দুর্গাপুর *নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন-২),এর উদ্বোধন করলেন মাননীয় এমপি নজরুল ইসলাম
মোঃ খোরশেদ আলম (লালন),রাজশাহী।
রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলায় 'ক্রীড়া পেশায়,পরিবার পাবে ভরসা'এই স্লোগান সামনে রেখে উদ্বোধন হলো 'নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন-২)।দুর্গাপুর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে দুর্গাপুর সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, উম্মে হাবিবা ফারজানা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার,দুর্গাপুর,রাজশাহী।প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, অধ্যাপক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, সংসদ সদস্য,পুঠিয়া-দুর্গাপুর, রাজশাহী-৫।
১৯৬৬ ইং সালে পাকিস্তান টেলিভিশনে প্রথম ‘নতুন কুঁড়ি’ প্রতিযোগিতা চালু হয়। প্রখ্যাত সংস্কৃতজন মোস্তফা মনোয়ারের মূল পরিকল্পনা ও প্রযোজনায় (কলিম শরাফী এবং আবদুল্লাহ আল মামের সহযোগিতায়) প্রথম শুরু হয়, পরবর্তীতে স্বাধীনতার পর ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশন বিটিভি 'নতুন কুঁড়ি' প্রতিভা অন্বেষণ যাত্রা শুরু করেন। পরবর্তীকালে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর নতুন রূপ দিয়ে ২০২৬ সালে বিএনপি সরকার পুনরায় চালু করেছেন।
‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর প্রথম আসর আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করা হয় ২ মে, ২০২৬ ইং তারিখে সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে এবং ৫ নভেম্বর, ২০২৬ ইং তারিখে খুলনা জেলা স্টেডিয়াম থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশব্যাপী ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬-২৭ ইং (সিজন-২), প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
প্রথম আসরের সফলতার পর এবারের সিজনে ব্যাপক সাড়া পড়েছে এবং দ্বিতীয় আসরে দেশের ৪ হাজার ৫৯৯টি ইউনিয়নে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। এতে মোট ১৬ লাখ ২৩ হাজার প্রতিযোগী নিবন্ধন করেছেন, যার মধ্যে ৯ লাখ ৪৪,৮৩৩ জন কিশোর এবং ৬ লাখ ৮৯,১৩৫ জন কিশোরী। সবচেয়ে বেশি নিবন্ধন হয়েছে চট্টগ্রাম জেলায় (১ লাখ ৮১,১৩২ জন)। এছাড়া প্রথম আসরের সেরা ৪০ জন প্রতিভাবান খেলোয়াড়কে আগামী জানুয়ারি মাসে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (BKSP) দীর্ঘমেয়াদী প্রশিক্ষণের জন্য ভর্তি করানো হবে।
উপজেলা পর্যায়ে ৫ নভেম্বর থেকে ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৬ ইং পর্যন্ত চলবে এই প্রতিযোগিতা। ১০টি ইভেন্টে- ফুটবল,ক্রিকেট, কাবাডি, অ্যাথলেটিক্স, ব্যাডমিন্টন,দাবা, মার্শাল আর্ট, সাঁতার এবং নতুন যুক্ত হওয়া টেবিল টেনিস ও ভলিবল। ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশু-কিশোররা (দাবার জন্য ৮ থেকে ১৪ বছর) নির্ধারণ করা হয়েছে।
এক স্বাক্ষাৎকারে উম্মে হাবিবা ফারজানা বলেন,খেলোয়াড়দের উন্নত প্রশিক্ষণের জন্য ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের বিকেএসপি গুলো পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। ইউনিয়ন থেকে শুরু করে উপজেলা,জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের খেলা শেষে আগামী মে-জুন মাসের মধ্যে ঢাকায় জাতীয় পর্যায়ের ফাইনাল আয়োজনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আমরা চাইবো আমাদের উপজেলা থেকে জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন ইভেন্টে খেলোয়াড়রা খেলবে। এই লক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসন সরকারি ও ব্যক্তিগত ভাবে সার্বিক সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহী জেলা বিএনপির অন্যতম সদস্য ও দুর্গাপুর পৌরসভার সাবেক ২ বারের মেয়র সাইদুর রহমান মন্টু, মোঃ আশরাফুল কবির বুলু,সাবেক সভাপতি,উপজেলা বিএনপি, কামরুজ্জামান আয়নাল,সাবেক চেয়ারম্যান ঝালুকা ইউপি ও আহ্বায়ক উপজেলা বিএনপি,গোলাম মুর্তজা,আহ্বায়ক, উপজেলা জিয়া পরিষদ,গোলাম সাকলায়েন, সাবেক চেয়ারম্যান,দেলুয়াবাড়ি ইউপি,আজাদ রেজাউল করিম রেজা, সাবেক চেয়ারম্যান, নওপাড়া ইউপি, রবিউল ইসলাম খান রবিন,সাবেক চেয়ারম্যান,পানানগর ইউপি,আব্দুল আজিজ মন্ডল,সাবেক সভাপতি,দুর্গাপুর পৌরসভা,মাইনুল ইসলাম, সভাপতি, দুর্গাপুর মহিলা কলেজ ও সদ্য সাবেক সদস্য সচিব,উপজেলা যুবদল,মেহেদী হাসান,আইসিটি কর্মকর্তা,রোকনুজ্জামান তালুকদার,যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা(অ.দা) সহ উপজেলার সরকারি বেসরকারি কর্মকর্তা,রাজনৈতিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধি,রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনের জন্য বিভিন্ন পত্র পত্রিকার সাংবাদিক,জাতীয়, স্থানীয়,অনলাইন, মাল্টিমিডিয়া টিভি চ্যানেল,দৈনিক পত্রিকার সাংবাদিক,বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক,সহকারী শিক্ষক,ছাত্র-ছাত্রী,ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিমনা ব্যক্তিত্ব উপস্থিত ছিলেন।
আপনার মতামত লিখুন