তারাগঞ্জে নিখোঁজ ৯ বছরের শিশুর মরদেহ উদ্ধার,তদন্তে পুলিশ
মোঃ রুবেল ইসলাম ,তারাগঞ্জ,রংপুর।
রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর ৯ বছর বয়সী এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।গতকাল শনিবার ২০ ই জুন দুপুর প্রায় ১২টার দিকে উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের ভীমপুর করানীপাড়া গ্রামের পাশে ডালিয়া ক্যানেলের সংলগ্ন একটি পাটক্ষেত থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।ঘটনায় এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা।নিহত শিশুর নাম সানজিদা (৯)।সে আলমপুর ইউনিয়নের ভীমপুর করানীপাড়া গ্রামের সাইদুল ইসলামের কন্যা।
পরিবারের সদস্যরা জানান গত শুক্রবার ১৯ শে জুন বাড়ির আশপাশে খেলাধুলার সময় সানজিদা নিখোঁজ হয়। পরিবারের লোকজন ও এলাকাবাসী সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক খোঁজাখুঁজি চালিয়েও তার কোনো সন্ধান পাননি। শনিবার দুপুরে স্থানীয় লোকজন বাড়ির নিকটবর্তী ডালিয়া ক্যানেলের পাশে একটি পাটক্ষেতে শিশুটির মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পরিবারের সদস্যদের খবর দেন।
পরে ঘটনাস্থলে উৎসুক জনতার ভিড় জমে।স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার দাবি শিশুটির শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।তারা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন শিশুটিকে নির্যাতনের শিকার করা হয়ে থাকতে পারে।তবেমৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও ঘটনার বিস্তারিত রহস্য উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন তারাগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মোনাব্বর হোসেন।
এ বিষয়ে তারাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন বলেন "খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে।মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে এবং ময়না তদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।শিশুটির শরীরে আঘাতের কিছু আলামত রয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে দেখা গেছে। ময়না তদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িতদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনতে পুলিশের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে ময়না তদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন