ঢাকা   রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক প্রথম সকাল

ফরিদপুরে জানালা ভেঙে স্কুল ছাত্রীকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ,গ্রেফতাত ৩


| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

ফরিদপুরে জানালা ভেঙে স্কুল ছাত্রীকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ,গ্রেফতাত ৩
ফরিদপুরে জানালা ভেঙে স্কুল ছাত্রীকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ,গ্রেফতাত ৩

বিশেষ প্রতিবেদক,দৈনিক প্রথম সকাল।

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় গভীর রাতে বসতঘরের জানালা ভেঙে ১৫ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।গ্রেফতাররা হলেন হেলাল মৃধা (২০),রইস শিকদার (১৬) এবং রনি বেপারী (১৭)। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে গত বৃহস্পতিবার ৩০ শে জুলাই রাত আনুমানিক ১টার দিকে সদরপুর উপজেলার ভাষাণচর ইউনিয়নের একটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী ১০ থেকে ১৫ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ভুক্তভোগীর বাড়ি ঘিরে ফেলে।দরজা না খুললে তারা জানালা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে স্কুল ছাত্রীকে জোরপূর্বক বাইরে নিয়ে যায়।পরে তাকে মোটরসাইকেলে করে পাশের গ্রামের একটি নির্জন পুকুরপাড়ে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়। 

ভুক্তভোগীর পরিবার জানায় ঘটনার সময় কিশোরীর মা ও চাচা দাদির চিকিৎসার জন্য ফরিদপুরে হাসপাতালে ছিলেন।বাড়িতে কিশোরী তার ছোট ভাই ও বোনকে নিয়ে অবস্থান করছিল।কিশোরীর ছোট বোনের ভাষ্য,দুর্বৃত্তরা জানালা ভেঙে ঘরে ঢুকে তার বোনকে চুল ধরে টেনে-হিঁচড়ে বাইরে নিয়ে যায়।স্থানীয়দের অভিযোগ অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে ঐ কিশোরীকে উত্ত্যক্ত করে আসছিল এবং তাদের বিরুদ্ধে মাদক,জুয়া ও কিশোর গ্যাং পরিচালনার অভিযোগও রয়েছে।

স্থানীয় ভাষাণচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ গোলাম কাওছার বলেন প্রাথমিক অনুসন্ধানে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আগে থেকেই নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের তৎপরতায় ঘটনার পরপরই হেলাল মৃধা ও রইস শিকদারকে একটি মোটরসাইকেলসহ আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে রনি বেপারীকে গ্রেফতার করে।ভুক্তভোগী বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। 

সদরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আব্দুল আল মামুন শাহ জানান এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।গ্রেফতার তিনজনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং মামলার অন্য আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। 

বিষয় : সারাদেশ অপরাধ ফরিদপুর

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক প্রথম সকাল

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬


ফরিদপুরে জানালা ভেঙে স্কুল ছাত্রীকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ,গ্রেফতাত ৩

প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

বিশেষ প্রতিবেদক,দৈনিক প্রথম সকাল।

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় গভীর রাতে বসতঘরের জানালা ভেঙে ১৫ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।গ্রেফতাররা হলেন হেলাল মৃধা (২০),রইস শিকদার (১৬) এবং রনি বেপারী (১৭)। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে গত বৃহস্পতিবার ৩০ শে জুলাই রাত আনুমানিক ১টার দিকে সদরপুর উপজেলার ভাষাণচর ইউনিয়নের একটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী ১০ থেকে ১৫ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ভুক্তভোগীর বাড়ি ঘিরে ফেলে।দরজা না খুললে তারা জানালা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে স্কুল ছাত্রীকে জোরপূর্বক বাইরে নিয়ে যায়।পরে তাকে মোটরসাইকেলে করে পাশের গ্রামের একটি নির্জন পুকুরপাড়ে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়। 

ভুক্তভোগীর পরিবার জানায় ঘটনার সময় কিশোরীর মা ও চাচা দাদির চিকিৎসার জন্য ফরিদপুরে হাসপাতালে ছিলেন।বাড়িতে কিশোরী তার ছোট ভাই ও বোনকে নিয়ে অবস্থান করছিল।কিশোরীর ছোট বোনের ভাষ্য,দুর্বৃত্তরা জানালা ভেঙে ঘরে ঢুকে তার বোনকে চুল ধরে টেনে-হিঁচড়ে বাইরে নিয়ে যায়।স্থানীয়দের অভিযোগ অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে ঐ কিশোরীকে উত্ত্যক্ত করে আসছিল এবং তাদের বিরুদ্ধে মাদক,জুয়া ও কিশোর গ্যাং পরিচালনার অভিযোগও রয়েছে।

স্থানীয় ভাষাণচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ গোলাম কাওছার বলেন প্রাথমিক অনুসন্ধানে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আগে থেকেই নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের তৎপরতায় ঘটনার পরপরই হেলাল মৃধা ও রইস শিকদারকে একটি মোটরসাইকেলসহ আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে রনি বেপারীকে গ্রেফতার করে।ভুক্তভোগী বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। 

সদরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আব্দুল আল মামুন শাহ জানান এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।গ্রেফতার তিনজনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং মামলার অন্য আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। 









দৈনিক প্রথম সকাল

প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ কামাল আহমেদ 
বার্তা সম্পাদকঃ কাওসার হোসেন

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক প্রথম সকাল । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত