ঢাকা   বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক প্রথম সকাল

তীব্র তাপদাহ ও বৃষ্টির ঘাটতিতে মিরপুরে পাটের ফলনে বিপর্যয়,লোকসানের মুখে কৃষক ‎


| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

তীব্র তাপদাহ ও বৃষ্টির ঘাটতিতে মিরপুরে পাটের ফলনে বিপর্যয়,লোকসানের মুখে কৃষক ‎
তীব্র তাপদাহ ও বৃষ্টির ঘাটতিতে মিরপুরে পাটের ফলনে বিপর্যয়,লোকসানের মুখে কৃষক ‎

মোঃ মিরাজ আলী,রিপোর্টার,মিরপুর,‎ কুষ্টিয়া। 

কুষ্টিয়ার মিরপুরে উপজেলার কুর্শা  ইউনিয়নে চলতি মৌসুমে পাটের আবাদ তুলনামূলক বেশি হলেও আশানুরূপ ফলন না পাওয়ায় দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে কৃষকদের।তীব্র তাপদাহ ও সময়মতো পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত না হওয়ায় পাটের উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে বলে জানিয়েছেন তারা।

‎স্থানীয় কৃষকদের ভাষ্য আগে যেখানে প্রতি বিঘা জমিতে ১৬ থেকে ১৮ মণ পাট উৎপাদন হতো,সেখানে এবার ফলন নেমে এসেছে মাত্র ৭ থেকে ৮ মণে।বর্তমানে প্রতি মণ পাট ২ হাজার ৮০০ থেকে ৩ হাজার টাকায় বিক্রি হলেও উৎপাদন খরচের সঙ্গে সেই দামের কোনো সামঞ্জস্য নেই। ফলে লোকসানের মুখে পড়েছেন অধিকাংশ পাটচাষি।

‎‎কৃষকদের অভিযোগ,সার,বীজ,শ্রমিক ও অন্যান্য উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি ফলন কমে যাওয়ায় তারা চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন। এ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে আগামী মৌসুমে অনেকেই পাট চাষ কমিয়ে দেওয়া কিংবা সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়ার কথা ভাবছেন।‎

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দাবি পাটের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা,উৎপাদন ব্যয় বিবেচনায় প্রণোদনা প্রদান এবং কৃষিবান্ধব নীতি গ্রহণে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিক সরকার। তাদের আশা, যথাযথ উদ্যোগ নেওয়া হলে দেশের অন্যতম অর্থকরী ফসল পাটচাষ আবারও লাভজনক হয়ে উঠবে।

বিষয় : সারাদেশ কুষ্টিয়া মিরপুর খুলনা কৃষি কৃষক পাট

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক প্রথম সকাল

বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬


তীব্র তাপদাহ ও বৃষ্টির ঘাটতিতে মিরপুরে পাটের ফলনে বিপর্যয়,লোকসানের মুখে কৃষক ‎

প্রকাশের তারিখ : ০৪ আগস্ট ২০২৬

featured Image

মোঃ মিরাজ আলী,রিপোর্টার,মিরপুর,‎ কুষ্টিয়া। 

কুষ্টিয়ার মিরপুরে উপজেলার কুর্শা  ইউনিয়নে চলতি মৌসুমে পাটের আবাদ তুলনামূলক বেশি হলেও আশানুরূপ ফলন না পাওয়ায় দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে কৃষকদের।তীব্র তাপদাহ ও সময়মতো পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত না হওয়ায় পাটের উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে বলে জানিয়েছেন তারা।

‎স্থানীয় কৃষকদের ভাষ্য আগে যেখানে প্রতি বিঘা জমিতে ১৬ থেকে ১৮ মণ পাট উৎপাদন হতো,সেখানে এবার ফলন নেমে এসেছে মাত্র ৭ থেকে ৮ মণে।বর্তমানে প্রতি মণ পাট ২ হাজার ৮০০ থেকে ৩ হাজার টাকায় বিক্রি হলেও উৎপাদন খরচের সঙ্গে সেই দামের কোনো সামঞ্জস্য নেই। ফলে লোকসানের মুখে পড়েছেন অধিকাংশ পাটচাষি।

‎‎কৃষকদের অভিযোগ,সার,বীজ,শ্রমিক ও অন্যান্য উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি ফলন কমে যাওয়ায় তারা চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন। এ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে আগামী মৌসুমে অনেকেই পাট চাষ কমিয়ে দেওয়া কিংবা সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়ার কথা ভাবছেন।‎

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দাবি পাটের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা,উৎপাদন ব্যয় বিবেচনায় প্রণোদনা প্রদান এবং কৃষিবান্ধব নীতি গ্রহণে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিক সরকার। তাদের আশা, যথাযথ উদ্যোগ নেওয়া হলে দেশের অন্যতম অর্থকরী ফসল পাটচাষ আবারও লাভজনক হয়ে উঠবে।



দৈনিক প্রথম সকাল

প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ কামাল আহমেদ 
বার্তা সম্পাদকঃ কাওসার হোসেন

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক প্রথম সকাল । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত