ঢাকা   মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
দৈনিক প্রথম সকাল

অনুদান বণ্টন নিয়ে বিএনপিতে ক্ষোভ রামগঞ্জে ২৩ জনের তালিকায় ১৫ জনই এমপির নিজ ইউনিয়নের


| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

অনুদান বণ্টন নিয়ে বিএনপিতে ক্ষোভ রামগঞ্জে ২৩ জনের তালিকায় ১৫ জনই এমপির নিজ ইউনিয়নের
সংসদ সদস্য মোঃ শাহাদাত হোসেন সেলিম (ফাইল ছবি)

ফয়সাল হোসেন,লক্ষ্মীপুর। 

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে সংসদ সদস্যের ঐচ্ছিক তহবিলের অনুদান বণ্টন নিয়ে বৈষম্যের অভিযোগ উঠেছে। ২৩ জন উপকারভোগীর তালিকায় সংসদ সদস্যের নিজ ইউনিয়ন করপাড়ার ১৫ জনের নাম থাকায় বণ্টনপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির একাংশের নেতাকর্মীরা।এ নিয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতা-কর্মীদের মাঝে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।গতকাল সোমবার ২ রা নভেম্বর এ বিষয়ে বিএনপি নেতাদের ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা যায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায় জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের অর্থ শাখা-২ থেকে সংসদ সদস্যের ঐচ্ছিক তহবিলের আওতায় ২০২৬-২৭ ইং অর্থ বছরের প্রথম ধাপে লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মোঃ শাহাদাত হোসেন সেলিমের অনুকূলে অনুদানের অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়। নিজ কর্তৃত্বে বণ্টনের জন্য বরাদ্দকৃত এ অনুদানের তালিকায় স্থান পেয়েছেন মোট ২৩ জন।

তালিকা পর্যালোচনায় দেখা যায় ২৩ জন অনুদানপ্রাপ্তের মধ্যে ১৫ জনই সংসদ সদস্যের নিজ ইউনিয়ন করপাড়ার বাসিন্দা।এ ছাড়া রামগঞ্জ পৌরসভার ৬ নম্বর কাজিরখিল ওয়ার্ডের চারজন, কাঞ্চনপুর, নোয়াগাঁও ও চণ্ডীপুর ইউনিয়নের একজন করে তিনজন এবং পৌরসভার জগৎপুর গ্রামের একজন রয়েছেন।অর্থাৎ তালিকাভুক্ত উপকারভোগীদের বড় একটি অংশই সংসদ সদস্যের নিজ ইউনিয়নের বাসিন্দা। এতে উপজেলার বাকি ইউনিয়নগুলোর অসচ্ছল ও আর্থিকভাবে সহযোগিতার প্রয়োজন রয়েছে এমন মানুষের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিএনপির পাঁচ থেকে সাতজন নেতাকর্মী অভিযোগ করেন অনুদান বণ্টনের প্রথম ধাপেই সংসদ সদস্যের নিজ ইউনিয়ন ও ঘনিষ্ঠজনদের প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। অথচ উপজেলার অন্যান্য ইউনিয়নেও অসংখ্য অসহায় ও দরিদ্র মানুষ রয়েছেন, যাঁরা এ ধরনের সহযোগিতা পাওয়ার যোগ্য।তাঁদের মতে অনুদান বণ্টনে উপজেলার সব এলাকার মানুষের সমান সুযোগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

তারা আরো অভিযোগ করেন, সংসদ সদস্যের আশপাশে থাকা কিছু ব্যক্তি নিজেদের স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে তাঁকে ভুল তথ্য দিয়ে প্রভাবিত করতে পারেন। এতে প্রকৃত উপকারভোগীরা যথাযথ গুরুত্ব পাচ্ছেন কি না,তা নিয়েও সংশয় তৈরি হয়েছে।এ বিষয়ে রামগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোজাম্মেল হক মজু বলেন, ‘এমপির অনুদান বণ্টনের তালিকা প্রণয়ন ও অর্থ বণ্টনের বিষয়ে আমার কিছুই জানা নেই।

অভিযোগের বিষয়ে সংসদ সদস্য মোঃ শাহাদাত হোসেন সেলিমের বক্তব্য জানতে তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার

বিষয় : সারাদেশ চট্রগ্রাম লক্ষীপুর

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক প্রথম সকাল

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬


অনুদান বণ্টন নিয়ে বিএনপিতে ক্ষোভ রামগঞ্জে ২৩ জনের তালিকায় ১৫ জনই এমপির নিজ ইউনিয়নের

প্রকাশের তারিখ : ০৩ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

ফয়সাল হোসেন,লক্ষ্মীপুর। 

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে সংসদ সদস্যের ঐচ্ছিক তহবিলের অনুদান বণ্টন নিয়ে বৈষম্যের অভিযোগ উঠেছে। ২৩ জন উপকারভোগীর তালিকায় সংসদ সদস্যের নিজ ইউনিয়ন করপাড়ার ১৫ জনের নাম থাকায় বণ্টনপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির একাংশের নেতাকর্মীরা।এ নিয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতা-কর্মীদের মাঝে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।গতকাল সোমবার ২ রা নভেম্বর এ বিষয়ে বিএনপি নেতাদের ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা যায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায় জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের অর্থ শাখা-২ থেকে সংসদ সদস্যের ঐচ্ছিক তহবিলের আওতায় ২০২৬-২৭ ইং অর্থ বছরের প্রথম ধাপে লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মোঃ শাহাদাত হোসেন সেলিমের অনুকূলে অনুদানের অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়। নিজ কর্তৃত্বে বণ্টনের জন্য বরাদ্দকৃত এ অনুদানের তালিকায় স্থান পেয়েছেন মোট ২৩ জন।

তালিকা পর্যালোচনায় দেখা যায় ২৩ জন অনুদানপ্রাপ্তের মধ্যে ১৫ জনই সংসদ সদস্যের নিজ ইউনিয়ন করপাড়ার বাসিন্দা।এ ছাড়া রামগঞ্জ পৌরসভার ৬ নম্বর কাজিরখিল ওয়ার্ডের চারজন, কাঞ্চনপুর, নোয়াগাঁও ও চণ্ডীপুর ইউনিয়নের একজন করে তিনজন এবং পৌরসভার জগৎপুর গ্রামের একজন রয়েছেন।অর্থাৎ তালিকাভুক্ত উপকারভোগীদের বড় একটি অংশই সংসদ সদস্যের নিজ ইউনিয়নের বাসিন্দা। এতে উপজেলার বাকি ইউনিয়নগুলোর অসচ্ছল ও আর্থিকভাবে সহযোগিতার প্রয়োজন রয়েছে এমন মানুষের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিএনপির পাঁচ থেকে সাতজন নেতাকর্মী অভিযোগ করেন অনুদান বণ্টনের প্রথম ধাপেই সংসদ সদস্যের নিজ ইউনিয়ন ও ঘনিষ্ঠজনদের প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। অথচ উপজেলার অন্যান্য ইউনিয়নেও অসংখ্য অসহায় ও দরিদ্র মানুষ রয়েছেন, যাঁরা এ ধরনের সহযোগিতা পাওয়ার যোগ্য।তাঁদের মতে অনুদান বণ্টনে উপজেলার সব এলাকার মানুষের সমান সুযোগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

তারা আরো অভিযোগ করেন, সংসদ সদস্যের আশপাশে থাকা কিছু ব্যক্তি নিজেদের স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে তাঁকে ভুল তথ্য দিয়ে প্রভাবিত করতে পারেন। এতে প্রকৃত উপকারভোগীরা যথাযথ গুরুত্ব পাচ্ছেন কি না,তা নিয়েও সংশয় তৈরি হয়েছে।এ বিষয়ে রামগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোজাম্মেল হক মজু বলেন, ‘এমপির অনুদান বণ্টনের তালিকা প্রণয়ন ও অর্থ বণ্টনের বিষয়ে আমার কিছুই জানা নেই।

অভিযোগের বিষয়ে সংসদ সদস্য মোঃ শাহাদাত হোসেন সেলিমের বক্তব্য জানতে তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার





দৈনিক প্রথম সকাল

প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ কামাল আহমেদ 
বার্তা সম্পাদকঃ কাওসার হোসেন
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুল ইসলাম
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক প্রথম সকাল । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত