাকাকালে তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি,সন্ত্রাস ও জমি দখলসহ বিভিন্ন অভিযোগ উঠে। এসব অভিযোগ ঘিরে তার রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়েও বিভিন্ন সময়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছিল।

কোন পোস্ট নেই !
কোন পোস্ট নেই !
কোন পোস্ট নেই !
মাদকমুক্ত যুবসমাজ গড়তে খেলাধুলার বিকল্প নেইঃ আবু সায়েম সরকার

মাদকমুক্ত যুবসমাজ গড়তে খেলাধুলার বিকল্প নেইঃ আবু সায়েম সরকার

করেসপন্ডেন্ট,গোবিন্দগঞ্জ,গাইবান্ধা।  গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম পগাইল দাখিল মাদ্রাসা মাঠে উৎসবমুখর পরিবেশে জমজমাট ফুটবল ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।খেলাকে ঘিরে মাঠজুড়ে সৃষ্টি হয় আনন্দ-উচ্ছ্বাস ও উৎসবের আমেজ। স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমী, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের উপস্থিতিতে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো মাঠ।ফাইনাল খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাকাই ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আবু সায়েম সরকার।প্রধান অতিথির বক্তব্যে আবু সায়েম সরকার বলেন যুবসমাজকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। এ ধরনের ক্রীড়া আয়োজন তরুণদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি খেলাধুলা তরুণদের মধ্যে শৃঙ্খলা, ঐক্য ও সৌহার্দ্যবোধ গড়ে তোলে।তিনি আরও বলেন, সুস্থ ও সুন্দর সমাজ গঠনে তরুণদের খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী করে তুলতে হবে। এজন্য স্থানীয় পর্যায়ে নিয়মিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা প্রয়োজন।খেলা শেষে বিজয়ী ও রানার্সআপ দলের খেলোয়াড়দের অভিনন্দন জানানো হয়। আনন্দঘন পরিবেশে ফাইনাল খেলা উপভোগ করেন উপস্থিত দর্শকরা।স্থানীয়দের মতে,এ ধরনের ক্রীড়া আয়োজন তরুণ প্রজন্মকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার পাশাপাশি গ্রামীণ ক্রীড়াঙ্গনকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে।

কুমিল্লা বোর্ডে এইচএসসিতে পাসের হার ৪৮.০৪%, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১,৩১৩ জন

কুমিল্লা বোর্ডে এইচএসসিতে পাসের হার ৪৮.০৪%, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১,৩১৩ জন

রজত সাহা,কুমিল্লা। কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০২৬ সালের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় পাসের হার ৪৮ দশমিক ০৪ শতাংশ। এ বছর বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ হাজার ৩১৩ জন শিক্ষার্থী। গত বছরের তুলনায় পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে।অদ্য শনিবার ৩১  শে অক্টোবর প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, কুমিল্লা বোর্ডে মোট ৯২ হাজার ১৬২ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৪৪ হাজার ২৭২ জন।বিভাগ ভিত্তিক ফলাফলবিভাগ ভিত্তিক ফলাফলে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন। বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার ৬৩ দশমিক ৮৩ শতাংশ। মানবিক বিভাগে পাসের হার ৪১ দশমিক ৪৫ শতাংশ এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ৪০ দশমিক ৭৩ শতাংশ।ছাত্রীদের পাসের হার বেশিলিঙ্গ ভিত্তিক ফলাফলে ছাত্রীদের পাসের হার ৫১ দশমিক ২৬ শতাংশ। অন্যদিকে ছাত্রদের পাসের হার ৪৩ দশমিক ১৭ শতাংশ। উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর সংখ্যাতেও ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীরা এগিয়ে রয়েছেন।শতভাগ পাস চার প্রতিষ্ঠানে, শূন্য পাস ১৫টিতেবোর্ডের অধীনে চারটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সব পরীক্ষার্থী পাস করেছেন। বিপরীতে, ১৫টি প্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হতে পারেননি।গত বছরের তুলনায় ফলাফলের অবনতি২০২৫ ইং সালে কুমিল্লা বোর্ডে পাসের হার ছিল ৪৮ দশমিক ৮৬ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ২ হাজার ৭০৭ জন। চলতি বছর পাসের হার কমেছে ০ দশমিক ৮২ শতাংশ পয়েন্ট এবং জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ১ হাজার ৩৯৪ জন।ফলাফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন শিক্ষক ও অভিভাবকেরা। একই সঙ্গে ফলাফল বিশ্লেষণ করে শিক্ষার মান উন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস),দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড ও কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড।

কোন পোস্ট নেই !
 সিরাজগঞ্জে আগাম আমন ধান ঘরে তোলার ধুম,বাম্পার ফলনেও দাম নিয়ে চিন্তিত কৃষকরা

সিরাজগঞ্জে আগাম আমন ধান ঘরে তোলার ধুম,বাম্পার ফলনেও দাম নিয়ে চিন্তিত কৃষকরা

মোঃ আব্দুর রব মনসুর,সিরাজগঞ্জ। আবহাওয়া অনুকূলে থাকা ও সময়মতো যথাযথ পরিচর্যার কারণে সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলায় আগাম জাতের রোপা আমন ধান কাটা শুরু হয়েছে। দীর্ঘ দিন পর বাম্পারফলন দেখে জেলার কৃষককুলের মনে ফিরে এসেছে স্বস্তি ও আনন্দের হাসি।জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে চলতি মৌসুমে সিরাজগঞ্জ জেলায় মোট ৭৬ হাজার ৮২৫ হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধানের আবাদ করা হয়েছে,যা নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি। এর মধ্যে শুধু সদর উপজেলায় ১৪ হাজার ৩৬৫ হেক্টর জমিতে আমন চাষ করা হয়েছে। জেলার কাজিপুরসহ বিভিন্ন উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে এখন সোনালি ধানের শিষ বাতাসে দুলছে। ইতোমধ্যে অনেক কৃষক ধান কেটে ঘরেও তুলেছেন।সরেজমিনে জেলার বিভিন্ন উপজেলার মাঠে মাঠে ধান কাটা ও মাড়াইয়ের উৎসবমুখর কর্মযজ্ঞ লক্ষ্য করা গেছে। চাষাবাদের শুরু থেকে বড় কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না থাকায় এবং আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় অন্য বছরের তুলনায় এবার ধানের ফলন বেশ ভালো হয়েছে।কাজিপুর উপজেলার সোনামুখী ইউনিয়নের  দুর্গতি পাড়া এলাকার চাষী রঞ্জু মিয়া জানান "তিন বিঘা জমিতে ধান লাগিয়েছিলাম।ইতোমধ্যে দুই বিঘা জমির ধান কেটে ভালো ফলন পেয়েছি।তবে এবার সার,বীজ ও শ্রমিক মজুরি বেশি পড়েছে। বাজারে ধানের চড়া দাম না পেলে আমাদের লাভবান হওয়া কঠিন হবে"।মাঠপর্যায়ের কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আগাম জাতের ধান ঘরে তোলার পর এই জমিগুলোতে পরবর্তী সময়ে আগাম সরিষা চাষের পরিকল্পনা করছেন তাঁরা।এতে কৃষকদের দ্বিগুণ আয়ের সম্ভাবনা তৈরি হবে।সিরাজগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক এ কে এম মঞ্জুরে মওলা বলেন, অনুকূল আবহাওয়ার কারণে এবার ধানের ফলন খুব ভালো হয়েছে।কৃষকরা যাতে নির্বিঘ্নে ধান কাটা ও সংরক্ষণ করতে পারেন, সেজন্য মাঠপর্যায়ে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।তবে বাম্পার ফলনের আনন্দ থাকলেও বাজারে ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা না গেলে প্রান্তিক কৃষকদের লোকসানের মুখে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয় কৃষি বিশেষজ্ঞরা।

লক্ষ্মীপুরের মেয়ে হোমায়রা হিমু,তিন বছরেও কাটেনি মৃত্যু রহস্য

লক্ষ্মীপুরের মেয়ে হোমায়রা হিমু,তিন বছরেও কাটেনি মৃত্যু রহস্য

ফয়সাল হোসেন লক্ষ্মীপুর। ‎‎টেলিভিশনের পর্দায় তার অভিনয় দেখেছেন অসংখ্য দর্শক। নোয়াখালীর আঞ্চলিক ভাষায় সংলাপ বলে পেয়েছিলেন আলাদা পরিচিতি। তবে তার অভিনয়জীবনের শুরুটা হয়েছিল লক্ষ্মীপুরে। এই শহরেই কেটেছে শৈশব ও কৈশোরের একটি বড় সময়। স্থানীয় নাট্যগোষ্ঠীর মঞ্চে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছিল তার পথচলা। তিনি অভিনেত্রী হোমায়রা হিমু।‎২০২৩ ইং সালের ২ রা নভেম্বর আকস্মিক মৃত্যু হয় এই অভিনেত্রীর। দেখতে দেখতে পেরিয়ে গেছে তিন বছর।কিন্তু তার মৃত্যুর কারণ ও ঘটনা প্রবাহ নিয়ে উঠা প্রশ্নগুলোর পূর্ণাঙ্গ নিষ্পত্তি হয়নি। অভিনয়ের মধ্য দিয়ে দর্শকের মনে জায়গা করে নেওয়া হিমুর মৃত্যুর বিচার চান স্বজন ও স্থানীয় সাংস্কৃতিক কর্মীরা।‎১৯৮৫ ইং সালের ২৩ রা নভেম্বর লক্ষ্মীপুরে জন্ম হোমায়রা হিমুর।শৈশবের বড় একটি সময় কেটেছে এই শহরেই।দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ার সময় থেকে মঞ্চনাটকে অভিনয় শুরু করেন তিনি।যুক্ত ছিলেন স্থানীয় হাইফাই কৌতুক শিল্পগোষ্ঠী ও ফ্রেন্ডস নাট্যগোষ্ঠীর সঙ্গে।১৯৯৯ ইং সালে এসএসসি পরীক্ষার পর ঢাকায় গিয়ে যুক্ত হন নাগরিক নাট্যাঙ্গনে।সেখান থেকেই ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে তার অভিনয়জীবন।‎‎লক্ষ্মীপুরে হোমায়রা হিমুর অভিনয়ের শুরুর দিনগুলোর স্মৃতি এখনো মনে রেখেছেন স্থানীয় নাট্যকর্মীরা। হাইফাই ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সংসদের সাবেক পরিচালক মহসিন কবির বলেন প্রথম দিকে হিমু তার মায়ের সঙ্গে হাইফাইয়ে আসতেন।একদিন মঞ্চে অভিনয়ের আগে সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব প্রয়াত বেলায়েত হোসেন রিপন তাকে পুরোনো জামা পরার বিষয়টি নিয়ে ধমক দিয়েছিলেন। এতে কেঁদে ফেলেন হিমু।মহসিন কবিরের স্মৃতিচারণ অনুযায়ী, সেই মুহূর্তের অভিনয় দর্শকদের বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছিল।‎‎স্থানীয় সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মাহবুবুর রহমান জানান মঞ্চে প্রথম দ্বৈত অভিনয়টি তার সঙ্গেই করেছিলেন হোমায়রা হিমু।ছোটবেলা থেকেই অভিনয়ের প্রতি তার আগ্রহ ছিল।অল্প বয়সে এমন প্রতিভাবান একজন শিল্পীর চলে যাওয়া তাকে ব্যথিত করে।‎হোমায়রা হিমুর শৈশব ও কৈশোরের স্মৃতি জড়িয়ে আছে লক্ষ্মীপুরের যে বাড়িতে,সেখানে এখনো তাঁকে স্মরণ করেন স্বজন ও পরিচিতজনেরা।মা-বাবাকে হারিয়ে জীবনের শেষ দিকে ঢাকায় অনেকটা একাকী জীবন কাটিয়েছেন তিনি।মৃত্যুর পর তাকে লক্ষ্মীপুর শহরের লামচরী মসজিদ কবরস্থানে তার মায়ের পাশে সমাহিত করা হয়।যে শহরে তার অভিনয়জীবনের সূচনা, মৃত্যুর পর সেখানেই মায়ের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন তিনি।‎‎হিমুর দূরসম্পর্কের মামা ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক মঈন উদ্দিন চৌধুরী কামরু বলেন এ বিষয়ে তদন্ত কমিটির সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি।পাশাপাশি হিমুর এক ফুফাকেও বিষয়টি নিয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলেছেন। তিনি চান, ঘটনার যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসুক এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত হোক।‎‎২০২৩ ইং সালের ২ রা নভেম্বর রাজধানীর উত্তরার একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা হোমায়রা হিমুকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর পর তার মরদেহ হাসপাতালে রেখে এক ব্যক্তির চলে যাওয়ার ঘটনা তখন নানা প্রশ্নের জন্ম দেয়।শুরুতে তার মৃত্যুর কারণ নিয়েও তৈরি হয় ধোঁয়াশা।পরদিন এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে একজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।‎‎তিন বছর পেরিয়ে গেলেও মামলার তদন্ত ও বিচারিক কার্যক্রমের সর্বশেষ অবস্থা নিয়ে স্বজনদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে।তারা চান মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটন করে দায়ীদের বিচারের আওতায় আনা হোক।লক্ষ্মীপুরের মঞ্চ থেকে শুরু হয়েছিল হোমায়রা হিমুর অভিনয়ের পথচলা। সেই পথ তাকে নিয়ে গিয়েছিল টেলিভিশন ও চলচ্চিত্রের পর্দায়।দর্শকের কাছে তিনি পরিচিতি পেয়েছিলেন অভিনয় দিয়ে।কিন্তু অকালমৃত্যুতে থেমে গেছে সেই পথচলা। মায়ের পাশে লক্ষ্মীপুরের মাটিতে শায়িত এই অভিনেত্রীর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটন ও ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় রয়েছেন তার স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।

কোন পোস্ট নেই !
‎সমাজের অন্যায় ও পরিবর্তনের দায়িত্ব,আমরা কি সত্যিই বদলাতে চাই?

‎সমাজের অন্যায় ও পরিবর্তনের দায়িত্ব,আমরা কি সত্যিই বদলাতে চাই?

‎রফিকুল ইসলাম রফিক,সুনামগঞ্জ। ‎‎আমরা প্রতিনিয়ত একটি সুন্দর সমাজের স্বপ্ন দেখি। এমন একটি সমাজ, যেখানে থাকবে না অন্যায়, অনিয়ম, দুর্নীতি কিংবা বৈষম্য। যেখানে মানুষ মানুষের পাশে দাঁড়াবে,অন্যায়ের প্রতিবাদ করবে এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখবে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, আমরা অনেকেই পরিবর্তনের কথা বলি, অথচ নিজের অবস্থান থেকে পরিবর্তনের জন্য কতটুকু দায়িত্ব পালন করি, সেই প্রশ্ন খুব কমই করি।‎‎সমাজে অন্যায়-অনিয়ম যেন দিন দিন স্বাভাবিক বিষয়ে পরিণত হচ্ছে। কোথাও ক্ষমতার অপব্যবহার, কোথাও দুর্নীতি, কোথাও অসহায় মানুষের অধিকার হরণ। আবার কোথাও যোগ্য ব্যক্তি বঞ্চিত হচ্ছেন, আর প্রভাবশালীরা নিজেদের স্বার্থ হাসিলে ব্যস্ত। এসব ঘটনা শুধু একটি ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সমস্যা নয়; এগুলো পুরো সমাজের জন্য উদ্বেগের বিষয়।‎‎সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো, অনেক সময় আমরা অন্যায়ের শিকার হলেও প্রতিবাদ করতে চাই না। নিজের স্বার্থে আঘাত না লাগলে অন্যের কষ্টকে গুরুত্ব দিই না।কোথাও অনিয়ম দেখেও নীরব থাকি, কোথাও অন্যায়ের প্রতিবাদকারীকে সহযোগিতা না করে বরং নিরুৎসাহিত করি। এভাবে নীরবতা অন্যায়কে আরও শক্তিশালী করে তোলে।‎‎তবে সমাজের সব সমস্যার দায় শুধু রাষ্ট্র বা প্রশাসনের ওপর চাপিয়ে দিলে চলবে না। রাষ্ট্রের যেমন নাগরিকের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব রয়েছে, তেমনি প্রত্যেক নাগরিকেরও কিছু নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব আছে। নিজের কাজ সৎভাবে করা, অন্যের অধিকার সম্মান করা, আইন মেনে চলা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে সচেতন অবস্থান নেওয়া - এসবের মধ্য দিয়েই ইতিবাচক পরিবর্তনের সূচনা হতে পারে।‎পরিবর্তন শুরু হতে পারে পরিবার থেকে।একটি শিশু পরিবার থেকেই সততা, নৈতিকতা ও মানবিকতার শিক্ষা পায়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তাকে দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে পারে। আর সমাজের সচেতন মানুষ যদি অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হন, তাহলে অনেক অনিয়ম প্রতিরোধ করা সম্ভব।‎‎এ ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের ভূমিকাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একজন দায়িত্বশীল সাংবাদিক সমাজের অনিয়ম, দুর্নীতি ও মানুষের বঞ্চনার চিত্র তুলে ধরেন। তবে সাংবাদিকতার মূল শক্তি হতে হবে সত্য, নিরপেক্ষতা ও তথ্যের যথার্থতা। একইভাবে জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন, শিক্ষক, ব্যবসায়ীসহ সমাজের প্রতিটি শ্রেণি-পেশার মানুষের নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করা জরুরি।‎‎আমাদের মনে রাখতে হবে, প্রতিবাদ মানেই বিশৃঙ্খলা নয়। সত্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলা নাগরিকের নৈতিক অধিকার। তবে সেই প্রতিবাদ হতে হবে শান্তিপূর্ণ, যুক্তিনির্ভর ও আইনসম্মত। কাউকে অপমান বা হয়রানি করা নয়, বরং জবাবদিহি নিশ্চিত করাই হওয়া উচিত আমাদের লক্ষ্য।‎আমরা প্রায়ই বলি, দেশ বদলাতে হবে, সমাজ বদলাতে হবে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, সেই পরিবর্তনের শুরুটা কে করবে? অন্য কেউ নয়, শুরু করতে হবে আমাদের নিজেদের থেকেই। আমি যদি নিজের দায়িত্বে অবহেলা করি, অন্যের অধিকার ক্ষুণ্ন করি, অনিয়মকে প্রশ্রয় দিই, তাহলে শুধু অন্যের কাছে পরিবর্তন আশা করে লাভ কী?‎‎একটি সুন্দর সমাজ গড়তে বড় বড় প্রতিশ্রুতির চেয়ে ছোট ছোট সৎ উদ্যোগ অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আসুন, আমরা অন্যায়কে প্রশ্রয় না দিই, দুর্নীতিকে স্বাভাবিক মনে না করি, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াই এবং নিজের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করি।কারণ সমাজ পরিবর্তনের দায়িত্ব শুধু সরকারের নয়, শুধু প্রশাসনের নয়, শুধু কোনো বিশেষ শ্রেণিরও নয়। এই দায়িত্ব আমাদের সবার।‎আমরা যদি সত্যিই পরিবর্তন চাই, তাহলে পরিবর্তনের অপেক্ষায় না থেকে নিজেরাই পরিবর্তনের অংশ হয়ে উঠতে হবে।

কোন পোস্ট নেই !