সমাজে যখন মূল্যবোধের সংকট,তখন ব্যতিক্রমী এক নাম সাঈদ আলী মোর্শেদ
নিজস্ব প্রতিবেদক,দৈনিক প্রথম সকাল।
প্রান্তিক পর্যায় থেকে উচ্চ মহল পর্যন্ত দেশের রাজনীতিতে মূল্যবোধের অবক্ষয় যখন সুস্পষ্ট তখন ব্যতিক্রমধর্মী মানুষ ৯ নং পারিলা ইউ পি চেয়ারম্যান মোঃ সাঈদ আলী মোর্শেদ।
নেতৃত্বে সততা,
আন্তরিকতা ও নিষ্ঠা একটি ইউপি চেয়ারম্যান এর দল, মত, ধনী, গরিব সকলকে সমান চোখে দেখার মানসিকতায় কতটা উচ্চতায় নিয়ে গেছে তা ৯ নং পরিলা ইউপি কার্যালয়ে না গেলে বোঝা যাবে না।
সরেজমিনে জনপ্রতিনিধিদের কার্যকলাপ দেখতে গিয়ে কম বেশি সকল ইউপি/ পৌরসভা/ অন্যান্য জনপ্রতিনিধিদের বেশ কিছু অনিয়ম চোখে পড়ে। সময়মত কার্যালয়ে আসে না বা বিশেষ একটি জনগোষ্ঠীকে তুষ্ট করার প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে।
এক্ষেত্রে একেবারেই ব্যতিক্রম ৯ নং পরিলা ইউপি চেয়ারম্যান জনাব মোঃ সাঈদ আলী মোর্শেদ।কার্যালয়ে আসা যাওয়া কালে দেখা যায় যে, অত্র কার্যালয়ে আসা সেবা গ্রহণকারী জনগণ এর কোন হয়রানি নেই।
অপর দিকে তার কাছে চিকিৎসার,লিখাপড়ার,খেলাধুলার বা যে কোন আর্থিক সহায়তা চাইতে আসা কাউকেই তিনি খালি হাতে ফেরান না। অন্যান্য ইউ পি চেয়ারম্যানদের মত দলীয় কোন লেজুড়বৃত্তি তিনি করেন না,তার ইউপিতে সব রাজনৈতিক দলের লোকজন তার পক্ষে কথা বলে। কথাগুলো খানি সত্য,এই বিষয়ে সাঈদ আলী মোর্শেদ - এর কাছে জানতে চাইলে,তিনি জানান আমি বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত থাকলেও আমার কার্যালয়ে সেবা নিতে আসা লোকজনের মধ্যে আমি কে আওয়ামী লীগ কে বিএনপি কে জামাত তা দেখিনা। সকলকে আমি একই চোখে দেখি।
দলের চেয়ে দেশ বড়” এই নীতিতে আমি বিশ্বাসী, পাশাপাশি সর্ব প্রথম অগ্রাধিকার আমার ইউপি জনগণ আমার এখানে কোন বৈষম্য নেই রাজা হোক বা ফকির হোক আমার কার্যালয়ে আসলে সকলেই এক সমান।
তিনি যে সত্য কথা বলছে এর প্রমাণ পাওয়া যায় প্রতি বৃহস্পতিবার তার কার্যালয়ের গ্রাম্য আদালতে বেশ কয়েক দিন দর্শকের আসনে বসে তার গ্রাম্য শালিস দেখে।
বিচারক হিসেবে তার বিচার দেখে। তিনি প্রতিটি বিচার নিরপেক্ষ দৃষ্টিকোণ থেকে দেখেন। সব সময় বঞ্চিত বা নির্যাতিত মানুষের পাশে থাকেন।
সরেজমিনে তার সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানার জন্য ৯ নং পারিলা ইউ পি চেয়ারম্যান এর এলাকার প্রতিটি ওয়ার্ডের তিন প্রজন্মের মানুষ অর্থাৎ তরুণ, যুবক ও বৃদ্ধ ১০০ জন নারী - পুরুষের সাথে কথা বললে একটি নারী পুরুষও তার বিপক্ষে কথা বলেননি। যা রীতিমত অবিশ্বাস্য।
মনোয়ারা বেগম নামক একজন বয়স্ক নারী জানান যে, যত প্রকার ভাতা আছে তার সঠিক বণ্টন ,অন্যান্য চেয়ারম্যানগণ যেমন অনিয়ম করে কিন্তু তার ছিটে ফোঁটাও আমাদের চেয়ারম্যান সাঈদ আলী মোর্শেদ করেন না”।
এছাড়াও এলাকায় রাস্তা- ঘাট, পুল - কালভার্ট ইত্যাদিসহ অন্যান্য অনেক উন্নয়ন কাজ করেছেন বা করছেন। আওয়ামী লীগ,বিএনপি, জামায়াত সকলের নিকটই তিনি সমান জনপ্রিয়। চেয়ারম্যান সাঈদ আলী মোর্শেদ আমাদের গর্ব।
রুবেল নামক এক যুবক বলেন “বর্তমান বাংলাদেশের জন প্রতিনিধি ইউ পি থেকে সিটি কর্পোরেশন পর্যন্ত দেখলে একটি চিত্রই বেশি দেখা যায় আর সেটা হলো অনিয়ম।আমাদের ইউ পি তে কোন ধরনের অনিয়ম পাবেন না”।
প্রতিটি জনপ্রতিনিধি যদি এই ভাবে সেবা দিত তাহলে পুরো বাংলাদেশের চিত্র পাল্টে যেত।৩ নং ওয়ার্ড এর নরুল ইসলাম জানান, “বাংলাদেশে বর্তমানে ভাল মানুষের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে হ্রাস পাচ্ছে। প্রকৃত দেশসেবা এখন ব্যক্তিগত সেবা। এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম আমাদের ইউ পি চেয়ারম্যান সাঈদ আলী মোর্শেদ”। তিনি আমাদের গর্ব । সব সরকারের আমলেই তিনি বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। তার পিতাও চেয়ারম্যান ছিল।তিনিও খুব ভাল মানুষ ছিলেন।
উল্লেখ্য যে বর্তমানে কোন ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে ভাল দিক তুলে ধরলে অনেকের মাঝেই এই ধারণা প্রচলিত আছে যে কোন স্বার্থ আছে! তাই অত্র প্রতিবেদন যাচাই করার জন্য রাজশাহীর প্রকৃত সাংবাদিক সমাজের প্রতি উদ্ধার্থ আহ্বান রইল।
দৈনিক প্রথম সকাল পরিবারের পক্ষ থেকে চেয়ারম্যান জনাব মোঃ সাইদ আলী মোর্শেদ'কে জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন
আপনার মতামত লিখুন