মিরপুরে পৃথক ৩ মামলায় তিনজনের কারাদন্ড
মোঃ মিরাজ আলী,রিপোর্টার,মিরপুর,কুষ্টিয়া।
কুষ্টিয়ার মিরপুরে পৃথক তিনটি মামলায় তিন আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের কুষ্টিয়া জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়ে সাজা পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।আদালতের পরোয়ানা সূত্রে জানা যায়, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন এবং বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইনে পৃথক এসব রায় দেওয়া হয়।মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ইং এর ৩৬ (৫) ধারার অধীনে দোষী সাব্যস্ত করে মোঃ জহুরুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তিকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড এবং ১০০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও ১ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।সাজাপ্রাপ্ত জহুরুল ইসলাম মিরপুর উপজেলার বহলবাড়ীয়া ইউনিয়নের সাহেবনগর গ্রামের করিম পরামানিকের ছেলে।
বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইনে গিয়াস উদ্দিনের কারাদন্ড
আজ ৭ ই জুলাই ২০২৬ ইং তারিখে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ১৫(১) ধারা অনুযায়ী ১৬৬/২৬ নম্বর মামলায় মোঃ গিয়াস উদ্দিনকে ২ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।তিনি মিরপুর উপজেলার পোড়াদহ এলাকার মোঃ জালাল উদ্দিনের ছেলে।
মাদক মামলায় তরুণ রিদয় আলীর ২ মাসের জেল
অপর এক মাদক মামলায় (১৫৪/২৬ নম্বর মামলা) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮-এর ৩৬(৫) ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে ২০ বছর বয়সী তরুণ রিদয় আলীকে ২ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরও ১ দিন বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। সাজাপ্রাপ্ত রিদয় আলী উপজেলার ধুবইল ইউনিয়নের কাদেরপুর গ্রামের সুমন আলীর ছেলে।
আদালতের নির্দেশঃ
সংশ্লিষ্ট আদালতের রায় ঘোষণার পর কুষ্টিয়া জেলা কারাগারের তত্ত্বাবধায়ককে (জেল সুপার) এই সাজা পরোয়ানাসহ আসামিদের কারাগারে গ্রহণ এবং আইন অনুযায়ী সাজা কার্যকর করার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।এ ব্যাপারে মিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শহিদুল ইসলাম।তিনি স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন "মাদক সেবনকারী কিংবা মাদক ব্যবসায়ী- অপরাধী যেই হোক না কেন, মিরপুর থানা পুলিশের কাছে কোনো প্রকার ছাড় পাবে না। মিরপুর থানাকে মাদকমুক্ত করার জন্য যা যা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার, তার সবই করবে পুলিশ। যেকোনো মূল্যে আমরা মিরপুরকে একটিমাদকমুক্ত থানা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।
আপনার মতামত লিখুন